হিরোজ্যম বা অপারচুনিটিজ্যম একটি মানসিক রোগ!

আমরা আজকাল দেখি কিছু তথাকথিত কবি, সাহিত্যিক, গবেষক ও সুশীল বুদ্ধিজীবীরা থুমড়া দেখাতে বা একটু সুবিধা পেতে সোজা ভাষায় বলা চলে (ক্রিমখোর) টাইপের পাবলিকগুলো সহজেই ইতিহাসবিদ বা ইতিহাসের পন্ডিত হওয়ার সহজ বিপ্লব বা সহ বাটপারির চিন্তা করে। কথায় আছে, ‘অতি শিক্ষিত, অতি সুবিধাবাদী!

এরা কখনোই সমাজের জন্য, গণমানুষের জন্য ও গণ সাহিত্যের জন্য কখনোই সুবিধাজনক নয়। এরাই শেখ মুজিবকে বানিয়ে ফেলে শ্রেণী সংগ্রামী! ঐ সব পাবলিক জানে শ্রেণী সংগ্রাম কী। কিন্তু ঐ যে সুবিধার কথা বলেছি, ঐ যে ক্রিমের কথা বলেছি সেই সুবিধা যেন হাতছাড়া না হয়। সেই পথটা খোলা রাখার জন্য নিউ মার্কেটের শেরোয়ানিতে মুক্তা লাগানো ছিল বলে হাঁক ছাড়ে!

ঐসব ক্রিমখোররা সহজ বিষয়টাই বুঝে না যে, যদি আদৌ বাংলাদেশে শ্রেণী সংগ্রামের মত কিছু হয়েছে বলে মনে হয় না ও ১৯৭১ এর সময় কি শ্রেণী সংগ্রাম হয়েছিল?

এটি ছিল জাতীয়বাদী গণযুদ্ধ, পাকিস্থানের কাছ থেকে পাওয়া স্বাধীনতা।

স্বাধীনতাই শেষ কথা নয়, স্বাধীনতার পরে গণমানুষের সরকার গঠন হয়নি। এখানেই ছিল সবচেয়ে বড় ভুল। পরবর্তী সেই সাম্রাজ্যাবাদের নির্বাচন ও গণতন্ত্র নামক (মুড়ির মুয়া) টাইপের পুরনো প্রথাই চালু হয়েছে।

আর সব শেষে বলে রাখি পরবর্তী ইতিহাস নির্মম হবে, তথাকথিত ইতিহাসবিদ নামক সুবিধাবাদীরা ইতিহাসের আস্তকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

6 + 3 =