জমিলা, অনিমেষ ও বখশিস… …

– স্যার, চা এনে দেই?
– হুম, এককাপ চা হলে মন্দ হবে না।
সদ্য-সঙ্গমে ক্লান্ত অনিমেষ বিছানায় শুয়ে শুয়েই একটা সিগারেট ধরায়। জমিলা বাথরুম থেকে ঘুরে চা দিয়ে কাজে লেগে যায়। প্রতি শনিবার সকালে এই নিয়মটা ধরাবাধা হয়ে গেছে, মন্দ না। তৃষা বাচ্চাকে নিয়ে স্কুল থেকে ফিরতে ফিরতে হয়ে যায়। অনিমেষের প্রয়োজন পরিতৃপ্তি , আর জমিলার দরকার টাকা।

প্রথম প্রথম ভয় লাগতো অনিমেষের, এখন সয়ে গেছে , কেমন একটা নেশাও বুঝি হয়ে গেছে। সবচেয়ে বড় কথা, বিছানায় নির্লিপ্ত তৃষার থেকে জমিলার সর্বোত সহযোগিতাটা উপভোগ করার মত। বিনিময়ে প্রতি সপ্তাহে একশত টাকা খরচা, তেমন কিছুই না। তবু আশংকা থাকে, কাজের মেয়েদের কতটূকু বিশ্বাস করা যায়? তবে, জমিলাকে বিশ্বাস করা যায় বলেই মনে হয়।

বাসায় জমিলা আসার প্রায় মাসখানেক পরের কথা,
তৃষা অন্তুকে নিয়ে স্কুলে যাবার পর অনিমেষ ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে যায়। ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করতে করতেই খেয়াল করে জমিলাকে, অবশ্য আগেও করতো। পিরিওডের কারনে গতরাতের অতৃপ্তি অনিমেষকে আজ অনেক বেশি আদিমতায় উন্মত্ত করে কি? জমিলাকে ভোগের দৃশ্যগুলো চোখের সামনে ভেসে উঠে কি? কিন্তু কিভাবে শুরু করা যায়? অনিমেষের কেন জানি মনে হয়, শুরুটা করতে পারলেই হবে। নাস্তা শেষে চা বেডরুমে দেয়ার জন্য বলে, রুমে গিয়ে শুয়ে পড়ে অনিমেষ।

সাইড টেবিলে চা রেখে সোজা হয়ে দাড়ানোর সময় সাহস করে জমিলার হাতটা খপ ধরে ফেলে অনিমেষ। জমিলা অস্ফুট স্বরে বলে উঠে,
– স্যার?
– চুপ। কোন কথা না, হিস হিসিয়ে উঠে অনিমেষ।

দুজনেই চুপ করে থাকে অনেকটা সময়। একের পর এক, পরতের পর আবরন খুলে যেতে থাকে জমিলার শরীর থেকে। দুটি শরীরেরই অন্ধিসন্ধিগুলোতে নাচন শুরু হয়। চোরগলিগুলো এক অন্যকে চিনে নেয় স্বাভাবিকভাবেই, পরিশ্রমি জমিলার পেটা শরীরে অদ্ভুত পরিতৃপ্তি খুজে পায় অনিমেষ। অনেক সময় পর দুটি দেহই নীথর পরে থাকে বিছানায়, সিগারেট ধরায় অনিমেষ, জমিলা বাথরুমে।

ক্লান্ত অনিমেষ আবারো চা দিতে বলে জমিলাকে। চা দিয়ে রুমেই দাড়িয়ে থাকে জমিলা। জিজ্ঞেস করে অনিমেষ,
– কিছু বলবে?
– স্যার বখশিসটা।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২৪ thoughts on “জমিলা, অনিমেষ ও বখশিস… …

  1. যৌনতা একটি অন্যতম মৌলিক
    যৌনতা একটি অন্যতম মৌলিক চাহিদা। কাম, ক্ষুধা, তৃষ্ণা মানুষের ভাবতাড়িত প্রধান আবেগ। ধর্মগ্রন্থএর নিষেধাজ্ঞা, সমাজের খাট দৃষ্টিভঙ্গির কারনে অত্যন্ত সচেতনভাবে এ আবেগ কে এড়িয়ে চলা হয়। এর ফলও কিন্তু খুভ খারাপভাবেই প্রতিফলিত হয় বর্তমান তরুন ফারুকী প্রজন্মের দিকে তাকালেই দেখেন, কিভাবে যৌবনের উদ্দীপ্ত তেজটা ফালতু সেন্টিমেন্টাল আবেগময় প্রেমের পিছনে কাটায় দেয়!!
    তাই বলে কি প্রেম খারাপ?কখোনিই হতে পারেনা! !!!! কিন্তু এই প্রজন্ম র প্রেম সীমাবদ্ধ! কিছু সস্তা ডায়ালগে প্রেমের নীতি নির্ধারিত করে !!
    মনেচায় সবগুলারে লাইথ্যায়!

    1. সুন্দর বলেছেন
      এই প্রজন্ম র

      সুন্দর বলেছেন

      এই প্রজন্ম র প্রেম সীমাবদ্ধ! কিছু সস্তা ডায়ালগে প্রেমের নীতি নির্ধারিত করে !!

    2. এযুগের প্রেম রেশনাল ও
      এযুগের প্রেম রেশনাল ও উত্তরাধুনিক…
      আগেকার প্রেম বায়বীয় আর প্লেটোনিক!!
      কিন্তু প্রেম প্রেমই…

      সংজ্ঞা বদলাতে পারে কিন্তু কপিলার প্রেম অকৃত্রিম!!

  2. আমি আপনার এ বিষয়ক লেখাগুলোর
    আমি আপনার এ বিষয়ক লেখাগুলোর সাথে একমত হতে পারি না। মন্তব্য করিনা কেননা যুক্তি থাকেনা, শুধু নৈতিকতা আর বিবেকবোধ থেকে একমত প্রকাশ করতে পারি না। কিন্তু এখানে আপনার কাছে একটা প্রশ্ন ছিল- আপনি কি এই গল্পের বিষয়বস্তুকেও সমর্থন করছেন?

    1. আপনি আমি কোন কিছুকে সমর্থন
      আপনি আমি কোন কিছুকে সমর্থন করি বা না করি তাতে কিছু যায় আসে না।

      যা স্বাভাবিক তা ঘটোবেই।

      নতুন কিছু ঘটলে প্রথম প্রথম বেখাপ্পা মনে হলেও, প্রচলিত হয়ে গেলে স্বাভাবিক হয়ে যায়।

      1. নতুন যেকোন কিছু স্বাভাবিক হতে
        নতুন যেকোন কিছু স্বাভাবিক হতে হলে সমর্থন কিন্তু প্রয়োজন হয়। একটা বেখাপ্পা জিনিসকে মেনে নিলেই সেটা খাপখাইয়ে নেয়। এখানে আপনার আমার সমর্থনও গুরুত্বপুর্ণ। আপনি প্রচলিত প্রথা বিরোধী কিন্তু প্রচলিত সব প্রথাই যে খারাপ তা কিন্তু নয়।
        আর আমি আপনার সাথে যুক্তি তর্কে যেতে চাচ্ছি না। আমার অত শক্ত যুক্তি নেই। তাছাড়া আপনাকে অনেক যুক্তিই অনেকে দেখিয়েছে। সে যাই হোক আমি আপনার ব্যক্তিগত অভিমত জানতে চেয়েছিলাম

          1. সাহিত্য জীবনের মত
            সাহিত্য জীবনের মত আপত্তিকর।।
            এইখানে গল্পের বিষয়বস্তুর সাথে একমত না হলেও
            ঘটনাটা নির্মম বাস্তবতা…
            এমন অনিমেষদের জন্যেই এই পুরুষতন্ত্র আর ঘুণে ধরা সমাজ–
            ওরাই সর্বস্ব চেটেপুটে খায়!!

  3. পৃথু-দা! আপনার লিখায় আরও বেশী
    পৃথু-দা! আপনার লিখায় আরও বেশী চিত্রকল্প আর বৈচিত্র্যতার আশা করছিলাম…
    ‘সাহিত্য জীবনের মত আপত্তিকর’- বলেছিলেন আমাদের মহান প্রথাবিরোধী লিখক হুমায়ূন আজাদ!! আসলেই তাই আজ অনিমেষেরা এমন অহর্নিশ হিংস্র হলেও ঐ তৃষা’র কিছুই করার থাকে না। খালি কারো বউ কিছু করলেই চোখ তুলে নিতে মন চাই—

    সুন্দর-সরল কথনের গল্প পড়লাম!! :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

    1. পুরুষ মাত্রই আপনার একরোখা
      পুরুষ মাত্রই আপনার একরোখা ঘৃণা কেন বলুন তো তারিক ভাই?
      মানুষকে নারী বা পুরুষ না ভেবে ‘মানুষ’ ভাবাটাই কি যুক্তিযুক্ত নয়?

      আমরা যেমন নারী বিদ্বেষীদের পক্ষে নই, তেমনি পুরুষ বিদ্বেষীকেও পছন্দ করি না।
      দৃষ্টিভঙ্গী হওয়া উচিৎ নিরপেক্ষ… একপেশো দৃষ্টিভঙ্গী কখনও সাম্যের গান গাইতে পারে না!
      :কনফিউজড:

      1. আসলে হইছি কি সফিক ভাই। আপনি
        আসলে হইছি কি সফিক ভাই। আপনি আমি আমরা এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজে বড় হয়ে এমন হয়েছি যে আজ একটু ন্যায্য কথা বললেও আপনার কাছে তা পুরুষ বিদ্বেষী মনে হয়… আমি কারো পক্ষে বলছি না! আমি বলছি আমি যদি রাতের ১২-১ তা বাজে হিমু সেজে রাস্তার ধারে বসে সিগারেট টানতে পারি, আমি যদি SSC/HSC পাশের পরেই বন্ধুরা মিলে সেন্টমারটিন যেতে পারি তবে আমার বোন কেন পারবে না?
        এই সমাজ নারীদের সকল বিনোদন কেড়ে নিয়ে তাদের প্রতিবন্ধী করে বড় করছে! আর তাদের একটু ভুল পাইলেই আমরা চড়াও হয়ে যায়!! তাহলে কি তা ন্যায্য হবে? তাঁকে আমরা স্বাভাবিক সুস্থভাবে বড় হতে দিব না আবার কেন হল না তার দায়ে অভিযুক্ত করব? ব্যাপারটা স্বেচ্ছাচারী হয়ে গেল না?

        1. যেটা ভালো সেটা সবার জন্যই
          যেটা ভালো সেটা সবার জন্যই ভালো।
          যেটা খারাপ সেটা সবার জন্যই খারাপ।

          পুরুষের সাথে নারীরাও ভালো কাজের প্রতিযোগিতা করুক- কোন আপত্তি নাই। কিন্তু যেখানে আমরা সমাজ থেকে “খারাপ”গুলো দূর করতে চাই সেখানে যদি নারীরাও আবদার করে বসে- “আমিও খারাপ হতে চাই” তাহলে তাদের সেই সুযোগ দেয়াটা নিশ্চয়ই সাম্য প্রতিষ্ঠা হলো না!
          তাহলে তো বলতে হয়- পুরুষ যদি ধর্ষণ করতে পারে তবে নারীদেরও ধর্ষণের অধিকার দেয়া উচিৎ! আপনি কি বলেন?
          তা দিয়ে দেন- দেখি কী দাঁড়ায়!

          বাস্তবতা হচ্ছে- আমি নারীকে ধর্ষণের অধিকার দিতে চাচ্ছি না, বরং পুরুষকে ধর্ষণে নিরুৎসাহী করার পক্ষে…
          এখানেই আপনার সাথে আমার তফাৎ তারিক ভাই!

          1. “স্বাস্থ্য নয় ব্যাধিই
            “স্বাস্থ্য নয় ব্যাধিই সক্রামক!”— এই কথাটাই মনে পরল খুব… আমাকে একটু বুঝিয়ে বলেনতো যে কে বলেছে আপনাকে এই সমাজ ব্যাবস্থা পুরুষকে ধর্ষণের অধিকার দিয়েছে?
            আপনার কাছে এমন মন্তব্য অপ্রত্যাশিত ছিল!! এইটা কোন যুক্তির কথা হল না! আপনি আমার সাথে এমন অসংলগ্ন – অসুস্থ উপমা দিতে পারেন কিন্তু ভদ্রসমাজে আপনি এই কথা বলবেন না!! শুধু তর্কের খাতিরে এইটা বললেন মনে হল!!
            আমার আগের মন্তব্যের উত্তর এড়িয়ে গিয়ে আপনি খুব অপ্রত্যাশিত একটা উপমা দাড় করানোর চেষ্টা করলেন!! খুব খুব খুব কষ্ট পাইলাম…
            পারলে বলে যাবেন স্পষ্ট করেঃ
            “আমি বলছি আমি যদি রাতের ১২-১ তা বাজে হিমু সেজে রাস্তার ধারে বসে সিগারেট টানতে পারি, আমি যদি SSC/HSC পাশের পরেই বন্ধুরা মিলে সেন্টমারটিন যেতে পারি তবে আমার বোন কেন পারবে না?
            এই সমাজ নারীদের সকল বিনোদন কেড়ে নিয়ে তাদের প্রতিবন্ধী করে বড় করছে! আর তাদের একটু ভুল পাইলেই আমরা চড়াও হয়ে যায়!! তাহলে কি তা ন্যায্য হবে? তাঁকে আমরা স্বাভাবিক সুস্থভাবে বড় হতে দিব না আবার কেন হল না তার দায়ে অভিযুক্ত করব? ব্যাপারটা স্বেচ্ছাচারী হয়ে গেল না?”

          2. ভাই, আপনার কমেন্ট বা পোস্টে
            ভাই, আপনার কমেন্ট বা পোস্টে ভবিষ্যতে কোন মন্তব্য করার আগ্রহই হারিয়ে ফেলতেছি!
            আমার একটা ধারনা কি জানেন- আপনি আসলে কারো কমেন্ট মনযোগ দিয়ে পড়েনই না। বিক্ষিপ্ত ভাবে ২/৪ লাইন পড়েই প্রতুত্তর দিতে বসে যান! কিছু মনে না করলে নিজের লোক মনে করে একটা কথা বলি- আপনি কারো কমেন্টের প্রতুত্তর দেবার আগে মিনিমাম ৩/৪বার ঐ কমেন্টটা পড়বেন। পড়ার সময় মাথায় রাখবেন- কমেন্টটাতে আপনার বিরোধিতা করার চেষ্টা করা হয়নি, বরং আপনার সাথে একমত হয়েই মন্তব্য করা হয়েছে; হয়তো প্রকাশভঙ্গিটা ভিন্ন। তারপর সিদ্ধান্ত নিবেন যে আপনি কী প্রতুত্তর করবেন…

            এখন আপনি আমার আগের কমেন্ট থেকে বের করে দেখান- আমি কোথায় বলেছি যে, “এই সমাজ ব্যাবস্থা পুরুষকে ধর্ষণের অধিকার দিয়েছে”???
            বরং আমি যেটা বলেছি তা হলোঃ সমাজে যেটা খারাপ সেটা সবার জন্যই খারাপ হিসেবে গণ্য হওয়া উচিৎ! নারী পুরুষ সবার জন্যই।
            এজন্যই শেষ লাইনে বলেছি- “আমি নারীকে ধর্ষণের অধিকার দিতে চাচ্ছি না, বরং পুরুষকে ধর্ষণে নিরুৎসাহী করার পক্ষে…”

            এবার আপনার প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেই। (খাস বাংলায় ধরে ধরে ভেঙ্গেচুরে না বললে তো আবার আপনি বোঝেন না!)
            আপনি বললেন- “রাতের ১২-১ তা বাজে হিমু সেজে রাস্তার ধারে বসে সিগারেট টানতে পারি, আমি যদি SSC/HSC পাশের পরেই বন্ধুরা মিলে সেন্টমারটিন যেতে পারি তবে আমার বোন কেন পারবে না?”

            উত্তরঃ রাত ১২/১টায় কেন, যেকোন সময়ই রাস্তার পাশে বসে সিগারেট টানাটা আপনি এবং আপনার বোন- দু’জনের জন্যই খারাপ। আপনার বোনকে তো দূরের কথা, আপনাকেও যদি দেখি তো আমি সেটা ভালো চোখে দেখবো না। তার মানে হচ্ছে- আমি আপনাকে এবং আপনার বোন, ২জনকেই এটা করতে নিষেধ করছি। সিগারেট খাবারই দরকার কী? এটা কি কোন সুখাদ্য???
            আর SSC/HSC পাশের পরেই বন্ধুরা মিলে সেন্টমারটিন যেতে চান? আপনি ও আপনার বোন আমাকে কথা দিন যে আপনি শুধুই ঘুরতে যাবেন- অন্য কোন “খারাপ মতলব” নেই। আমি আপনাদের ২জনের পক্ষেই আপনার বাবা-মায়ের কাছে সাফাই গাইবো- কোন সমস্যা নাই!

            কিন্তু আপনার এবং আপনার বোন যদি “অন্য” কোন উদ্দেশ্যে যেতে চান তাহলে সমস্যা হচ্ছে- আপনি ফুর্তি করে একটা ফরজ গোসল দিয়ে বাড়ি ফিরবেন, কেউ বুঝতেও পারবে না!
            কিন্তু আপনার বোনকে শুধু গোসল করলেই চলবে না বরং গোপনে ক্লিনিকে গিয়ে “এম,আর” করাতে হবে!
            এটাই হচ্ছে ব্যাপার… নইলে সমাজে আর কোন সমস্যা নাই।

            কি বুঝলেন তা (৩/৪ বার) পড়ে নেক্সট কমেন্টে আমাকে জানান।

          3. –“তাহলে তো বলতে হয়- পুরুষ
            –“তাহলে তো বলতে হয়- পুরুষ যদি ধর্ষণ করতে পারে তবে নারীদেরও ধর্ষণের অধিকার দেয়া উচিৎ!”— এই কথাটার অর্থ বা মর্মার্থ কি ?
            — খুবই ঠুনকো একটা যুক্তি দিলেন দাদা! আমি এই খানে রাতে সিগারেট খাওয়াকে মুখ্য করিনি। আমি ব্যক্তি স্বাধীনতা আর নারীকে মানুষ না ভাবার অর্থে বলেছি। একটু ভালভাবে পরে নিয়েন!
            — সফিক ভাই! খুবই দুঃখজনক!! শিক্ষা মহান দায়িত্ববোধ নিয়ে আসেই জানতাম! আপনার কথা ১০০% শিষ্টাচার রহিত! আমি কেন দুনিয়ার তাবৎ পুরুষের কিছুই হয় না, খালি মেয়েদের সতীত্ব গেলে দুনিয়া উলট যায়!! তাইতো বলি পুরুষতান্ত্রিক সমাজের জাতীয় পতাকা হচ্ছে নারীর সতী পর্দা!!
            — কোন বালক বা পুরুষ তার বন্ধুদের দলবল নিয়ে কক্সবাজারে বা সেন্টমারটিনে নারী নিয়ে উৎসব করলে নৈতিকতার কিচ্ছু হয় না খালি কোন মেয়ে তার ছেলে বন্ধুকে নিয়ে গুরলেই দোষ?

            জবাব দিয়ে যাবেন!! ধন্যবাদ…

          4. আপনি ভাই সত্যি
            আপনি ভাই সত্যি সেলুকাস!
            “তাহলে তো বলতে হয়- পুরুষ যদি ধর্ষণ করতে পারে তবে নারীদেরও ধর্ষণের অধিকার দেয়া উচিৎ!”
            এই কথাটা তে আমি এটাই বুঝিয়েছি যে এই দাবিটা সম্পুর্ণ বোকামী… এমন দাবির প্রশ্নই ওঠে না! কারণটা শেষ লাইনে বারবার বলা সত্যেও আপনার চোখে পড়লো না?

            স্বাধীনতার কথাটাই বলেছি দাদা- আপনি ৩/৪বার পড়েন, প্রয়োজনে কারো সাহায্য নেন…
            আমি স্পষ্ট করে বলেছি- স্বাধীনতা যদি সমাজের জন্য ক্ষতিকর না হয় তবে তা সবারই পাবার অধিকার আছে। ক্লিয়ার?
            স্বতীত্ব ও নৈতিকতার ব্যাপারেও আমি একই কথাই বলেছি। আপনি কেন আমার কথার ভুল ব্যাখ্যা করেন বুঝি না!
            আমি কখনোই বলিনি- কোন ছেলে নারী নিয়ে ফুর্তি করলে শুধু নারীরই দোষ হয় সেটা কখনোই বলা হয়নি। দোষ দু’জনেরই হয়।
            আপনার কথা শুনে একটা জোক্স মনে পড়লো…
            গ্রামের এক অশিক্ষিত লোক বলতেছে- এবছর শুধু মেয়েদের বিয়ে হচ্ছে!
            :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

            আপনিই বলেন- “শুধু মেয়েদেরই বিয়ে হচ্ছে” কথাটা কি সত্য?

            আমার কথার ভুল ব্যাখ্যা করবেন না। একটা বাস্তব সত্য হচ্ছে- আপনি আমি বাবা-মায়ের মিলিত কর্মের ফল। কিন্তু দশ মাস আমরা মায়ের পেটে ছিলাম, বাবার পেটে নয়!
            এই সহজ সত্যটা অস্বীকার বা অবিচার দাবী করার কোন কারণ দেখি না…
            কাজেই আপনার সংজ্ঞা অনুসারে বাবার পেটে ৫ মাস বাচ্চা রাখার দাবী উঠলে সেটা হবে সমঅধিকার!
            :হাসি:

  4. হি হি হি!! শালায় কারবারটা কি
    হি হি হি!! শালায় কারবারটা কি করলো?? কাজের মেয়ের সাথে??
    তাও ভালো কাজের মেয়েকে আপনার অনিমেষ কিছু টাকা পয়সা দিচ্ছে, তা নাহলে নারীবাদীরা কিন্তু ঝামেলা করে বসতো!

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

42 + = 46