অপ্সরি নারীর ফেসবুক ম্যাসেজ এবং মিসকল!

?_nc_eui2=v1%3AAeHzBZynJDYe4h8iY9UyF-kEgaHwwmzWbSkWqzb3HNJrgIsigZI2JYxuh6X8wUy6seCRqlc9IWD-AoMn1xkdW56XnByJcjzNVqi_8yvLw8Fqmw&oh=1e4e1e6e4a4a9c033ec09b7602b2055b&oe=5A0A2B76″ width=”500″ />

ঢাকার অভিজাত হোটেল শেরাটনের ৫০৬ নম্বর কক্ষে নক করতেই একুশে পা দেয়া অপ্সরি টিনা ভেতর থেকেই বললো -“কাম ইন”!
দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকতেই আমার দিকে চেয়ে বিস্ময়ে চোখ বড় করলো চোখ ধাঁধাঁনো সুন্দরি টিনা। সে চিন্তাও করতে পারেনি, আমিই যমদূতের মত দাঁড়াবো তার সামনে এভাবে এখন এখানে। আসলে তাকে ফোন করেছিল মুস্তফা জুয়েলার্সের মালিক মুস্তফা কামাল নিজেই। একটা হীরকখচিত দামি স্বর্ণের হার বিক্রি করবে টিনা। দাম নির্ধারিত হয়েছে ১৫-লাখ টাকা। টিনা নিরাপত্তার কারণে দোকানে যেতে রাজি হয়নি মোস্তফার। তার এক কথা, নেকলেসটি নিতে হলে হোটেলে তার রুমে এসেই নিতে হবে নগদ টাকা দিয়ে। প্রায় ৫০-লাখ টাকা দামের দুবাই থেকে আনা ২২-ক্যারেটের এ অভিজাত হারটি ১৫-লাখ টাকায় পেয়ে অবশেষে হোটেল থেকেই ডেলিভারি নিতে রাজি হয় মুস্তফা। মুস্তফা এ লাইনে আমার অনেক দিনের পুরনো বন্ধু। তাই টিনাকে ধরতে আমাকে এ উপকারটুকু করতে রাজি হয় আমার পুরনো বন্ধু হিসেবে। এবং সে-ই আমার হয়ে টিনার সাথে পুরো টাইমটা সেট করে হার কেনার।
:
টিনাকে কখনো চিনতাম না আমি। নিজের ‘জুয়েলারি’ আর ‘স্টোনস’ ব্যবসা নিয়ে খুব বিজি সময় পার করছিলাম আমি। বাবার পৈত্রিক ব্যবসা হিসেবে বিদেশে লিটারেচারে উচ্চতর ডিগ্রি নেওয়ার পরও এ ব্যবসাতেই ঢুকেছি আমি। এবং স্বর্ণের ব্যবসায় বলতে গেলে বাংলাদেশে দশজনের মধ্যে আমার বাবা আর আমি অন্যতম এখন। সম্ভবত খোঁজ নিয়ে এটারই একটু সুযোগ নিতে চেয়েছিল চতুর টিনা। একদিন একটা ‘মিসকল’ এলো আমার সেলে। কৈশোর থেকে কারো ফোন পেলে ‘কল-ব্যাক’ করা অভ্যেস আমার। তাই অপরিচিত নাম্বার দেখেও কল করলাম আমি। মিষ্টি কন্ঠে ‘হ্যালো’ বললো টিনা।
বললাম – ‘কে বলছেন, কাকে চাই’?
– ‘ফোন করলেন আপনি, আর বলছেন কাকে চাই? আপনি কে বলছেন’?
রূঢ় নারীকণ্ঠ শুনে আমতা আমতা কণ্ঠে বললাম – ‘আমার নাম আকাশ। আপনার নম্বর থেকে মিসকল পেলাম, তাই কল করেছি’।
– ‘ফাজলামোর যায়গা পাননা? মেয়েদের ফোন করার বাহানা? আপনার মতো ছেলেদের চিনি আমি’!
– ‘না না আপনি আমাকে ভুল বুঝছেন’।
– ‘না আপনাকে কখনো কল করিনি আমি। মিথ্যে বলছেন আপনি। আপনার নামে কমপ্লিন করবো আমি পুলিশে। দুদিন হাজতে থাকলে উচিৎ শিক্ষা হবে আপনার রোমিও আকাশ মিয়া’।
এবার কিছুটা ভয় পেয়ে বললাম – ‘দেখুন আপনার কল এখনো ওঠা আছে আমার মোবাইলে। চাইলে দেখে যান আপনি। আমি সত্যি বলছি, নাকি মিথ্যে’?
– ‘আমি যাবো কেন অপরিচিত আপনার কাছে? আপনি এসে দেখিয়ে যাবেন আপনার ফোন আমাকে। না দেখাতে পারলে পুলিশে রিপোর্ট করবো আমি। আমার বাবা ডিসি পুলিশ। বুঝলেন কার মেয়ে আমি? তখন গুণবেন কত পেডিতে কত রাইস’!
বিদেশে এসব ব্যাপারে খুব ঝামেলা হয়। তাই ঝামেলা এড়াতে বিনয়ের সাথে বলি – “ঠিকাছে। আপনার পুলিশে রিপোর্ট করতে হবেনা। কোথায় আছেন আপনি? এখনি আসছি ফোন নিয়ে আপনার কাছে”।
:
যমুনা ফিউচার পার্কের ‘ব্লকবাস্টারে’ দেখলাম ছ’ফুট লম্বা ফুটফুটে স্কাট পরা টিনাকে। কাছে গিয়ে প্রথমেই নিজের আইফোন খুলে ‘মিসকল’ দেখালাম তাকে বিনয়ের সাথে। রিণরিণে হাসি মুখে টেনে বার-বার এবার ‘সরি’ বললো টিনা। জানালো
– ‘কিভাবে এমনটা হলো বুঝতে পারছিনা। আসলে আপনাকে অনেক খারাপ কথা বলেছি। প্লিজ ক্ষমা চাইছি! সরি! সরি’!
ঢাকাতে এতো সুন্দরি মেয়ে এর আগে চোখে পড়েনি আমার। পরিবারের একমাত্র ছেলে হিসেবে অনেকবার বিয়ের কথা তুলেছিল মা-বাবা আমাকে। কিন্তু এবার কেন যেন মনে হলো, এমন মেয়েকেইতো খুঁজেছি আমি। বনলতা সেনের কথা মনে হলো জীবনানন্দ দাশের – “এতোদিন কোথায় ছিলেন নাটরের বনলতা সেন”! এ কি তবে আমার স্বপ্নের সেই ‘বনলতা সেন’! কথার ঝঙ্কার তুলে কারপার্কিং পর্যন্ত এলো টিনা আমার সাথে। বিদায়ের আগে ‘হ্যান্ডসেক’ করলো ইউরোপিয়ান রীতিতে বন্ধুদের মত। খুব ভাল লাগলো আমার টিনার সাথে মাত্র এ কটা মূহূর্ত। বিশেষ করে ওর স্বর্গীয় অপ্সরির মত হাঁটা, কথা আর ঝিকিমিকি ঠোঁটে দাঁতের উজ্জ্বল হাসি।
:
সপ্তপদি ব্যস্ততায় দুদিনেও আর কল করা হয়নি আমার। কিন্তু টিনা কল দিলো এবার। আবার সেই মনোলোভা হাসিতে মোবাইল পুরোটা ভিজিয়ে বললো -“সরি বলার পরও ক্ষমা করেননি আমায়”?
– ‘আর না কি যে বলেন? আপনার সাথে যমুনাতে দেখা করে সব ভুলে গেছি আমি’।
– ‘এ কথাটা বিশ্বাস করবো, যদি কাল সোনারগাঁয়ে দেখা করেন আমার সাথে’।
পরদিন অনেক কঠিন কাজ ফেলে ঠিক দশটায় সোনারগাঁর ৩০৫ নম্বর কক্ষে দেখা করলাম টিনার সাথে। গল্প করতে করতে ওয়েটার লাইট রিফ্রেশমেন্ট দিলো আমাদের। সকালে বলে ‘হার্ডড্রিংক’ নিলাম না আমি। তাই মিষ্টি হেসে নিজ হাতে টিনা ‘সফ্টড্রিংক’ তুলে দিলো আমার ঠোঁটে। একটু পরই কেমন যেন মাথা ঝিমঝিম করতে থাকলো আমার। টিনা কি কিছু মিশিয়ে দিয়েছে আমার পানীয়তে? কখন চেতনা হারালাম মনে নেই আমার। ‘সেন্স’ ফিরলে নিজেকে আবিস্কার করলাম খাটের সাথে হাত-পা বাঁধা আমার। অদূরে টিনা দাঁড়িয়ে। পাশে সেই অপরিচিত ওয়েটার। যে একটু আগে ‘ড্রিংকস’ নিয়ে এসেছিল ট্রেতে আমাদের জন্যে।
:
হ্যা, তার কথামত কানের কাছে ধরা মোবাইলে বললাম বাবাকে, যেন টিনার কাছে ৫০-লাখ টাকা দেয় বাবা। আরো বললাল – “কিডন্যাপ, হয়েছি বাবা আমি। টাকাটা দাও, নাহলে ওরা মেরে ফেলবে আমাকে”। কিন্তু ওয়েটার বললো – “টিনাকে না, আমি যাবো টাকা আনতে। আমার কাছে দেবে টাকা। না হলে ছেলের কিডনি পাবে তুমি খামে ভরা কালই “। ওয়েটার কামাল টাকা আনতে গেলো আমার বাড়িতে। মা-বাবা ৫০-লাখ টাকা দিলেন ব্যাগে ভরে কিন্তু বললেন – “আগে ছেল দাও আমার, তারপর ব্যাগ দেবো”। ব্যাগ না পেয়ে এবার কামাল ফোন দিলো টিনাকে। চতুর টিনা বলল – “টাকা পেলে কি তুমি আমার যে নুড ভিডিও করেছো গোপনে তা মুছে দেবে”? কামাল কিছু বললো না টিনার এ কথার, বরং সে জোর করে মায়ের হাত থেকে টাকা ভর্তি ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে বের হতে দরজা খুলতেই পুলিশের সামনে পড়লো ব্যাগসহ। পুলিশ টাকার ব্যাগসহ গাড়িতে তুললো কামালকে। কিছু বলার সুযোগ দিলো না আমার মা-বাবাকে। কিন্তু টিনা চোখের জলে গাল ভিজিয়ে বললো – “সব ঐ পাজি ওয়েটারটা করেছে। সে প্রথমে গোপনে ওয়াশরুমে আমার বাথের ভিডিও করে তা ইন্টারনেটে ছাড়ার ভয় দেখিয়ে তোমার এ কাজে সহায়তা করতে বাধ্য করেছে আমায়। বিদেশে পড়ালেখা করা সরল আমি টিনার এ চাতুরী বুঝতে না পেরে পুরো বিশ্বাস করলাম তাকে। বললাম – “কেঁদোনা তুমি, আমার সাথে চলো আমার বাড়িতে, মা বাবার কাছে”! সব শুনে মা বাবা বুকে টেনে নিলো টিনাকে। বললো -“আমার ছেলে যেহেতু পছন্দ করেছে তোমাকে, তাই তুমি আমাদের মেয়ে”!
:
থানায় না গিয়ে পূর্বাচল উপ-শহরের একটা জঙ্গলে গাড়ি থামালো পুলিশ। এবার পুলিশের ড্রেস খুলে ওরা ফেলে দিলো জঙ্গলে। কিন্তু অস্ত্র বের করে ওয়েটার কামালকে বললো – “আমাদের পুলিশের পরিচয় নকল কিন্তু অস্ত্রটা আসল। তাই যা-যা বলতে বলি, তা ঠিকঠাক বল আকাশকে। তারা জঙ্গলে হাত-পা বেঁধে কামালকে দিয়ে আমাকে বলালো – “যদি আরো ৫০-লাখ না দাও, তবে টিনার ভিডিও সব ছেড়ে দেবো আমি নেটে”। শুনে নানা কথার পর আমি বললাম – “৫০-লাখ এখন নগদ নেই আমার কাছে। কিন্তু ৫০-লাখের একটা হীরার নেকলেস দিতে পারি তোমাকে। তবুও একটা মেয়ের এমন ক্ষতি তুমি করোনা প্লিজ”!
আমি আর টিনা যখন ঐ নেকলেস নিয়ে কাছাকাছি এলাম পূর্বাচলের, তখন আবার ওদের কথামত ওয়েটার কামাল বলল – “তুমি এসোনা এখানে। টিনাকে একা হার নিয়ে পাঠাও। নেকলেস পেলে তার সামনে সব ভিডিও মুছে ফেলবো আমি”।
আমার বারণ সত্বেও টিনা এগিয়ে গেল পূর্বাচলের দিকে আমার গাড়ি ড্রাইভ করে একাকি। আমি দাঁড়িয়ে রইলাম ৩০০-ফিট এক্সপ্রেস ওয়েতে। কখন হার দিয়ে টিনা তার নুড ভিডিও মুছে দিয়ে চলে আসে আমার কাছে ।
:
দুমিনিটের মাথায় ফোন করলো খিলক্ষেত থানার ‘ওসি’। বললো – “সুপ্তি জুয়েলার্সের আকাশ বলছেন? শুনুন টিনা নামে এক মেয়ে আছে আপনার সাথে? সে একটা মারাত্মক ফ্রৌড। তাকে ধরতে আসছি আমরা। সোনারগাঁ হোটেল থেকে শুনলাম আপনার সাথে হোটেল ছেড়েছে সে। আপনারা কোথায় আছেন এখন”?
পুলিশকে পূর্বাচলের কথা বলে হেঁটে হেঁটে বসতিহীন আবাসনের ভেতরে টিনাকে খুঁজতে থাকলাম আমি। কিন্তু ততক্ষণে প্রাচীরের পাশে দাঁড়িয়ে পাথর বনে গেছি আমি সব ঘটনা দেখে। বাড়িঘরহীন পূর্বাচলের একটা জঙ্গলমত যায়গায় ওয়েটার কামালের হাত-পা মুখ বাঁধা। তার সামনে গিয়ে টিনা বলছে –
– “তুই যেন আকাশ কিংবা কাউকে আমার সম্পর্কে কিছু না বলতে পারিস, তাই তোকে পাঠাচ্ছি সপ্ত আসমানে। আমি যেন আকাশের কাছে অপ্সরির মত “গুড গার্ল” হয়েই থাকতে পারি, তাই যা তুই! ওকে বলির বাখরা বানাবো আমি”!
কথা শেষ না করেই ধারালো চাকুর এক পোচে গলনালি কেটে দিলো কামালের। টিনার এ হত্যাদৃশ্যে কোমলহৃদয় আমি চিৎকার দিয়ে উঠলাম নিজের অজান্তে। বিস্ময়ে ভয়মিশ্রিত কণ্ঠে বললাম – “টিনা সুন্দরের আড়ালে এতোবড় ক্রিমিন্যাল তুমি! একটা মানুষকে হত্যা করলে মেয়ে হয়ে”?
– “ও তুমি দেখে ফেলেছো সব? এই রুস্তম, খালেক। ধর ওকে। ওরেও শেষ করতে হবে এখানেই। না হলে সব ফাঁস হবে আমাদের”!
নিজ প্রাণ বাঁচাতে এ সুনসান যায়গা থেকে এবার প্রাণপণে দৌঁড় দিলাম আমি ‘এক্সপ্রেস হাইওয়ে’র দিকে। পুলিশকে কল দিলাম দৌঁড়ানো অবস্থায়। বললাম
– “বাঁচান আমাকে। ওরা আমাকে মেরে ফেলবে”।
দুরে পুলিশের গাড়ির ‘সাইরেন’ শুনে আমার গাড়ি নিয়ে পালালো বহুমাত্রিক চতুর টিনা। খালিমাঠের পূর্বাচলে পালাতে গিয়ে পুলিশ ধরে ফেললো রুস্তম আর খালেককে। পূর্বাচলের ‘স্পটে’ই গণধোলাইয়ে ব্লাকমেইলের সব ঘটনা খুলে বললো টিনার ২-সহযোগি রুস্তম আর খালেক।
:
কিন্তু ততক্ষণে ৫০-লাখ নগদ প্লাস সমমূল্যের হীরের হার নিয়ে পালিয়েছে রূপ বিকিকিনি হাঁটের চতুরা রমণী টিনা। এবার ফাঁদ পাতলাম তাকে ধরার। দামী নেকলেস অবশ্যই সে বিক্রি করবে দামী কোন জুয়েলার্সে! তাই বন্ধু মোস্তফার সহায়তা নিতে হলো আমাকে।
:
শেরাটনের ৫০৬ নম্বর রুমে যখন ‘চার্জ’ করলাম টিনাকে, বলতে চাইলাম তার প্রতারণা আর খুনের কথা। ততক্ষণে সে তার পুরো জামাটা ছিঁড়ে ফেলেছে নিজেই একটানে। প্রচণ্ড হ্যাচকা টানে জামার সাথে ব্রা-টাও ছিঁড়ে ফেলে চিৎকার শুরু করেছে সে। একুশ বছরের সুন্দরি চতুরা টিনা অবলীলায় নিজের খোলা স্তন বের করে রাখলো সবার সামনে, যেন প্রমাণ করতে পারে তাকে ধর্ষণের উদ্যোগ নিয়েছি আমি। নিচের সিকিউরিটি আর পুলিশ আসলো মিনিট পাঁচেকের মধ্যে। আমার তাৎক্ষণিক আইফোনে ধারণকরা ভিডিও দেখে সবাই বিস্মিত হলো এ “সো-কলড” হাই সোসাইটির টিনার কর্মকান্ডে। আসলে টিনার মত কতনা সুন্দর মুখের মানুষ ঘুরছে নানাবিধ ফাঁদ নিয়ে আমাদের চোখের সামনে।
:
এসব সামাজিক দুষণে প্রদূষণের প্রতিকারে কতনা ইউনানি আয়ুর্বেদিক প্রতিকার খুঁজে মরি আমরা প্রতিনিয়ত। একটা চমকপ্রদ লোভাতুর মুখশ্রীর মাঝে প্রথম ভালবাসার মেকানিকের দ্রুতিমেদুর শ্রুতিকথন এখনো বার-বার হৃদয় আলোড়িত করে আমার । টিনা জেলে আছে এখন, তারপরো আমার যৌবনিক সময়ের বিলুপ্ত প্রেমজ নগরীর স্মৃতি হয়ে এ অপ্সরি প্রতারক নারীটি অনেকদিন জেগেছিল আমার স্মৃতির মেমব্রেনে। কিন্তু এসব অসুখের স্মৃতি নিটোল রমণীয় শরীরি-স্বাদের তেতো গন্ধে ভরা থাকে আমাদের বহুদিন বহুকাল! এ ঘটনা অনেককাল আগের। তারপরো এ অতশি কাহিনিকাব্য হয়ে অশরীরিরি টিনাকে মনে রেখেছি আমি ঋণাত্মক চিন্তনে। যার শব্দময়তা এক মূক মায়াবিনীর কুহক বজ্রপাতের মত বাজতে থাকে সপ্তপদি পথ চলার ভয় নিনাদে। প্রাত্যহিক জীবনের প্রতি পদে। ভয়াকুল মানুষের মৃতপরবর্তী পাতাল-প্রেতপুরের মরীচিকার মতই! তারপরো টিনা এবং আমরা যেন এ অনাথ মহাকাশমাঝে উদ্বাস্ত পৃথিবীতে পালন করে যাচ্ছি নিজ-নিজ জন্মজয়ন্তী কতনা প্রপঞ্চে! কতনা অনুসঙ্গে !
[গল্পটি ভারতীয় একটি সত্যি ঘটনার ছায়ার গল্পকারে লিখিত]

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “অপ্সরি নারীর ফেসবুক ম্যাসেজ এবং মিসকল!

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

52 − 44 =