ভোট কেন্দ্রে জনগনের কি দরকার? আওয়ামি লীগতো একাই একশ৷

?_nc_cat=0&oh=b94c899d018122b9b56608176b62c148&oe=5C0926E5″ width=”500″ />
ভোট কেন্দ্রে জনগনের দরকার নেই, আওয়ামীতো পরোপকারি তাই অন্যের কাজ নিজেরা করে দেয়৷ নৌকায় ছাপা ভোট মেরে নিজেরা দিয়ে নিজেরাই জিতে৷ ডা. মনিষা একজন প্রার্থী, অথচ তাকে ছাড়েনি, আহত করেই ছাড়লো৷ ভোট একটা জনগনের নামে শো মাত্র৷ যেখানে আওয়ামি সেখানে জিৎ, অন্য দল সব চিৎ৷ মেম্বার চেয়ারম্যান ভোটেও ছাড়ছে না, যে দাড়ায় তাকে মারছে আর একক প্রার্থী হিসেবে জিতছে, আর এটাতো সিটি নির্বাচন৷ শেখ হাসিনা আছে ভোট সুষ্ঠু হয়েছে বলার জন্য৷ উনি নাকি “মাদার অফ হিউমিনিটি”৷ জনগনের অধিকার হত্যা করে, বাপের বুকের উপর দাড়িয়ে এমন “মাদারী” আর কে হতে পারে৷ এক সময় মাদারী বলা হতো তাদের যারা বাইস্কোপ দেখাতো, তামাশা সার্কাস জাতীয় খেলা দেখাত৷ মাদারীপুর নামটা আসে ওখান থেকে৷ ঠিক হাসিনাও ভোটের নামে খেলা দেখায়৷
এ মজার মজার খেলা দেখেন,
ভোটের বাক্সে নৌকা দেখেন,
জনগনের দশা দেখেন,
আওয়ামিলীগ জিতছে দেখেন৷

মাদারীপুরের আরেক মাদারী নৌমন্ত্রী শাহজাহানের লাশ নিয়ে হাসার তামাশাতো পুরো দেশ দেখলো৷ বঙ্গবন্ধুর অনেক স্বপ্নের একটা অবশ্য এক নায়কতন্ত্র৷ মেয়ে কি সেটা ছাড়বে? গুন্ডা সন্ত্রাসী আইন আদালত সব লাগিয়ে জয় তাদের ঘপে আর জনগনের হার৷ এমন একটা দেশে বাস করি যেখানে আমাদের আশা নাই ভরসা নাই অধিকার নাই, গলা আছেতো আওয়াজ নাই, চোখ আছে দেখতে নাই, কান আছে শুনতে নাই, হাত আছে প্রতিবাদ করতে নাই, পা আছে চলতে নাই৷ এখানে প্রাইমারী স্কুলের ছেলেটাও শিক্ষককে তাপ্পর মারতে পারবে যদি সে হয় শিশু লীগ৷ এখানে আমার মা বোনকে ধর্ষণ করার লাইসেন্স আছে যদি সে হয় ছাত্র লীগ৷ এখানে সবার ভোট একজনে দিতে পারে যদি সে হয় লীগ৷

ডা. মনীষার হাতে আঘাত লেগেছে, কেন্দ্র হতে বের করে দেয়া হয়েছে, আওয়ামীর চামচা মিডিয়া দেখাচ্ছে ভোট সেই রকম হচ্ছে, যেন বাংলাদেশে এমন ভোট আর হয়নি ইতিহাসে বিরল৷ আওয়ামি নিজেরাই জানে তারা জনগণের ভোটে কখনোই ক্ষমতায় আসবে না, তারা জানে মানুষ তাদের প্রতি কতটা বিরক্ত, তাদের মুখে থু থু দেয়৷ বর্তমানে সব চাইতে নোংরা বিষ্টার দল এই লীগ, এতে হাসিনারই পঁচন ধরছে৷ হাসিনা ক্ষমতার জন্য সব মেনে নিচ্ছে৷ একদিন জনগনের উপর হওয়া অন্যায় হাসিনার উপর তার লোকেরাই করূে, সেদিন দেশ মেনে নিবে৷ সময় জবাব যখন দেয়, খুব ভালো করেই দেয়৷

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

29 − = 25