লালন (২০০৪) ~বনাম~ মনের মানুষ (২০১০)

{ ক্ষুদ্র মস্তিষ্কে বিশ্লেষণের অপচেষ্টা }

পোষ্টের আগেই সতর্ক বাণীঃ কাহারো বাউল নিয়া কুনু প্রকারের চুলকানি খাউজানি থাকলে এইখানে আইসা লুল না ফ্যালানোই ভালো।

“বাড়ির পাশে আরশী নগর
সেথা পড়শী বসতকরে,
আমি একদিনও না দেখিলাম তারে”

আপনি কে?? এই প্রশ্ন যদি কেউ আপনাকে করে এর কি উত্তর দেবেন?? আসলেই কি আপনি জানেন আপনি কে? আপনার ভিতরের মানুষটিকে কি আপনি চিনতে পেরেছেন এতবছর অতিবাহিত করার পরেও?? চিন্তা করে দেখুন একবার।
এই নিজেকে চিনতে গিয়েই “ফকির লালন সাঁই” এর জন্ম।

“মিলন হবে কত দিনে
আমার মনের মানুষের সনে”

গানটা যখন শুনতে শুনতে মুখস্ত তখন বোঝার বয়স হয়নি আসলে গানের মর্মার্থ কি। তবে ছোট বেলায় আমার বাবার লালন সাঁই এর গানের প্রতি আকর্ষণ থেকেই আমার লালনের গান শোনার শুরু। আর সেই সাথেই অনেকগান শোনা। তারপরে অল্প কিছুটা বড় হলাম যখন ২০০৪ সালে তানভীর মোকাম্মেলের “লালন” সিনেমাটি মুক্তি পায়। মুক্তির কিছুদিন পরে ঈদের সময় মনেহয় কোন এক চ্যানেলে দেখায় সিনামাটি। আমার বাবার সাথে আমি পুরাটা সিনেমাই দেখি। অসাধারণ কিছু গান যা দিয়ে মন ভরে যায় তখন। তখনও মনেহয় ঠিক মতন কিছুই বুঝি না। গত কয়েক সপ্তাহ আগে হঠাৎ মনে হল “লালন” সম্পর্কিত কিছু দেখবো। স্বাভাবিক ভাবেই “মনের মানুষ” নামক বাংলাদেশ আর ইন্ডিয়ানদের সম্মিলিত চেষ্টায় (আসলে গান গুলা ইন্ডিয়ান দের সংগ্রহে থাকলে মনেহয় বাংলাদেশীদের ছাড়াই বানাতো, – ব্যাক্তিগত মত) বানানো সিনামার কথা মনেহয়। আশা নিয়া সিনামা দেখতে বসাও হইলো। তারপরে যা দেখলাম তাতে গান ছাড়া আর প্রসেনজিৎ এর অভিনয় ছাড়া আর কিছুই মনে ধরে নাই বললে বোধকরি আমার বেশিই বলা হবে। কাহিনীর সবকিছুই কেমন যেন কোন কিছুই মিলাতে পারছিলাম না। তারপরে “লালন” সিনেমাটি আবার যোগার করা আর সাথেসাথেই দেখেফেল্লাম। আর তারপরে গৌতম ঘোষকে গালি দেওয়া ছাড়া আর কিছুই মনে আসে নি।

লালন সাঁই, বাউল আর ফকির দুইটি নামেই বেশ পরিচিত। এই উপমহাদেশে প্রথম “মহাত্মা” উপাধী দেয়া হয় তাকে। তার নিজের জীবন সম্পর্কে কোন সঠিক বিবরণ পাওয়া যায় না। তিনি হিন্দু না মুসলিম ছিলেন তা কারোই জানা ছিল না। তার নিজস্বতা ছিল মানব ধর্মে আর অসাম্প্রদায়িকতায়। মানুষের মাঝেই লুকিয়ে আছে তার নিজের ঈশ্বর, এটিই ছিল লালনের মূলনীতি। এই নীতি তার বিভিন্ন গানের মাধ্যমেই চলে এসেছে যার একটি—
“মানুষ ছাড়া ক্ষ্যাপারে তুই মূল হারবি
মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি।”

শুধু তাই নয়, লালন তার নিজগুনেই আয়ত্ত করেন তান্ত্রিকতা, হিন্দু শাস্ত্র সহ ইসলামের বিভিন্ন দিক। এইসকল ব্যাপার আমরা তার সৃষ্টি দেখেই সহজে ধারণা করতে পারি। কিন্তু এইসকল ব্যাপারের কিছুই আমার আলোচ্য বিষয় নয়। ব্যাপারটা হল আমরা যেকোন মনগড়া গল্প নিয়ে সিনামা বানাতেই পারি। কিন্তু সেই মনগড়া ব্যাপারটা যদি হয় “ফকির লালন সাঁই” তখন মেজাজ অসাধারণ রকমের খারাপ হওয়াটাই স্বাভাবিক। যেই সিনেমা দেখে দর্শকরা শুধু ভুল কিছুই জানবে লালন সাঁই সম্পর্কে। ভুল জানবে তার দর্শন সম্পর্কে। কিছু কাল্পনিক চরিত্র যোগ করা হয়েছে শুধুই “মাল-মসল্লা”(শব্দটা ব্যাবহার করতে চাইনি, কিন্তু যা বুঝাতে চাই তার জন্যে এর চেয়ে উপযুক্ত কিছু পাইনি) বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই মাত্র। আর পাওলী দাম কে কি কাস্ট করাই হয়েছিল তাহার আবেদনময়ী চরিত্রের কারণে !! সিরাজ সাই এর চরিত্রের -“নারী কেবল আনন্দ সহচরী” এই বাক্য উচ্চারণের সাহস কিভাবে হল আমার বোধগম্য হয়নি। এছাড়াও “আকাশটা কাপছিল ক্যান” টাইপের একটা গান ব্যাবহ্রিত হয়েছে যা কিনা লালনের গান নয়। আর এই সিনেমা দেখে সাধারণ মানুষের কি ধারণা হবে? লালনের সাথীরা বা লালন ইচ্ছারূপ যৌনাচারে লিপ্ত হতে পারে। যা কিনা সম্পুর্ণ রূপে ভুল ধারণা। আর এক জায়গায় দেখা গেল লালন সাঁই তার সাথীদের নিয়ে একতারা ফেলে লাঠি নিয়ে মারামারি শিখছে !!! সম্পুর্ণ হাস্যকর এই ব্যাপারটা কারো মাথায় কিভাবে আসে লালনকে চিত্রায়িত করতে গিয়ে !!! এই সকল জিনিষ দেখার পরে আর আগানোর ইচ্ছা ছিল না। কিন্তু শুরুতেই যে বললাম আমাকে আকর্ষণ করে লালনের গান গুলোই। সেই টানেই ঝুলে রইলাম। অন্তত পক্ষে গান গুলো আসলেই বাউলদের দিয়েই গাওয়ানো হয়েছে এতেই আমি খুশি। কোনো হিপ-হপ টাইপের ব্যান্ড দিয়ে করালেও অবাক হওয়ার কিছু ছিল না।

এবার আসি “লালন” সিনেমাটি তে।
তানভীর মোকাম্মেলের “লালন” সিনেমাটি নিয়ে বলার কিছু নেই। ভালো লেগেছিল আগেও। এবার দেখার পরে যেন আরো ভালোই লাগলো। অন্তত পক্ষে বিকৃত মানিসিকতার মানুষ হিসেবে লালন কে উপস্থাপন করেননি মানুষের কাছে। রাইসুল ইসলাম আসাদের অভিনয় অসাধারণ ভালো লাগলো লালন চরিত্রে। এই চলচ্চিত্রে বেশ কিছু সত্যিকার বাউল দিয়ে অভিনয়ও করানো হয়েছে, যা বেশ সাবলীল মনে হয়েছে। আর গানের কথা কি বলবো। বলার মতন কিছুই নাই। শুধু মন দিয়ে শুনতে হবে। তবে এই সিনেমাটি দেশে যতটানা মানুষ পছন্দ করেছে দেশের বাইরে তারচেয়েও বেশী সারা ফেলেছিল সেই সময়ে। শুধু দেশের বাইরে সারা পাওয়ার একটাই কারণ। তখনকার বাংলা সিনেমার যে বিভীষিকাময় সময় যাচ্ছিল তাই। তা আর মনে করতে চাই না। মানুষ হলে গিয়ে সিনেমা দেখা প্রায় ভুলেই গিয়েছিল।

আসলে এই পোষ্ট উদ্দেশ্যহীন। শুরুতে কি উদ্দেশ্য নিয়ে লিখতে বসেছিলাম এখন মনে নেই। পোষ্ট যেই দিকেই যাক “লালন” বেচে থাক শতাব্দীর পর শতাব্দী তার গান ও দর্শনের মাধ্যমে।
মাঝে মাঝে বাউল হইতে সাধ জাগে। কিন্তু সাহসে কুলায় না। হয়তো কোন একদিন সাহস যোগার হবে।

“লালন (২০০৪)”
পরিচালকঃ তানভীর মোকাম্মেল
চিত্রনাট্যঃ তানভীর মোকাম্মেল
ধরণঃ মিউজিক্যাল
নিবেদকঃ অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু
সঙ্গীতঃ সাঈদ সাবাব আলী আরজু
অভিনয়েঃ রাইসুল ইসলাম আসাদ, ইয়াসমীন তামান্না তিথি, শমী কায়সার, আজাদ আবুল কালাম, রামেন্দু মজুমদার, চিত্রলেখা গুহ সহ আরো অনেকেই।

মনের মানুষ (২০১০)
পরিচালকঃ গৌতম ঘোষ
চিত্রনাট্যঃ গৌতম ঘোষ, সুনীল গঙ্গোপ্যাধ্যায়(উপন্যাস)
ধরণঃ মিউজিক্যাল
প্রযোজকঃ গৌতম কুন্ড
সঙ্গীতঃ গৌতম ঘোষ
অভিনয়েঃ রাইসুল ইসলাম আসাদ, প্রসেনজিৎ, রোকেয়া প্রাচী, চঞ্চল চৌধুরী, পাওলী দাম, তাথৈ, হাসান ইমাম সহ আরো অনেকেই।

আরো অনেককিছুই জানতে পারবেন এইখানেঃ http://bn.wikipedia.org/wiki/লালন

✘✘✘ দয়া করে কোন বাংলাদেশী মুভির ডাউনলোড লিংক শেয়ার করবেন না। বাংলা মুভি সিনেমাহলে গিয়ে অথবা অরিজিনাল ডিভিডি কিনে দেখুন। দেশের চলচ্চিত্র রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করুন।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২৪ thoughts on “লালন (২০০৪) ~বনাম~ মনের মানুষ (২০১০)

  1. মনের মানুষ আসলে সুনীল
    মনের মানুষ আসলে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা উপন্যাসের আলোকে তৈরী। এখানে প্রধান চরিত্র যেহেতু কাল্পনিক, তাই এখানে লালন সাঁইজির নাম নিয়ে অপরাধ করা হয়েছে বলে আমি মনে করি। কাহিনীটা মনগড়া, এখানে লালনকে ব্যবহার না করলে জনপ্রিয়তা পাবে না ভেবেই বোধহয় এই অপরাধটা করা হয়েছে।

    1. ভাই আমিও এক মত। কখনো যদি
      ভাই আমিও এক মত। কখনো যদি রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে এই এক অবস্থা হয়, সবাই লাফাইয়া পরবে, কিন্তু লালন বইলাই কেউ টু শব্দ করে নাই। কারণ বেশীরভাগ মানুষ লালনের দর্শণ আর জীবনী সম্পর্কে অবগত না।

      1. “বেশীরভাগ মানুষ লালনের দর্শণ

        “বেশীরভাগ মানুষ লালনের দর্শণ আর জীবনী সম্পর্কে অবগত না।”

        খালি একটা শব্দ দিলেই সম্পূর্ণ একমত হতুম, তা হলঃ অপ্রত্যাশিতভাবে অবগত না।

        1. এইটা কিন্তু অপ্রত্যাশিত নয়।
          এইটা কিন্তু অপ্রত্যাশিত নয়। লালনের লালন হয়ে ওঠার পর থেকেই কিন্তু সাধারণ মানুষ বাউলদের অন্য চোখে দেখে, এবং এই বেশীরভাগ মানুষ ভবিষ্যতেও দেখবে। আমাদের মতন গুটিকয় মানুষ তার প্রতিবাদ করে যাবে।

          এইটাই বাস্তবতা।

          যেভাবে ধরমান্ধ মানুষ অশিক্ষিত মানুষদের ধর্মের দোহাই দিয়ে ব্যাবহার করে ব্যাপারটা অনেকাংশেই সে রকম।

  2. “মনের মানুষ” এ প্রসেনজিত এর
    “মনের মানুষ” এ প্রসেনজিত এর অভিনয় অসাধারণ ছিল।
    “লালন” দেখা হয় নাই। দেখার চেষ্টা করবো

  3. ক্ষুদ্র মস্তিষ্কে বিশ্লেষণের
    ক্ষুদ্র মস্তিষ্কে বিশ্লেষণের অপচেষ্টা এটা নাহ । খুবই সুন্দর বিশ্লেষণ করেছেন । :খুশি: :খুশি: :খুশি:

  4. ‘মনের মানুষ’ সিনেমাটি আমার
    ‘মনের মানুষ’ সিনেমাটি আমার দেখতে খারাপ লাগেনি। ইতিহাস হয়তো অক্ষুন্ন রাখা হয়নি কিন্তু এমনিতেও লালন তো জন্মের পর পরই মহাপুরুষ হয়নি।

    1. এইখানে জন্মের পরের কথা বলিনি
      এইখানে জন্মের পরের কথা বলিনি কোথাও। আর মহাপুরুষ হতে আমৃত্যু অপেক্ষা করতে হয় না। যারা মহাপুরুষ, তাদের জন্মের পর থেকেই বোঝা না গেলেও, অল্প বয়সেই চেনা যায়।

      মনের মানুষ সিনামা সাধারণ মানুষকে লালন আর সিরাজ সাঁই সম্পর্কে সম্পূর্ণ ভুল ধারণা দেয়। যে কারণেই অনেক মানুষ লালন এবং বাউলদের ভালো চোখে দেখে না।

      লালন এর দর্শন সম্পর্কে জানুন, আশা করি ভুল ধারণা থেকে থাকলে দূরীভূত হবে।

      ধন্যবাদ

  5. দুটো মুভিই দেখেছি। তানভীর
    দুটো মুভিই দেখেছি। তানভীর মোকাম্মেলের ছবিতে একধরনের বাউল লৌকিকতা ছিল অন্যদিকে গৌতমের ছবির কিছু সিন অশ্লীলই লাগছে। বিশেষ করে পাওলী দামের প্রসেনজিৎ এর লিঙ্গ ধরার ব্যাপারটা।
    আর সালাই ডায়ালগ গুলা কি ইউজ করছে, বাউল সম্পর্কে মানুষের ভাল ধারনাই পাল্টে দিবে।

    1. এইখানেই আমার সমস্যা। পাওলী
      এইখানেই আমার সমস্যা। পাওলী দামের যেই চরিত্র ছিল, সেইটা সম্পূর্ণ কাল্পনিক। আর মানুষ না জাইনা, না বুইঝাই দেখছে। এবং বিশ্বাস করছে।

  6. আসলে গৌতম ঘোষ পরিচালিত মনের
    আসলে গৌতম ঘোষ পরিচালিত মনের মানুষ চলচিত্রটি একটি উপন্যাস থেকে নেওয়া হয়েছে। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের “মনের মানুষ” উপন্যাস থেকে। এখানে লেখক তার কল্প শক্তি ব্যাবহার করে লালনের একটি রুপরেখা অংকন করেছেন। এখানে বলে রাখা ভালো সুনীল জি তার কল্পনার লালনকে দেখিয়েছেন। যেটা হয়তো আজকের দর্শনের লালনের সাথে অমিল থাকতে পারে। আবার তা থেকে যখন চলচিত্র তৈরি হয়েছে তখন চলচিত্রের স্বার্থে নির্মাতা কিছুটা পরিবর্তন এনেছে। আসলে কল্পনা আর বাস্তবতার মাঝে পার্থক্য আছে। একজন নির্মাতার কাজ হোল আর অবস্থান থেকে চলচিত্র টাকে বাস্তবে রূপান্তর করা। সেখানে একটু ঘাটতি আছে বলে আমিও মনে করি ।

  7. মনের মানুষ দেখে ভালো লাগে
    মনের মানুষ দেখে ভালো লাগে নাই। যারা বলছে প্রসেনজিতের অভিনয় ভালো হইছে তারা না বুঝেই বলেছে। কারন আমার দাদার বাড়ি কুষ্টিয়া। প্রসেনজিত কুষ্টিয়ার ভাষা বলতে গিয়ে গুবলেট করে ফেলছে। পুরা অভিনয়ে একটা আরোপিত ভাব ছিল। আর গানের কথা আর কি বলব? একটা মুভিতে গান আসে কাহিনীর প্রয়োজনে। আর মনের মানুষ মুভিতে কাহিনী এসেছে গানের প্রয়োজনে।
    মজার কথা হচ্ছে মনের মানুষ মুভিটা আমি আর আমার এক বড় ভাই একসাথে দেখেছিলাম। দেখার পর দুইজনেরই অভিব্যক্তি ছিল- “জীবনে এই প্রথম কোন বাজে সিনেমা দেখে খুশী হইলাম”। :ভেংচি: কারণটা হচ্ছে মুভি দেখার আগে আমাদের মধ্যে একটা অনুভূতি কাজ করছিল মনের মানুষ কি তানভীর মোকাম্মেলের “লালল” মুভিকে ছাড়িয়ে যেতে পারবে? ছাড়িয়ে যাওয়া তো দূরের কথা, ধারে কাছেও যাইতে পারে নাই। গৌতম ঘোষের কাছ থেকে আরও ভালো কিছু আশা করেছিলাম। আপনার বিশ্লেষণ ভালো লাগল।

    1. “একটা মুভিতে গান আসে কাহিনীর
      “একটা মুভিতে গান আসে কাহিনীর প্রয়োজনে। আর মনের মানুষ মুভিতে কাহিনী এসেছে গানের প্রয়োজনে।”

      এইটা ভালো বলছেন। 🙂

      ধন্যবাদ 🙂

  8. { ক্ষুদ্র মস্তিষ্কে
    { ক্ষুদ্র মস্তিষ্কে বিশ্লেষণের অপচেষ্টা }

    পোস্টের শুরুতেই এই মিথ্যাচারের জন্য আপনাকে ৪৮ ঘণ্টার(!) মধ্যে গ্রেফতার করা হবে…

    1. হে হে হে আমার মস্তিস্ক
      হে হে হে 🙂 আমার মস্তিস্ক আসলেই ক্ষুদ্র ভাই 🙁 মিথ্যাচার নহে। আর বিশ্লেষণের জন্যে কোয়ালিটি লাগে, যাহা আমার মাঝে অনুপস্থিত। 😛

      1. একজন স্বাভাবিক মস্তিষ্কের
        একজন স্বাভাবিক মস্তিষ্কের পূর্ণবয়স্ক মানুষের ভরের তুলনায় সবার মস্তিষ্কই ক্ষুদ্র বটে!
        আর আপনি যদি হন স্থূলকায় তবেতো কথায় নাই…
        কিন্তু লিখায় আপনার সম্পর্কে ওতটা ক্ষুদ্র ধারনা দেয় না!!
        পড়ে ভাল লাগল… মনের মানুষ দেখি নাই বলে ভাল লাগছে!
        তবুও দেখে ফেলব একদিন!! :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে:

        1. আমি যথেষ্ট স্থুলকায়, সেই
          আমি যথেষ্ট স্থুলকায়, সেই বিষয়ে কোন সন্দেহ রাখবেন না। 😀

          মনের মানুষের গান গুলো শুনতে পারেন। বাংলাদেশী শিল্পী বেশিরভাগ। ভালো লাগবে।

          শন্যবাদ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

77 + = 83