একুশে ফেব্রুয়ারী ও একটি নামহীন কবিতা।

ওরা এল কেড়ে নিতে মুখের ভাষা।
সালাম,বরকত,রফিক,জব্বারেরা দিয়ে গেল রক্ত খাসা।
রাজা-প্রজা কিংবা চাষা সবার মুখেই সমান মিষ্টি এ ভাষা।
নানা গল্প,কবিতা,কথা,উপকথায় ঠাসা।
লক্ষ কোটি প্রানের জাগরনে এ ভাষা।
তাইতো শ্বাপদ-সংকুল হায়েনারা ষড়যন্ত্র করল।
ওরা জানে ভাষা জাতির প্রান,মান ও সম্মান।
বলেছিল তারা উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্র ভাষা।
হয়েছে কি তা,হবে না তা বাঙ্গালী বীর সন্তান।
ভাষার জন্যে অকাতরে প্রান করে গেল দান।
একুশ ফেব্রুয়ারী দুরন্ত দুর্বার ভাঙ্গল চুচল্লিশ ধারা।
হ্রদয় উৎসরিত রক্ত স্রোত ঘাতক বুলেটের আঘাতে বইয়ে দিল তারা।
ঝরল অশ্রু,সপ্নীল জীবন,অঝোর রক্ত ধারা।
ছোপ ছোপ টগবগে লাল রক্তে সিক্ত রাজ পথ।
অত্যাচার কত চরম হলে ভাষা হয় লুন্ঠিত।
আত্মসম্মান বোধ,ভালবাসা কত প্রবল হলে প্রান দানে হয় না কুন্ঠিত।
না না একুশ শুধু বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে নেই সীমাবদ্ধ।
একুশ দিয়েছে একাত্তর,দিয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার সম্মান।
ভুল করেও কখনও একুশ করবনা তোমায় অসম্মান।
একুশ তোমার প্রতি বাঙ্গালীর দুরন্ত দুর্বার প্রেম প্রতীয়মান।
জয়ে জয়ে জয়কার একুশ তোমার।
একুশ তুমি জাতির অলংকার।
একুশ তুমি আমার প্রিয়ার ছোট্ট মুখের হাসি।
একুশ তোমায় শুনেছি প্রথম আমার মায়ের মুখে।
রাগে,দুঃখে অথবা উন্মাদ সুখে।
সপ্ন বুনেছি নীরবে এই বুকে।
একুশ তুমি পৃথিবীর বুকে এক অপুর্ব বিষ্ময়।
মহাপ্রলয়ে ও থাকবে তুমি চির অক্ষয়।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “একুশে ফেব্রুয়ারী ও একটি নামহীন কবিতা।

  1. একজন যাত্রীর প্রথম পাতায়
    একজন যাত্রীর প্রথম পাতায় দুইয়ের অধিক পোস্ট থাকা ইস্টিশনবিধি অনুমোদন করেনা। আপনাকে ইস্টিশনবিধি পড়ে ব্লগিং করার জন্য অনুরোধ জানানো হল। আপনার পোস্টটি প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হল।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

1 + 3 =