নবীর অস্তিত্ব রক্ষার চেষ্টা

সহি ইসলাম না জানা বিজাতীয় শেতাঙ্গ খ্রিস্টান-নাস্তিক আমাকে প্রশ্ন করিয়া বসিল “আসলেই কি মোহাম্মদ নামে কেউ ছিল কি? নাকি সব বানোয়াট -মুসলমান সম্রাটরা বানিয়েছে ।”

সহি মুসলমান নাস্তিক হিসেবে আমার মেজাজ বিগড়ায়া গেল। তারপরেও নিজেকে শান্ত করে বোঝালাম- দেখেন সক্রেটিসের মতো যীশু নিজে কিছু লিখে যান নি তাদের অনুসারীদের লেখা থেকে তাদের বর্ণনা পাওয়া যায়। তাই আলোচনার সময় তর্কের খাতিরে যিশু নামক কাঠুরের অস্তিত্ব সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অনেক বক্তা। তবে আমার কাছে মোহাম্মদ নামক আরব ব্যবসায়ীর বাস্তব -ঐতিহাসিক অস্তিত্বের বিষয়ে সন্দেহ নাই। কারণ শুধু এইনা যে জনাব মোহাম্মদ কোরান নামক সুরেলা কাব্য গ্রন্থ রচনা করে গেছেন। কারণ এইটা যে একটা বানোয়াট ঐতিহাসিক নবী চরিত্র প্রস্তুত করিতে হইলে তার সম্পর্কে বর্ণনাদি একটু “রুচিশীল” বা কিছুটা “নবীসুলভ” হইবার কথা ছিল ।
– পালক পুত্রের স্ত্রীকে বিবাহ করিবার জন্য সুস্পষ্ট ছলচাতুরি কিংবা
– গণহারে বানু কুরাইজার ৭০০ ইহুদি জবাই কিংবা
– দাসীর সাথে সেক্স করতে গিয়া ধরা খাওয়ার গল্প কিংবা
– দিনের বেলা এক মেয়ের পিতামাতা হত্যাকরার পরে, সেই রাতেই তাকে যুদ্ধ বন্দি বানায়া ধর্ষণে বর্ণনা দিয়ে মানুষ হাদিস রচনা করতোনা।

বিশ্বাস যোগ্য নবী বানানোর জন্য কিছুটা বিশ্বাসযোগ্য অলৌকিকতার মাল মসলা ও থাকতো। যেমন হাজার হাজার মানুষকে নিয়ে পানি দুভাগ করে নদী পার হওয়া। অথবা লাঠিকে সাপ বানিয়ে ফেলার বা মৃত কে জীবিত করার এই জাতীয় কিছু মোজেজার বর্ণনা থাকতো। অভিসারে গিয়া ধরা পরার কাহিনী আড়াল করতে বোরাকে চড়ে মেরাজ গমনের রসালো কাহিনী কিংবা চাঁদ দুভাগ করার মত এমন স্পষ্ট ভুয়া কাহিনী থাকতোনা যা দেখার পরেও নাকি একজনও তাকে নবী মানতে রাজি হয় নাই।
(বি দ্রঃ মুসা নবীর চরিত্রকে ঐতিহাসিকরা স্পষ্ট বানোয়াট এবং অনেক প্রচলিত লোক কাহিনীর সংমিশ্রণ মনে করে। নূহ নবীর অস্তিত্বের সম্ভবনার প্ৰসংগ তোলা মানে “কলমের” কালি বেহুদা নষ্ট করা- আমরা সবাই জানি ঐটাও ভুয়া । )

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

15 − = 10