মোটা দাগে ব্যাবচ্ছেদ :: ভার্চুয়াল ও রাজপথে রাজনৈতিক বিভাজন

গত পরসু অমি রাহমান পিয়ালের দেয়া একটা পোস্ট থেকেই আলচনার সূত্রপাত করছি। পিয়াল সাহেব প্রথমেই সুশীল বলে তাদেরকেই ইঙ্গিত করলেন ( তবে সুশীল শব্দটাকে যেন গালির মতই ব্যবহার করলেন মনে হল) যাদের ভেদাভেদ না করার কথায় তিনি ভেবেছিলেন “প্রস্তাব খারাপ না” । প্রস্তাবের সম্ভাবতা বঙ্গবন্ধুর দ্বারা স্বাধীনতার দুই বছরের মাথায় শুরু হওয়া ভেদাভেধহীন প্রস্তাবের নীতিতে আসার সিদ্ধান্তে পৌছোনর অনুরুপ, এই ভেবেই পিয়াল সাহেব বলেছিলেন প্রস্তাব খারাপ না। ঐ প্রস্তাব কাদের ছিল? বর্তমানে অর্থাৎ এখন উনি যাদের সাথে ভেদ টানলেন ও বয়কট করলেন; তাদের। অর্থাৎ প্রস্তাব খারাপ না বলার এবং এখন ভেদ টানার মাঝের সময়ে তারা একসাথেই ছিলেন। তারা উভয় পক্ষ একসাথে থেকেই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে বিপক্ষের শক্তিকে ভার্চুয়াল মিডিয়ায় আঘাত করার জন্য “” ছাগু পোন্দানী”” কর্ম প্রক্রিয়া চালিয়েছিলেন সহাবস্থানে থেকেই। আজকের এই ভেদের কারন কি তা আমরা বুঝে যাব দুটো পক্ষের ছাগু নির্নয় করার বৈশিষ্ট্য গুলোর পার্থক্য বুঝলেই।

বঙ্গবন্ধুকে যারা ভেদাভেধহীন রাজনীতির প্রস্তাব করেছিলেন এবং পরবর্তিতে তাদের পরিণতির সাথে বর্তমানে তিনি যাদের বর্জন করলেন তাদের তুলনা করেছেন। সেটা তিনি পারেন এবং শেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে তার আজকের এই সিধান্তের ক্ষেত্রে অনুরুপ বঙ্গবন্ধুর প্রস্তাব গ্রহনের পরের পরীণতি।সেই পরীণতি কি ছিল? ছয় মাসের মাথায় অর্ধেককে আবার জেলে ভরতে হল। পয়েন্ট টু বি নোটেট, “”জেলে ভরতে হল” । একটা কিসের সুক্ষ ঈঙ্গিত যেন পাওয়া যায়। তার পর তিনি সাম্প্রতীক সময়ের সাথে এর তুল্যমূল্যের স্বমিল দেখান। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির মধ্যে সবাইকে একাট্টা হওয়ার কথা বলেন। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি মানে আওয়ামিলীগ। কেউ এটা নিয়া কথা কইতে আইলে তাদের সাকের চেয়ে মাছটাই বেশি দেখা যাইব।
অর্থাৎ ক্লিয়ারলি আওয়ামিলীগের পক্ষে থেকে ছাগুদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কথা। আওয়ামিলীগের পক্ষে না থেকে অন্য কোন পক্ষ বা ব্যাক্তি পক্ষ থেকে ছাগু পোন্দাইলে তারাও ছাগু হয়ে যান আ-ব্লগারদের কাছে। কেন কি সেই পক্ষ প্রথাগত সাম্প্রদায়ীক রাজনীতিকে দুর্নতিগ্রস্থ বাজে রাজনীতি হিসেবেই দেখেন। ফলে তাদের কাছে আওয়ামি কি বিএনপি কম বেশি মাত্র , কিন্তু কাছাকাছি ই জিনিস। কেউ যদি বলে মন্দের ভাল, তবে কোথায় যেন পড়েছিলাম, মন্দের ভাল মন্দই হয়। তাই তারা প্রথাগত রাজনীতি থেকে বেড়িয়ে আসার কথা বলেছিলেন এবং আ-ব্লগারদের সাথে এ কারনেই তাদের বিরোধ। আর এই দুই পক্ষের বিরোধিতা যারাই করে, ধর্ম ও ধর্মরাজনীতির নামে তারাই মুলত ক্রমান্নয়ে বেশি অথবা কম ছাগু।

মুক্তি যুদ্ধের পক্ষের শক্তির কথা বলে আওয়ামিলীগের পক্ষে থেকে ছাগুদের বিরিধিতা ব্লগারদের একপক্ষের মোটো। এদিকে প্রথাগত রাজনীতিতে আগামীতে যদি সাম্প্রদায়ীক রাজনীতি নিসিদ্ধ হয়েও যায় তদুপুরি ব্যাপারটাতো প্রসিদ্ধি প্রস্রয় পেয়ে বহুদিনের শেকড় গেড়েছে অনেকটা, সুতরাং এটা রয়েই যাবে উপর থেকে যে যাই বলুক না কেন।এ কারনেই সাম্প্রদায়ীক রাজনীতি নিসিদ্ধ করার ব্যপারটা পরবর্তিতে শুধু জামায়াত-শিবির নিসিদ্ধ করার শ্লোগানে সীমাবদ্ধ হয়ে যায়। এভাবেই তখন থেকে ব্লগার এন্ড অনলাইন একটভিটির মধ্যে বিভাজনের চির ধরতে থাকে। অথবা ভেদাভেদহীন হওয়ার পূর্বের ভেদ ই পুনরায় দুটো পক্ষে আলাদা হতে শুরু করে। একদল চান প্রথাগত সাম্প্রদায়ীক রাজনীতির সম্পুর্ন বাইরে এসে মুক্তবুদ্ধি ও মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্খায় সু-স্বদেশ। আরেক পক্ষ চান প্রথাগত রাজনীতির ভেতরে থেকেই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বলে আওয়ামিলীগের রাজনীতিই সার্ফ করতে। এবং অন্য পক্ষকে গণহারে বাম বাম চিনাবাম বাদাম এই জাতীয় গালি দেয়া হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে আরও যা বলা হয় তা আমার কাছে মিথ্যাচার ই মনে হইসে— তারা নাকি মানবতার দোহাই দিয়া ফাসি চায় না, মৃত্যু দন্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, ভারতের দালাল কয় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করলে; এসব নাকি তারা বলে। অতপর চমৎকার আই ওয়াস। আ-পক্ষের ব্লগাররা পর্দাফাসের নামে নেতিবাচক কুৎসা ছড়ান — ওমুক আত্মিয় স্বজন জামাতি, মাগিবাজ,মদক্তি,তাদের কাজ জামাতিদের পক্ষেই যায়। অথচ জামাতিদের বিরধিতা দুই পক্ষের বিপক্ষেই।একটু সাহস করে বলাই যায় তা “” প্রথাগত সাম্প্রদায়ীক রাজনীতির সম্পুর্ন বিরোধি যারা”” তাদের বিরুদ্ধেই বেশি জোড়াল আক্রমনাত্তক অবস্থান

। তারপর তাদের সাথে মিত্রতা ছেদ। তারা জয় বাংলা নাকি আপত্তি থাকা সত্বেও কইসে এবং তাগো আপত্তিতেই তারা জয় বঙ্গবন্ধু কইতে পারে নাই।
অধিক আলাপে না গিয়ে বলি, আ-ব্লগাররা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে যেভাবেই হোক মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বলে গণজাগরন কে দার করিয়ে আওয়ামি শক্তিকেই প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছেন।অন্যদিকে যারা প্রথাগত রাজনীতির ভিতর দিয়ে নয়, বলেছিলেন প্রথাগত রাজনীতির বাইরে এসে নতুন রাজনীতিতে মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্খার সু-স্বদেশ গড়ে তোলার কথা। পুরো ভার্চুয়াল জগৎ এখন প্রধান দুটো ভাগে ভাগ হয়ে যাচ্ছে— ক) সম্পুর্ন প্রথাগত সাম্প্রদায়ীক রাজনীতির সংকীর্নতা থেকে বেড়িয়ে এসে ধিরে ধিরে দেশকে মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্খায় গড়ে তোলার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
খ) অন্য পক্ষ বলছে প্রথাগত রাজনীতির ভেতরে থেকেই কোন একটা রাজনৈতিক শক্তির পক্ষের হয়ে কাজ করে (মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বলে আওয়ামিলীগকেই বোঝান হয়) মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় স্বদেশ। আর আওয়ামিলীগ সাম্প্রদায়ীক রাজনীতির বিরুদ্ধে যাবে না। বড়োজোর শুধু কিছু সাম্প্রদায়ীক রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে যাবে— যেমন জামায়াত-শিবির হেফাজত (সর্বস্ব বিএনপি) ।
অর্থাৎ,
ক) সম্পুর্ন প্রথাগত সাম্প্রদায়ীক রাজনীতির বিরুদ্ধে।
খ) প্রিথাগত রাজনীতির ভেতরে থেকেই কোন একটার পক্ষের হয়ে (আওয়ামিলীগ) বাকিদের বিরুদ্ধে।
এবার খুব সহজেই আপনারা দুই পক্ষের ছাগু নির্নয়ে কোন বিষয়গুলোকে আইডেন্টিফাইং পয়েন্ট হিসেবে বিচার করা হয় সে বিষয়ে ধারনা করতে পারবেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত অন্যদিন আলচনা করা যাবে। প্রধান ভাগ এ দুটোই যার শাখা-প্রশাখা-উপভাগ-উপশাখা ব্যাপকভাবে বিস্তার বিকশিত হয়েছে ভার্চুয়াল জগতে।আজকের এই দ্বন্দ্বের প্রধান কারন এই পৃথক দুই অবস্থান।এই পৃথক দুই ভিন্ন অবস্থানের একই শত্রু হল জামায়াত-শিবির-হেফাজত (সর্বস্ব বিএনপি) । দু’পক্ষই সহাবস্থানে থেকে গণজাগরন মঞ্চে সরাসরি মুখমুখি হয়েছে একই শুত্রুর, কি রাজপথে কি অন্তঃজালে। তারপর অনেক জল গড়িয়ে ভেদাভেদহীন থেকে আজকের এই ভেদের অবস্থান এবং যথারিতি জেলে। এবং আমার একটা শক্ত ধারনা যে, যাদের (ব্লগার) জেল ও রিমান্ডে নেয়া হয়েছে, নাস্তিকতা তার প্রধান কারন নয়, বরং সম্পুর্ন প্রথাগত সাম্প্রদায়ীক রজনীতির (সেখানে আওয়ামিলীগ বিএনপি ও অন্যান্য সাম্প্রদায়ীক রাজনৈতিক দলও পরে) বিপক্ষে অবস্থানের কারনে।

বঙ্গবন্ধুর সিদ্ধান্ত এবং পরবর্তিতে জেলে ঢোকান যাদের হয়েছিল তারা ছিলেন— ধর্মান্ধ ও রাজনৈতিকভাবে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে (যুদ্ধাপরাধিরা ছাড়াও) । আর আজকে যারা এই পক্ষে আছেন, তারা না ধর্মান্ধ না মুক্তিযুদ্ধের বিরোধি শক্তি। তারা প্রথাগত সাম্প্রদায়ীক রাজনীতি বিরোধি।আওয়ামিলীগকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বলে তাদের অসমর্থনকারীদেরকে গড়পরতাভাবে গণহারে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি বলে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে।এ হিসেবটাই একটা ঘাপলা। আওয়ামি বিরোধি হলেই জামাত-শিবির-হেফাজতি-বিএনপি ট্যাগ লাগায়া দেয়া হইতেসে। ভার্চুয়াল জগতের সমসাময়ীক সর্বচ্চ মিথ্যাচার। বাশেরকেল্লার সাথে এর গুনগত তফাত কই?
এই বর্তমান প্রধান দুই অবস্থান কে দুটো নামকরন করা যায়। যেমন— প্রথাগত সাম্প্রদায়ীক রাজনীতির সম্পুর্ন বিরোধি অর্থাৎ ক) প্র-সাম্প্র-রাজ বিরোধি
এবং প্রথাগত রাজনীতির ভিতরে থেকেই কোন একটা পক্ষের হয়ে বিরোধিতা। অর্থাৎ
খ) আওয়ামিলীগ
অমি রাহমান পিয়াল যখন তার বিপক্ষ অবস্থানে ডা. আইজূ কে দার করান প্রধান বিরোধি পয়েন্ট হিসেবে, এবং সভাবতই আইজূদ্দিনের বিরুদ্ধ পয়েন্ট হিসেবে উনি নিজে দাড়ান।

অথচ একসময়ে তারা সহমতে থেকেই ফেব্রুয়ারীতে রাস্তায় নেমেছিলেন। তার পর অনেক ঘটনাই ঘটল— গুজব বিভ্রান্তি হত্যা আস্তিক নাস্তিক প্রতিরোধ সমাবেশ জাগরণ জল গড়িয়ে আজকের এই অবস্থান। উভয় পক্ষের কমোন বিরোধি শক্তি জামায়েত-শিবির-হেফাজত(সর্বস্ব বিএনপি) এবং বিভাজিত হয়ে এখন তারাই বিরুদ্ধ ব্যারাকে পরস্পরের শত্রু হয় যাচ্ছে, গেছে। তারপর আরও শাখা-প্রশাখা-উপভাগ-উপশাখা আছে এ প্রধান দুই ভাগের নিচে।
অর্থাৎ সমস্ত রাজনৈতিক পরিসর বিচার করলে এখন প্রধান পক্ষ দাড়াল তিনটি।যথা—
ক) আওয়ামিলীগ
খ) জামায়েত-শিবির-হেফাজত সর্বস্ব বিএনপি
গ) প্র-সাম্প্র-রাজ বিরোধি
এবার পাঠক আপনারা এখন নির্ধারণ করবেন “” আপনি কোন পক্ষে যাবেন”” । তবে এখানে বলে রাখা ভাল আওয়ামিলীগ এখন ক্ষমতায়।

Nots:::
আমার অবস্থান—
আওয়ামিলীগ প্রথাগত রাজনীতির পথেই হাটবেন এবং সাম্প্রদায়ীক রাজনীতির পক্ষে থেকে, বাজ্যিকভাবে শুধু, ইসলামিক ফাউন্ডেশন কে এর বিরুদ্ধে দাড় করাচ্ছেন কেননা তার এখনও নিসীদ্ধ করতে পারেননি জামায়াত-শিবির-হেফাজত কে। এদিকে জামায়েত-শিবির-হেফাজত সর্বস্ব বিএনপি তো সাম্প্রদায়ীক রাজনীতির পক্ষে তা না বললেও চলে।
এবং বাংলাদেশের সাম্প্রদায়ীক দল গুলো যদি মুক্তচিন্তা ও ঐতীহাসিকভাবেই মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষ বিরোধি হয়, তবে বাংলাদেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের অবস্থানই প্রশ্নবিদ্ধ হয়। বিশ আঠারোর পার্থক্যই থাকতে পারে বড়োজোর। অর্থাৎ সব মাছই গু খায়, নাম পরে খালি ঘাউরা মাছের।
সুতরাং, আমার অবস্থান হচ্ছে প্রথাগত সাম্প্রদায়ীক রাজনীতির সম্পুর্ন বিরোধি অবস্থান এবং মুলত একজন নাস্তিক।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৮ thoughts on “মোটা দাগে ব্যাবচ্ছেদ :: ভার্চুয়াল ও রাজপথে রাজনৈতিক বিভাজন

  1. লিখাটা একটু রিভিউ
    লিখাটা একটু রিভিউ করেন…
    অত্যন্ত চমৎকার একটা লিখা কেন জানি বারবার মন থেকে ছুটে যাচ্ছে!
    আপনার ধারাবাহিকতায় হালকা গলদ আছে, একটু গুছিয়ে লিখুন!!
    ভাল লাগবে আরও…
    বিশ্লেষণটা ভালই!!

  2. জ্বি, আমার লেখায় বানান
    জ্বি, আমার লেখায় বানান সংক্রান্ত, ছেদ চিহ্ন, শব্দের গাথুনিতে কিছুটা ভুলভ্রান্তি আছে। আমি পোস্ট পুন-সম্পাদনার মাধ্যমে কিছুটা ঠিক করা যায় কিনা দেখছি। ধন্যবাদ।

  3. ছাগু গুলান যখন এক হয়ে লড়তেছে
    ছাগু গুলান যখন এক হয়ে লড়তেছে সেখানে আমরা আছি পক্ষ বিপক্ষ নিয়ে। ছাগু পুন্দানী নিয়েও যদি আমরা দল উপদল তৈরী করি তবে, কয়েকদিন পর ছাগুগুলান আমাগো পুন্দাইব আর আমরা তখন নিজে পুন্দানী খাই নাই ভেবে খুশি হব। কথায় আছে যে, চার বাংগালী এক যায়গায় জড় হলে তিনটি দলে ভাগ হয়। কথাটি মনে হয় চরম সত্য।

  4. বাঙগালীরা তিনজন এক জায়গায় হলে
    বাঙগালীরা তিনজন এক জায়গায় হলে তিন মত হয়,,, কথাটা ঠিক নয় ! সঠিক কথাটা হলো, তিন চোর এক জায়গায় হলে ভাল প্ল্যান হয় আর তিন হুজুর এক জায়গায় হলে ঝগড়া হয়, কে কার চেয়ে বড়….. কে কত হাদিস জানে ইত্যাদি ইত্যাদি……

    1. বাঙগালীরা তিনজন এক জায়গায় হলে

      বাঙগালীরা তিনজন এক জায়গায় হলে তিন মত হয়,,, কথাটা ঠিক নয় ! সঠিক কথাটা হলো, তিন চোর এক জায়গায় হলে ভাল প্ল্যান হয় আর তিন হুজুর এক জায়গায় হলে ঝগড়া হয়, কে কার চেয়ে বড়….. কে কত হাদিস জানে ইত্যাদি ইত্যাদি.

      মুকুল ভাই এর সাথে শতভাগ সহমত ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 1 = 1