খালেদার মুক্তি

 

বেগম খালেদা জিয়া নিঃসন্দেহে রাজনৈতিক কারনে কারাবন্দী। দূর্নীতি খুজে বের করলে খালেদা জিয়া আরো বড় অঙ্কের মামলায় আটকা পড়বেন। দূর্নীতিতে ৫ বার চ্যাম্পিয়ন হওয়া বাংলাদেশে “জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট” মামুলি ব্যাপার মাত্র। শেখ হাসিনা অন্যান্য দূর্নীতি সায় দিলেন। কারন কেঁচো খুড়তে সাপ বের হয়ে যেতে পারে। তাই বেছে নিলেন এমন একটি মামলা যেখানে আওয়ামীলীগ জড়িত নয়। কিংবা সে সেক্টরে আওয়ামী লীগ কোন কাজ করে নি। কারন একটা মামলা ঘাটতে গেলে পুরান ইতিহাস এবং বর্তমান পরিস্থিতি সবটাই উঠে আসবে। আওয়ামী লীগ তাই শত দূর্নীতির মামলা দিতে পারলেও দেয় নি। এ মুহুর্তে, বেগম জিয়া কারাগারে ভাল অবস্থায় নেই। যে কোন সময়ে মৃত্যুর শঙ্কা আছে। এমতঅবস্থায় কারাগারে খালেদার মৃত্যু হলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে কলঙ্গময় ইতিহাস রচিত হবে। ভোট ডাকাতি করে সরকার গঠন। বিরোধী দলীয় প্রধানকে জেলে রেখে মৃত্যু।সংখ্যালঘু নির্যাতন। দেশকে ইসলামী করন। ইত্যাদি করনে আজীবন আওয়ামী লীগ দেশের মানুষের ঘৃর্ণার পাত্র হয়ে থাকবে। আমি মনে করি বেগম জিয়াকে অতিসত্বর সসম্মানে মুক্তি দেওয়া হোক। নতুবা বিদেশে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হোক। সরকার কি করে তা দেখার বিষয়। ওবায়েদুল কাদের বার বার ইঙ্গিত দিচ্ছে বিএনপিকে যে খালেদার মুক্তির জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা। ওবায়েদুল কাদের এমন ইঙ্গিত আসলেই দুঃখজনক। খালেদা তিনবারের প্রধান মন্ত্রী। এবং এখনো মেজরিটি পার্টির প্রধান। উনি রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা নিঃসন্দেহে অপমান জনক। আপনি একটি রাজনৈতিক দলের সম্পাদক হয়েও এমন ইঙ্গিত দেওয়া হতাসার। যাক যাই হোক, সরকার এর কাছে আবেদন, হয় খালেদা জিয়াকে সসম্মানে মুক্তিদিন নয়তো তাকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠিয়ে দিন। আর বিএনপি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলি, আদালত সম্পুর্ণ শেখ হাসিনা তথা আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণাধীন। সেখানে আইনি ভাবে খালেদার মুক্তি অসম্ভব। আপনারা শেখ হাসিনার সাথে সমঝোতা করে খালেদার মুক্তির ব্যবস্থা করুন। নতুবা বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করুন।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 64 = 67