ছবির গল্প: ভায়োলিন দিয়াগো


ছবিটায় ভায়োলিন হাতে অশ্রুসিক্ত যে ছেলেটাকে দেখছেন, তার নাম দিয়াগো ফ্রাজাও তর্কুয়েতো (Diego Frazão Torquato) উচ্চারণ ভুল হতে পারে, তাই ইংরেজিটাও দিচ্ছি)। ব্রাজিলের এক বস্তিতে জন্ম নেওয়া এই ছেলেটাকে মানুষ চিনতো ‘ভায়োলিন দিয়াগো’ নামে।

ছবিটা যখন তোলা হয়, তখন দিয়াগোর বয়স ১২। যে শিক্ষক তাকে ভায়োলিন বাজাতে শিখিয়েছিল, সুরের মধ্য দিয়ে দারিদ্রতা ও সন্ত্রাসকে জয় করা শিখিয়েছিলো, সেই শিক্ষকের (ইভান্দ্রো জোয়াও সিলভা) মৃত্যুতে কান্নাভেজা চোখে দিয়াগো ভায়োলিন বাজাচ্ছে। দিয়াগোর ওই শিক্ষক সন্ত্রাসীদের হাতেই খুন হয়েছিলো।

দরিদ্র পরিবারে বেড়ে ওঠা দিয়াগো নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ায় স্মৃতিশক্তি দুর্বল ছিল তার। কিন্তু সে ভায়োলিনের সুর এতো ভালবাসতো যে অনেক কষ্টেও সে ভায়োলিন শিখেছিল, আশা ছেড়ে দেয়নি। আর ভেবেছিল, একদিন ভায়োলিনের কারণে সে বিশ্বটাকে দেখবে।

কিন্তু হায়, এই ছবিটা তোলার পরের বছরই সে লিউকোমিয়া রোগের কারণে মারা যায়। সে বিশ্ব ঘুরে দেখতে পারেনি, তার ছবি এখনো বিশ্বের মানুষ দেখে আর কষ্ট পায়।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

41 − = 39