মুসলমান কেতাবে রস আনছিলো ইরাণীরা

কইতে ছিলাম রসের কতা, কি হিঁদু কি মুসলমান সব ধর্ম চর্চাতেই আগে রস ছিলো অহন নাই। বিজ্ঞজনে কয়, মুসলমান কেতাবে রস আনছিলো ইরাণীরা, তুর্কিরা ছিলো গোড়া যারে সেক্কুলার ভাষায় কয় সিরিয়াস। ইরাণী ভাই সাহবেরা তাই কেতাবে রস সৃষ্টি করেছে নানা ঢংয়ে নানা উপাচারে,

খেজুর রস নিয়ে আইলো করিম চাচা। কইলাম, চাচা চিনি গুলাইয়া আনো নাই তো! চাচা কয়, ধুরু বাপ; এক্কেবারে জিড়ান কাটা রস। কইলাম, দাও দেহি এক গেলাশ।
খাইলাম। তাল এবং খেজুর রসে মাদকতা আছে, অদ্ভুত এক মাটির মাদকতা, যেমন মাদকতা থাকে জৈগুনের পুঁথিতে। রসের মাদকতা নাহয় পেলুম কিন্তু পুঁথির মাদকতা আর বোধহয় পাওন যাইবো না এই পোড়া দেশে। মানুষ কি করে এত বেরশিক হইয়া গেল আল্লা মালুম।
হ। কইতে ছিলাম রসের কতা, কি হিঁদু কি মুসলমান সব ধর্ম চর্চাতেই আগে রস ছিলো অহন নাই। বিজ্ঞজনে কয়, মুসলমান কেতাবে রস আনছিলো ইরাণীরা, তুর্কিরা ছিলো গোড়া যারে সেক্কুলার ভাষায় কয় সিরিয়াস। ইরাণী ভাই সাহবেরা তাই কেতাবে রস সৃষ্টি করেছে নানা ঢংয়ে নানা উপাচারে,
যেমন, একদা শয়তানের গোদা মহা শয়তান তার এক নব্য সাগরেদ কে তালিম দিতে দিতে কইছিলো, মনে রাহিস; যারা আল্লা খোদার নাম নেয় তাগো বিপথে নেওয়া সহজ, কিন্তু যে ব্যাটা তা করে না তার কাছে ইটামুগুরের ভয় আছে।
সাগরেদের চক্কু কপালে। তাই দেইহা মহাশয়তান কইলো প্রমাণ দিমু কাল প্যাক্টিকাল ক্লাসে।
অতপর পরদিন, মহাশয়তান তার সাগরেদরে পাঠাইলো এক আল্লাওয়লার কাছে, সাগরেদ আইসা জিব্রাইলের রুপ ধইরা হেতিরে কইলো আপনার এবাদতে আল্লাতাল্লা বহুত খুশ। হে আপনার জন্য বোরাক পাঠাইছে, আপনারে স্বশরিরে বেহেস্তে নিয়া যাইতে। আল্লা ওয়লা ভক্তিতে গদগদ হইয়া যেই না বোরাকে উঠছে অমনি সাগরেদ নিয়া গিয়া ফেলল কাদা পানিতে নাকানি চুবানি খাওইয়া তারে ছাইরা দিলো।

হেরপর, মহাশয়তান কইলো যা এবার ঐবেটা এলেমের কাছে। শাহরেদ আইসা দেহে হেতি বদনা লইয়া মুখ ধুইতাছে, কাছে গিয়ে পুর্ব ঘটনার পুনারাবৃত্তি করলো। কিন্তু বিধি বাম। এলেম মনে মনে কইলো, হামি তো এমন কিছু করিনাই যাতে আল্লা আমার জন্য বোরাক পাঠাইবি এই ব্যাটা নির্ঘাত জোচ্চর। বুদ্ধি করে এলেম কইলো, তা যদি তুমি ফেরেসতাই হও তবে এই বদনার নালের ভেতর দিয়ে যাও দেহি। যেইনা গেছে বদনার নালে তহনি এলেম উঠে বইছে বদনার উপর আর নালের মুখে খোরমার(খেজুর) বিচি দিয়া আটকাইয়া দিছে। অহন সাগরেদ পড়ছে মহা ফাপরে। মেলা কইয়া বইলা, কান মাতা ধইরা ক্ষেমা নিছে এলেমের কাছ থিকা। তাই কইতেছিলাম দুপাতা বিদ্যে যার পেটে আছে শয়তানও তাগো ধোকা দিতে পুর্বের ঘটনার স্বরণ করবি।
কিছু বুঝলেন নি রসের নাগর/নটীরা?
না বুঝলে চালভাজা খান।
★অতিজলদি পাঠকের মন রক্ষার্থে যতদুর সম্ভব সংক্ষেপ করা হইলো।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

57 + = 63