এই মৃত্যুনগরী আমার দেশ না !

কী ভয়াণক ব্যপার!
দিনে দুপুরে একটি বাস চোখের সামনে কয়েকটি তাজা প্রাণ চাকায় পিস্ট করে গেল
দেখার যেন কেউ নেই।
দিনে দিনে সড়কে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে।
সড়ক যেন এখন মৃত্যু ফাঁদ।

ভাবতেই অবাক লাগে এ কেমন দেশে বাস করছি আমরা।
এরকম অবস্থা দেখার জন্য কী ১৯৭১ সালে ৩০ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছিল, দিয়েছিল কি বুকের রক্ত!

সত্যি নিজেই মাঝে মাঝে হতভম্ব হয়ে যায় এ দেশটা কি আমার?
হতভম্ব হবোই বা না কেন! যে দেশে পৃথিবীর বুকে একমাত্র নিরাপদ আশ্রয়স্থল মায়ের গর্ভ সেখানেও শিশু নিরাপদ না। নিরঅপরাধ মানুষকে কুপিয়ে মেরে ফেলা হয়, বাংলা বর্ষবরণে নারীকে উত্ত্যক্ত করা হয়, সেনানিবাসের মধ্যে মেয়েকে ধর্ষণ করে মেরে ফেলা হয়, প্রকাশ্যে ছাত্রীকে চাপাতি দিয়ে কোপানো হয়, পুলিশি বেষ্টনীর মধ্যে একজন লেখককে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে মেরে ফেলা হয়, মেধাবী ছাত্রদের উপর পুলিশ দিয়ে লাঠিচার্জ করা হয়, পায়ুপথ দিয়ে বাতাস ঢুকিয়ে মেরে ফেলা হয়।
প্রতিদিন আরও অসংখ্য ঘটনা ঘটে যায আমাদের অগোচরে।

এমন দেশে বাস করছি আমরা যেখানে ব্যক্তি স্বাধীনতা, বাক স্বাধীনতার কোন বালাই নেই।
রাস্তায় বেরুলে সুস্থ ভাবে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারবে নাকি তার কোন নিশ্চয়তা নেই।
কোন অপরাধের কোন সুষ্ঠু বিচার নেই। অপরাধীর শাস্তি নেই।

আর কবে জাগবো আমরা?
আমরা কি এইভেবে চুপ করে আছি যা হচ্ছে হোক, নিজে তো ভাল আছি।তাহলে আমরা ভুল করছি।
আজ ভাল আছি কাল যে আপনার আমার পরিবারের কেউ এমন পরিস্থিতির স্বীকার হবেনা তার কি কোন গ্যারান্টি আছে?

তাই সময় থাকতে প্রতিবাদ করতে শিখুন নয়তো পরে আফসোস করতে হবে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 1 = 1