বিলম্বিত ভোরে একদিন

বিলম্বিত ভোর, দাঁত খিঁচোতে খিঁচোতে চামচিকা উড়ে গেল সরাইখানা হতে
পয়সা দিল কি দিলনা, কেউ তার রাখেনি খবর, সিসি ক্যামেরা খুলে ফেলেছে কেউ গত সন্ধ্যায় ।

মাঝে মাঝে দূর হতে ডাক আসে
মৃত্যু ও কল্পনার মাঝামাঝি কোনও এক স্থান হতে
আবহে শোনা যায় শিরহীন পাখিদের গান
গরুর মত কোন জীব অথবা জড়ের আর্তনাদ !
শুনেছি এই ডাকে সাড়া দিতে নেই, কেউ কখনো দেয়নি, কেউ দেবেনা
এই ডাক এলে সভ্যতার নিয়ম মেনে, কাঁটাল পাতার বিস্কুটের দোকানী সেজে
দোকানটাই চালাতে হয় । সাড়া দিতে নেই ।
আসলে গ্রামেগঞ্জে সাড়া দেয়ও কেউ কেউ, মুর্খরারা জানেনা নিয়ম
আমি সেদিন সাড়া দিয়ে ফেললাম, উত্তেজনায় সাড়া দিতে হয়
নাহলে জড়দের খাতায় উঠে যেতে পারে নাম
আরও একটা খাতা আছে, নর্দমার কীট, ওটা বেসরকারি এক সংস্থা চালায়
ওখানেও উঠে যেতে পারে নাম । আমি সাড়া দিয়ে ফেললাম – কিছু বলল না আর !
ওরা বোধহয় আমাকে ডাকেনি, আমারই মত অন্যকাউকে ডেকেছে
আমার বোকামি দেখে দেহের সমস্ত অণুজীব হু হু করে হেসে উঠলো ।
অবশ্য ওরা পরম্পরাগতভাবেই জানে
আমি চিরন্তন বোকা নই, সাড়া দেহে স্থান দিলেও তাদের যেতে দিইনা মস্তিষ্কে
মস্তিষ্কে আমার সংরক্ষিত আছে ভবিষ্যতের সকল স্মৃতি ।

কিন্তু কেন আমি সাড়া দিলাম, মৃত্যু ও কল্পনার মাঝামাঝি স্থান হতে উড়ে আসা ডাকে ?
জনবিস্ফোরণ ঘটেছে যে দেশে, সেখানেও এত নিঃসঙ্গ হওয়ার মানেটা কী দাঁড়ায় ?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

23 + = 31