নিন্দিত আশরাফুল

ট্র্যাজিক হিরো মোহাম্মদ আশরাফুল-
হুম- আসলে ই ট্রাজিক হিরো
শুরু টা ২০০১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর কলম্বোতে , মুরালি আর চামিন্দা ভাস দের কে পিটিয়ে হয়ে গেলো সর্বকালের সর্বকনিষ্ট টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান ।

সময় যখন ২০০৪, চট্রগ্রামে ভারতের বিপক্ষে ১৫৮ রানের দৃস্টিনন্দন ইনিংস,
২০০৫ সালের ১৮ জুন । ন্যাটওয়েস্ট ট্রফিতে মহাপরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের এই বিস্ময়বালক খেলল ১০১ বলে ১০০ রানের ইনিংস

২০০৭ সালের বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট ,দক্ষিণ আফ্রিকার শক্তিশালী পেস আক্রমণ কে গুড়িয়ে দিল ছেলেটি খেল ৮৭ রানের এক বিস্ফোরক ইনিংস্‌ প্রথম বার এর মত দক্ষিন আফ্রিকার সাথে জয়,


ট্র্যাজিক হিরো মোহাম্মদ আশরাফুল-
হুম- আসলে ই ট্রাজিক হিরো
শুরু টা ২০০১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর কলম্বোতে , মুরালি আর চামিন্দা ভাস দের কে পিটিয়ে হয়ে গেলো সর্বকালের সর্বকনিষ্ট টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান ।

সময় যখন ২০০৪, চট্রগ্রামে ভারতের বিপক্ষে ১৫৮ রানের দৃস্টিনন্দন ইনিংস,
২০০৫ সালের ১৮ জুন । ন্যাটওয়েস্ট ট্রফিতে মহাপরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের এই বিস্ময়বালক খেলল ১০১ বলে ১০০ রানের ইনিংস

২০০৭ সালের বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট ,দক্ষিণ আফ্রিকার শক্তিশালী পেস আক্রমণ কে গুড়িয়ে দিল ছেলেটি খেল ৮৭ রানের এক বিস্ফোরক ইনিংস্‌ প্রথম বার এর মত দক্ষিন আফ্রিকার সাথে জয়,

এই সব কৃর্তি ছিলো আশরাফুলের। কিছু পরিসংখ্যান তার ক্যারিয়ার এর।

এই ছেলেটার আজ সব ছেয়ে বড় দুঃসময়, খুব বেশী খারাপ সময় এ যাচ্ছে।
এই ছেলেটা না হয় ট্রাজিক হিরো হয়ে ই বেচে থাকুক আমাদের মাঝে ,
ট্রেজেডি নাটক এর হিরো দের কেই সব চেয়ে বেশীমনে রাখে মানুষ।
এই কালের অনেকে ই হয়ত দক্ষিন আফ্রিকার হ্যান্সি ক্রনিয়ে এর কথা জানে না।
দক্ষিন আফ্রিকার সব চেয়ে সফল অধিনায়ক। আর ম্যাচ ফিক্সিং এর সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন আজীবনের জন্য , কিন্তু ক্রিকেট প্রেমীরা আজ ও তাকে মনে করে, ভালোবাসে ।।
আমরা কি আমাদের এই ট্রাজিক হিরো কে মনে রাখতে পারি না এই ভাবে ? ( যদি ও এখন ও অভিযোগ প্রমানিত হয়নি )

উপরের এই লিখাটুকু আমার এক ফেসবুক ফ্রেন্ড Nahid N. Chowdhury লিখেছেন।

যখন আশরাফুল ভাল খেলত আমারাই তার প্রশংসা করেছি । তার কত ফেন পেজ খুলেছি ফেসবুকে। কত স্টাটাস ই না লিখেছি এই ট্রাজিডি হিরোকে নিয়ে। আবার নানান ব্লগেও লিখেছি।

কিন্তু আজ তাকে নিয়ে কিছু অভিযোগ আসলে আমরা তাকে নিয়ে পরিহাস করতে বাদ রাখিনি। তাকে নিয়ে ফিক্সিং এর নানা নাটক ও গল্পও লিখে পোস্ট করেছি এই আমরা ।

এখন ও তো প্রমানিত হয় নি সে ফিক্সিং করেছে। একটু কি বিস্বাস করে দেখা যায় না তাকে ?

আমারা ই এদের নিয়ে গর্ব করেছি কিছু দিন আগে। তবে তাকে এখন ছিটে ফেলে দিচ্ছি আমরা। আমাদের তো উচিত তার পাশে দারানো।

আমরা ই যদি আমাদের এই গোল্ডেন বয়েস দের নিয়ে পরিহাস করে অন্য দেশের লোকেরা তো আরো সুযোগ পাবে। বলবে তোমরাই তো কর আমরা করলে দোষ কী?

কিছু দিন আগে যখন যি বাংলায় প্রচারিত মিরাক্কেল এ বাংলাদেশ এর ক্রিকেটার দের নিয়ে কোতুক করা হল তখন তো খোবে ফেটে পরেছিলাম এই আমরাই। যার ফলে তারা ক্ষমাও চেয়েছিল।

এমনই কি আশরাফুলের পাশে থাকা যায় না।

দেশের জন্য তখন প্রতিবাদ করেছিলেন নাকি তখন ভারতিয়রা বলেছিল বলে প্রতিবাদ করেছিলেন??

আমি আশরাফুলের পাশে আছি এই আশরাফুল কে খেলায় নেয়া হয়নি বলে কত যে বাক যুদ্ধ করেছি কি আর বলব।
যত দিন দোষ প্রমানিত হবে না অন্যদের কথা বলতে পারছি না আমি আছি তোমার সঙ্গে। হ্যা আমি আছি।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “নিন্দিত আশরাফুল

  1. কোন জগতে আছেন ভাই আপনি?
    কোন জগতে আছেন ভাই আপনি? ফেসবুক স্ট্যাটাস দেইখা ফাল দিয়া আইসা ব্লগে লেখা দিয়া ফালাইছেন,পেপার পত্রিকার কিছু পড়েন নাকি? আশরাফুল যে নিজমুখে স্বীকার করেছে সবকিছু তা কি আপনি জানেন না? এরপর আসি তার পারফর্মম্যান্সের কথাতে। দেখে আসুন আশরাফুলের ক্যারিয়ারটেস্ট এ্যাভারেজ ২৪ ODI এ্যাভারেজ ২২। ৬১টা টেস্ট আর ১৭৭টা ওয়ানডে খেলার পর একটা লোয়ার ওয়ার্ডারের ব্যাটসম্যানের এ্যাভেরজও এর চাইতে ভালো থাকে। ৫বছর পর পর একটা ইনিংস খেলে সে বিরাট একটা ইয়ে ফেলে দিয়েছে। আফতাব,অলক কাপালিরা যে ICL এ খেলতে গিয়েছিলো তার উদ্যোগতাও ছিলেন আশরাফুল। শুধুমাত্র আমাদের আবেগ আর “জিনিয়াস” তকমা গায়ে লাগিয়ে সে ১২ বছর ধরে খেলে যাচ্ছে। “ট্যাম্পারমেন্ট”হচ্ছে ক্রিকেটের সবচাইতে বড় গুন। আশরাফুল একই ধরনের শট খেলে খেলে বারবারব আউট হয়। এইটা কোনো অবস্থাতেই ট্যাম্পারম্যান্টের পরিচয় না। গ্রায়েম হিকের নাম জানেন? কাউন্ট্রিতে ১০০টাক সেঞ্চুরি আছে এই ভদ্রলোকের কিন্তু ইংল্যান্ড টিমে খেলতে পারেনি। কারন একটাই ,আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ভালো করার ট্যাম্পারমেন্টের অভাব। এই জিনিসটা আমাদের বুঝতে হবে। ঘরোয়া লীগ আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এক না। যে ১২ বছরে পারেনি সে ১২ হাজার বছরেও পারবেনা।

    তারপর আসেন এই ফিক্সিং এর কথা। কার কথায় কার প্ররোচনাতে সে এগুলো করেছে সেটি কোনো অবস্থাতেই বিবেচ্য নয়। আমি চুরি করেছি, এখন কে আমাকে চুরি করতে বলেছে সেটী গুরুত্বপূর্ণ না। তাকে না শুধু;সুজন,রফিক পাইলট সহ যারা যারাই এই ফিক্সিং এ জড়িত সবার এমন পানিশম্যান্ট হওয়া উচিৎ যা একটি ল্যান্ডমার্ক হয়ে থাকে। ভবিষ্যতে কেউ যেনো কল্পনাতেও না আনতে পারে। আপনি নিজেই হানসি ক্রনিয়ের কথা লিখলেন। আপনি কি জানেন যে ক্রনিয়ের কথামতো হার্সেল গিবস একটা ম্যাচে ০ রানে আউট হবার কথা দিয়ে উল্টো ৯০ রানের ম্যাচ উইনিং ইনিংস খেলে এসেছিলেন কিন্তু তাকেও সাউথ আফ্রিকা দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছিলো। এমন পানিসমেন্ট দরকার। পাকিস্তানের মতো এমন ছাড় দেয়ার মানসিকতা থাকলে আমাদের ক্রিকেটের ভবিষ্যতও পাকিস্তানের মতো অন্ধকার হবে।

    মাথা দিয়া ভাবেন। খালি বুক দিয়া ভাবা ছাড়েন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 39 = 45