ফিজিক্সের ‘ল’ এবং নৈতিক-মানবিক বিধি

//ফিজিক্সের ‘ল’ এবং
নৈতিক-মানবিক বিধি//

আপনি সুস্থির হোন,আত্মবিশ্বাসী হোন,আত্মপ্রত্যয়ী হোন,পজিটিভ হোন তবে আপনাকে কেন্দ্র করে অন্যরা সবাই ঘুরতে থাকবে কারন তারা সবাই নেগেটিভ। পরমানুর নেগেটিভ ইলেকট্রন কনিকাগুলোই পরমানুর পজিটিভ[প্রোটন] নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকে ;ইহাই বাস্তবতা। আপনার প্রোএক্টিভ মনোভাবে যে পজিটিভ গ্রেভিটি কিংবা পরাশক্তির উদ্ভব ঘটে তার জন্য আবশ্যিক ভাবেই অপরা শক্তির নেতিবাচক মানুষ গুলো আপনার নিকট আসবে।

ভার্চুয়াল জগতের ফিজিক্সের ‘ল’ অনির্দিষ্ট কিন্তু নন-ভার্চুয়াল তথা ব্যবহারিক জগতে সুনির্দিষ্ট যেখানে ক্লাসিক্যাল ফিজিক্স দ্বারাই ৯০% শুদ্ধতায় জগতকে ব্যাখ্যা করা যায়।ভার্চুয়াল জগতে ফিজিক্স যেমন অনির্দিষ্ট তেমনি নৈতিক-মানবিক নিয়ম-বিধিও অনির্দিষ্ট । যেমন ভার্চুয়াল জগতে কে বা কার সঙ্গে সেক্স করা উচিৎ তা সুনির্দিষ্ট নয়। কিংবা ভার্চুয়াল জগতে ফ্রি সেক্স অনুমোদিত কিন্তু ব্যবহারিক জগতে সেক্স কেন্দ্রিক নৈতিক মানদন্ড তৈরি করতে হয়। নন-ভার্চুয়াল জগতের যে অংশ [বা জিওডেসিক] সুনির্দিষ্ট ফিজিক্স দ্বারা পরিচালিত সে অংশের মানষসহ জীব প্রজাতির মধ্যে কতিপয় সুনির্দিষ্ট [আপেক্ষিক] নৈতিক-মানবিক নিয়ম ও বিধি তৈরি হওয়াটা স্বাভাবিক। অন্যথায় জীব প্রজাতির ধ্বংস অবশ্যম্ভাবী ও অনিবার্য হয়ে পড়বে। তবে এই নৈতিক-মানবিক বিধি সৃষ্টিতে কোন অতি প্রাকৃত শক্তির হস্তক্ষেপের আবশ্যিকতা নেই।
গুরবাদকে আমি সমর্থন করিনা কিন্তু সুস্থির নির্বান প্রাপ্ত পজিটিভ মস্তিষ্কের অধিকারী অনন্য মানুষ[বুদ্ধগন] কর্তৃক ঘোষিত নৈতিক ও মানবিক বিধি গুলোকে নির্বিচারে বর্জন করাটাও আমি বিজ্ঞান সম্মত মনে করিনা।এখানে শিব,মহাবীর,গৌতম…প্রমুখ যথার্থ বুদ্ধ-মানব।

বাস্তব জগতের সব কিছুই ফিজিক্সের “ল” দ্বারা সুনির্ধারিত এবং মানবিক-নৈতিক বিধি গুলোও ফিজিক্সের “ল” দ্বারা কম-বেশি সুনির্ধারিত হতে হবে। কোন মতবাদ বা ইজমের নামে নৈতিক-মানবিক বিধি গুলোকে অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই। ঈশ্বর কিংবা শূন্য নিরপেক্ষ ভাবেই ব্যবহারিক জগতে নৈতিক বিধি গুলো [আপেক্ষিক ভাবে] ক্রিয়াশীল থাকবে যতদিন পর্যন্ত মানুষ সহ অন্যান্য জীব প্রজাতির অস্তিত্ব টিকে থাকবে।

Abu Momin
২৭ডিসেম্বর, ২০১৭খ্রি.

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

15 − = 7