একটু প্রসংশা

আপনি আমি প্রায়
সকল সচেতন মানুষ
ধর্মের অনৈতিক
ব্যাবস্থার
বিরুদ্ধাচরণ করি ।
এমনকি ধার্মিকেরাও
করে । এতে ধর্ম
প্রচারকের দোষ দেয়া
বোকামি । আপনি
জানেন শত শত বছর
আগের সমাজ ব্যাবস্থা
আর এখনকার সমাজ
ব্যাবস্থা আকাশ
পাতাল ব্যবধান । আর
নবী মুহাম্মদ এর
একাধিক বিয়েকে
বৈজ্ঞানিক ভাবে
অনৈতিক প্রমাণ
করতে পারবেন না ।
আপনি লক্ষ্য করলে
দেখবেন ততকালীন
সমাজের ক্ষমতাধর
সকল রাজাদের বহু
যৌনদাশী ছিল ।
মুহাম্মদ তার
ব্যাতিক্রম নয় ।
ঈশ্বর বিজ্ঞানের
সৃষ্টি । প্রাচিন কালে
মানুষ যখন রহস্যের
কূলকিনারা পেতনা
তখন তা অলৌকিক
বলে মেনে নিত । আর এ
অলৌকিতাই এক সময়
ঈশ্বর হয়ে জন্ম নেয় ।
কেননা বিজ্ঞান
কল্পনা করতে শেখায় ।
আর এ কাল্পনিক
শক্তি কে হাতিয়ার
তৈরি করে আজ এতো
এতো ধর্ম । আপনি
একেবারই ধর্ম কে
অযুক্তিক বলতে
পারেন না । এই সকল
ধর্মের সুফল অনেক ।
আমি মুসলিম ঘরের
সন্তান তাই ইসলামের
কিছু সুফল তুলে
ধরলাম ।
প্রথমে আসি নৈতিক
শিক্ষায় । ইসলাম সহ
প্রত্যেক ধর্মই
নৈতিক শিক্ষায়
গুরুত্ব দেয় । মিথ্যা
বলোনা অন্যায় করো
না খারাপ কাজ করোনা
। এরকম হাজারো
আদর্শ ধর্মের মাঝে
আছে । এছাড়াও
ইসলামে যাকাত
সিস্টেম অনেক সুন্দর
একটা ব্যাবস্থা ।
যাকাত ধনী দরিদ্র
ব্যাবধান কমিয়ে আনে
। আবার দান করার
জন্য ইসলাম অনেক
উদার । আপনি এদিক
দিয়ে ইসলামের
প্রসংসা না করে
পারবেন না । আবার শুধু
ইসলাম নয় অন্যান্য
ধর্ম একি কাজ করে ।
আপনি সমাজের উচু
স্থানে যেতে হলে
ভালো কাজ করতেই
হবে । আর মুহাম্মদ
ভালো কাজ করে ভালো
কাজের আদেশ দিয়ে
সকলের মন জয়
করেছে । মুহাম্মদ
ছিলেন অনেক জ্ঞানী
। একজন দার্শনিক
এবং বিজ্ঞানি ।
টলেমি ও পৃথিবী
সম্পর্কে ভুল ধারনা
দিয়েছে । মুসলিমদের
আরেকটা সুন্দর দিক
হলো গরীব মানুষদের
দাওয়াত দিয়ে খাওয়ানো
। আবার ঈদের
কোলাকুলি দারুণ একটা
অনুভুতি । আমার
কাছে অসাধারণ লাগে ।
ইসলামে ভাই ভাই
সম্পর্ক আরেকটা
সুন্দর ব্যাবস্থা ।
মুহাম্মদের সবচেয়ে
বড় ভুল অলৌকিকতা ।
মুহাম্মদ ইসলাম কে
প্রতিষ্ঠা করতে নানা
অলৌকিক ঘটনার
জন্ম দিয়েছে ।
আকাশে গমন ,চাঁদকে
দ্বিখন্ডিত করা ।
জিবরাইল কে পিয়ন
বানানো । আসলে
মুহাম্মদ এই কাজ না
করলে কেউ মুহাম্মদের
পাশে থাকতো না । সব
শেষে বলতে চাই
ইসলাম অনেক উন্নত
দর্শন । এখনেও ভুল
আছে । আমরা
ইসলামের সমালোচনার
সাথে প্রসংশাও করবো
। সারাদিন সমালোচনা
ভালো লাগে না । ভালো
দিকের প্রসংশা করুন ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১ thought on “একটু প্রসংশা

  1. সেই সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে একজন ক্ষমতাবান মানুষ যা করতে পারতো, মুহাম্মদ তার বাইরে কিছু করেনি। এই সেদিন ও রাজ রাজারা বহু পত্নী উপপত্নী বেষ্টিত জীবন কাটিয়েছে। এটা হয়েছে সময়ের প্রেক্ষিতে এবং ক্ষমতাবলে।
    ১৪০০ বছর আগের সময়ের প্রেক্ষাপটে মানুষ মুহাম্মদ এর বহু বিবাহ, রাজনৈতিক কারণে গণহত্যা ইত্যাদি আজকের যুগের সমালোচিত বিষয় গুলো উপেক্ষা করা গেলেও ঐশ্বরিক বানী প্রাপ্ত একজন আধ্যাত্মিক মানুষের সাথে তা যায় না।
    ব্যক্তি মুহাম্মদ বা মানুষ মুহাম্মদ নিয়ে আজকের যুগের মানুষের কিছু যায় আসে না।
    সমস্যাটা তখনই হয় যখন, সাধারণ মানুষের ঋপুর বাইরে যেতে না পারা একজন মানুষ তার মেধা, প্রজ্ঞা এবং রাজনৈতিক দূরদর্শিতা কাজে লাগিয়ে তার স্বজাতিকে শ্রেষ্ঠত্ব দানের অভিপ্রায়ে তার দর্শন কে ঐশ্বরিক বলে প্রচার প্রসার করে পরজাগতিক চিত্র একে চাপিয়ে দিয়ে গেছে সর্বকালের মানুষের ঘাড়ে।
    সময়ের প্রেক্ষিতে তখন যা স্বাভাবিক ছিল, কোন কোন আলোকিত মানুষের কাছে আজ তা অমানবিক বলে বিবেচিত হচ্ছে কিন্তু স্বাধীন ভাবে বেরিয়ে আসার পথ খোলা নেই।
    সমস্যা টা এখানেই।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 27 = 35