অপ্রিয় কথা’র কবিতা সমগ্র, পর্ব-৪

নাস্তিক বলে ভেবো না আমার কামনা নেই
ইচ্ছে নেই
যৌনাবেগ নেই
সবকিছু সযত্নে গুছিয়ে রেখেছি
বোকা ভেবোনা
দেখোনা একটু স্পর্ষ করে,
দেখো দীর্ঘদিনের কতো উত্তাপ ফেনিল হয়ে উঠেছে!
তোমার স্পর্ষে সহসা দ্রবীভূত হবে বলে!
আর কতোকাল প্রতীক্ষা?
শুধু ভুভুক্ষের মতো চেয়ে আছি আগামির দিকে….
কেউ আসুক,
স্পর্ষ করুক
অধরে অধর মিলাক
আমি শুধু নিজেকে ছেড়ে এলিয়ে দেব
সে যেমন খুশি আমাকে নিঙড়ে নিক
আমি তো চাইছি সেই তার মতো করে আমাকে পাক
আমি তো পুরুষ!
আমি হাজার বছর ধরে তাকে চেয়ে এসেছি,
তাকে নিবেদন করেছি আমার লালিত্য প্রেম
এবার চাই সেই আমাকে খুঁজুক
সেই বলুক, -তোকে ভাললাগে,
হেই অপ্রিয় আমি তোকে চাই!
বোধহয় এমন মেয়ে পৃথিবীতে জম্মই হয়নি…….

May 6, 2015 at

আর ভালো লাগছে না রক্তাত্ব লাশ
চলো ভুলে যাই মুক্তবুর্দ্ধির চর্চা
এই মুর্খ অসভ্য দেশটার মুক্তচিন্তা ধারন করার যোগ্যতা নেই।
চলো ঐসব ভুলে যায়
চলো আজাদ অভিজিৎ অনন্তের স্বপ্ন না বুনে
মুর্খ হয়ে যায়!
চলো চারটে বিবি নিয়ে যৌনময় জীবন যাপন করি
চলো আল্লার দরবারে দিনরাত ৭২ হুর মাগি
চলো শরীয়া আইনের জিকির তুলি।
চলো দেশটাকে মধ্য যুগীয় আরব বানায়
চলো দেশটার সিস্টেমকে ঘৃনা ভরে থু থু দিয়ে দেশ ছেড়ে চলে যায়
ওরা থাকুক হিংস্রতা নিয়ে,
অন্ধতাকে বুকে আগলে ওরা পড়ে থাক।
ঘুমাক ওরা!
ওদের জাগিও না।
ওরা জাগলে হিংস্র হয়ে লাশ ফেলবে!
ওদের ওভাবে থাকতে দাও
চলো আমরা মুক্তচিন্তায় তালা দি, নাহলে দেশ ছেড়ে চলে যায়….

May 14, 2015

মধ্য যুগের ফ্যানাটিক উম্মাদনা নিয়ে
আজ বাংলার আকাশে উড়ছে অজস্র শকুন
সভ্যতা অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে ওদের দিকে
হাজার বছরের পুরোনো পঁচা গলাকে এখনো ফেরি করে।
নতুন চিন্তা মতবাদকে ওরা যমের মতো ভয় পায়।
ওরা চাপাতির আঘাতে বন্ধ করতে চাই মুক্তচিন্তার মুখ।
পরকালের ৭২ হুরের আশায় ইহকাল বানায় দোযখ!
ওরা ধর্মের আফিম খেয়ে নেশাগ্রস্থ, উন্মাতাল!
ওরা বেহেস্ত কখনো দেখেনি,
যায়ওনি, কি রকম তাও জানেনা।
শুধু হাজার বছরের পুরোনো গ্রন্থ থেকে রুপকথার গল্প শুনেছে!
একজন অবিশ্বাসী যুক্তিবাদীকে হত্যা করা হল,
যেন বেহেস্তের টিকিট নিশ্চিত করা হল।
আরো হত্যা করা হল, আরো পাকাপোক্ত করা গেল!
এই অন্ধ বিশ্বাস বুকে আগলে রেখে গভীর নিদ্রা যাচ্ছে ওরা।
কেউ যদি বলে,
তোমরা জাগো, তোমরা ঘুমিয়োনা,
তোমাদের এই বিশ্বাস ভ্রান্ত, ভুল!
এটা এযুগে গ্রহনযোগ্য নয়!
এটা অচল!
এটা অন্ধতা!
তখন ওরা ঘুম থেকে দানবীয় সাঁজে জেগে উঠে!
চাপাতির কোপে মুহুর্তে নিথর করে দেয়
নতুন চিন্তার মানুষটির দেহ।
এরপর রক্তাক্ত লাশের উপর দাঁড়িয়ে ওরা উল্লসিত হয়।
এই বুঝি ঈমান রক্ষা হল!

April 1, 2015

ছোট্ট একটি রচনা
============
আমাদের দেশ অবিশ্বাসী ও মুক্তমনাদের হত্যার দেশ
আমাদের দেশ বিচারহীনতার দেশ
আমাদের দেশ ধর্মান্ধ জঙ্গি উদপাদনের দেশ
আমাদের দেশের মাদ্রাসায় সরকারেরর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ইসলামিষ্ট খুনি বর্বর চাষ করা হয়!
আমাদের দেশের সরকার উপরে গনতন্ত্রের কথা বলে তলে তলে ইসলামিকদের মদদ দে।
আমাদের দেশে রাষ্টধর্ম ইসলাম
আমাদের দেশ আগামীতে ইসলামিক বাংলাদেশ হবে।
আমরা তরতর করে আগাচ্ছি,
একদিন আমরা ইরাক, সিরিয়া, আফগান, সৌদি আরব লিবিয়ার মতো বর্বর দেশে পরিনত হবো।
জয় ইসলামিক বাংলাদেশ!
ইসলামিক বাংলাদেশের যাত্রা শুভ হোক….

April 2, 2015

আগামীর মাদ্রাসার ছাত্রের ডাক
=======================

এদেশের মাদ্রাসায় তৈরি হচ্ছে একেকটি আরবীয় ভাইরাস
তাদের মনে ইসলাম, সহিংসতা দিনরাত করে বসবাস!
ডান হাতে অসি, বাম হাতে কোরান
কেটে চলো অমুসলিম, নাস্তিক, অবিশ্বাসী, যতসব জ্ঞানের মহিয়ান
বাংলা আজ ভরে গেছে অবিশ্বাসী কাফের মুরতাদে
শুনো মুসল্লিরা, ইসলাম রক্ষা করো, তলোয়ার নাও হাতে হাতে
বৈশাখী মেলা, স্বাধীনতা উৎসব, মিনারে ফুল দেয়া চলবে না এদেশে,
চালাও তরবারি, কাটো মুণ্ডু, কোরান জাতীয় গ্রন্থ করো মুসলমানের দেশে।
ভার্সিটি পড়ুয়া ছেলেমেয়েরা চলে একসাথে, ধরে হাতে হাতে
মুমিন ভাইরা এটা অনৈসলাম, তাদের জবাই করো একসাথে
মালাউনের কবিতা গল্প জাতীয় সঙ্গীত করতে হবে নিষিদ্ধ
এটা বেদাত ওটা শীরক, ইসলামে না মানা এটা প্রসিদ্ধ!
এদেশে চলবে না আইন, চলবে না কোর্ট, চলবে না নাসারাদের জীবন যাপন,
এদেশে শুধু মাদ্রাসা শিক্ষা, থাকবে ইসলাম-রীতি, চলবে এক আল্লাহর শাসন!
আল্লার দেশ কায়েমের জন্য আমরা দিন দিন খুনের শপথ নিয়ে তৈরি হচ্ছি মাদ্রাসায়,
আইএসের মতো বর্বর হবো, মানুষের রক্তে তরবারি রাঙিয়ে সোনার বাংলাকে একদিন ডুবিয়ে দেব হতাশায়….
নারায়ে তাকবীর
আল্লাহু আকবর!

April 10, 2015

তোদের প্রতি
——————-
একদিন গুচ্ছ গুচ্ছ স্বপ্নগুলো পিষে ফেলে এদেশটা তোদের দিয়ে যাব
নাস্তিক অজ্ঞেয়বাদী সংশয়বাদী সংখ্যালঘু অমুসলিম,
কেউ থাকবো না আমরা!
তোরা শতভাগ নিয়ে গর্ব করিস
পারলে তোরা রক্ত না ঝড়িয়ে মিলে মিশে থাকিস
অন্তত মুসলমানিত্ব নিয়ে একাত্ন হোস
আর শতভাগে বিভক্ত হোস না!
পেছনে ফিরে দেখ,
তোদের ইতিহাস বিষে নীল হয়ে গেছে!
সভ্য বিশ্ব তোদের দিকে তাকিয়ে মুখ ঘুরায়
তবু তোরা সুখে থাকিস
দুর দেশ থেকে তোদের চিন্তার দৈন্যতা দেখে হাই হুতাস করবো।
বারবার ঘুমন্ত চৈতন্য জাগাতে চেয়েছি, পারিনি
পুরোনো জীর্ন পঁচা গলা বুকে নিয়ে তোরা বেঘোরে ঘুমাস।
ঘুমা ঘুমা ভাল করে ঘুমা
তবুও আর বিশ্বাসের দোহায় দিয়ে কাটাকাটি করিস না!
অন্তত মুসলমানিত্ব নিয়ে একাত্ন থাকিস।
একদিন আমরা একে একে চলে যাবো দেশটা তোদের হাতে গচ্ছিত রেখে,
এদেশ তোদের,
এদেশ তোদের ধর্মের
রাজনীতিও গ্রাস করেছে তোদের ধর্ম
তবুও তোরা সুখে থাকিস,
মানুষ না হোস, অমানুষ হোস না!
তোদের প্রতি এই আমার মিনতি…

April 14, 2015

বিক্ষুব্ধ নারীর কথা
==============
হ্যাঁ আমি নারী
আমার শরীর আমারই
আমি নাভির নিচে শাড়ি পড়ব নাকি উপরে পড়ব
তা আমার ব্যপার!
আমি বোরকা পড়ব কি টাইট ফিট টি শার্ট পড়ব
তা আমার ব্যাপার!
আমি জিন্স টপ পড়ব কি চুড়িদার পড়ব তা আমার ব্যাপার।
আমার কাপড় হাঁটুর উপরে থাকবে কি নিচে থাকবে
তা আমার ব্যাপার!
আমি ব্রা পড়ে ঘুরব নাকি বিকিনি পড়ে ঘুরব
তা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার!
আমি কোন ছেলের হাত ধরে ঘুরব, কোন ছেলেকে চুমু খাবো
তার সিদ্ধান্ত আমারই।
এই যে অসভ্য পুরুষ!
তোমাকে কে অধিকার দিয়েছে যে, আমাকে পোশাকের শালীনতা শিখাতে আসার?
তোমাকে কে অধিকার দিয়েছে যে, আমাকে বোরকা পড়তে বাধ্য করার?
তোমাকে কে অধিকার দিয়েছে যে, আমাকে ঘরবন্ধী করার?
তোমাকে কে অধিকার দিয়েছে যে, হামলে পড়ে আমাকে ধর্ষন করার?
তোমাকে কে অধিকার দিয়েছে যে, আমার কাপড় টেনে ছিঁড়ে খুলে যৌন অত্যাচার করার?
মনে রেখো অসভ্য পুরুষ,
এবার থেকে সামনে আমরা বিকিনি পড়ে হাঁটবো,
পারলে স্তন-যৌনির ঐ দুই টুকরো কাপড় খুলে নিও।
এরপর আমরা নগ্ন শরীরে ঘুরে বেড়াবো,
তখন পারলে যৌনির উপর ঐ অগোছালো বালগুলো ছিঁড়িও!
তারপর আমরা বিক্ষুব্ধ হয়ে যৌনি ফাঁক করে তোমাদের মুখের উপর পেচ্ছাব করবো!
পেচ্ছাব করবো তোমাদের জীর্ণ অচল বাণীর উপর!
যে বানীগুলো তোমাদের শিখিয়েছে আমাদের উপর দমন
নিপীড়ন যৌনাত্যাচার করার!
যে বাণীগুলো তোমাদের দিয়েছে আমাদের উপর কর্তৃত্ব আরোপ করার,
যে বানীগুলো তোমাদের বানিয়েছে প্রভু,
আমাদেরকে করেছে ক্রীতদাস!

April 20, 2015

হে প্রভু
=====
হে প্রভু,
তুমি এতো নিথর, নিশ্চল কেনো?
কি অপরাধ ছিল নেপালবাসিদের?
আজ আমদের এতো শত শত মানুষের মৃত্যু দেখতে হল কেন?
তুমি এতোই দুর্বল যে একটা প্রাকৃতিক অপশক্তিকে রুখতে পারো না?
তুমি কিভাবে চুপ থাকো আইএস-তালেবানের গনহত্যায়?
তুমি কিভাবে চুপ থাকো অবুঝ শিশু হত্যায়?
তুমি কিভাবে নিরব থাকো শোষকদের অত্যাচারে?
তুমি কিভাবে চুপ থাকো নারীর উপর যৌনাক্রমের সময়?
তুমি কিভাবে চুপ থাকো সারারাত বেশ্যার দীর্ঘশ্বাস শুনে?
তুমি কিভাবে চেয়ে চেয়ে দেখো অনাহারে থাকা অপুষ্টিক শিশুর জীবনগুলো?
তুমি কিভাবে দেখো বসতবাড়ি হীন ফুটপাতে মানুষের জীবন যাপন?
কিভাবে?
কিভাবে….
তবে তোমার চোখ কি অন্ধ?
কান কি বধির?
মস্তিষ্ক কি অকেজো?
হাত পা কি প্যারালাইসিসে আক্রান্ত?
হে প্রভু, কথা কও!
আমার প্রশ্নের জবাব দাও!
চুপ কেন?
ঐ প্রভু কথা কসনা ক্যান?
ঐ অথর্বের বাচ্চা প্রভু আমার প্রশ্নের জবাব দে!

April 26, 2015

অধিকার চাই
=========

মাননীয় রাষ্টচালক,
হ্যাঁ আমি নাস্তিক!
আমি প্রকাশ্যে এই অধিকার নিয়ে বাঁচতে চাই!
আমি পাসপোর্ট বা যেকোনো ফরমে লিখতে চাই আমি নাস্তিক।
ধর্মের অপশনে কোনো ধার্মিক যদি হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান লিখতে পারে,
তবে আমি কেন পারবো না নাস্তিক লিখতে?
আমার অপশন কই?
সকল ধার্মিকরা যদি প্রকাশ্যে
অদৃশ্য আল্লাহ ঈশ্বর গড
ভগবানের জিকির করতে পারে,
তবে আমি কেন প্রকাশ্যে বলতে পারবো না আল্লাহ ঈশ্বর গড ভগবান বলতে পৃথিবীতে কিছু নেই।
সব মানুষের সৃষ্টি!
কেন বলতে পারবো না আমি অবিশ্বাসী?

আমি নাস্তিক,
কারো গায়ে হাত তোলা,
কাউকে হত্যা করা ,
নিজের মত কারো উপর জোর করে চাপিয়ে দেয়া,
ভিন্নধর্মীদের নিন্দা করা,
নাক ফুলিয়ে ভ্রু কুচকে
মানুষকে ঘৃনা করা,
এই শিক্ষা আমার মাঝে নেই।
আমি নিজেকে সেই শিক্ষায় গড়িনি।
আমি নাস্তিক,
আমি মানবিক অবক্ষয়ের বিরূদ্ধে!
আমি কোনো মুসলমান নির্যাতিত হলে ব্যথিত হই,
হিন্দু অত্যাচারিত হলে একই ব্যথা অনুভব করি।
ইসরাইল ফিলিস্তিনীর মুসলিমের উপর আঘাত হানলে আমি তার প্রতিবাদ করি!
আইএসের মুসলিমরা ধরে ধরে খ্রিস্টান জবাই করলে আমি তারও প্রতিবাদ করি!
বাংলাদেশে মুসলিমরা সংখ্যালঘু নির্যাতন,
তাদের মন্দির বাড়ি ঘর ভেঙে দিলে আমি তারো প্রতিবাদ করি!
হিন্দুরা বাবরি মসজিদ ভাঙলে আমি তার নিন্দা জানায়!
বাঙালীরা পাহাড়ীদের নির্যাতন-ধর্ষন করলে আমি বিষন্ন হই, প্রতিবাদ করি!

আমি নাস্তিক,
আমি কারো অধিকার হরন চাইনা,
কেউ নামাজ পড়ুক, প্রার্থনা করুক
প্রনাম করুক, গীর্জায় যাক, চার্যে যাক, আমি তাদের আটকায় না।
আমিও চাই তাদের অধিকার থাকুক
চাই তারাও নির্বিগ্নে তাদের ধর্ম পালন করুক।
তাতে আমার আপত্তি নেই।
কিন্তু আমার কেন অধিকার থাকবেনা এদেশে নাস্তিক পরিচয়ে বাঁচার?
মানুষ পরিচয়ে বাঁচার?
কেন আমাকে পাসপোর্টে লিখতে হবে হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান?
আমি তো কোনো প্রচলিত ধর্মে বিশ্বাসী নই।

মাননীয় রাষ্টপ্রধান,
আমি নাস্তিক পরিচয়ে বাঁচতে চাই
মানুষ পরিচয়ে বাঁচতে চাই, ধর্মের পরিচয়ে নয়।
তার জন্য কি আইন পাশ করতে হবে করুন।
কি সিস্টেম পাল্টাতে হবে পাল্টান,
কিন্তু আমি আমার অধিকার চাইই চাই!

March 1, 2015

ক্ষমতার লোভে দেশটাকে কতো ভাবেই না পিছিয়ে দিচ্ছে ওরা।
কেউ চাই পাকপ্রেম টিকে থাকুক
কেউ চাই ৫০০ মসজিদ
কেউ শুনেনা অধিবাসী ধর্ষিতা কিশোরীর চিৎকার
সংখ্যালঘুরা ভয় আর আতংক নিয়ে দেশ ছেড়ে পালাচ্ছে
এদেশ একদিন হিন্দুজাতিকে ইতিহাসের পাতায় খুঁজবে
সবকিছু যেন অন্ধকারের দিকে নেতিয়ে পড়েছে
মুক্তচিন্তার চর্চা, মুক্তালোচনা সবকিছু জিম্মি হয়ে আছে
কিছু ইতর ক্ষমতালোভীর কাছে।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আজ ম্লান,
তার বিক্রি চলে অনৈতিক বাজারে
রাষ্ট এগুচ্ছে আরব্য আঁধারের দিকে
না না কিছু করার নেই আমাদের,
আমরা প্রতিনিয়ত হেরে চলেছি
রাষ্টের পরোক্ষ মদদের চাপাতির কোপে……
হে ৩০ লক্ষ শহীদ মুক্তিযোদ্ধা,
হে ২ লক্ষ মা-বোনের আর্ত চিৎকার!
আমাদের ক্ষমা করো,
আমরা পারিনি তোমাদের আদর্শে দেশটাকে গড়তে।
আমরা ব্যর্থ,
ক্ষমা করো আমাদের….

March 11, 2015

ও মেয়ে এদিকে এসো,
শুনো আমার অপ্রিয় কিছু কথা,
তুমি কি স্বাধীন হতে চাও?
তোমার ও কি ইচ্ছে করতে অবাধ্য ছেলের মতো চারিদিকে ঘুরতে ফিরতে?
তোমারও কি ইচ্ছে করে ছেলের মতো আড্ডা দিয়ে রাত বিরাতে ঘরে ফিরতে?
তোমার ও কি ইচ্ছে করে মুষ্টিবদ্ধ হাত উঁচিয়ে রাজপথে আন্দোলনে যোগ দিতে?
তোমার ও কি ইচ্ছে করে জিন্স টিশার্ট পড়ে ছেলের মতো ধাপিয়ে বেড়াতে?
তো চুপ কেন?
শুরু করে দাও!
ও মেয়ে শুনো,
যদি তোমার এসব ইচ্ছে করে তাহলে চুপ থেকো না।
তুমি এসব নির্দ্বিধায় করো।
তোমাকে ওরা বেশ্যা বলবে
খানকি বলবে
মাগী বলবে
নষ্টা বলবে!
তুমি নিজেকে একবার প্রশ্ন করো তো!
এগুলো করলে কি তুমি নষ্ট হয়ে যাচ্ছো?
হ্যাঁ সমাজ তোমাকে নষ্টা বলবে,
ওটা পরোয়া করোনা তুমি।
তোমার লক্ষ্য তোমার স্বাধীনতা। কিছু মুর্খ মুরুব্বীর কথা শুনে নিজেকে পাপী বলে ভেবোনা। ওরা চিরকালই চায় তুমি নাদুসনুদুস তুলতুলে লক্ষী মেয়ে হয়ে থাকো।
তুমি উচ্চস্বরে কথা বললে ওরা তোমাকে অভদ্র অসতী বলবে, এটা তোমার কেয়ার করার দরকার নেই!
ও মেয়ে শুনো,
তুমি নিজেকে দুর্বল ভেবো না।
তুমি ভেবোনা যে আমার শরীর মেয়েলী গঠন বলে আমি দুর্বল। আমি ছেলেদের মতো চলতে পারবো না।
না তুমি মোটেও দুর্বল না!
তোমাকে ছোটকাল থেকে এই সমাজ এই রাষ্ট এই পরিবার শিখিয়েছে তুমি দুর্বল। তাই তোমাকে একটু রাখঢাক করে চলতে হবে। তোমাকে একটু নমনীয় রমনীয় কমনীয় থাকতে হবে।
এটা ভুল! তোমার রাষ্ট সমাজ পরিবার তোমাকে ভুল শিক্ষা দিয়েছে! তোমাকে মেয়ে হয়ে নরমভাবে বাঁচার শিক্ষা দিয়েছে।
এমন কি তোমার মুর্খ মা ও এই শিক্ষা থেকে বেড়িয়ে আসতে পারেনি। তোমার মা ও তোমাকে মেয়ে হয়ে বাঁচার দিক্ষা দিয়েছে, মানুষ হয়ে বাঁচার দীক্ষা দেয়নি। এতোকাল তুমি ভুলকে সত্য জেনে এসেছো।
তুমি মনে করো যে বাড়তি একটু বুকের জন্য আমাকে মেয়ে হয়ে চলতে হবে। এটা ভুল! প্রতি মাসে ঋতুবতী হই বলে আমাকে মেয়ে চলতে হবে, এটাও ভুল! এটা প্রকৃতিগত। এটা তোমার দোষ না। তুমি কেন তোমার স্বাদ আহ্লাদকে এভাবে গলা টিপে হত্যা করছো? কেন নিজের ইচ্ছেগুলোকে অবদমিত করে রেখেছো? স্বাধীনভাবে চলা এটা তোমার মানবাধিকার। তুমি যা ইচ্ছা চলবে। কারো অধিকার নেই তোমাকে থামিয়ে রাখার!

March 28, 2015

থামি নাই থামবো না!
রাজীব গেছে অভিজিৎ গেছে
আজ ওয়াশিকুর বাবু গেল,
তো কি?
কলম থামবে না!
আরো দুর্নিবার গতিতে চালাবো কলম!
ইসলাম যে বর্বর,
ইসলাম যে জঙ্গি,
ইসলাম যে সন্ত্রাস,
ইসলাম যে ভীন মতাবলম্বীর হত্যাকারী,
তা শব্দের সমীকরণে বুঝিয়ে দেব!
যা মুর্খ বীরুর দল তোরা আবার চাপাতিতে গিয়ে শান দে
আমরা বুদ্ধিতে শান দিয়ে জ্ঞাণকে শাণিত করছি
আবার মৃত্যুর জন্য তৈরি হচ্ছি।
তোদের আছে ইসলামের দালাল সরকার,
দালাল প্রশাসন,
আছে চাপাতির জোর!
আমাদের শুধু একটাই অস্ত্র, কলম!
মনে রাখিস তোরা একেকটি হত্যা করে ইসলাম ধবংসের কলঙ্কিত ইতিহাস রেখে যাচ্ছিস,
আগামীতে তা বুঝবি….

March 30, 2015

আমি ব্লগারদের হত্যা দেখে দেখে একদিন মানসিক প্রতিবন্ধী হয়ে যাবো।
হত্যাকারীদের বিচার না করা দেখে দেখে আমি একদিন অবিরত রক্তক্ষরণ নিয়ে মারা যাবো।
তবুও আমার কষ্ট বেদনা ও লক্ষ সহযোদ্ধার আর্তনাত সরকারের কানে গিয়ে পৌঁছবে না!
সরকার প্রচন্ড নির্লজ্জতা নিয়ে নির্লিপ্ত থাকবে।
আমি চেঁচাতে চেঁচাতে ক্লান্ত হয়ে যাবো, তবুও সরকারের কান বধির থাকবে, প্রশাসন গভীর নিদ্রা যাবে।
আমি যখন একদিন চাপাতির আঘাতে লাশ হয়ে পড়ে রইবো, তখন আমাকে নিয়ে মিডিয়ায় টক শো একদিন আলোচনার খোরাক পাবে।
আমি বেশি নাস্তিক ছিলাম নাকি অল্প নাস্তিক ছিলাম?
নাকি একেবারে শুধুই ইসলাম বিদ্ধেষী ছিলাম?
আমাকে ইসলামের দৃষ্টিতে হত্যা জায়েজ নাকি নাজায়েজ?
এসব নিয়ে কথা হবে।
এরপর আরো হত্যা হবে,
আমি সংখ্যায় মিলিয়ে যাবো……

March 31, 2015

“গনতন্ত্র”
ওদের হিংস্র খামছা খামছিতে
গনতন্ত্র আজ ক্ষত-বিক্ষত হয়ে
ধর্ষিতা কিশোরীর মতো পড়ে পড়ে গোঙাচ্ছে!

FEBRUARY 3, 2015

ছোট্ট একটি রচনা- আমাদের দেশ
=====================”
আমাদের দেশ মানুষ পোড়ানোর দেশ। আমাদের দেশের গনতন্ত্র উদ্ধারের জন্য যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেয়া হয়। নিরীহ জনগনের জীবন দুর্বিষহ করা হয়। সয়ে সয়ে মানুষ হত্যা করে আমাদের দেশে ক্ষমতার স্বপ্ন দেখে। আমাদের অর্থনীতির চাকা অচল করা হয়। আমাদের দেশে জনগনের রাজনীতি চলেনা, ক্ষমতার নীতি চলে। আমাদের নেতা নেত্রীরা ডাইনিং-এ বসে মানব-কাবাবের খবর শুনে। আমাদের দেশের কিছু বিপ্লবী তরুন শাহবাগে গিয়ে চিৎকার করে অধিকার চাই! কিন্তু আমাদের নেতা নেত্রীরা তা শুনেও শুনেনা। আমাদের দেশটা নিয়ে রাষ্ট পরিচালকরা যতটা না চিন্তিত তার চেয়ে বেশি কিছু সচেতন মানুষ। তারা কলমের মুখ দিয়ে চিৎকার করে। প্রতিবাদ করে। তারা নিজের গরজে পড়ে অনলাইনে ইভেন্ট খুলে। সহিংসতা বন্ধের জন্য মানববন্ধন করে। তবুও আমাদের রাজনীতিবিদদের একটুও লজ্জা হয় না। এদেশে তারা ভালো কাজের জন্য বাধা দেয়। বোমা বহনককারীদের উৎসাহিত করে। এই মুর্খ অসভ্য রাজনীতিবিদ নিয়ে আমাদের দেশ গঠিত। তাদের কান্ডজ্ঞান হীনতায় আমাদের জন জীবনের মাঝে নেমে আসে একেকবার তান্ডব….

February 5, 2015

ওঁদের শ্রদ্ধা করি মাতৃভাষাকে যথাযথ ব্যবহার করে
ওঁদের শ্রদ্ধা করি অন্যায়ের প্রতিবাদ করে
ওঁদের শ্রদ্ধা করি প্রতিনিয়ত বাংলায় কথা বলে
ওদের শ্রদ্ধা করি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারন করে
ওঁদের শ্রদ্ধা করি মৌলবাদীর বিরূদ্ধে লড়ে
ওঁদের শ্রদ্ধা করি রাষ্টধর্মের তীব্র সমালোচনা করে
ওঁদের শ্রদ্ধা করি মুক্তবুদ্ধির চর্চা করে
ওঁদের শ্রদ্ধা করি প্রতিনিয়ত পাকিস্তানী প্রেতাত্মার বিরূদ্ধে আওয়াজ তুলে
ওঁদের শ্রদ্ধা করি যুদ্ধাপরাধীর শাস্তি কামনা করে
ওঁদের শ্রদ্ধা করি সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদ করে
ওঁদের শ্রদ্ধা করি চিৎকার করে মত প্রকাশের অধিকার চেয়ে
ওঁদের শ্রদ্ধা করি সাম্প্রদায়িকতার বিরূদ্ধে লড়াই করে
ওঁরাও তাই চেয়েছিল।
ঐসব একদিনের আনুষ্টানিকতায় ফুল দিয়ে আমি ওঁদের শ্রদ্ধা জানাই না। শুধুমাত্র একদিন ওঁদেরকে সরন করে তারপর ভুলে যাবো এমন অকৃতজ্ঞ আমি নই! তা আমার পোষায়ও না। তাই আমি শহীদ বেদীতে অভিনয় করতে যায় ও না!

February 21, 2015

কি অপরাধ ছিল তসলিমার?
======================

কি অপরাধ ছিল তসলিমার? কেন তাঁকে আজ বিশ বছর ধরে দেশের বাইরে বাইরে নির্বাসন জীবন কাটাতে হচ্ছে?
সেই কি স্বাধীন দেশে জিয়ার মতো গনহত্যা করেছিল?
মোশতাকের মতোবিশ্বাসঘাতকতা করেছিল?
গনতন্ত্রকে গনধর্ষন করে এরশাদের মতো রাষ্টধর্ম ইসলাম বানিয়ে ছিল?
সেই কি খালেদা জিয়ার মতো দেশদ্রোহী রাজাকারের সাথে ঘাটছড়া বেধেছিল?
আন্দোলনের নামে পেট্রোল বোমায় শতাধিক মানুষ মেরেছে?
কাউকে গ্রেনেড হামলা করেছিল?
সেই কি শেখ হাসিনার মতো জামাতের সাথে আঁতাত করেছিল?
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নাম করে জনগনকে ধোকা দিয়েছে?
সেই কি কাউকে হত্যা করার জন্য প্ররোচিত করেছিল?
সেই কি কোনো নির্লজ্জ পুরুষের মতো কাউকে ধর্ষন করেছিল?
সেই কি খালেদা হাসিনার মতো ইসলামের সাথে ভন্ডামী করেছিল?
সেই কি কারো রক্তাক্ত লাশ চেয়েছিল?
সেই কি সরকারী আমলা-প্রশাসনের মতো দুর্নীতি করেছিল?
সেই কি কাউকে গুলি করে বা চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করতে চেয়েছিল?
সেই কি কারো সাথে প্রতারণা করেছিল?
সেই কি প্রকাশ্যে জনসভায় মৌলবাদীদের মাথার দাম ঘোষনা করেছিল?
না, এসব তসলিমা নাসরিন কিছুই করেননি।
তসলিমার অপরাধ ছিল, সেই সত্য বলত।
তসলিমার অপরাধ ছিল , সেই নারীর স্বাধীনতা চেয়েছিল
তসলিমার অপরাধ ছিল , সেই সংখ্যালঘুর উপর নির্যাতনের প্রতিবাদ জানিয়ে লজ্জা লিখেছিল
তসলিমার অপরাধ ছিল , সেই নারীকে সচেতন ও স্বাবলম্বী হবার দীক্ষা দিয়েছিল
তসলিমার অপরাধ ছিল , সেই পুরুষতন্ত্রের কড়া সমালোচনা করেছিল
তসলিমার অপরাধ ছিল, সেই রাষ্টের অব্যবস্থাপনাকে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছিল
তসলিমার অপরাধ ছিল, সেই ধর্মব্যবসায়ী পীরদের মুখোশ দিয়েছিল
তসলিমার অপরাধ ছিল, সেই ধর্মের কুসংস্কার, মৌল্লাদের অনৈতিক ফতোয়ার বিরূদ্ধে ক্লান্তিহীন লিখেছিল
তসলিমার অপরাধ ছিল, সেই একজন মেয়ে হয়ে পুরুষ লেখকদের মতো ধাপিয়ে লিখেছিল
কিন্তু এদেশের অসভ্য মানুষদের তা সহ্য হয়নি। তাই মুর্খ রাষ্টচালকরা তাঁকে দেশ ত্যাগে বাধ্য করে নির্বাসন দণ্ড দিয়েছিল।
আমি একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ হয়ে তসলিমার এতোগুলা বছর নির্বাসন দন্ড মেনে নিতে পারছিনা। আমার বিবেক কোনো ভাবেই তা সায় দিচ্ছেনা। এটা তসলিমার উপর চরম অন্যায় করা হয়েছে! আমি তাঁর প্রত্যাবর্তন চাই।
আমি তাঁর স্বদেশে জীবন যাপন করার অধিকার চাই।

February 25, 2015

বর্বরদের ধর্ম ইসলাম!
খুনিদের ধর্ম ইসলাম!
সন্ত্রাসীদের ধর্ম ইসলাম!
অসভ্যদের ধর্ম ইসলাম!
নারী পরাধীনতার প্রতীক ইসলাম!
চরিত্রহীনতার প্রতীক মোহাম্মদ!
লুইচ্যার আদর্শ মোহাম্মদ!
নিকৃষ্ট মতবাদ ইসলাম ধর্ম!
ইতর মতবাদ ইসলাম ধর্ম!
যে ইসলাম ধর্ম বেহেস্তের ৭২ হুরীর লোভ দেখিয়ে মানুষকে খুনি বর্বর ঘাতক বানায়, সেই ইসলামের বাণীর উপর আমি দাঁড়িয়ে পেচ্ছাব করি!
সেই ইসলাম ধর্মের বুকে আমি লাত্থি দি!

February 26, 2015

অভিজিৎ রায়কে ঘিরে আমার চাওয়া ও প্রত্যাশা
=======================

যারা ইসলাম ধর্মের আফিম খেয়ে অভিজিৎ রায়কে নৃসংশভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে,
আমি তাদের লাশ চাই না,
আমি তাদের মানবিক শিক্ষা চাই।
যেসব আঁধারের জীবগুলো অভিজিৎ রায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে আনন্দে উল্লাস করছেন,
তাদেরকে আমি ঘৃনা করতে চাইনা,
আমি তাদেরকে জ্ঞাণ-আলোর পথ দেখাতে চাই।
যারা মধ্যযুগীয় বর্বর ধর্মে দীক্ষিত হয়ে অভিজিৎ রায়কে
হত্যা করার পরিকল্পনা করেছে,
আমি তাদের ফাঁসি চাইনা,
আমি তাদের বর্বর ধর্মের বিলুপ্তি চাই!
যেসব মাদ্রাসাগুলোয় ছোট ছোট অবুঝ বাচ্চাদের মস্তিষ্কের কোষে কোষে ইসলামের ভাইরাস ঢুকিয়ে দিয়ে লক্ষ লক্ষ জঙ্গি তৈরি করা হয়,
আমি তাদের মৃত্যু চাইনা,
আমি তাদের মাদ্রাসা শিক্ষার অবসান চাই।
যে রাষ্টধর্ম “ইসলাম” অভিজিৎ রায়কে হত্যার জন্য মুর্খ মানুষদের মন-চেতনা উজ্জীবিত করেছে, তাদের মদদ যুগিয়েছে,
আমি তাদের কঠোর শাস্তি চাইনা,
আমি রাষ্টধর্ম “ইসলাম”-এর শিকড় সহ উচ্ছেদ চাই!
যেসব হত্যাকারীরা অভিজিৎ রায়কে খুন করে বীরত্বের হাসি হাসছেন, বুক ফুলিয়ে প্রেত্মার গর্ব করছেন, ইসলাম ও নবীর জয় বলে ভাবছেন,
আমি তাদের রক্ত মৃত্যু লাশ বিচার শাস্তি কোনোটাই চাইনা।
আমি চাই, তাদের মস্তিষ্কে
অভিজিৎ রায়ের চেতনার বিকাশ ঘটাতে
আমি চাই, তাদের হাতে হাতে অভিজিৎ রায়ের বই পৌঁছে দিতে
আমি চাই, তাদের মাঝে অভিজিৎ রায়ের জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে
আমি চাই, তাদের অনুর্বর চিন্তার পলিতে বিজ্ঞান যুক্তিবাদী ও মানবিক বীজ বুনতে
তাঁর জ্ঞান ছড়িয়ে দেয়ার পর আগামীতে সেই হত্যাকারীদের মুখে বা তাদের সন্তানের মুখে শুনতে চাই-
আমরাও মানববাদী, বিজ্ঞানবাদী, যুক্তিবাদী “অভিজিৎ রায়” হতে চাই।

February 27, 2015

দাবী
====

মাননীয় সরকার,
আমি একজন অভিজিৎ রায়ের লেখার পাঠক।
না আমি অভিজিৎ রায়ের খুনিদের ফাঁসি চাইতে আসিনি
তাঁর খুনীদের গ্রেপ্তারের দাবী জানাতেও আসিনি
আমি জানি তা আপনারা কখনো করবেন না।
তাই ঘাতকদের বিচার চেয়ে আমি আপনাদের লজ্জিত করবো না।
আমি একটা ছোট্ট দাবী নিয়ে এসেছি,
আপনারা অভিজিৎ রায়ের বই পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করুন,
এই আমার দাবী।
সত্যি বলছি,
তিনি তাঁর বইয়ে কাউকে হত্যা করার কথা বলেনি
বলেনি কারো কল্লা ফেলে দিয়ে তাকে চুপ করিয়ে দিতে
বলেনি মন্দির মসজিদ ভাঙ্গতে
তিনি কল্পিত জান্নাতের গালগল্প করেনি
বলেনি বিধর্মীদের নিশ্চিহ্ন করে দিতে
বলেনি বোমা মেরে নগরী জ্বালিয়ে দিতে
বলেনি মুসলিমদের বিদ্ধেষ করতে
তিনি সৃজনশীল, মননশীল, যুক্তিশীল, বিজ্ঞানশীল, অবিশ্বাসের দর্শন, বিশ্বাসের ভাইরাস, আর মানবিক কথাই বলেছেন।
তিনি কাউকে মিথ্যে বেহেস্তের লোভ দেখাননি।
অমানুষিক বর্বতার শিক্ষা দেননি।
কাউকে হত্যা করার জন্য প্ররোচিত করেননি।
তিনি অন্ধকারে আলোর মশাল জ্বালিয়েছিলেন।
মাননীয় সরকার,
আমার দাবী একটাই,
তাঁর লেখা প্রতিটি শিক্ষা শ্রেনীর
পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা হোক।
আগামীতে যাতে আর কোনো অভিজিৎ ঘাতক জম্ম না নেয়।

February 27, 2015

২৬ এ ফেব্রুয়ারি ২০১৫
================

২৬ এ ফেব্রুয়ারি একটি কলঙ্কের দিন
বাংলাদেশের একটি লজ্জার দিন!
ইসলাম ও ধর্মান্ধ মুসলমানদের একটি বিজয়ের দিন
মুক্তমনা প্রতিষ্ঠাতার একটি মৃত্যুর দিন
এই দিনে মোহাম্মদের যোগ্য অনুরাসীরা একটা উজ্জল নক্ষত্রকে ধবংস করেছিল।
সেদিন রাতে নবী-ভক্তরা টিএসসির সামনে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে একটি বিরল মস্তিষ্ককে থেঁতলে দিয়েছিল!
তারা জানত, এই বিরল মস্তিষ্কের মানুষটি বেঁচে থাকলে ধর্মজীবিদের বড় অসুবিধে হয়ে যাবে।
মোহাম্মদের সৃষ্ট মিথ অস্তিত্বের সংকটে ভুগবে!
মানুষকে আর অন্ধকারে রাখা যাবেনা
ধর্মের রাজনীতি মুখ তুবড়ে পড়বে!
তাই তারা সেদিন অভিজিৎ রায়কে কুপিয়ে থামিয়ে দিয়েছে!
অবশেষে মৃত্যু দিয়ে “মুক্তমনা” নির্মাণ করে গেলেন,
মুক্তমনের লেখক অভিজিৎ রায়।
২৬ এ ফেব্রুয়ারিকে আমি শুধুই ‘মুক্তমনা দিবস’ বলে স্বীকার করলাম।
আর বলছি,
আমিই অভিজিৎ!

February 28, 2015

মানুষ হতে পারিনি
অপদার্থই রয়ে গেলাম
না বাড়ি না গাড়ি
না কোনো বড় ডিগ্রি,
না কোনো উচ্চ বেতনের চাকরী
আমার দ্বারা কিছুই হলো না!
দিনশেষে স্বরচিত কবিতা গল্প প্রবন্ধগুলো ফিকে হয়ে যায়…
আগুন শব্দগুলো অর্থের কাছে অসহায় দেখায়
শব্দগুলো যেন বোবা হয়ে গেছে,
বেরুতে চাইনা!
আমি নিথরের মতো চুপ থাকি
একরাশ দায়িত্ববোধ আমাকে পাল্টে দিয়ে গেছে
এখন গনতন্ত্রের নাটকীয় রক্ষা-হত্যা দিবসে আমাকে তেমন অবাক করেনা!
দুরে সরে যাচ্ছে সেই চেতনাবোধ…..

January 5, 2015

সময়টা ভালো যাচ্ছে না,
একেবারে ছন্ধহীন
প্রত্যাশাগুলো ভালো কোনো বার্তা নিয়ে আসেনা
যেন গুমোট মেঘের মতো স্থির হয়ে আছি
জানি, স্বপ্নগুলো একদিন বিলীন হবে
সময়ে পায়ের শক্ত মাটিও চোরাবালি হয়ে যায়
দীর্ঘশ্বাস এখন আমার প্রিয়বন্ধু
জানিনা সেই…..
তবুও আশা নিয়ে বাঁচি।
তবুও তাকে নিয়ে স্বপ্ন বুনি
…..কি আর বুঝে?

January 19, 2015

ভালোবাসা বিদায় তোমায় বিদায়,
অবহেলা প্রতারণা মিথ্যের ভন্ডামী আর সহ্য করতে পারবো না!
বিদায় তোমায় বিদায়….
একা একা ভালোই তো ছিলাম।
সুন্দরই তো কাটছিল একাকীত্বের সময়গুলো।
কেন চোরাবালিতে পা রাখলাম?
শালার যতসব দুষিত ভালোবাসা আমার সাথে জোটে!
শালার একটুখানি আশার কথায় কেনই বা স্বপ্ন দেখি?
বড়ই বোকা আমি,
বুঝো এবার!
তোমার আরো শিক্ষা হওয়া দরকার!
তুমি সবকিছুকে সহজ ভাবো…..
বুঝো এবার বুঝো!
সব দোষ আমার!
সব ভুল আমার!
সব অপরাধ আমার!
কারন আমি বিশ্বাস করে এক প্রতারকের হাতে হাত রেখেছিলাম…..
ছি!

January 29, 2015

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১ thought on “অপ্রিয় কথা’র কবিতা সমগ্র, পর্ব-৪

  1. বাহ, পড়লাম ভাল লাগলো
    বাহ, পড়লাম ভাল লাগলো

    ==============================================
    আমার ফেসবুকের মূল ID হ্যাক হয়েছিল ২ মাস আগে। নানা চেষ্টা তদবিরের পর গতকাল আকস্মিক তা ফিরে পেলাম। আমার এ মুল আইডিতে আমার ইস্টিশন বন্ধুদের Add করার ও আমার ইস্টিশনে আমার পোস্ট পড়ার অনুরোধ করছি। লিংক : https://web.facebook.com/JahangirHossainDDMoEduGoB

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

7 + 1 =