শবে বরাতে দ্বীনমজুর এর দ্বীনবানী।

মুরিদগনের মাঝে শবে বরাতের ফযিলত লই বয়ান করতিসিলাম।
শবেবরাত এর রজনী অইলো এরাম একটি রজনী যে রজনী হাজার হাজার রজনীর ইবাদাতের চাইতে উত্তম। এরাইতে ইবাদাত বন্দেগীর এর মাইদ্দমে আমরার পিরিও দোজাহানের মালিক আল্যাপাকের পিয়ারের হাবিব কেঁইদে কেটে চোকের ফানিতে বুখ ভাসিয়ে পেলতেন। উনি নিজের জন্ন কিস্সু চাইতেন না সুদু কইতেন ইয়া উম্মতি ইয়া উম্মতি!!!

ইদানীঙ দেক্তেসি কিসু সংক্যক কলাবইগ্যানি পাতিনাস্তিকদর সাতে আন্গোর হাপেজ-মলানা বেসদারী কিসু জালিম মুরুক্কুসুদারা শবেবরাত পালোন করতি নিসেদ করতিসে। ওরা মুসলিম বেসদারি মুনাপেক। ইসলাম সলবে কুরান ও হাদিস মুতাবেক! ওদের কতায় আমরা বিপথগামী অবো না। ওদের বজ্জন করতি অ….
বয়ানের মাজে জাহান্নমি ইতর নাস্তেকের বাধা।

নাস্তেখ বয়ানে বাধা দিয়া বলিতে লাগিলো হুজুরে পাক ইসলাম চলবে কুরান হাদিস মুতাবেক কিন্তু ইসলামের প্রথা পালন করতে চান্দ্রমাসের উপর নির্ভর করতে হয় কেন?
চন্দ্রমাস বা চাঁদের গতিবিধির উপর তথা প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল কেন? প্রাক ইসলাম যুগে আরবীয় পৌত্তলিকরা চান্দ্রমাস গণনা করিতো, সেই মতে কৃষিকার্য, শুভকাজ, জীবনবিধি পালন করতো এবং উহাদের চন্দ্রদেবতা হুবালের উপাসনা করিতো। ইসলামি প্রথা পালনে কেন পৌত্তলিকদের দেখাদেখি চাঁদের উপর জোর দেয়া হয়েছে? আল্যাপাকের একমাত্র মনোনীত ধর্ম বিশ্বসৃষ্টির হাজার হাজার বছর পরে দুনিয়ায় প্রতিষ্ঠা করলেন, কিন্তু দুনিয়াবি সকল গিয়ান কোরআনে লিপিবদ্ধ করলেও ইসলামি প্রথা পালনে কোন বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা না করে প্রকৃতির উপরেই ছেরে দিলেন!!!

শবেবরাতের রাতে ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য বেশি বেশি নফল ইবাদতের ব্যবস্থা করতে বলা হয়। আল্যাপাকতো প্রত্যেকটি মানুষ সৃষ্টি করবার সময় উহার হায়াৎ-মউত, তাকদীর, আমলনামা, বেহেস্ত-দোজখ নির্ধারন করেই সৃষ্টি করেন। তাহলে শবেবরাতের ইবাদতে উনি ওনার দেয়া তাকদীর বদলান কেন? মুসলিম রা কেন আল্যার প্রদত্ত তাকদীরে সন্তুষ্ট না হয়ে আরও বেশী ভালো কিছুর আশা কেন করেন? এতে কি আল্যার উপর আস্থাহীনতার বহিঃপ্রকাশ হলো না?
আর জঙ্গিরা আল্যার কাছে এই মহিমান্বিত রাতে কি কামনা করবে?
*আইএস জঙ্গিদের হাতে কতজন ইয়াজিদি নারী ধর্ষিত হবে;
*কতজন নিরীহ মানুষকে ইসলামি জঙ্গিরা নৃশংসভাবে হত্যা করবে;
*কতজন বালিকাকে ইসলামি জঙ্গী বোকো হারামজাদারা অপহরণ ও ধর্ষণ করবে;
ইসলামি জঙ্গিরা কোন কোন গীর্জা, মন্দিরে হামলা চালিয়ে নরহত্যা করে কাফের মারার সোয়াব লাভ করিবে;
*ইসলামি জঙ্গি গোষ্ঠী তালেবানের বর্বর হত্যাযজ্ঞের শিকার হবে কতজন স্কুলপড়ুয়া শিশু;
*বর্বর শরিরা আইনের ভিত্তিতে কতজন নিরীহ নারীকে পাথর ছুঁড়ে হত্যা করা হবে;
*ইসলামি জঙ্গিদের খপ্পরে পড়ে কতজন নারী ও শিশু যৌনদাসীতে পরিণত হবে;
*হাফেজ মাউলানা টাইটেলধারী কতজন নরপিশাচ মাদ্রাসার কোমলমতি শিশুদের ধর্ষন ও হত্যা করবে;
*আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের জঙ্গিদের চাপাতির আঘাতে কতজন বিজ্ঞানমনস্ক লেখক, ব্লগার ও নাস্তিক নৃশংসভাবে খুন হবেন…
নাস্তেকের কথায় আমার পশ্চাদেশ দিয়ে ফুস করে শান্তির বাতাস বেরিয়ে গেলু। আমি ওজু করতি হাম্মামখানায় সলি গেলাম।

ফেসবুক মন্তব্য

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

27 + = 37