কোটা, চাকুরিতে প্রবেশের বয়স এবং পেনশন

চাকুরি কোটা, প্রবেশের বয়স এবং পেনশন

# সীমিত আকারে প্রতিবন্ধী কোটা, নৃতিতাত্ত্বিক ও অনগ্রসর জাতিগোষ্ঠী কোটা ও জেলাকোটা ব্যতিত অন্য সকল প্রকার কোটার অবসান ঘটুক।
সকল সরকারি চাকুরিজীবীদের পোষ্যকোটা থাকবেনা।

# কোন বিশেষ চাকুরিতে পেশার ধরন ও কর্ম বিবেচনায় পুরুষ ও মহিলা অনুপাত নির্ধারণ করে দেয়া যেতে পারে।

# চাকুরিতে অবসরের বয়স নির্ধারিত থাকলেও চাকুরিতে প্রবেশের কোন নির্ধারিত বয়স থাকবেনা ; অবসরের পূর্বদিন পর্যন্ত সরকারি চাকুরিতে প্রবেশের সুযোগ থাকবে।

# সরকারি চাকুরীর উপযুক্ত এরূপ যোগ্যতা সম্পন্ন নির্দিষ্ট সংখ্যক ব্যক্তিদেরকে নিয়ে “উপযুক্ত, কর্মক্ষম এবং সরকারি চাকুরিতে যোগদানে সক্ষম” ব্যক্তিদের একটি প্যানেলে রেজিস্ট্রিভূক্ত করতে হবে। সরকারি চাকুরিতে চলমান পদ সংখ্যার তিন গুণ লোক এই তালিকায় রেজিস্ট্রিভূক্ত করা যেতে পারে।প্রতি বছর দুইবার করে এই তালিকা হালকরন করতে হবে। মৃত্যু, অবসরজনিত কারন, শিক্ষা-প্রশিক্ষণ-অভিজ্ঞতাসহ অন্যান্য যোগ্যতা ও নতুনদের সুযোগের জন্য এই তালিকা হালকরন চলমান থাকবে। বর্তমান সরকারি চাকুরিজীবীগন উক্ত তালিকার “ক” অংশে রেজিস্ট্রিভূক্ত থাকবে এবং “খ” অংশে নবাগত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। সরকার আইন ও বিধিমালা জারী করে সরকারি চাকুরীর নির্ধারিত পেশার অনুরুপ বেসরকারি পেশার সমতা ঘোষণা করবে। উক্ত তালিকায় অন্তর্ভূক্ত সকল সরকারি ও বেসরকারি চাকুরিজীবীদেরকে পেনশনের আওতায় আনতে হবে এবং উক্ত তালিকায় অন্তর্ভূক্ত ব্যক্তি যেখানেই চাকুরি করুকনা কেন সে ব্যাপারে সরকার মনিটরিং করবে এবং একটি নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করবে এবং সরকারও তাদের পেনশনের ব্যবস্থা করবে। উক্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত যেকোন বেসরকারি চাকুরিজীবী অবসরে প্রবেশের পূর্বে যেকোন সময় তার চলমান পেশার অনুরূপ সরকারী চাকুরিতে সরকারের চাহিদামোতাবেক যোগদান করতে পারবে। উদারহরন সরূপ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত একজন বেসকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক যেকোন বয়সে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান বা প্রবেশের সুযোগ থাকবে! অনুরুপভাবে, একজন বেসরকারি হাই স্কুল শিক্ষকের সুযোগ থাকবে সরকারি হাইস্কুলে এবং একজন বেসরকারি কলেজ শিক্ষকের সুযোগ থাকবে সরকারি কলেজে প্রবেশের। বিষয়টি বিপরীতক্রমেও উন্মূক্ত থাকবে। অন্যান্য পেশা ক্ষেত্রেও ইত্যাদি, ইত্যাদি..।

# যে কোন সময় তালিকা “ক” ও “খ” এর সদস্যের গমনাগমন উন্মুক্ত থাকবে যা আইন ও বিধি দ্বারা চলবে।

# “খ” তালিকায় বর্তমান চলমান সরকারির চাকুরির পদসংখ্যার তিনগুন সদস্যের অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং প্রতিটি পরিবারে কমপক্ষে একজন সদস্যের নতুন প্রবেশকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

# উপরোক্ত বিষয়ে সংসদে আইন পাশ সহ গেজেট ও বিধিমালা ঘোষণা করতে হবে।

এ ব্যপারে মাননীয় পিএম ও জননেত্রী শেখ হাসিনাসহ সরকারের নীতি নির্ধারকগনের সবিনয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

7 + 1 =