উন্নয়ন সংবর্ধনা

তখন নভেম্বর মাস আসার আগে আগেই একটাই চিন্তা মাথায় কাজ করতো যে ডিসেম্বর থেকে সামনের বছরের মার্চের আগে আর কোনো টিউশনি পাওয়া যাবে না। পুরাতন টিউশনিগুলো আবার ডাকবে ডাকবে করে সেই মার্চে মাসে নয়তো মার্চের ঠিক পরে। এই মাস তিনেক সময়টুকু ভালোভাবে চলতে ফিরতে হলে বাড়ি থেকে পাঠানো হিসেব করা মাসিক খরচের টাকায় চলাফেরা করা সম্ভব ন। আর তা খুব যথেষ্টও নয়। টিউশনির টাকা পেয়ে এতোদিনে যে বাড়তি খরচপাতি বেড়েছে সে তো আর বলাই বাহুল্য। এখন আর তা সহসা লাগাম টানাও বেশ কষ্টকর। চাইলেই তো আর পারা যায় না। এখন বরং টিউশনি না থাকলে খারাপ লাগে। নিজে যদিও পদার্থ, রসায়ণ, জীববিজ্ঞান ও উচ্চতর গণিত কলেজের স্যারেদের কাছ থেকে টিউশন নিই কিন্তু সে তো ভালোভাবে পাশ দেওয়ার জন্য। বিরক্তিকর হলেও তা আমাদের প্রায় সবারই পুরো সপ্তাহ জুড়ে করে যেতে হয়। কাড়ি কাড়ি টাকা মাসিক গুণতে হয়। এর পাশাপাশি নিজের বাড়তি আয় রোজগেরের জন্যও আমাদের অনেকেই অন্যের বাসাবাড়িতে বাচ্চাকাচ্চাদের টিউশনি করতে যেতে ভাবতেই মন যেনো কেমন করে উঠতো। এর পেছনে কারণ হয়তো এটাই যে, টিউশনি বাসার গোলগাল ভারী কাঁচের বড়বড় চোখের চশমা পরা সমবয়সী মেয়েটি কিংবা মাস শেষে অর্থপ্রাপ্তির ব্যাপারটা তো আর আছেই! কিন্তু ওই নভেম্বর-ডিসেম্বর এলেই ওই চিন্তাটা বেশ বেড়ে যেতো। সারাক্ষণ এই চিন্তাটাই মাথায় কাজ করতো। ঘনিষ্ঠ বন্ধু-বান্ধবদের তখন বলে রাখতাম দেখিস তো কিছু একটা উপায় বের করতে পারিস কী না। নভেম্বরের প্রথম দিকে বেশ চিন্তিত থাকলেও দেখা যেতো মাস শেষে কোনো না কোনো উপায় বের হয়ে যেতো।

হয়তো এমনি এক নভেম্বর শেষে ডিসেম্বরের আগে আগে একদিন আমার ম্যাসের দরজায় কড়া নাড়ছে। ছোট্ট এক কক্ষ নিয়ে আমি আমার মতো থাকি। পাশেই মসজিদ। ভাড়া খুবই কম। তার ওপর বিদ্যুৎ বিল নেই। শুধু গ্যাসের বিল অন্য মেম্বারদের সাথে ভাগ করে যা আসে তাই দিতে হয়। তো দরজা খুলে দেখি সাব্বির। আমার পরিচিত। বলা ভালো বেশ পরিচিত। তার সাথে আমার নানান বিষয়ে লেনদেন হয়। মূলত সে-ই আসে তার তাগিদে। বিনিময়ে আমি কিছু টাকাপয়সা পাই। নগদে দিয়ে যায় বিধায় করে দেই। ধরেন সে এসে বললো, সিলেটের অমুক স্থানীয় পত্রিকায় কেউ একজন নাতিদীর্ঘ কিছু একটা লিখেছে। এটি ভালো করে দেখেশুনে যা পার ঠিক করে দাও। কিংবা চাইলে তুমি তোমার মতো করে এই লেখাকে বদলেটদলে দিয়ে একে ভালো একটা চেহারা করে দাও দেখি। এই নাও তিনশো। তো আমি লেখার সাইজ দেখে গায়ে কম্বল টেনে বললাম, না এ লেখা এই শীতের রাতে বসে সম্ভব নয়। আর তাড়াতাড়ি তো নয়ই। তুমি বরং এটি নিয়ে যাও এ আমি পারবো না। অমনি সে বলবে, ঠিক আছে। বুঝেছি তো। চারশো দিচ্ছি। এবার হবে জানি। আমি তখনো হয়তো কম্বল টেনে পাশ ফিরে শুয়ে আছি। সে তখন রেগেমেগে বলবে, **ল, অউ নেও পাঁচশো। এখযেরা ভালা লেখতায় পারো করি ওতো ডিম্যান্ড! অইছে অইছে উঠো এখন। কালকু বিকেলে লেখা না পাইলে খবর আছে কিন্তু…!

ব্যস, আমার চাহিদা মোতাবেক মোটামুটি হয়ে গিয়েছে। এই মাসের হাত খরচ আপাতত পেয়ে গিয়েছি। দুই হাজার দুই তিন সালে অতিরিক্ত হাত খরচ পাঁচশো টাকা তখন কিন্তু অন্যদের জন্য কিছু না হলেও আমার জন্য অনেক কিছু ছিল। তখন মূল লেখাটা ভালো করে পড়লাম। ধরেন ‘মাদক এক ভয়ঙ্কর মানসিক ব্যাধি’ শীর্ষক কথিত লেখাটারে নিয়ে বসে তা নিয়ে নিজের মতো করে বসে কাটাকুটি করা। বানানটানান থেকে বাক্য অবধি দেখা সে কম কথা নয়। তো নিজের ওজনের চেয়ে বেশি কিছু হলে যা হয় আরকি! কুলোতে না পারলে নিজের পাঠ্য হায়াৎ মামুদের ‘ভাষা শিক্ষা’ ব্যকরণ বের করে খুঁজে খুঁজে জায়গা মতো লাইনটাইন গুঁজে দেওয়া। সেও কিন্তু সহজ কম্মো নয়। হুবুহু মারতাম না নিজের সুনাম নষ্টের ভয়ে। আগে পড়েটড়ে নিজের মতো করে ভাবনাচিন্তা করে লিখে দিতাম। তো এই কাজগুলি মাঝেমধ্যে আসতো। হোমিওপ্যাথি ডাক্তার, উকিল-মুক্তার, খালোপাড় দাখিল মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক থেকে কথিত সাংবাদিক এরা কীভাবে জানিনা সাব্বিরের মাধ্যমে এইসব আবগারি লেখাজোঁখা সংশোধন করাতেন। সাব্বির মূলত এই কাজ-ই করতো তা না। সে নানান পত্র-পত্রিকার জন্য ফটো তুলে বেড়াতো। কারও কোনো বিশেষ অনুষ্ঠানের ছবিটবি তুলে বিয়ের খাবারদাবার খেয়েদেয়ে হাতখরচা থেকে পত্রিকায় ছাপার জন্য টাকাপয়সা নিয়ে তবেই সিলেট শহরের দিকে রওয়ানা দিতো। এজন্য সে যত্রতত্র যাতায়াত করতো। মোদ্দাকথা ফটো তুলে দিতো টাকার বিনিময়ে। পত্রিকায় ছাপাতোও টাকার বিনিময়ে। সে গল্প অন্যদিনের জন্য তোলা থাক। সে বড়ো লম্বা গল্প। সুতরাং সেজন্য নিজের ওই যেটুকু আছে সেটুকুন পরিচিতি আছে তা কোনোভাবেই নষ্ট করতা না আরকি। যাতে হাতে কাজ থাকে। তাছাড়া স্থানীয় লোকাল পত্র-পত্রিকায় নিজের এডিট করা, বিশেষ ক্ষেত্রে এডিট করতে যেয়ে আমার মতো করে লিখে দিয়ে লেখা শেষ করা বিশেষ লেখাগুলো ছাপার অক্ষরে দেখতেও তখন ভালো লাগতো। লেখা ছাপা হলে পরে সাব্বির নিজেই দরজার ফাঁকে কপিটি গুঁজে রেখে যেতো।

হয়তো এমনি এক ডিসেম্বরের শুরুর দিকে সাব্বিরসহ আরেকজন হুজুর মতো লোক আমার ম্যাসে আবার আসে। এবার কী ব্যাপার জানতে না জানতেই দেখি বলে, টাকাপয়সা রুজিরোজগার করার একটি ভালো পথ বের করেছি। যদি তুমি রাজি থাকো তাহলে খুব ভালো হয়। এটি খুবই নিরাপদ। লাভজনক পথ। আমি তখন ওদের দু’জনের চোখেমুখের দিকে থাকিয়ে থেকে কিছুটা বুঝতে পারি। বুঝতে পারি এরা যা বলছে তা ঠিক স্বাভাবিক পথে আয়রোজগার নয়। কারণ সাব্বিরের কথাবার্তার ধরণ দেখলেই আমি এখন মোটামুটি বুঝতে পারি কী বলতে চাচ্ছে। বোধহয় তা সে বুঝতে পেরেই কিছুটা দমে যায়। সে আমার সম্পর্কে কিছুটা হলেও তো জানে। আমি শুধু লাল চায়ের অফার করে চা বসাই। সে এই ফাঁকে কাযা নামাজ আদায় করে। সাথে হুজুরটাও। চা খেতে খেতে আমাকে বিস্তারিত খুলে বলে। আমি মনোযোগ দিয়ে শুনি। শুনে খুব একটা অবাক লাগলো না। কারণ এই সাব্বিরকে তো আমি চিনি। আমি শুধু বললাম, তুমি ভালো করেই জানো যে, আমি আর যাই করি এই টাইপের কাজ আমার দ্বারা করা সম্ভব নয়। এসব আমার পেশা নয়। এ আমি পারবো না। তুমি বরং তোমার মতো করে করোগে। আমার এতে কোনোই আগ্রহ নেই। আর আমি কাউকেই কিছু বলবো না। সে বললো সে না হয় আমরা নিজেরা নিজেরা করে নিলাম। তুমি একবার ভেবে দেখ এতে কীরকম লাভ হবে। কোনো ধরণের জাল-জালিয়াতি নেই। নেই কোনো লোক ঠকানো। যিনি নিলেন তিনি তো জেনে বুঝেই নিলেন। পয়সাকড়ি নিজ জ্ঞানেই খরচ করলেন। এতে তোমার কীসের আপত্তি বুঝি না। তুমি বরং আরও কিছু দিন সময় নিয়ে ভাবো। কারণ তোমার এলাকার লোকজনই আমাদের বেশি দরকার। সুতরাং তোমাকে আমাদের দরকার। তুমি আমাদের সাথে থাকো বা না থাকো সে পরে দেখা যাবে। তুমি বরং আগামী শুক্রবারে আমাদের প্রোগ্রামটা দেখে আসো। তারপর সিদ্ধান্ত নাও। এখন এই পাঁচশোটা টাকা রাখো। আর ভালো করে ঘাঁটাঘাঁটি করে একটা মানপত্র রেডি করে দাও দেখি নি! এবার বুঝেছি। এজন্যই এসেছে তাহলে। বললাম ও পাঁচশোতে হবে না। আরেকটু বেশি লাগবে। অমনি হাহাহা করে হেসে বললো, অমনি রেট বাড়িয়ে দিলে! ভালো করে প্রস্তুত করো কিন্তু। এই নাও সাতশোই দিচ্ছি সাথে ক্রেস্টটায় কী লেখা যায় ভেবো রেখো। ভালো কোনো উক্তিটুক্তি খুঁজে বের কর লিখে রেখো। আমি দিন দুই পর এসে নিয়ে যাবো।

ব্যাপারটা হলো এই, কিছু লোক সিলেটি বিশেষ করে ইংল্যান্ড-আমেরিকা প্রবাসীদের সংবর্ধনা দেওয়ার নাম করে বেশ টাকাপয়সা নিয়ে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে টার্গেট করে এই এই সংবর্ধনার আয়োজন করে। এই চক্রে সাব্বিরও যোগ দিয়েছে। স্থানীয় পরিচিতদের মাধ্যমে এরা টার্গেট করা ব্যক্তির আগেভাগে সব জেনেশুনে সময় সুযোগ মতো তাকে টোপ দেয়। তারপর বলে ‘সিলেট উন্নয়ন পরিষদ’ এ বছর আপনাকে সংবর্ধনা দিতে চায়। আপনি কিন্তু না করতে পারবেন না। স্বভাবতই প্রথমে তিনি খুব অবাক ও বিব্রত হলেও পরে আনন্দে বিগলিত হয়ে রাজি হয়ে যান। কবে, কখন ও কোথায় হবে অনুষ্ঠান সে আলাপ অসমাপ্ত রেখেই সেদিন এরা চলে আসে। অবশ্য টেলিফোন নাম্বার রেখে আসতে ভুল করে না। তখন এরা একটু সময় নেয়। অপেক্ষা করে দেখে যে টোপে কাজ দিলো কীনা। ওদিকে প্রবাসী ওই লোক এক সময় হয়তোবা অধৈর্য হয়ে নিজেই ফোন দেয়। তারপর ফোনের এপ্রান্তে এরা এটাসেটা বলে নানান অজুহাত তৈরি করে। একসময় বলেই ফেলে যে, আসলে আমাদের বাজেটের কিছুটা সমস্যা আছে। বেশ ঘাটতি আছে আরকি। কী করবো বুঝতেছি না। এ বছর পারবো বলে মনে হচ্ছে না। ইনশাল্লাহ আগামী বছর হবে। তখন অপরপ্রান্তে ওই লোক হয়তো বলে, তা এতে খরচাপাতি কেমন লাগতে পারে? ব্যস, অমনিই পঞ্চাশ-ষাট হাজার যাকে যেমন করে আদায় করা যায় সেভাবে আদায় করে আরকি। এ তো প্রথম দিকের ধাক্কা গেল। অন্যদিকে তার জন্য তো হলভাড়া লাগবে। তখন তারা সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের সাক্ষাৎ নিয়ে এটাসেটা নানা অজুহাত খাঁড়া করে সামান্য কিছু টাকাকড়ি দিয়ে শারদা হল ভাড়া নিতো। তা ঘন্টা দেড়েকের জন্য। লোকজনও নিজেরা নিজেরা জোগাড় করতো। শ্রোতারা সবাই কাছের বন্ধু-বান্ধব। একবেলা খাবার আর কিছু নগদ টাকাকড়ি দিয়েই আনতো। উত্তরীয়, মানপত্র আর ক্রেস্ট এইসব সুরমা মার্কেটেই তৈরি হতো। নির্দিষ্ট দিনে ফুলটুল দিয়ে স্টেজ সাজিয়ে উপস্থাপক ভাড়া করে অনুষ্ঠানের আয়োজন চলতো। বক্তারাও সবাই বয়স্ক গোছের। অনেকেই এসেছে রিকশাভাড়া আর কিছু উপরি পাবে বলে। আর পত্রিকায় যদি ছবিটবি আসে তাহলে তো ভালোই।

কৌতূহল নিবৃত্তে ওই শুক্রবারে হাজির হলাম। গিয়ে দেখি জনা পঁচিশেক লোক মঞ্চের সামনের সারিতে বসে আছেন। মঞ্চে বসে আছেন শাদা চুলের দু’তিনজন। এখানে ঠিক কে সংবর্ধিত হচ্ছেন তখুনি ঠিক বুঝতে পারছি না। অদ্ভুতভাবে সবাইকেই কেমন বেশ উৎফুল্ল দেখাচ্ছে! পেছনে একটা ব্যানারও আছে। যাইহোক অনেক প্রশংসা বাক্য শোনার পর দেখি সংবর্ধিত ব্যক্তি মঞ্চে উপবিষ্ট হলেন। এবার বুঝলাম এই সেই ভাগ্যবান ব্যক্তিত্ব! তো তিনি সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় বলে যাচ্ছেন। বলতে বলতে দেখি তার আবেগ নিয়ন্ত্রণে নাই। কী বলছেন আর বোধহয় খেয়ালই নেই। এক পর্যায় লোকটি কেঁদে ফেলে। দেশ-জাতি যে তাকে এভাবে ঘটা করে সংবর্ধনা জানাবে তা তিনি কখনোই কল্পনাতেও আনে নি। তাই নতশিরে সবাইকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে পকেটের রুমাল বের করে চোখ মুছতে মুছতে উত্তরীয় গলায় মানপত্র, ক্রেস্ট ফুলসহ মঞ্চ ছাড়েন! আমি তখন এইসব কাণ্ডকারখানা দেখে অবাক বিস্ময়ে সাব্বিরকে বলি, এও কী সম্ভব!? নিজের টাকায় নিজে সংবর্ধনা নিচ্ছে। আর গদগদ চিত্তে কৃতজ্ঞতা আবেগে দেশ-জাতিকে যেভাবে মাথা নুইয়ে শ্রদ্ধা জানাচ্ছে, দেখে মনে হচ্ছে দেশ-জাতি তাকে সত্যি সত্যি সংবর্ধনা দিয়ে যথাযথ সম্মান জানিয়েছে। আর লোকটা তাই নগদে মাথা নুইয়ে কেঁদেকেটে প্রতিদান দিচ্ছে!

সাব্বির তখন তার সাফল্যে মুখভর্তি পান চিবুতে চিবুতে বলে সবই সম্ভব। কোন ধরণের মুরগি ধরলে কী ডিম দেবে, কীরকম মাংশ হবে তা সবই আগেভাগে জেনেবুঝে নিলে পরে আর পস্তাতে হয় না। বুঝলে কিছু…! আর ক’দ্দিন এইভাবে অন্যের হয়ে লিখবে? আর সুযোগ আছে যখন এইবার কিছু নগদে কামিয়ে নাও। আর শোনো, এসব শুধু বললেই তো হয় না। প্ল্যান করে মুরগিটা কপাকপ করে ধরে জায়গা মতো আবেগের জায়গায় আগুন জ্বালিয়ে দিতে পারলেই হলো। ব্যস, দেখবে কেমন দাউদাউ করে আগুন জ্বলে উঠেছে। এই আগুনে সে নিজেও জ্বলবে, অন্যদেরও জ্বালিয়ে মারবে। দেখলে না ওই লোকটা কী কাণ্ড করলো! কী এইবার কিছু বুঝলে তো, নাকি…!?

তখন আসলে ঠিকঠাক মতো কিছু না বুঝলেও এখন মনে হচ্ছে কিছুটা ভালো বুঝতে পারি। সময় বদলেছে না! সাব্বিররা এখন আর ঠিক ছোটোখাটো পছন্দসই মুরগিই শুধু টার্গেট করে না। এরা এখন নিজেদের আঞ্চলিকতা ছাড়িয়ে জাতীয় পর্যায়ে দেশের হর্তাকর্তা, মালিক-প্রভুজ্ঞান করাদেরও সমানে সংবর্ধনা দিয়ে বেড়াচ্ছে। সত্যি আজ আমার চোখ খুলে গিয়েছে। আমি বিশ্বাস করতে শুরু করেছি যে, আমাদের দেশটার সত্যি সত্যি আমূল উন্নয়ন হয়েছে! হোক না তা শুধু শুধু সংবর্ধনানুষ্ঠান। তাও তো এক ধরণের উন্নয়ন, নাকি!

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

54 − = 46