পরিবর্তনের শুরুটা হোক মনস্তত্ব থেকে …

আইন যেমন মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী বদলায়, মানুষের মনস্তত্ত্বও হয়তো আইন অনুযায়ী বদলায়।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কথাই ধরা যাক। এই ৭০ অনুচ্ছেদটাতে আমরা দেখি একজন সংসদ সদস্য তার দলের বিরুদ্ধে ভোট দিতে পারেন না । দিলে চাকরি চলে যাবে। এবং আমি মজা করতেছি না। আসলেই চাকরি চলে যাবে । আমরা সংসদ সদস্যদের আইন প্রনেতা হিসেবেই জানি। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারা দলীয় আনুগত্য প্রদর্শন ছাড়া কিছুই করেন না। তাদের অবস্থা দেখে বলা যেতেই পারে এ কেমন বিচার! দেখুন বছরে বছরে কতশত আইন প্রণীত হয়ে যাচ্ছে কিন্তু এই আইন প্রনেতারাই শৃংখলিত হয়ে আছেন। যেই কথাটা ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের আলোচনায় বলে গিয়েছিলেন সাবেক প্রধান বিচার বিচারপতি।

এই চর্চা যে শুধু সংসদে হয় তাও না। সংসদের বাইরে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে, বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে, বন্ধু বান্ধব এমনকি পরিবারেও পরিলক্ষিত হয়। কেন জানি স্বাধীন মত প্রকাশ করাটা দিনে দিনে পাপ হিসেবে গন্য হচ্ছে। সেই পাপে পাপীরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে বিচ্যুত হচ্ছে। স্বাধীনতার জন্য কত কি হয়ে যায়। কিন্তু এটা তো সামান্য মতের স্বাধীনতা। এটা নিয়ে মাথা ঘামানোর কিছু নাই। সংসদ সদস্যরাই দলের বিরুদ্ধে ভোট দিতে পারেন না। আর তো নেতা, সংগঠক, বন্ধু, আপনি, আমি। ☺

আমি শুধু চাই আমাদের মনস্তত্ত্বের পরিবর্তন হোক। আমাদের মনস্তত্ত্বই গনতান্ত্রিক না অন্য কিছু কিভাবে হবে?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

2 + 5 =