আওয়ামিলীগ এর পরবর্তি নিরবাচনের প্রতিশ্রুতি।

আগেই বলি ভাই আমি ছোট খাট মানুষ । স্কুল পড়ুয়া এক ছাত্র। চার পাশে যা হচ্ছে তার ভিত্তিতেই আমার এ ধারনা । ভুল হলে অবশ্যই ধরিয়ে দিবেন।

আওয়ামিলীগের গত নির্বাচনের যে প্রতিশ্রতি ছিল তার মধ্য অন্যতম হল –
•পদ্মা সেতু নির্মান
•যুদ্ধাপরাধিদের বিচার্।

কিন্তু সরকারের মেয়াদের শেষ বছর এটা আর ১০-১১ মাস আছে এখন ও পদ্মা সেতুর একটা পিলার ও বসানো হয়নি সেতু আসবে কোথা থেকে? আর যুদ্ধাপরাধিদের বিচার সেটা নিয়ে তো চলছে নানান রাজনীতি আমাদের আবেগ কে ব্যবহার করছে তারা।

আগেই বলি ভাই আমি ছোট খাট মানুষ । স্কুল পড়ুয়া এক ছাত্র। চার পাশে যা হচ্ছে তার ভিত্তিতেই আমার এ ধারনা । ভুল হলে অবশ্যই ধরিয়ে দিবেন।

আওয়ামিলীগের গত নির্বাচনের যে প্রতিশ্রতি ছিল তার মধ্য অন্যতম হল –
•পদ্মা সেতু নির্মান
•যুদ্ধাপরাধিদের বিচার্।

কিন্তু সরকারের মেয়াদের শেষ বছর এটা আর ১০-১১ মাস আছে এখন ও পদ্মা সেতুর একটা পিলার ও বসানো হয়নি সেতু আসবে কোথা থেকে? আর যুদ্ধাপরাধিদের বিচার সেটা নিয়ে তো চলছে নানান রাজনীতি আমাদের আবেগ কে ব্যবহার করছে তারা।
কাদের মোল্লার রায়ের মাধম্যে তাদের হস্তক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়। আমাদের গনজাগরনের মাধ্যমে তুমুক আন্দোলনের মুখে তারা আইন সংশোধন করে পুনরায় আপিল করে। আপিলের ৩০ কার্য দিবসের মধ্য রায় দেবার বিধান থাকলেও এখনও রায় দেয়া হয় নি।

আবার পদ্মা সেতু তৈরীর জন্য জমি দখল চলছে। নদী ড্রেজিং করা হচ্ছে এত দিন পর্। হয়ত এই সরকারের আমলে ভিত্তি প্রস্থ স্থাপন করে যাবে।

এগুলো থেকে যা মনে হচ্ছে তারা পরবর্তি নির্বাচনে প্রতিশ্রুতি দিতে পারে।
• পদ্মা সেতুর নির্মান কাজ শেষ।
• যুদ্ধাপরাধিদের বিচারের রায় কার্যকর্।

তারা আমাদের পিঠে চরে লাঠির মাথায় গাজর ঝুলিয়ে আমাদের হাটাবে গাধার মত। আমরাও হাটব।

এক দল ব্যবহার করছে ধর্মীয় অনুভুতি আরেক দল আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে। এমন কি কেউ নেই যার ক্ষমতা নয় দেশ প্রিয়?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১০ thoughts on “আওয়ামিলীগ এর পরবর্তি নিরবাচনের প্রতিশ্রুতি।

  1. হুম । আমাদের ধৈর্য ধারন করতে
    হুম । আমাদের ধৈর্য ধারন করতে হবে । বাংলার রাজনীতিতে এখন দেশপ্রেম খুবই কম । আবার দেখুন , এখন আওয়ামীলীগ যেটা করছে হয়ত সেটা ভুল কিন্তু , এই আওয়ামীলীগ আমাদের শেষ ভরসা । সেই জন্য অপেক্ষা করতে হবে আমাদের । অপেক্ষা যদি বিফলে যায় , বিপ্লব তখন অনিবার্য ।
    বায় দা ওয়ে – কিছু ক্মনে করবেন না , আপনার গত ২ টা কি ৩ টা পোস্ট এর দেখলাম শিরোনামে বানান ভুল , এটা খুবই দৃষ্টিকটু । আশা করি ঠিক করবেন এটা । ধন্যবাদ ।

  2. ঘরে বসেই যদি সব ঠিকঠাক ভাবে
    ঘরে বসেই যদি সব ঠিকঠাক ভাবে বলে দেওয়া যেত তাহলে বাইরে কেউ বের হতো না। পদ্মা সেতু কেন হয়নি এ প্রশ্ন করলে আমাকে বলদ ডেকে বলে উঠবেন মন্ত্রী-আময়াদের দোষের কথা তা জানি কিন্তু ঘূর্ণাক্ষরেও বেশ্যাব্যাঙ্কের কথা কেউ বলবে না সেটাও জানি।

    যুদ্ধাপরাধ বিচার নিয়ে সরকার নয়-ছয় খেলছে তা আর নতুন কি। এটা অনেক পুরানা সাবজেক্ট। আচ্ছা দেখি ৫ টি সমস্যার কথা বলেন যা জামাত-বিএনপি তৈরী করেছে বলে এই বিচার কার্যক্রম বাধাগ্রস্থ হয়েছে।

    1. বেশ্যা ব্যাংক এর কথা মাইনসে
      বেশ্যা ব্যাংক এর কথা মাইনসে তো বোঝে না সুমিত ভাই । আর এটা তো কমন বাঙ্গালিদের অভ্যাস যে – কোন সরকার কে তারা ৫ বছর এর বেশি সহ্য করতে পারে না , সে হাজার ভাল কাম করলেও নাহ । কেননা – সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশের মানুষ একটু পাইলে – আরও ১৪ গণ্ডা চাই , না পাইলে লাফাইয়া উঠে কই – ধুরো – বালের সরকার – পরের বার তগর ভোট ই দিমু নাহ – ” এই হইতাছে অবস্থা :মাথাঠুকি:

    2. দাদা আমি ঐ রাজাকার জানোয়ার
      দাদা আমি ঐ রাজাকার জানোয়ার দের পক্ষের লোক নই। কিন্তু যখন দেখি আমাদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এমন হচ্ছে তখন খারাপ লাগে।

      আর তাদের সৃষ্ট পাচটি সমস্যা যা বিচার কার্য কে বাধাগ্রস্থ করেছে

      নাস্তিক বলে প্রচার্।

      গনজাগরন মঞ্চ আওয়ামিলীগ এর বলে প্রচার্।

      ধর্মের নামে অপকর্ম।

      অন্যান্য অপরাধ কে যুদ্ধাপরাধীদের সাথে মিলানো।

      সরকার কে নানা ভাবে হয়রানি করে।

  3. একটা সরকারকে ৫ বছরের বেশী
    একটা সরকারকে ৫ বছরের বেশী সহ্য করতে পারে না বলেই দেশকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব হয় না। কারণ একটি দেশের উন্নতির জন্য ৫ বছর খুবই অল্প সময়। কারণ যদি শুধু মাত্র বিদ্যুতের কথাই ধরা যায়, তাহলে বলতে হবে বিদ্যুতের একটি মাঝারি প্রকল্প বাস্তবায়ন করতেই ৬-৭ বছর সময়ের প্রয়োজন। ফলে প্রকল্প শুরু করতেই একটি সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। সুতরাং আমেরিকার মত একটি দলকে অন্তত পক্ষে দশ বছর সময় দেয়া উচিত। নইলে দেশে বড় কোর উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। বিষয়টি নিয়ে সর্বস্তরের জনতাকে ভাবতে হবে……

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 60 = 69