বিবাহ বহির্ভুত শারীরিক সম্পর্ক কেন জরুরি

হয়ত কেউ নাক কুচকে বলবেন, হালায় কয় কি? হ্যা, এ বিষয়ের ইতিবাচক দিক নিয়েই আমি কথা বলতে চাই। আজকের সমাজে নানাবিধ সমস্যার ভীরে বিবাহ বহির্ভুত সেক্স একটি গুরুত্বপুর্ন সমস্যা। যে ছেলেটার হোমওয়ার্ক নিয়ে ভাবার কথা সে, ভাবছে তার না পাওয়া বান্ধবীটিকে নিয়ে। যে মেয়েটার জীবন গড়ার জন্য কাজ করার কথা, সে জড়িয়ে যাচ্ছে অযাচিত স্ক্যণ্ডালে। আবার যে পুরুষ কিংবা নারীটির সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা, সে পড়ে থাকছে পরকিয়া নামক নিষিদ্ধ রোমান্সের জগতে। একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে এসবের পেছনে প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে নারী-পুরুষের শারীরিক সম্পর্কটি।

একটা গ্রাম্য প্রবাদ আছে ” পেট আর চেট (শিশ্ন) এর জন্যই দুনিয়ার যত কাজকারবার।” কিন্তু আমরা পেটের কথা ভুলে অধিকাংশ সময় ব্যয় করছি চেটের পেছনে। একটু কি ভাবনার বিষয় নয়? আমাদের সমাজে বিভিন্ন নিয়ম-কানুনের দ্বারা বিবাহ বহির্ভুত শারীরিক সম্পর্ককে অবৈধ করা হয়ছে। এটি শুধুই সামান্য একটি ছোটখাট অপরাধ নয়, রীতিমত জঘন্য একটি পাপ। এমন কাজে কারো জড়িয়ে পরাকে তার জীবনের চরম অধপতন হিসেবে গন্য করা হয়। তদোপরি আছে ধর্মের বাধা ও নরকবাসের ভয়। এতকিছু দিয়ে এহেন অবৈধ কাজটিকে থামিয়ে রাখা যাচ্ছে কি? কে কি বলবেন জানি না, কিন্তু এটা অস্বীকার করার উপায় নাই যে, সমাজের একটা বিরাট অংশ এ কাজে এখনো জড়িত আছে। পেপার পত্রিকায় আসা খবর, কিংবা মোবাইলে স্ক্যন্ডালগুলোকে রেফারেন্স ধরলেও সংখ্যাটা কম না। আর অপ্রকাশিত ও না জানা ঘটনাগুলোর কথা না হয় বাদই দেয়া গেলো।

যে বয়সে একটা ছেলের স্কুলের পড়া আর হোমওয়ার্ক নিয়ে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত থাকার কথা, তাকে আমর দেখতে পাই পাড়ার চায়ের স্টলে কোন মেয়ের অপেক্ষায় বসে আছে। এক সময় জড়িয়ে যাচ্ছে ইভটিজিং নামক অপরাধে। এই ছেলেটি যার জন্য বসে আছে, সেই মেয়েটিকে যদি তার সাথে মিলিয়ে দেয়া যায়, দেয়া যায় শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের সুযোগ, তাহলে ছেলেটি কয়বার, কতদিন স্টলে আর পাড়ায় আড্ডায় জড়াবে? জড়াবে কি ইভটিজিং-এর মত সামাজিক অপরাধে? ধর্ষনের ক্ষেত্রেও কি এই কথাটা প্রয়োগ করা যায় না?

সেক্সকে এমন ফ্রি করে দিলে সতীত্বের প্রশ্নটা চলে আসে। সতীত্ব কি শারীরিক? না কি মানসিক? মানসিক না হলে ধর্ষিতাকে অসতী আখ্যা দেয়াটাও যুক্তিযুক্ত নয় কি? আবার, সতীত্ব যদি মানসিক ব্যপার হয়, তাহলেও প্রশ্ন থেকে যায়। সমাজে এমন কোন নারী কিংবা পুরুষ কি পাওয়া যাবে যারা জীবনে একবারো স্বপ্নদোষ নামক ব্যধিতে আক্রান্ত হননি? স্বপ্নদোষের সঙ্গমে কেউ কি তার বিবাহিত স্বামী কিংবা স্ত্রীর সাথেই মিলিত হন? স্বপ্নদোষে সতীত্ব নষ্ট না হলে মানসিক সতীত্বের ধারনা কতটুকু গ্রহনযোগ্য?

এবার আসা যাক বিভিন্ন বিধি নিষধের ব্যপারগুলোতে। বিভিন্ন ধর্ম ও শাস্ত্রে বিবাহ বহির্ভুত শারীরিক সম্পর্ককে মারাত্নক একটি পাপ বলে গন্য করা হয়েছে। কোন কোন ধর্মে এর শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে, তদোপরি নরকবাস তো আছেই। অন্যদিকে রাষ্ট্র এমন কাজকে অসামাজিক হিসেবে গন্য করেছে, শাস্তির বিধানও রেখেছে। কথা হলো এমন বিধি নিষেধ ও শাস্তির ভয় কি আদতেই মানুষকে এহেন অবৈধ কর্ম থেকে বিরত রাখতে পারছে? পারছে যে না তার ভুরি ভুরি উদাহরন আমাদের সমাজে বিদ্যমান। মানুষ যদি এসব নিয়ম বিধান না’ই মানে অথবা মানতে না পারে তাহলে এমন বিধি ঘাড়ে চাপিয়ে রাখার যৌক্তিকতা কতটুকু? এতে বরং অপরাধবোধে ভোগার মাধ্যমে মানসিকভাবে অসুস্থ হওয়ার ঝুকিই বাড়ছে দিন দিন।

দেশের অধিকাংশ পরিবারই তো পরকিয়া সমস্যায় জড়িত। বিশেষ করে, প্রবাসী স্বামীর স্ত্রীদের প্রায় ৯০% পরকিয়ায় জড়িত। ধরাপরা পরিবারগুলো কি খুব শান্তিতে আছে? স্বামী বিদেশে থাকায় শশুরবাড়ির লোকজন স্ত্রীটিকে তেমন কিছু বলতেও পারেনা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্ত্রী থাকেন বাবার বাড়িতে, অনেক পরিবারে বাবারা বাড়ির লোকেরা শারীরিক সম্পর্কের জন্য সাহায্যও করে থাকে। আমি এমনও ঘটনা জানি যে,বাবা-মা নিজে মেয়েটিকে এমন সঙ্গমের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। বেচারা স্বামীর কানে এসব কথা গেলেও, স্ত্রীর কথাই বিশ্বাস করে, কিন্তু ভোগে অন্তর্দহনে। তার চেয়ে,স্বামীটি, স্ত্রীটি যদি অপেন সেক্স-এ অভ্যস্থ থাকতো এবং সেভাবেই বেড়ে উঠত, তাহলে সেক্স বিষয়ক জটিলতার চিন্তা না করে,নিজেদের সংসারের উন্নতির চেষ্টাই করতো না কি?

তাই, সেক্স নামক বিষয়টা উন্মোক্ত করে দেয়াই ভাল নয় কি?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৬৩ thoughts on “বিবাহ বহির্ভুত শারীরিক সম্পর্ক কেন জরুরি

  1. সারছে!!
    সারছে!! জামায়াত-শিবির-হেফাজতিরা আপনার নাম নাস্তিকের তালিকায় উঠায়া ফেলছে। এই ফাইল মুক্তিযুদ্ধের অনলাইন সোল ডিস্টিবিউটরদের কাছে যাবে। সামনে আপনি রাম ধোলাইয়ের মুখে পড়তে পারেন। (যদিও এসব কাজ ওরাই বেশী করে)।

  2. যে বয়সে একটা ছেলের স্কুলের

    যে বয়সে একটা ছেলের স্কুলের পড়া আর হোমওয়ার্ক নিয়ে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত থাকার কথা, তাকে আমর দেখতে পাই পাড়ার চায়ের স্টলে কোন মেয়ের অপেক্ষায় বসে আছে। এক সময় জড়িয়ে যাচ্ছে ইভটিজিং নামক অপরাধে। এই ছেলেটি যার জন্য বসে আছে, সেই মেয়েটিকে যদি তার সাথে মিলিয়ে দেয়া যায়, দেয়া যায় শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের সুযোগ, তাহলে ছেলেটি কয়বার, কতদিন স্টলে আর পাড়ায় আড্ডায় জড়াবে? জড়াবে কি ইভটিজিং-এর মত সামাজিক অপরাধে? ধর্ষনের ক্ষেত্রেও কি এই কথাটা প্রয়োগ করা যায় না ? http://www.istishon.com/node/2211#sthash.Mrd5BR9c.dpuf

    আপনি কিভাবে শিওর হলেন শারিরীক সম্পর্ক করতে দেয়া হলে টিজ করবে না? শারিরীক সম্পর্ক করতে দেয়ার পর তার রুচি তো চেঞ্জ হতে পারে। আর মেয়েটির মিলিত হতেই বা বাধ্য থাকবে কেন? মেয়েটির ও তো নিজস্ব রুচি আর মানসপট আছে। আপনি ইভ টিজিং কমানোর জন্যে এত যুগান্তকারী পন্থা কেন বেছে নিলেন বুঝতে পারছি না।

    পনি যখন একটা তত্ত্ব দিবেন তাহলে আপনি চাইবেন এটাকে আদর্শ গড়তে। এবং সমাজ দেখবে সে তত্ত্বটা মেনে চললে একটা গ্রুপ উপকৃত হবে কিনা। এখন দেখেন অবাধ যৌনতা করলে আমরা সামাজিক ভাবে কি সুবিধা পেতে পারি কিংবা কতটুকু স্থিতিশীলতা আনতে পারি। বিয়ের পর যদি যৌনতায় কমিটমেন্ট না থাকে তাহলে সেটা বাজে ব্যাপার হয়ে যায় খুব। আর আপনি দেখবেন একটা মতবাদ দিলে সে মতবাদের সুযোগ নিয়ে কেউ সামাজিক বিশৃংখলা করবে কিনা। এখন অবাধ যৌনতার সুযোগ নিয়ে দূর্বিত্তরা অনেক অপব্যাবহারই করতে পারে এই তও্বের। তখন সমাজের প্রেমে আঘাত আসবে। শারিরীক কমিটমেন্টটা জরুরী। না হয় বন্যতা এসে পরতে পারে সামাজিক ব্যাবস্থায়।

    কথা হলো এমন বিধি নিষেধ ও শাস্তির ভয় কি আদতেই মানুষকে এহেন অবৈধ কর্ম থেকে বিরত রাখতে পারছে? পারছে যে না তার ভুরি ভুরি উদাহরন আমাদের সমাজে বিদ্যমান। মানুষ যদি এসব নিয়ম বিধান না’ই মানে অথবা মানতে না পারে তাহলে এমন বিধি ঘাড়ে চাপিয়ে রাখার যৌক্তিকতা কতটুকু?

    এটা আমার কাছে বাজে কথা লেগেছে। মিথ্যা কথা বলা অন্যায় আমরা তা মানতে পারছি না, হিংসা করা ভাল না আমরা তা মানতে পারছি না, স্বার্থপরতা ভাল না আমরা তা মানতে পারছি না, অহংকার ভাল না আমরা তা মানতে পারছি না, ধর্ষন করা ভাল না আমরা তা মানতে পারছি না, পরচর্চা করা ভাল নয় আমরা তা মানতে পারছি না, ঘুষ খাওয়া ভাল আ আমরা না খেয়ে থাকতে পারছি না… এরকম আছে বহু জিনিস যা আমরা মানতে পারছি না, এতে কি প্রমান হয়? এই নিয়মগুলো আমরা অস্বীকার করব? নাকি করা উচিত? আপনি একটা নিয়ম দেখাতে পারলে ভাল লাগত যেইগুলা বিধান হওয়ার পর মেনে চলা হচ্ছে পরিপূর্ন হবে।

    ,স্বামীটি, স্ত্রীটি যদি অপেন সেক্স-এ অভ্যস্থ থাকতো এবং সেভাবেই বেড়ে উঠত, তাহলে সেক্স বিষয়ক জটিলতার চিন্তা না করে,নিজেদের সংসারের উন্নতির চেষ্টাই করতো না কি?

    পিতা কন্যার যৌনতা অর্থনৈতিক কোন অসুবিধা করে না, করে না বাস্তবিক সমস্যাও, সমস্যা সামাজিক আচারে। এটা উন্মুক্ত করার ক্ষেত্রে আপনার মতামত কি ?

    আপনি যখন একটা তত্ত্ব দিবেন আশা করতে পারি সেটার সর্বাঙ্গিন প্রয়োগ। উন্মুক্ত যৌনতা যখন আপনি বুঝাচ্চেন তখন আপনি উন্মুক্ত যৌনতাই বুঝাচ্ছেন। এটা মনে রাখবেন। আপনি তখন বুঝাচ্ছেন, আপনার স্ত্রী আপনার সামনেই করতে পারে হাজারের সাথে সঙ্গম। রাস্তাঘাটে সেক্স করাটা তো অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্থ করে না, সময় বাচায়, জায়গা বাচায়, আরো ওপেন হয়, এটা চালু করার উপর আপনার মতামত জানতে চাচ্ছি।

    ওভারল সমাজের প্রতি আরো দায়িত্বশীল হওয়ার আহবান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন। এটা একটু পড়ে দেখতে পারেন। কেন কমিটমেন্ট আসলো তার সামান্য একটা ইতিহাস

  3. দেহ যার, সিদ্ধান্ত তার; এই
    দেহ যার, সিদ্ধান্ত তার; এই ণীতি গ্রহণ করা উচিত। প্রাপ্ত বয়স্ক প্রত্যেক ব্যাক্তিরকেই তার যৌন জীবনের স্বাধীনতা দেয়া উচিত। ভাত কাপড়ের চাহিদার মত যৌনতাও আমাদের একটা চাহিদা। আমাদের প্রধান চাহিদা খাদ্য মিটে গেলেই আমারা দ্বিতীয় প্রধান চাহিদা যৌনতাকে মেটানোর চেষ্ট করি। বয়ঃসন্ধিকালের পরই আমাদের যৌন চাহিদা শুরু হয়। তাই বাস্তবিক ভাবে স্বাবলম্বি হবার আগে পর্যন্ত একজন ব্যক্তির পক্ষে নিজের যৌন ক্ষুধা পুষে রাখা সম্ভব হয়না। যৌনতা প্রকৃতির সৃষ্টি। আমরা কখনও যৌন চিন্তা না করে থাকতে পারব না। প্রকৃতি আমাদেরকে এভাবে তৈরী করেনি। তাই যৌনতা কে পবিত্রতার মোড়কে আড়াল করে এর থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব নয়। যৌনতাকে বিধিনিষেধের জালে আবদ্ধ করে বরং এর প্রতি মানুষের আকর্ষণ বাড়ানো হয়। অনেক সামাজিক অপরাধের কারণও এই নিষিদ্ধ যৌনতা। তাই যৌনতাকে নিষেদ্ধ না করে বরং এর ব্যাপারে খোলাখুলি আলোচনা করে এবং বয়ঃসন্ধিকালে কিশোর-কিশোরীদেরকে এ ব্যাপারে পরিষ্কার করে বলে যৌনতার রহসহ্য মুক্ত করণের মাধ্যমে যৌনতার অপব্যবহার দূর করা সম্ভব। যৌনতা সম্পর্কিত সামাজিক বিধি-বিধান গুলোকে নতুন করে ভেবে দেখার সময় হয়েছে।

    1. বিয়ে কি? রাস্ট্র যদি মনে করবে
      বিয়ে কি? রাস্ট্র যদি মনে করবে যে অবাধ যৌনতা সুষ্ঠ না তাহলে তো সে সার্টিফিকিট দিবেই। আর সমাজে পরিবার গঠন করা জরুরী।

          1. আপনি আমার লিখার প্রতুত্তর
            আপনি আমার লিখার প্রতুত্তর করেন নি। আমি আপনাকে যেই প্রশ্নগুলো করেছি তার যথাযথ উত্তর দিন। অবশ্যই একটি মতবাদ আলোচনার দাবি রাখে।

      1. বিয়ে কি কখনো অবাধ যৌনতা দূর
        বিয়ে কি কখনো অবাধ যৌনতা দূর করতে পেরেছে? পারে নি। বিয়ের বাইরে সম্পর্ক ১০০ জনের মধ্যে ৯০ জনই করে। কিন্তু কেউ যদি তার পার্টনারের প্রতি সৎ থাকতে চায় তবে বিয়ে ছাড়াও থাকতে পারে। সততা নিষ্ঠা ভালোবাসা বিশ্বাসই সম্পর্কের ভীত। বিয়ে সেই এমন মজবুত ভীত তৈরি করতে পারে না।

  4. আপনি কিভাবে জানলেন যে ওপেন
    আপনি কিভাবে জানলেন যে ওপেন সেক্স শুরু হলে ইভটিজিং,ধর্ষন এগুলো থেমে যাবে? ? ?আমেরিকার মত দেশ যেখানে মানুষ অবাধ যৌনাচারে লিপ্ত সেখানে কি ধর্ষন হয় না? ? টিজ হয় না? ?
    ধর্ষন , ইভটিজিং হল মানসিক বিকৃতি আর পরকিয়া হল লালসা..……এক্ষেত্রে অবাধ যৌনাচারের কোন ভূমিকা নেই.…
    আর ধর্মীয় বিধিনিষেধ এখান শুধু শৃঙ্খলিত করার চেষ্টা করছে।যাতে সামাজিক সম্পর্কগুলোর অবমূল্যায়ন না হয়.…এছাড়া আর কিছুই না..…

    1. “আর ধর্মীয় বিধিনিষেধ এখান
      “আর ধর্মীয় বিধিনিষেধ এখান শুধু শৃঙ্খলিত করার চেষ্টা করছে।যাতে সামাজিক সম্পর্কগুলোর অবমূল্যায়ন না হয়.…এছাড়া আর কিছুই না..”—
      মানবীয় গুনাবলিকে যতই নিয়ম দিয়ে বাঁধার চেষ্টা করা হয়েছে ততই লাগামহীন হয়ে গেছে!!
      মানুষ জন্মগতভাবেই বহুগামি…
      তাই একে নিয়মে বেঁধে লাভ নাই!!

  5. তাইলে আর কি … বিবাহ
    তাইলে আর কি … বিবাহ ব্যবস্থা উঠায়া দেওয়া হউক ….এইডাই ফাইনাল নাকি?
    :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :ঘুমপাইতেছে: :মানেকি:

  6. এখানে সবচেয়ে বড় বিষয় হল
    এখানে সবচেয়ে বড় বিষয় হল নৈতিকতার। এই জিনিসটার অনুপস্থিতিই এইসব পাপের জন্ম দিচ্ছে।
    অত আধুনিক হবার দরকার নাই বাবা। নৈতিকতার চর্চাই কাম্য।

  7. যে ছেলেটার হোমওয়ার্ক নিয়ে

    যে ছেলেটার হোমওয়ার্ক নিয়ে ভাবার কথা সে, ভাবছে তার না পাওয়া বান্ধবীটিকে নিয়ে।

    ওপেন সেক্স শুরু হলে তো এটা আরও বেশি হবার কথা। কারণ, এখন তার কল্পনায় আছে শুধু তার সৌন্দর্য, তার হেটে চলার ভঙ্গি, তার চোখ দু’টো।

    আর তখন থাকবে, এইসবের সাথে তার প্রতিটি অঙ্গের প্রতিটি ভাজ; প্রতিটি তৃপ্তি; প্রতিটি অনুভূতি। ক্ষতিগ্রস্থতা কোথায় বেশি?

    যে পুরুষ কিংবা নারীটির সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা, সে পড়ে থাকছে পরকিয়া নামক নিষিদ্ধ রোমান্সের জগতে।

    পরকিয়া আমাদের সমাজে ট্যাবু বলে সেটা করতে হয় লোকচক্ষুর অন্তরালে। সুতরাং, গোপনে এবং কম পরিসরে। কিন্তু, এটা স্বীকৃত হলে তো সারাক্ষণ এটা নিয়েই পড়ে থাকা যায়।

    এই ছেলেটি যার জন্য বসে আছে, সেই মেয়েটিকে যদি তার সাথে মিলিয়ে দেয়া যায়, দেয়া যায় শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের সুযোগ, তাহলে ছেলেটি কয়বার, কতদিন স্টলে আর পাড়ায় আড্ডায় জড়াবে? জড়াবে কি ইভটিজিং-এর মত সামাজিক অপরাধে? ধর্ষনের ক্ষেত্রেও কি এই কথাটা প্রয়োগ করা যায় না?

    ফর ইয়্যোর কাইন্ড ইনফরমেশন, ইভ টিজিংটা তখনই হয়, যখন মেয়েটার সম্মতি থাকে না। মেয়েটার যেখানে প্রেমেই সম্মতি নেই, সেখানে শারিরিক সম্পর্ক!!! হাউ সেলুকাস!!!

    মানসিক না হলে ধর্ষিতাকে অসতী আখ্যা দেয়াটাও যুক্তিযুক্ত নয় কি?

    স্বেচ্ছায় পরপুরুষের সাথে মিলিত হলেই আমরা তাকে অসতী বলি। একজন ধর্ষিতা স্বেচ্ছায় মিলিত হয় না।

    এমন বিধি নিষেধ ও শাস্তির ভয় কি আদতেই মানুষকে এহেন অবৈধ কর্ম থেকে বিরত রাখতে পারছে? পারছে যে না তার ভুরি ভুরি উদাহরন আমাদের সমাজে বিদ্যমান। মানুষ যদি এসব নিয়ম বিধান না’ই মানে অথবা মানতে না পারে তাহলে এমন বিধি ঘাড়ে চাপিয়ে রাখার যৌক্তিকতা কতটুকু?

    আতিক ভাইয়ের মত করেই বলি, সমাজে খুন করার শাস্তি আছে। কিন্তু, অপরাধ বন্ধ হচ্ছে না। সুতরাং এই আইন উঠিয়ে দেয়া উচিত।

    1. আর তখন থাকবে, এইসবের সাথে তার

      আর তখন থাকবে, এইসবের সাথে তার প্রতিটি অঙ্গের প্রতিটি ভাজ; প্রতিটি তৃপ্তি; প্রতিটি অনুভূতি। ক্ষতিগ্রস্থতা কোথায় বেশি?

      কিন্তু এই থাকাটা কতদিন স্থায়ী হতে পারে? একটা সময় কি কমে আসবে না?

      1. হাসতে হাসতে চেয়ার থেকে উল্টায়
        হাসতে হাসতে চেয়ার থেকে উল্টায় পড়তে গিয়েছিলাম। ধরুণ, একটা মেয়ে রিকশায় করে যাচ্ছে। হঠাৎ, রিকশাওয়াল বলল, “আফা আপনার সাথে আমি অফেন সেকশ করুম।” মেয়েটা ভ্রু কুঁচকে তাকাবে।

        পাশ থেকে আপনি বলবেন, সম্মতিটা থাকে না কেন? থাকা দরকার নয় কি?

    2. ফর ইয়্যোর কাইন্ড ইনফরমেশন, ইভ

      ফর ইয়্যোর কাইন্ড ইনফরমেশন, ইভ টিজিংটা তখনই হয়, যখন মেয়েটার সম্মতি থাকে না। মেয়েটার যেখানে প্রেমেই সম্মতি নেই, সেখানে শারিরিক সম্পর্ক!!! হাউ সেলুকাস!!!

      কথা তো সেটাই সম্মতিটা থাকে না কেন? থাকা দরকার নয় কি?

      1. কথা তো সেটাই সম্মতিটা থাকে না

        কথা তো সেটাই সম্মতিটা থাকে না কেন? থাকা দরকার নয় কি?

        সম্মতি থাকতেই বা হবে কেন? প্রত্যেকটা মানুষের পছন্দ অপছন্দ তো আলাদা। একটা মাস্তান ছেলে প্রেমের প্রস্তাব দিলে সেটা গ্রহন করার যৌক্তিকতাটাই বা কতটুকু শুধু ইভ টিজিং এড়ানোর জন্যে ? আফসুস আপনি মুক্তমণা দেখাতে গিয়ে মুক্তমনের সাথে প্রচুর সংঘর্ষ করে চলেছেন।

    3. স্বেচ্ছায় পরপুরুষের সাথে

      স্বেচ্ছায় পরপুরুষের সাথে মিলিত হলেই আমরা তাকে অসতী বলি

      এমন কজন নারী পুরুষ পাওয়া যাবে যারা মিলিত হতে চায় না? সুযোগের অভাবে হয়ত পারে না, তাদের কে কি অসত বা অসতী বলা যাবে না?

      1. এমন কজন নারী পুরুষ পাওয়া যাবে

        এমন কজন নারী পুরুষ পাওয়া যাবে যারা মিলিত হতে চায় না?

        আপনি হয়তো জানেন না মানুষের সেক্সে একটা কমিটমেন্ট থাকে। বিশেষ করে মেয়েদের। কারন মেয়েরা প্রকৃতিগতভাবে সঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে যত্নশীল। আপনাকে সামান্য কিছু জানানোর জন্যে আমি একটা লিংক দিয়েছিলাম আপনি হয়তো পড়ে দেখেন নি।

      2. হুম। মিলিত হতে চায়। কিন্তু,
        হুম। মিলিত হতে চায়। কিন্তু, অবশ্যই বিয়ের মাধ্যমেই। আপনার মত বিকৃত মানসিকতার লোক খুব কমই আছে সমাজে…

    4. সমাজে খুন করার শাস্তি আছে।

      সমাজে খুন করার শাস্তি আছে। কিন্তু, অপরাধ বন্ধ হচ্ছে না। সুতরাং এই আইন উঠিয়ে দেয়া উচিত।

      খুন আর অপেন সেক্স কি এক হলো? অপেন সেক্স মানে কি একজনের ইচ্ছায় সেক্স করা? না কি উভয়ের সম্মতি? নিহত ব্যক্তি কি স্বেচ্ছায় খুনীকে বলে খুন করো?

      1. ঘুষ খাওয়া ঘটতে পারে দুজনের
        ঘুষ খাওয়া ঘটতে পারে দুজনের সম্মতিতে। মারামারিও হয় দুজনের সম্মতিতে। দুই দেশের যুদ্ধ শুরু হয় দুজএর সম্মতিতে। আবারো কি প্রমান হয় ?

          1. ঘুষ দুজনের সম্মতিতে হয় এবং
            ঘুষ দুজনের সম্মতিতে হয় এবং খুব ভালভাবেই অধিকার সংরক্ষিত থাকে দুজনের। মারামারিতেও কিন্তু থাকে । আর আপনি অধিকার বলতে কি মিন করছেন? কোনটা অধিকার হবে? এখানে কিন্তু উচিত অনুচিতের প্রশ্ন এসে যায়।

          2. ?? ??
            দুজন প্রাপ্ত বয়স্ক নারী

            ?? ??

            দুজন প্রাপ্ত বয়স্ক নারী পুরুষের সম্মতিতে অনুচিতটা কি হতে পারে?

          3. তার আগে আপনার এটা পরিস্কার
            তার আগে আপনার এটা পরিস্কার প্রয়োজন উচিত কিংবা অনুচিত কাকে বলে।

  8. আসলে আমাদের সমাজ ব্যবস্থার
    আসলে আমাদের সমাজ ব্যবস্থার সাথে আপনার কথা গুলো ঠিক পুরোপুরি বেমানান বললে ভুল হবে এখন অনেকটাই মানানসই কারন বর্তমানে বড়লোকের আধুনিক ঘরের দুলালরা মা বাবা কে এক সাথে নিয়ে স্টার প্লাজ সিরিয়ালের রোমান্টিক সিন দেখতে থাকে এবং একটা সময় এইসব সিন-সিনারি অনুকরণ করতে থাকে যার কারণে নিজেদের ব্যাক্তিত্ত বিসর্জন দিয়ে অন্যার সাথে অবাধ মেলামেশা করে ।। আর গ্রামে গঞ্জে একসাথে কোনো ছেলে মেয়ে হাত ধরাধরি করে হেটে গেলেও পাছু লোকে অনেক কিছু বলে ।। আর তাই বাংলাদেশের মতো দেশে আপনার যুক্তি অনেকটাই অঙ্কুর রোদন এর মতো……………

  9. জনাব পৃথু স্যন্যাল,আপনার
    জনাব পৃথু স্যন্যাল,আপনার লেখায় আপনি কিছু সংখ্যা ভিত্তিক তথ্য দিয়েছেন, যেমন এই কাজে লিপ্ত ৯০%, ওই কাজে লিপ্ত ৮০%। এগুলো কি জরিপ লব্ধ পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে দেওয়া নাকি মনগড়া? মন গড়া হলে কথা নাই (হাল্কা হেসে নিলাম, মাইন্ড করবেন না প্লিজ)। আর যদি জরিপ লব্ধ পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে হয় তাহলে এর অফিসিয়াল সোর্সটা কাইন্ডলি একটু শেয়ার করবেন। আচ্ছা, Good Idea!!! এক কাজ করেন। আপনি আপনার পারিবারিক জীবনে টেস্ট কেস হিসেবে ৩ মাসের জন্য সেক্স উন্মুক্ত করে দেন। তারপর আপনার অভিজ্ঞতা সবার সাথে শেয়ার করেন। দুধ কা দুধ, পানি কা পানি হয়ে যাবে। আপনি কি বলেন?

      1. “জরিপলব্ধ নয়, আবার মনগড়াও তো
        “জরিপলব্ধ নয়, আবার মনগড়াও তো নয়” আমার আবার আই.কিউ শর্ট আছে তাই এই অংশটা বুঝতে হাল্কা কষ্ট হচ্ছে। নিজ গুনে ক্ষমা করে দেবেন।কি যেন বলছিলাম,ইয়ে মানে…. টেস্ট কেস হিসেবে নেয়ার বিষয়ে তো আলোকপাত করলেন না ব্রাদার 😀

          1. ভাইজান, বাংলায় একটা প্রবাদ
            ভাইজান, বাংলায় একটা প্রবাদ আছে “আপনি আচারি ধর্ম, পরেরে শিখাও”। আপনি এতো নতুন এবং “সাহসী” একটা মতবাদ হাজির করলেন,নিশ্চয়ই আপনি এতে মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন। এইটার পক্ষে-বিপক্ষে মন্তব্যগুলার উপর এতো প্রতিমন্তব্য দিলেন, এতো সময় ব্যয় করলেন, এই মতবাদ নিজের জীবনে ও নিজের পরিবার-পরিজনদের (মা, বাবা, ভাই, বোন, স্ত্রী, ভাবী, দুলাভাই, ভাতিজা, ভাতিজি, ভাগ্নে, ভাগ্নি, পুত্র, কন্যা, কাজের লোক, কাজের মহিলা, মালি, ড্রাইভার, দারোয়ান ইত্যাদি ইত্যাদি) উপর কতটুকু প্রয়োগ করেন সেটা জানানোর সাহস আপনার আলবাৎ আছে। সময়ের সাহসী সৈনিকদের তো কথায় ও কাজে মিল থাকতে হবে, না কি? ওপেন সেক্স নিয়ে আন্দোলন যে করবে, সে ঘরের স্ত্রী, মা, বোন, ভাবী, ভাগ্নি, ভাতিজি এদেরকে কাজের লোক, মালি, ড্রাইভার, দারোয়ান, লিফট-ম্যান ইত্যাদি ইত্যাদির সাথে শারীরিক ভাবে মিলিত হতে দেখে আপত্তি করার কথা না। নাকি ওপেন সেক্স থিওরিতে শ্রেণী বৈষম্য বিষয়টা উপস্থিত? আপনার থিওরির একটা অর্থনৈতিক উপকারও আছে। ব্যাংক, স্কুল, অফিস ইত্যাদিতে ফর্ম ফিল আপ করার সময় আর “পিতার নাম” লিখতে হবে না, ফলে কাগজ ও কালি দুটোরই সাশ্রয় হবে, ভাল তো, ভাল না? যাই হোক ভাই, মনে কিছু নিয়েন না, আমি আগেই স্বীকার করেছি আমার আই.কিউ কম। তাই সব কিছু ভেঙ্গে ভেঙ্গে বুঝতে চাই। তাই সব শেষে দুইটা প্রশ্ন (১) ওপেন সেক্স থিওরিতে শ্রেণী বৈষম্য আছে কিনা? (২) আপনি আপনার উপরোক্ত পারিবারিক সদস্যদের নিয়ে কতদিন ধরে ওপেন সেক্স চর্চা করছেন ও এতে কি কি উপকারিতা পাচ্ছেন? থিওরির প্রবক্তা হিসেবে আপনার প্রাঞ্জল উত্তর কামনা করছি। দয়া করে গালি দিবেন না ভাই, আমি খুব দুর্বল প্রকৃতির নাদান মানুষ, হালকাতেই ভয় খাই। আরেকটা অনুরোধ, গতবারের মতো ভাসা ভাসা উত্তর দিয়েন না। ওগুলা কেমন জানি মাথার দেড় হাত উপর দিয়ে বাতাসে ভেসে ভেসে দূরে কোথাও চলে যায়, ধরতে পারি না, আফসোস, আফসোস। আই.কিউ কম হওয়ার কুফল, বুঝলেন কিনা? তবে ভাইজান, আমিতো ব্লগিং লাইনে নতুন, আপনার কাছ থেকে দারুন একটা শিক্ষা পাইলাম “কিভাবে সহজে হিট খাওয়া যায়” অথবা “হিট খাওয়ার সহজ তরিকা” এই মুহূর্তে মাথায় দারুন একটা টপিক উঁকি দিল “ডায়াবেটিস নিরাময়ে শারমেয় মুত্র পানের উপকারিতা” ভিতরে আব-ঝাব যাই থাক শিরোনাম দেখেই মিনিমাম ১০০০ জন পড়বে। গালি-গালাজ খাওয়ার রিস্ক তো আছে, মাগার নাম তো ফাটবে! আপনি ব্রাদার দারুন Genius. By the by, moving away from the main issue. Kindly অধমের প্রশ্নগুলোর উত্তর দেবেন। বাধিত হব।

          2. আপনার কথা শুনে পুরাই টাস্কিত
            আপনার কথা শুনে পুরাই টাস্কিত হয়া গেলাম।

            অপেন সেক্স মানেই কি আপনি যাকে ভাল লাগলো তাকে জোর করে বিছানায় নিবেন?

            আর শ্রেনী বৈষম্য? আসলেই থাকে কি?

            দারোয়ান, ড্রাইভারের সাথে মালিকের স্ত্রীর সম্পর্কের কথা তো হামেশাই শুনি, শুনে লোকে অনেক গাল-গল্প করে, বেশ রসিয়ে রসিয়ে জাবর কাটে।

            অপেন হলে কি জাবর কাটার সুযোগ থাকতো? স্বাভাবিকভাবেই নিতো না কি?

          3. Dear Prithyu Shanyal, sorry
            Dear Prithyu Shanyal, sorry for replying in English due to some technical reasons. Please be specific about your reply. Where on earth did I say in my above comment that I wanted to forcibly take someone to bed only because I liked her????? Very much confusing. Ok, I’m asking again, as a BIG TIME SUPPORTER OF FREE AND OPEN SEX, do you practice the same in your personal and family life? DO YOU? If you feel too shy to answer at length, just keep your reply between Y/N, is it OK? Don’t hide out behind tricky words bro. Well you again carefully avoided my question in your latest reply. I admit that I am a low I.Q guy, but that doesn’t necessarily mean that I am a ZERO I.Q. guy?!?! Another info about myself (Just thought you might find it handy), I do not hate FAME SEEKER SLIPPERY PEOPLE, I just feel pity for them.

  10. আমি লিখকের চেতনা বা উপলব্ধির
    আমি লিখকের চেতনা বা উপলব্ধির সাথে একমত তবে তার লিখার স্টাইলে অনেকের আপত্তি থাকতে পারেঃ
    ১) আমাদের দেশের ছেলে-মেয়েদের থেকে পশ্চিমা বিশ্বের ছেলে-মেয়েরা আর বেশী সৃজনশীল কারণ তারা অবাধে তার বন্ধু-বান্ধবীর সাথে মিশতে পারছে। এইদিকে আমাদের ছেলে-মেয়েরা তার সময়ের একটা বড় অংশ ব্যয় করে তার যৌন স্বপ্নে। ফ্রয়ড বলেছেন যে তরুন সমাজ তার যৌনাখাঙ্কাকে অবদমন করায় তার চিন্তা-সৃজনশীলতায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    ২) এইটা ঠিক অবাধ যৌনতা ইভ টিজ বন্ধ করবে না, তবে অনেকাংশে কমাবে। পশ্চিমা বিশ্বে ধর্ষণ হয় কারণ সমাজের খুঁত। কিছু স্যাডিস্ট সব সময় থেকে যাবে! আমাদের সমাজে যেখানে বেশীর ভাগ মেয়ে তার নিকটাত্মীয়ের কাছেই লাঞ্ছিত হয় সেখানে পশ্চিমা বিশ্বের সাথে তুলনা বাতুলতা। দেখেন ওইখানের ধর্ষণের সংজ্ঞায় গেলেতো আমাদের দেশের প্রত্যেক স্বামী মাসে একাধিক বার নিজের স্ত্রীকে ধর্ষণ করে।

    ৩) লিখক যদি ফেমিনিসমের কথা বলতেন তবে হত কি বিশ্বে আধুনিকতর আর শুদ্ধ মানুষের বিস্তার ঘটত। যদিও এ নিয়ে তর্কের অবকাশ আছে তবুও এইটা হলে আজকের পৃথিবী এমন নাও হতে পারত। ধরেন এক রিকশাওয়ালা ও অবাধে তার যৌন চাহিদা মিঠাতে পারবে যার সাথে তার ভাব হয়। কিন্তু একজন অশিক্ষিত মহিলাও সবার সাথে সেক্স করলেও সে বাচ্চা নিবে বা সন্তানের মা হতে চাইবে কোন ডঃ- ইঞ্জিনিয়ার- ব্যারিস্টার- বা শিক্ষক অথবা কোন মেধাবীর. তাহলে আজকের মানব সভ্যতা হত অনেক কম জনসংখ্যার আর উন্নততর মানুষের। আধুনিক সমাজ বিজ্ঞানীরা এমন একটি চরম সম্ভাবনাময় আর স্বপ্নিল পৃথিবীর কথা বলছেন। যদিও কিছুটা অসংলগ্ন তবুও অনেক প্রাসঙ্গিক… যেমন মেরিলিন মনরো মা হতে চেয়েছিল আইনস্টাইন বা কেনেডির! যদিও আইনস্টাইন বলেছিলেন আমি ছোট বেলায় গান করতাম, তাহলে আমার ঘরের তোমার সন্তান বিজ্ঞানী না হয়ে গায়কও হতে পারে বা কিছু নাও হতে পারে…

    ৪) মানুষ জন্মগতভাবে স্বাধীন আর বহুগামি যদিও হাজারো সামাজিক শৃঙ্খলায় সে বন্ধী। তারপর এযাবৎ কালের বেশীরভাগ দার্শনিক ছিলেন চরম প্রথাবিরোধী। কারণ অনেক আমাদের সমাজের সব প্রতিষ্ঠানই মানুষের মুক্ত বিকাশের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। যেমন পরিবার-বিদ্যালয়-রাষ্ট্র ইত্যাদি… যারা এইসব প্রথা আর শৃঙ্খলা ভাঙ্গতে পারবে তারাই প্রকৃত স্বাধীনতা ভোগ করতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস!

    ৫) সব কথার শেষ কথা মানুষের মুক্তি স্বাধীনতায় শৃঙ্খলায় নয়। যদিও স্বাধীনতা শব্দটি অনেক পরিচিত কিন্তু সংজ্ঞা আমাদের অনেকেরই পরিষ্কার না। আমরা – এই বিশ্বের মানুষেরা স্বাধীনতা শব্দটাই শুধু জেনেছে এখনও তার স্বরূপ বুঝতে পারে নাই। আর লিখককে বলছি অনেক কিছুই আপনি একদিনে পরিবর্তন করতে পারবেন না, কিছু পরিবর্তন মহাকালব্যাপী হতে হয়। হবে আর মানুষ মুক্ত হবেই……

      1. ‘বিবাহ বহির্ভুত শারিরীক
        ‘বিবাহ বহির্ভুত শারিরীক সম্পর্ক’ নিয়ে “পৃথু স্যন্যাল” ও “গাজী ফাতিহুন নূর” অতঃপর ‘যৌন স্বাধীনতা’
        এই শিরোনামে একটা পোস্ট দিয়েছি আপনার পড়ে দেখা উচিৎ…
        আসাকরি আপনার ভাল লাগবে!!

  11. আমি লিখকের চেতনা বা উপলব্ধির
    আমি লিখকের চেতনা বা উপলব্ধির সাথে একমত তবে তার লিখার স্টাইলে অনেকের আপত্তি থাকতে পারে। আমার কিছু কথা বলার ছিলঃ
    ১) আমাদের দেশের ছেলে-মেয়েদের থেকে পশ্চিমা বিশ্বের ছেলে-মেয়েরা আরও বেশী সৃজনশীল মেধাবী কারণ তারা অবাধে তার বন্ধু-বান্ধবীর সাথে মিশতে পারছে (বিস্তারিত ব্যাখ্যার দরকার আছে); এইদিকে আমাদের ছেলে-মেয়েরা তার সময়ের একটা বড় অংশ ব্যয় করে তার যৌন স্বপ্নের পিছনে। ফ্রয়ড বলেছেন ‘যে তরুন সমাজ তার যৌনাখাঙ্কাকে অবদমন করে তার চিন্তায়-সৃজনশীলতায় ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়’
    ২) এইটা ঠিক অবাধ যৌনতা ইভ টিজ বন্ধ করবে না, তবে অনেকাংশে কমাবে। পশ্চিমা বিশ্বে ধর্ষণ হয় কারণ সমাজের খুঁত থেকে যাবে প্রত্যাশিতভাবে প্রাসঙ্গিক কারণে। আর অবধারিতভাবেই কিছু স্যাডিস্ট সব সময় থেকে যাবে! আমাদের সমাজে যেখানে বেশীর ভাগ মেয়ে তার শৈশবে নিকটাত্মীয়ের কাছেই লাঞ্ছিত হয় সেখানে পশ্চিমা বিশ্বের সাথে তুলনা বাতুলতা। দেখেন ওইখানের অর্থাৎ পশ্চিমা বিশ্বের ধর্ষণের সংজ্ঞায় গেলেতো আমাদের দেশের প্রত্যেক স্বামী মাসে একাধিক বার নিজের স্ত্রীকে ধর্ষণ করে।
    ৩) লিখক যদি জরায়ুবাদের কথা বলতেন তবে ব্যাপারটা আরও গ্রহণযোগ্য আর চিন্তার হত; যা বিশ্বে আধুনিকতর আর শুদ্ধ মানুষের বিস্তার ঘটতে স্বপ্ন দেখায়। যদিও এ নিয়ে তর্কের অবকাশ আছে তবুও এইটা হলে আজকের পৃথিবী এমন নাও হতে পারত। ধরেন এক রিকশাওয়ালা ও অবাধে তার যৌন চাহিদা মিঠাতে পারবে যার সাথে তার ভাব হয়। কিন্তু একজন অশিক্ষিত মহিলাও সবার সাথে সেক্স করলেও সে বাচ্চা নিবে বা সন্তানের মা হতে চাইবে কোন ডঃ- ইঞ্জিনিয়ার- ব্যারিস্টার- বা শিক্ষক অথবা কোন মেধাবীর. তাহলে আজকের মানব সভ্যতা হত অনেক কম জনসংখ্যার আর উন্নততর মানুষের। আধুনিক সমাজ বিজ্ঞানীরা এমন একটি চরম সম্ভাবনাময় আর স্বপ্নিল পৃথিবীর কথা বলছেন। যদিও কিছুটা অসংলগ্ন তবুও অনেক প্রাসঙ্গিক… যেমন মেরিলিন মনরো মা হতে চেয়েছিল আইনস্টাইন বা কেনেডির! যদিও আইনস্টাইন বলেছিলেন আমি ছোট বেলায় গান করতাম, তাহলে আমার ঘরের তোমার সন্তান বিজ্ঞানী না হয়ে গায়কও হতে পারে বা কিছু নাও হতে পারে…
    ৪) মানুষ জন্মগতভাবে স্বাধীন আর বহুগামি যদিও হাজারো সামাজিক শৃঙ্খলায় সে বন্ধী। তারপর এযাবৎ কালের বেশীরভাগ দার্শনিক ছিলেন চরম প্রথাবিরোধী। কারণ অনেক আমাদের সমাজের সব প্রতিষ্ঠানই মানুষের মুক্ত বিকাশের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। যেমন পরিবার-বিদ্যালয়-রাষ্ট্র ইত্যাদি… যারা এইসব প্রথা আর শৃঙ্খলা ভাঙ্গতে পারবে তারাই প্রকৃত স্বাধীনতা ভোগ করতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস!
    ৫) সব কথার শেষ কথা মানুষের মুক্তি স্বাধীনতায় শৃঙ্খলায় নয়। যদিও স্বাধীনতা শব্দটি অনেক পরিচিত কিন্তু সংজ্ঞা আমাদের অনেকেরই পরিষ্কার না। আমরা – এই বিশ্বের মানুষেরা স্বাধীনতা শব্দটাই শুধু জেনেছে এখনও তার স্বরূপ বুঝতে পারে নাই। আর লিখককে বলছি অনেক কিছুই আপনি একদিনে পরিবর্তন করতে পারবেন না, কিছু পরিবর্তন মহাকালব্যাপী হতে হয়। হবে আর মানুষ মুক্ত হবেই……

    লেখকের জয় হোক…
    ধন্যবাদ একটি অন্যদের সময়ের লিখা পোস্ট করার জন্যে!!
    :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

  12. আপনার লেখা নতুন চিন্তা-চেতনার
    আপনার লেখা নতুন চিন্তা-চেতনার জন্ম দিয়েছে। সমাজে নতুন কোন ধারা আনতে গেলে সমালোচনা হয়ই পরে উনারাই এইগুলি মেনে নেন। তাই এগিয়ে যান আরও লিখুন, আপনার সৃজনশীলতা, চিন্তাধারা আমাদের মধ্যে আরও প্রকাশিত হোক এই কামনা করি।

    1. ভাল লাগছে, আরো একজন পাওয়া
      ভাল লাগছে, আরো একজন পাওয়া গেল।

      আমার কথাগুলো এত সুক্ষভাবে বিশ্লেষ্ণ করে নি, সাদামাঠাভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছি।

      1. আপনাকে তো আমি সুক্ষ্য
        আপনাকে তো আমি সুক্ষ্য বিশ্লেষনের আহবান জানাচ্ছি বেশ অনেক্ষন ধরে। :কানতেছি:

  13. একটা ছোট্ট প্রশ্ন করি।আপনি কি
    একটা ছোট্ট প্রশ্ন করি।আপনি কি দেশটাকে আফ্রিকা বানাতে চান যেখানে মোট জনসংখ্যার ত্রিশ ভাগ এইচ আইভি আক্রান্ত।আপনি কি গরু,ছাগল পশুপাখী আর মানুষের মাঝে তফাৎ বুঝতে পারেন।যুগে যুগে একটা কথা প্রমানিত হয়ে এসেছে একটা জাতি কে ধ্বংষ করার জন্যে অবাধ যৌনাচার যথেষ্ট।আপনি কি এই জাতিকে ধ্বংষ করার কুবাসনা মনে ধারন করে আছেন।ঠিক আছে ধরে নিলাম সেক্স বিষয়টা আপনার চাহিদা অনুযায়ী দেয়া হল।আপনি একটা মেয়েকে দেখে খুবই আপ্লুত হয়ে গেলেন কিন্তু মেয়েটা আপনাকে চায় না।ইভটিজিং বন্ধ করতে পারবেন।কিভাবে যে মানুষের মস্তিষ্ক এরকম বিগড়ে যায় তা সে নিজেও জানে না।আপনার লেখায় কোন তাত্ত্বিক বিশ্লেষন নেই যাতে আপনার কথাকে সমর্থন করা যায়।শেষে আপনার কথাটাই প্রযোজ্য আব্বে হালায় কয় কি?

  14. বাপরে! এতোগুলো মন্তব্য পড়ে
    বাপরে! এতোগুলো মন্তব্য পড়ে শেষ করলাম… নিজেরই এখন মাথা ঘুরাচ্ছে!
    লেখক কয়জনের প্রশ্নের উত্তর দিবান জানি না।
    তবে আমার জাস্ট একটা প্রশ্নের উত্তর জানা দরকার-
    সেক্সকে ওপেন করে দিলাম। তাতে করে আমরা কী কী উপকার পাব?

    (আপনার মতে আমরা তখন “চ্যাট”এর চিন্তা বাদ দিয়ে পুরোপুরি পেটের চিন্তা করতে পারবো। ফলে আমরা আরো ক্রিয়েটিভ হতে পারবো! হোমওয়ার্ক করতে বসা ছেলেটা মনোযোগ দিয়ে হোম ওয়ার্ক করবে…)
    বেশ! তাহলে আপনাকে একান্ত ব্যক্তিগত একটা প্রশ্ন করি- স্টুডেন্ট লাইফে পাঠ্য বই পড়ার সময় “গল্পের বই” পড়া “নিষিদ্ধ”! কিন্তু এমন কোন স্টুডেন্ট পাওয়া যাবে না যে পড়ার বইয়ের চিপায় গল্পের বই রেখে লুকিয়ে লুকিয়ে পড়েনি! আপনার ফরমূলা অনুসারে সেটা “ওপেন” করে দিলে স্টুডেন্টরা “কিছুক্ষণ” গল্পের বই পড়তো তার পর ঠিক পাঠ্য বইয়ে মন দিত!
    বুকে হাত দিয়ে বলেন তো- সেরকম সুযোগ পেলে আপনি সারাদিন গল্পের বই পড়তেন না পাঠ্য বই?
    আপনার ধারনা- সেট কতদিন ভালো লাগবে? কিছুদিন সময় দিলেই এক সময় গল্পের বই “বোরিং” হয়ে যাবে এবং কোমড়ে গামছা বেঁধে পাঠ্যবই পড়তে নামতাম!
    ভাইরে- বছর শেষে পরীক্ষায় ডাব্বা মারার পর আপনি পাঠ্যবই পড়লেই কি আর না পড়লেই কি? তাছাড়া নতুন বছরেও কিন্তু “তিন গোয়েন্দা”র নতুন সিরিজ বেরুবে!

    যাহোক আমরা খুব সম্ভবতঃ “তসলিমা নাসরিন”-এর একজন উত্তরসূরী পেলাম! তফাৎটা হলো- তিনি এপ্লাই করেছিলেন, আর আপনি না করেই মতবাদ দিচ্ছেন! (ইকরাম ভাইয়ের সাথে আপনার কথোপোকথনে তাই মনে হলো)
    তা তসলিমা নাসরিনের বর্তমান হালচাল জানেন নিশ্চয়ই?
    শুভ কামনা রইলো…

    1. উত্তর দিতে পারলে অবশ্যই দেব।
      উত্তর দিতে পারলে অবশ্যই দেব। আমার কথাগুলো যে বাস্তবে মানতেই হবে তা তো বলিনি।
      সবার জন্য উন্মোক্ত প্রশ্ন রেখেছিলাম

      ভাল নয় কি?

      আমার কথাগুলোর আসলে বেশ সহজ-সরল হয়ে যাওয়ায় বিভিন্ন জন বিভিন্নভাবে এর অর্থ করেছেন।

      এক সময় ছেলে মেয়েতে বন্ধুত্ব প্রায় নিষিদ্ধ ছিল, কালক্রমে তা স্বাভাবিক হয়ছে। কেউ কি বলতে পারবেন যে, রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় একটা ছেলে বলা নেই কওয়া নেই হুট করে বন্ধুত্বের অফার দিয়ে দেবে? আর সেক্স অপেন মানে কি সবাইকে চাপিয়ে দেয়ার কথা? অনেকের কথা শুনে তাই মনে হচ্ছে।

      বন্ধুত্ব যেমন স্বাভাবিকভাবেই গড়ে উঠছে, চা-চাইনিজ পর্যন্ত গড়াচ্ছে। সেক্স অপেন থাকলে, আমার ধারনা এটা বিন্ধুত্বের মতই গড়ে উঠবে।

      1. সেটা অনেক আগেই মেনে নেয়া
        সেটা অনেক আগেই মেনে নেয়া হয়েছে পৃথু সাহেব…
        কথা হচ্ছে- ওপেন সেক্স-এ পিতৃ পরিচয়ের নিশ্চয়তা কোথায়?
        আর সেটা না থাকলে পশু আর মানুষের তফাৎ কোথায়?
        কিছু টেকনিক্যাল সমস্যাও আছে (যা ইতি মধ্যে ইউরোপ-আমেরিকার মত অপেন সেক্সের দেশে দেখা দিয়েছে!) সেগুলোর কী হবে?
        (বিস্তারিত এখানে -https://istishon.blog/node/2225#sthash.dqP2FLeN.dpuf )

        1. সেটা অনেক আগেই মেনে নেয়া

          সেটা অনেক আগেই মেনে নেয়া হয়েছে পৃথু সাহেব…
          কথা হচ্ছে- ওপেন সেক্স-এ পিতৃ পরিচয়ের নিশ্চয়তা কোথায়?

          মেনে নিলে এইখানে কি এত বিতর্ক হতো?

          পিত্র পরিচয়ের নিশ্চয়তা কি এখনো দেয়া যাচ্ছে? যা পাচ্ছি তা হলো বিশ্বাস যে অমুক লোকটি আমার পিতা। এটা কি নিশ্চয়তা?

          1. মেনে নেয়া বলতে আমি বুঝিয়েছি
            মেনে নেয়া বলতে আমি বুঝিয়েছি “ধরে নেয়া হয়েছে”।
            কিন্তু আপনার যুক্তি ধরে নিলেই কি সব সমস্যার সমাধান মিলছে? আমি কিছু সমস্যা তুলে ধরেছিলাম, সেগুলোর সমাধান কী?

            আর পিতৃ পরিচয়ের ব্যাপারে যেটা বলছেন সেটা কিন্তু কোন পরিসংখ্যান নয়, নিতান্তই আপনার ধারনা… অন্তত বাংলার নারীরা এখনো এতো নিচে নামেনি যে ৯০% সন্তানই মিথ্যা পিতৃ পরিচয়ে বড় হচ্ছে! আপনার মা সম্পর্কে আপনার কী ধারনা জানি না, তবে নিজেকে দিয়ে সবাইকে বিচার করা যায় না।
            সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে- ধরে নিলাম আমি যাকে বাবা বলে জানি সে আমার বাবা নয়। কিন্তু তবু ঐ লোকটা কিন্তু আমাকে তার নিজের সন্তান হিসেবেই লালন-পালন করছেন! যদি সেক্স অপেন হতো তাহলে আমার প্রবাসী বাবা কি আমাকে নিজের সন্তান হিসেবে আমার পেছনে এতোটা শ্রম দিতো?
            আপনি কি দেবেন- যেখানে আপনার স্ত্রীর সন্তান আপনার কিনা সে ব্যাপারে আপনি নিশ্চিত নন!

            পিতৃ পরিচয়ের এখন হয়তো নিশ্চয়তা নেই, তবু অন্তত বিশ্বাসটুকু আছে…
            সে সময় তো তাও থাকবে না!!! কোনটা বেশী ভালো???

  15. আজ বিকালে জামাল খানে দাঁড়িয়ে
    আজ বিকালে জামাল খানে দাঁড়িয়ে ছিলাম রিক্সার জন্য, তখন একটি পোস্টার দেখি আর সেখানে লেখা একটি লাইন খুব মন কেড়েছে, কথাটি নিজের ভাষায় তুলে ধরি, মাদকসেবীরা মাদক নিতে নিতে ক্রমেই গাড় থেকে গাঢ়তর মাদক নিতে থাকে নেশা চড়াবার জন্য, তেমনি বর্তমান সময়ে আমরা যৌনতার এমন এক পর্যায়ে চলে এসেছি যেখানে আমাদের বিকল্প কিছু খুঁজে বের করা দরকার, কেননা সবরকম কৌশল নিজেদের চরম আগ্রহ থেকে শিখে শিখে করার ফলে এখন আমরা হতাশ আর তাই বিকল্প মাধ্যম খুঁজে বের করতে হবে।

    এরকম লেখাতেই ভরপুর ছিলো পোস্টারটি। পোস্টারের লেখাগুলো ভীষণরকমভাবে ভাবিয়েছিলো পুরো রিক্সায়, এখন আপনার লেখা পড়ে আবারো ভাবনায় ফেলে দিলো।

  16. অনেক দিন পর কোন বাংলা ব্লগে
    অনেক দিন পর কোন বাংলা ব্লগে সত্যিকারের ব্লগিং দেখলাম। আলোচকদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বেড়ে গেল।

  17. সন্যাল@সেক্সটাই জীবনের সবকিছু
    সন্যাল@সেক্সটাই জীবনের সবকিছু নয়।মানুষের জীবনের পরিব্যপ্তি আরও ব্যাপক।আপনার যে চিন্তা তা একান্ত আপনার মগজ থেকে বের হয়ে আসছে বলে মনে হয় অন্তঃত উদাহরণ গুলো দেখে।এই সংক্রান্ত কিছু রেফারেন্স ঘেটেছেন কিনা সন্দেহ,ঘাটলে এমন উর্বর যুক্তি দিতেন না।হিট কামানোর জন্য পোষ্টাইছেন নাকি এই বিষয়টা সিরিয়াসলি ফিল করতেছেন তা নিয়ে সংশয়ে আছি,আপনার দূর্বল কমেন্টগুলো আপনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে অসাড়তা নির্দেশ করে।

    1. আমার কথা কিন্তু সেটাই,
      আমার কথা কিন্তু সেটাই, সেক্সটাই সবকিছুই নয়। কিন্তু আমরা সেক্সের চিন্তা করেই বেশি সময় কাটাচ্ছি। এখানেই আমার ধন্ধ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

6 + 1 =