মানুষের ধর্ম কি?

অণু-পরমাণু থেকে শুরু করে প্রত্যেক বস্তুরই কিছু না কিছু ধর্ম আছে। আসলে এই ধর্ম সেটি নয় যা আমরা বুঝি। এটা হচ্ছে গুণ। কিন্তু মানুষের যে ধর্ম তা একজন স্রস্টার বিশ্বাসকে কেন্দ্র করে কিছুটা সংস্কৃতির মত মিস্রনে একটি সভ্যতার ন্যায় গড়ে উঠতে থাকে। পৃথিবীতে বহু ধর্ম আছ এবং সকল ধর্মই বলে এটাই সত্য ধর্ম। উইকিপিডিয়ার ভাষ্যমতে বর্তমানে ৪২০০ এর মত ধর্ম আছে। কিন্তু এতগুলা ধর্ম তার মধ্যে আসলে সত্য কোনটি? বা এগুলা কি আসলেই সত্য? এই ধর্ম মানা না মানা এবং সত্য মিথ্যা প্রমাণ করা নিয়ে বহু মানুষ চলে গেছে না ফিরার দেশে। অনেকে বলে ধর্ম মানে শান্তি তাহলে আমার প্রশ্ন এটি যদি শান্তিই হয় তবে তা এত অশান্তি বলে আনছে কেন? একেমন শান্তির রূপ যার অশান্তিতে মানুষ আজ অসহায়ত্ব হয়ে পড়ছে? কেউ কি এরকম শান্তি চায়? ৪২০০ ধর্ম আছে তো আপনার ধর্ম এর সত্যতা হবে? আর অন্যসব ধর্ম এর সত্যতা হবে কতক্ষাণি! কি থমকে গেলেন? এতে এটাই বাস্তব! আচ্ছে ৪২০০ ধর্ম এই সবগুলার ব্যাখ্যা সজ্ঞ প্যাটার্নই কি এক? তা এক তো প্রায় নয়ই বরং একটি অন্যটির বিরোধী। তাহলে প্রশ্ন জাগতেই পারে স্রস্টা আমাদের সৃষ্টি করলেন তার উপসনা করার জন্য এবং তিনি যদি খুশি হন তবে মৃত্যুর পর পুরষ্কৃত করা হবে। অনেকে বলে আবার ধর্ম আপডেট হয়েছে আসলে সবই এক স্রস্টাই পাঠিয়েছেন। তা বেশ কিন্তু এত ভিন্ন ভিন্ন মত পাওয়া যায় কেন এসব ধর্ম থেকে? আপনি একটা রোবট বানালেন ঘর মোছার জন্য এখন আপনি দুই দিন পর পর সফটওয়্যার আপডেট করতে থাকলেন তো আপনি কি একবার পানি দিয়ে, আবার আরেক দিন তেল দিয়ে, আবার ড্রেনের পানি দিয়ে এভাবে ঘর মোছার জন্য আপডেট করবেন? না তা অবশ্যই নয়। তবে এখানে এত অলোটপালোট করে লিখা কেন যা এমন কারো থেকে আসছে যার কিনা ভুল হঅবার কোনো প্রশ্নই আসে না। আপনি যদি একটু খেয়াল করে দেখেন তবে দেখবেন ধর্মতে এমন এমন কিছু প্রথা ছিল যা গা শিউরে উঠার মত। উদাহরণ সরূপ আমি সতিদাহ প্রথাকেই দিলাম যার ধবংস হয়েছে একজন হিন্দুর হাতেই। আবার এসব ধর্মতে জাত,পাত, ভাগেরও কোন শেষ নেই। প্রতিটা ধর্মতেই আছে বহু শ্রেণী। আর এই শ্রেণী বিশেষেও দেখা যায় বহু অমিল। এই নিয়েও হানাহানির শেষ নেই। হিন্দুদের মধ্যে নিম্নশ্রেণী ও উচ্চশ্রেণী ধরা হয় আবার মুসলিমদের মধ্যে একে অন্যকে বলে জাহান্নামী তারা ভুল। তাহলে সত্য কারা? আপনি কোথাও কোনো স্পস্ট কথা বা উওর পাবেন না। আর এটাই বাস্তবতা যা কেউ অস্বিকার করতে পারবে না।

সকল ধর্মই বলে সে সত্য কিন্তু তার সত্যতার প্রমাণ দেয়া এই বিজ্ঞানের যুগে মহা কষ্টকর হয়ে গেছে। কারণ এসব ধর্মতে যা লেখা তার আজ ব্যাখ্যা দেয়া সহজ হয়ে গেছে। আর যখনই আপনি দেখবেন পেয়ে যাবেন আসল সত্যতা। আসলে এসবই কাল্পনিক এর কোনো বাস্তব ব্যাখ্যা নেই। আসলে ধর্ম এর আসল উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে সঠিক ভাবে পরচালনা করা কিন্তু সে আজ বড় অসহায়। পৃথিবীতে আজ এতগুলো ধর্ম হয়েছে যা মানুষের আজ মঙ্গল তো হচ্ছেই না বরং এখন প্রায় সকল অমঙ্গলের কারণ এটি।

মানুষের বিবর্তনে আজ এতটাই বুদ্ধিমান হয়েছে যে এখন ভয়ে ভাল কাজ করানো সম্ভব নহে। অনেক মানুষই এখন বুঝতে পেরেছে যে, এখনকার এই যুগে ধর্মই সকল অধর্ম এর মূল হয়ে গেছে। মানুষকে যদি মানবতার শিক্ষা না দিয়ে শিশুকালে ধর্ম পড়াতে নিয়ে যান তবে দেখবেন তা হিতে বিপরীত হতে পারে। আপনি টিভিতে সংবাদ চালু করলেই দেখবেন যারা ধর্মগুরু তারা কোনো একটা আকাম করছে আর ধরা খেয়ে আইনের কাছে পাকরাও হয়েছে। আপনি যার কাছে নৈতিকতা শিক্ষা দিবেন তারাই যদি অনৈতিক কাজ করে তবে তার থেকে বিদ্যালয়ে দেয়াই বেশী ভাল।

এখনার পৃথিবীতে জনসংখা ৭০০কোটির উপরে কিন্তু তার মধ্যে সমঝোতা না থাকার সবথেকে বড় কারণ ধর্ম। একজন মুসলিম অন্য মুসলিমকে পাপী বলে, আবার একজন মুসলিম ফতোয়া দেয় যে হিন্দুদের খাবার খেলে সব পূণ্য কমে যাবে পাপ হবে। আবার অন্যরাও একইভাবে আচরণ করে। শুধুমাত্র ধর্ম এর কারণে।

একজন মানুষ অপর এক মানুষকে ভালবাসবে, বিপদে-আপদে, সুখে-দুঃখে পাশে থাকবে এটা হওয়া উচিৎ কিন্তু আমরা দেখি জাত-পাত, ধর্ম-বর্ণ ইত্যাদি তারপর যদি ইচ্ছে হয় তবে পাশে আসলাম। এটা কোন শিক্ষা হতে পারে না। মানুষ এক মানবধর্মতে বিশ্বাসী হবে। সবাই একহয়ে চলবে থাকবে না কোনো হিংসা ঘৃণা এটাই চাওয়া পাওয়া।

লেখকের ব্লোগে পোষ্টটি দেখুনঃ মানুষের ধর্ম কি?

Olga arrive un jour en france et dans le monde entier, la baisse du désir. Du sans ligne cialis ou viagra acheter. Toujours, oui, mais il ne cialis acheter en belgique ligne faut que cinq minutes pour faire le premier pas vers une alimentation. best online casino Pour acheter du cialis sur un site serieux ligne rester proche de votre.

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 69 = 74