প্রয়াত প্রেমিকা এবং বাসে সংরক্ষিত নারী সীট…

প্রয়াত প্রেমিকা এবং বাসে সংরক্ষিত নারী সীট…

আজকে সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে আমার প্রয়াত প্রেমিকার কথা খুব বেশি মনে পড়ে যাচ্ছে । … … … ওর অনেক ভালো অভ্যাসের মধ্যে একটি ছিল , রাস্তায় যেখানে সেখানে আবর্জনা না ফেলা। চকোলেট বা আইসক্রিম খেয়ে আমি হয়তো খোসাটি রাস্তার উপর ফেলেছি কোনও কিছু চিন্তা না করেই । ও অমনি কটমট করে তাকিয়ে বলতো, “ অ্যাই, এটা কী করলে ? এতো সুন্দর রাস্তাটাকে তোমার ডাস্টবিন মনে হয় ? ’ ওর সিরিয়াসলি রেগে যাওয়া দেখে আমার মাথায় দুষ্টুমির ভূত চাপতো । আমি বলতাম, “ আরেব্বা, কী এমন ক্ষতি হলো ? সবাইত ফেলছে, আর আমি ফেললে দোষ, তাই না ? শোনো, তোমার না এ দেশে না জন্মে ইউরোপ – আমেরিকার কোনও দেশে জন্ম গ্রহণ করা উচিৎ ছিল। যেখানে মোড়ে মোড়ে ‘’ Use Me ‘’ লেখা ডাস্টবিন আছে।” এই পর্যায়ে ও রেগে অগ্নি মূর্তি ধারণ করতো। আর আমি সেই আগুনে ঝলসে যাওয়ার ভয়কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তাতে আরও বেশি করে অক্সিজেন প্রয়োগ করে বলতাম, “ তুমি এখনো বঙ্গ – নারী হতে পারলে না, একটা কপট দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলতাম, দ্রুত চলো, ক্লাসের দেরি হয়ে যাচ্ছে …। ” বেশি রেগে গেলে ও সবচেয়ে বেশি ঠাণ্ডা আচরণ করতো। মাঝে মাঝে আমার মনে হতো, মানুষরূপী একটা আস্ত বরফ খণ্ড আমার পাশে হেঁটে চলেছে। তাজ্জব হয়ে দেখতাম, গাড়ি টারির তোয়াক্কা না করে মাঝ রাস্তা থেকে আইসক্রিম কিম্বা চকোলেটের শরীরে জড়িয়ে থাকা মহামূল্যবান খোসাটি অত্যন্ত যত্ন সহকারে তুলে নিয়ে পার্টস বা ব্যাগে সংরক্ষন করছে, পরে কোনও ডাস্টবিনে ফেলে দেবে বলে। আর শাস্তি স্বরূপ ওর সাথে বাসে করে একসাথে ফেরার ব্যাপারে ১৪৪ ধারা জারি।

এই একসাথে আসা – যাওয়ার পথে ওর আর আমার সহস্র স্মৃতি জমে আছে চট্টগ্রাম শহরের আনাচে – কানাচে। বিশেষ করে “ শহর টু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ”, “ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় টু শহর ”। তারমধ্যে আর একটি বিষয় উল্লেখ করে আজকের ঘটনায় প্রবেশ করবো। এই বিষয়টি অবশ্যই প্রাসঙ্গিক মূল ঘটনায় যাওয়ার আগে ।

চবি তে যারা শহরে থেকে পড়াশোনা করতেন তাড়া সবাই জানেন, আমাদের জীবনের একটা দীর্ঘ সময় ব্যয় ( কারো কারো মতে অপব্যয় ) হয়ে গেছে ক্যাম্পাসে যাওয়া আসার পথে। ওর সাথে বিশেষ সম্পর্ক হয়ে যাওয়ায় আমরা বাস, তরী ( হিউম্যান হলার ) তে যাতায়াত করতাম। আমাদের পছন্দের বসার জায়গা ছিল একদম পেছনের সীটের সামনের বামদিকের সীট । যেহেতু ওই সীট’ টি আমাদের জন্য চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করা ছিলোনা সেকারনে ওই কাংখিত সীটে বসার জন্য মাঝে মাঝে আমরা পরের বাস বা তরী’র জন্য অপেক্ষা করতাম। এই অপেক্ষা ছিল দারুণ আনন্দের। ওর পাশে বসে অনেকটা পথ যাওয়া হবে । প্রেমময় আরও একটা দীর্ঘ সোনালী – রূপালি পথ পাড়ি দেয়া হবে। আরও কিছু দুর্লভ প্রহর কাটবে যুগল স্রোতে – এই ভাবনা থেকে থেকে হৃদয়ে যে আলোড়ন তুলতো তা এই লেখায় কেন বাকি জীবনভর সহস্র পৃষ্ঠা লিখেও প্রকাশ করতে পারবোনা ।

দীর্ঘ সাড়ে চার বছরে প্রতিবার ওর বাসার কাছে এসে ‘বিদায়’ বলাটা ছিল আমার জন্য যুগপৎ বেদনার ও শূন্যতার । আমি শূন্যতাকে ভীষণ ভয় পেতাম। মনে হতো কোনোদিন হয়তো ও আমাকে গহীন নিস্তব্ধ কৃষ্ণকায় শূন্যতার সাগরে ফেলে চিরকালের জন্য হারিয়ে যাবে … ও বলতো, ‘ রাহাত, এমন পাগল কেন বলোতো, আমাকে পৌঁছে দিতে এসে তোমাকে যে অনেকটা পথ একা একা ফিরতে হবে সে কথা একবারও ভাবো ? তোমার মেসের কাছেই তো নেমে যেতে পারতে, শুধু শুধু কষ্ট করো ।’… হাহাহাহাহাহা… তোমার কথা শুনে আমার ভীষণ হাসি পেত। আমি জানতাম ও তোমার মনের কথা না। মুখের কথা । প্রেমের ক্ষেত্রে মুখের কথা বিবেচ্য নয় । তোমার হৃদয়ের কথা বুঝে নিয়ে আমার হৃদয় পাতাতো সন্ধি। তাই বুঝি আমরা ছিলাম যুগল প্রেমে বন্দী !!!

তোমাকে বলা হয়নি সেভাবে কখনো, পথের ক্লান্তি বলে কিছু জানতাম না আমি । প্রতিবার বিদায় ঘণ্টা বাজার কিছু আগে থেকেই হৃদয়ে বেহালার করুণ সুর বেজে উঠত। তোমার মনে পড়ে, কতবার ওই গানটি গেয়েছি গুণ গুনিয়ে … ‘ এই পথ যদি না শেষ হয় তবে কেমন হতো তুমি বলোতো ’। সন্ধ্যার আলো আধারিতে তোমার মুখখানি কী অপূর্ব অপার্থিব সৌন্দর্যে ভরে উঠতো ! সে কেবল এই আমি, হ্যাঁ হ্যাঁ এই শুন্যতাভুক আমিই শুধু দেখতাম। তুমি বলতে, ‘ রাহাত, অমন করে তাকিওনা। আমি সহ্য করতে পারিনা। আমার ভীষণ ভয় হয় ! মনে হয়, এই গভীর প্রেম একদিন তোমাকে আমার থেকে বহুদূরে ঠেলে দেবে …

কোন কোন দিন এতো বেশি ভিড় হতো বাসে । সীটে বসা সৌভাগ্যবতী বা সৌভাগ্যবানদের দিকে আড়চোখে তাকিয়ে দুর্ভাগ্যপীড়িত দণ্ডায়মান যাত্রীদের দীর্ঘশ্বাস স্পষ্ট টের পেতাম আমি। মেয়েদের কষ্টটা কিছু বেশি ছিল বুঝি । কম তো না, দীর্ঘ ২২ কিলোমিটার পথ দাঁড়িয়ে থাকা । আমাদের সীটের পাশে কোন মেয়ে দাঁড়ালে মিষ্টি করে তোমার দিকে একবার তাকাতাম । তোমার দৃষ্টির ভাষা বুঝে নিতে একটুও দেরি হতোনা । আমার করতলে রাখা তোমার মখমল হাত ছেড়ে দিয়ে উঠে, দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটিকে বসতে বলতাম । আর লোহার রড ধরে দাঁড়িয়ে আমাদের চার চোখে কতো কথা হতো … ইস ! কেন যে নিয়মিত ডায়েরী লিখতাম না … ।

আজ মোহাম্মদপুর থানার সামনে থেকে ‘ তরঙ্গ প্লাস ’ বাসে উঠেছিলাম। ফাঁকা বাস। পছন্দমতো একটা সীটের জানালার পাশে বসে বাইরে নিত্যকার ব্যস্ত ঢাকা শহর দেখছিলাম। শঙ্কর আসতে আরও কিছু যাত্রী উঠলো । অধিকাংশ যাত্রী ছিল স্টুডেন্ট । এদিকটায় প্রাইভেট ভার্সিটির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে ঢাকার অন্যান্য এলাকা থেকে বেশি। পিলখানা- সিটি কলেজ আসতে বাস ভরে গেলো। কয়েক জনকে দাঁড়াতে হল। সায়েন্সল্যাব আসার পর বাসে সুঁই রাখার জায়গা অবশিষ্ট থাকলো না । আমি বসে ছিলাম ড্রাইভারের পেছনে ১১ নম্বর সীটে। নিরাপদ জোন । কারণ, ‘ মহিলা – শিশু – প্রতিবন্ধীদের ’ জন্য ৯ টি সীট এর বাইরে। এই লেখাটির ব্যাপারে আমার তীব্র আপত্তি আছে – একজন সুস্থ – স্বাভাবিক নারীকে শিশু ও প্রতিবন্ধীদের সাথে ট্যাগ করানোয় । যা হোক বাইরের রঙ বাহারি মানুষ, বিলবোর্ড দেখতে দেখতে হঠাৎ শুনতে পেলাম একটি নারী কণ্ঠ বলছে, ‘ এই যে ভাই, মেয়েদের সীটে বসে আছেন, উঠেন, বসতে দেন … এটুকু শোনার পর মেয়েটির দৃষ্টি অনুসরণ করে বুঝলাম আমাকে বলছে না । সামনের সীটের দুই মহাপুরুষ (!) কে উঠতে বলছে। তৎক্ষণাৎ আর একবার সীট গণনা করে নিশ্চিন্ত হলাম কোঁটার বাইরে আছি। এইবার মেয়েটির আকুতি কর্ণগোচর হল, ‘ দেখুন ভাই, একজন ভদ্রমহিলা অসুস্থবোধ করছেন, ওনাকে বসতে দিন ’। মেয়েটির অনুরোধে কোন ফল হলনা। দুই গাড়ল উঠলোই না, উপরন্তু, ঝাঁজের সাথে জানালো, ‘ একটু আগে সামনে একজনকে বসতে দিছি, আর উঠতে পারবোনা’ । মেয়েটি যখন পুনরায় স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলল, ‘ কিন্তু, আপনারাতো মেয়েদের সীটেই বসে আছেন …’ এবার দুজনের মুখে কোন কথা নেই । বাসের অন্যান্য যাত্রীরাও চুপচাপ মজা দেখল। কেউ একটিবার প্রতিবাদ করে কিছু বললো না । হায়রে বিবেক ! এই শহরের মানুষগুলোর মধ্যে হৃদয় বলে কী কিছু নেই !?! রোবট মানুষেরই কী আবাস এই মস্ত ঢাকায় ???

রাগে – দুঃখে – ক্ষবে চোখে অন্ধকার দেখছিলাম । তীব্র ঘৃণায় মনটা বিষিয়ে গেলো। কিছুই বললাম না আমি। জানি, অমানুষের কাছে মানবিক আবেদনের কোন মূল্য নেই। দু’ চার টা চড়, থাপ্পড় ওই কীটগুলোর জন্য খুবই সামান্য শাস্তি ।

বসতে বলে নিঃশব্দে উঠে দাঁড়ালাম । মনে হচ্ছিলো শহরের সমস্ত আবর্জনার বিরাট স্তুপ আমার পিঠে। যা আমার পিঠ থেকে কোনোদিন নামাতে পারবোনা। হায়রে পুরুষ ! ‘ সংরক্ষিত আসন ’ কে ভাবলি নারীর দুর্বলতার প্রতীক হিসেবে !!! অথচ, তোর মনে একটিবারও উদয় হয়না, ওই ‘ সংরক্ষিত আসন ’ তোকে এবং এই পিতৃতান্ত্রিক কাঠামো ও মানসকে বিকটভাবে বিদ্রূপ করছে ।

প্রয়াত প্রেমিকা আমার, তোমার কথা আজ ভীষণ মনে পড়ছে। জানিনা কেন আমাদের এমন হলো । এই পৃথক পালঙ্ক, এই ভিন্ন পৃথিবীতে বসবাস আমার একদম ভালো লাগেনা। তুমি কেমন আছো ? তোমার ভালোবাসায় এবং ভালবাসাহীনতায় আমি আছি একরকম । লোকে বলে, পুরুষের না কি কাঁদতে নেই। কিন্তু, আমার যে বড্ড কান্না পায় । আমার খুব ইচ্ছে করে তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে আবার বলতে, ভালোবাসি, ভীষণ ভালোবাসি প্রিয়তমা আমার …

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২৪ thoughts on “প্রয়াত প্রেমিকা এবং বাসে সংরক্ষিত নারী সীট…

  1. তরঙ্গ প্লাসের একজন নিয়মিত
    তরঙ্গ প্লাসের একজন নিয়মিত যাত্রী হিসেবে উপরোক্ত ঘটনা টি অসংখ্য বার প্রত্যক্ষ করেছি…

    নষ্ট সমাজের মন মানসিকতা কোন নোটিস সাইনবোর্ড মানে না। খুব সহজেই সব কিছু দুমড়ে মুচড়ে দেয়।

  2. “ওই ‘ সংরক্ষিত আসন ’ তোকে এবং
    “ওই ‘ সংরক্ষিত আসন ’ তোকে এবং এই পিতৃতান্ত্রিক কাঠামো ও মানসকে বিকটভাবে বিদ্রূপ করছে ।”

    আপনার অনুভূতিগুলো মন ছুঁয়ে গেলো।

    1. নির্ঝর রুথ ,
      আপনাকে ধন্যবাদ

      নির্ঝর রুথ ,
      আপনাকে ধন্যবাদ !!!
      অনুভূতিগুলোকে তুলে আনতে বারবার মনকে ছুঁয়ে যেতে হয়েছে , হয়তো তাই !
      :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ:

  3. তোর মনে একটিবারও উদয় হয়না, ওই

    তোর মনে একটিবারও উদয় হয়না, ওই ‘ সংরক্ষিত আসন ’ তোকে এবং এই পিতৃতান্ত্রিক কাঠামো ও মানসকে বিকটভাবে বিদ্রূপ করছে ।

    —অসাধারণ বলেছেন… :bow: :bow: :bow: :bow: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    “প্রয়াত প্রেমিকা আমার, তোমার কথা আজ ভীষণ মনে পড়ছে। জানিনা কেন আমাদের এমন হলো । এই পৃথক পালঙ্ক, এই ভিন্ন পৃথিবীতে বসবাস আমার একদম ভালো লাগেনা। তুমি কেমন আছো ? তোমার ভালোবাসায় এবং ভালবাসাহীনতায় আমি আছি একরকম । লোকে বলে, পুরুষের না কি কাঁদতে নেই। কিন্তু, আমার যে বড্ড কান্না পায় । আমার খুব ইচ্ছে করে তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে আবার বলতে, ভালোবাসি, ভীষণ ভালোবাসি প্রিয়তমা আমার …”

    আর রাহাত ভাই এই লাইনগুলোর মর্মার্থ বুঝতে নিজগুণে ব্যর্থ হলাম!! একটু বুঝিয়ে বলবেন প্লিজ… :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :চিন্তায়আছি: :চিন্তায়আছি: :চিন্তায়আছি: :চিন্তায়আছি:

    1. লিংকন,
      ওই লাইনগুলো’ র

      লিংকন,
      ওই লাইনগুলো’ র মর্মার্থ আপনাকে বুঝানোর জন্য একটি রাত খুব প্রয়োজন – যে রাতে আকাশে থাকবে পূর্ণ চাঁদ আর আমার হাতে থাকবে হেমলকপূর্ণ অমৃতের পেয়ালা !!!
      এতদিন বাদে লেখাটি আপনার নজরে আশায় ভালো লাগছে !
      :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ:

      1. ওই লাইনগুলো’ র মর্মার্থ

        ওই লাইনগুলো’ র মর্মার্থ আপনাকে বুঝানোর জন্য একটি রাত খুব প্রয়োজন – যে রাতে আকাশে থাকবে পূর্ণ চাঁদ আর আমার হাতে থাকবে হেমলকপূর্ণ অমৃতের পেয়ালা !!!

        কি করলেন ভাই, পুরান ক্ষতটা এভাবে তাজা করে দিলেন… :ভাঙামন: :ভাঙামন: :মনখারাপ: এখন আবার সেই ভয়ংকর কাজটা করতে ইচ্ছা হচ্ছে… :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :ভাঙামন:

  4. মতিঝিল থেকে সংকর রুটে যাত্রা
    মতিঝিল থেকে সংকর রুটে যাত্রা করতে হয় আমাকে নিয়মিত। যখন দেখি সংরক্ষিত আসন দুইটা ফাঁকা থাকার পরও পেছনে যাত্রীরা দাড়িয়ে আছে। তখন মনে হয় আমরা এখন আর ব্যাঙ্গালী নই ব্যাঙ্গালী থেকে মানুষ হয়ে উঠছি।

    রবীন্দ্রনাথের সেই লাইনটাই মনেপরে
    ‘রেখেছ বাঙালী করে মানুষ করোনি’
    তখন মনে রবীঠাকুর যদি এ বাসে থাকতেন তাহলে নিশ্চই নিজের ভুল সংশোদন করতেন।

  5. প্যাট্রিয়ারকি এন্ড প্র্যাকটিস
    প্যাট্রিয়ারকি এন্ড প্র্যাকটিস অফ ইট ইজ এভরিহয়ার আরাউন্ড দ্যা ওয়ার্ল্ড । ইউ হ্যাভ পিকড আপ সাম রিয়েল সিনারিও অফ আওয়ার সোসাইটি । মেন ডু নট পেয় রেস্পেক্ট টু উইমেন । ইটস আ ভেরি টাচি রাইট আপ , এ গুড রাইটিং এজ ওয়েল …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 2 = 7