সংগ্রামী উপকূলবাসীর জয় প্রত্যাসন্ন ও অবধারিত

গত দু-তিন দিন আমার গ্রামের বাড়ির (সন্দ্বীপের) অনেকের সাথে কথা বলেছি। এর মধ্যে বন্ধু- প্রতিবেশী আত্মীয়ও আছে। আমি অফিসে কথা বলে বড় ধরনের দুর্যোগ পরবর্তীতে যাওয়ার জন্যেও প্রস্তুত ছিলাম। আজ ওইসব ফোনালাপের কিছু তিক্তকর অভিজ্ঞতা বলছিঃ
ক) সরকার কাজটা ঠিক করে নাই; অযথায় একটা মাজারি ঝড়ের জন্যে এত ব্যাপক প্রস্তুতির কোন দরকার ছিল না।
খ) মিডিয়া আর সরকার এক হয়ে জনগণের মনে ভীতির সঞ্চার করেছে। রাজনৈতিক অনেক ইস্যুর ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেছে।

এইধরনের কথা শুনে জাস্ট দুটা কথা জিজ্ঞেস করলামঃ
ক) সিডর বা ১৯৯১ সময় কত সিগন্যাল ছিল? উঃ ১০, আজ কত? উঃ ৭।
বললাম আপনি নিজের পেটের আওয়াজে পাগলের মত ছুটলে সরকারের দোষ কি? (চুপ)
খ) রানা প্লাজা বিপর্যয়ে কত প্রানহানী হল? উঃ১২০০ এর মত! এইবারও যদি বড় ধরনের কোন প্রানহানী ঘটে দায় কে নিবে? সরকার বা মিডিয়াও কি তাদের দায়িত্ব এড়াতে পারবে? উঃ না,তা ঠিক আছে, তাই বলে এমন হৈচৈ করব খামখা? আবার প্রথম প্রশ্ন করলাম? (মহাসেন্য নিরবতা…)

এর থেকে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললামঃ
ক) বিপদেও ছাগলের সাথে কথা বলতে নাই…
খ) শুধু বড় ভার্সিটির বড় ডিগ্রিই মানুষকে শিক্ষিত করতে পারে না…
গ) যারা ইতিমধ্যে সব বিবেকবোধ বিসর্জন দিয়ে ছাগাদর্শে দীক্ষিত হইছে তাদের মানুষত্ব চিরতরে বিদায় নিছে! এরা উলুবন না ঘাস-লতা-পাতা-প্রানহীন মরুভূমির থেকেও অনূর্বর…

যা হইছে ভালই হইছে। সাবধানের মাইর নাই! এক লাখ মানুষের কিছুক্ষণের কষ্ট যদি ১০টা জীবনও বাঁচাই তাও কম কি? আজ হতাহতের সংখ্যা ৯ এর অধিক, এতটা সচেতন না করলে বা সাবধানতা অবলম্বন না করলে আজ মৃতের সংখ্যা অনেক বেশী হতে পারত। আমি জনপ্রশাসনকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই এতটা ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়ার জন্যে । আংশিক বিপর্যয় বা ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উপকূলবাসী স্বাভাবিক জীবনে অচিরেই ফিরবে আশা করি।
সংগ্রামী উপকূলবাসীর জয় প্রত্যাসন্ন ও অবধারিত…

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১২ thoughts on “সংগ্রামী উপকূলবাসীর জয় প্রত্যাসন্ন ও অবধারিত

  1. এরা সর্বদাই সবকিছুর দোষ খুঁজে
    এরা সর্বদাই সবকিছুর দোষ খুঁজে বেড়াবে। বিশেষত যদি ক্ষমতায় থাকে একটা নির্দিষ্ট দল। এদের কথা গোনায় ধরে লাভ নেই…

    1. ভাই খুব কাছের ছাগ বান্দব এক
      ভাই খুব কাছের ছাগ বান্দব এক আত্মীয়কে ফোন করে পুরাই বেকুব হইয়া গেলাম!!
      বলে কি এইসব? আবার বিকালে BUET এর ছোট ভাইয়ের সাথে কথা হল, তার মুখে এমন কথা ভয়ংকররকম অপ্রত্যাশিত ছিল!! তার জন্যেই এই লাইনটাঃ

      “শুধু বড় ভার্সিটির বড় ডিগ্রিই মানুষকে শিক্ষিত করতে পারে না”

        1. এদের আমি নাম দিয়েছি ‘বিবেক
          এদের আমি নাম দিয়েছি ‘বিবেক প্রতিবন্ধী’…
          এরা মানব সমাজ-সভ্যতার জন্যে অভিশাপ!!
          :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ:

  2. সব কথার মূল কথা_——- যারা
    সব কথার মূল কথা_——- যারা ইতিমধ্যে সব বিবেকবোধ বিসর্জন দিয়ে ছাগাদর্শে দীক্ষিত হইছে তাদের মানুষত্ব চিরতরে বিদায় নিছে! এরা উলুবন না ঘাস-লতা-পাতা-প্রানহীন মরুভূমির থেকেও অনূর্বর...

  3. প্রস্তুতি না নিলে আরও ব্যাপক
    প্রস্তুতি না নিলে আরও ব্যাপক প্রাণহানি ঘটত। তখন এই ছাগুর পালই হামলে পড়ত ফেসবুকে, বাকশালি সরকারের পিণ্ডি চটকাতে। অমানুষে পরিণত হয়েছে দেশের একটা সম্প্রদায়।

    1. যথার্থ ভবিশ্যতবাণী! !!! যাদের
      যথার্থ ভবিশ্যতবাণী! !!! যাদের লোলিত দৃষ্টি থেকে বাপ-মেয়ে ও বাদ যায়না তারা যে কি ছড়াইত খোদ আল্লাই মালুম।

  4. ১ জন মরলে সরকার বারাবারি করসে
    ১ জন মরলে সরকার বারাবারি করসে বেশি আর ১০০০ জন মরলে সরকার কিছুই করে নাই তাই এত মানুষ মরলো পাগলরা সবসময় পাগলের প্রলাপি ছারে…
    বাবারে তোমরা যতি এতই ভালো জানো তাইলে তোমরাই নামো না ঘরে বইশা ফেসবুকিং কইরা লাভ কি???

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

36 − = 27