মুহাম্মদের উম্মতেরা কেনো আত্মঘাতী হামলা করে

ইসলামী জঙ্গি বা নবী মুহাম্মদের উম্মতদের মানুষ হত্যা করা ও ইসলাম প্রতিষ্ঠা করার বিভিন্ন ধরনের কৌশলের মধ্যে একটি উন্নতম কৌশন হচ্ছে আত্মঘাতী বোমা হামলা চালিয়ে মানুষ হত্যা করা। এই জাতীয় হত্যায় নিজেও মারা যেতে হয় কিন্তু তারপরেও তাদের মধ্যে এমন হামলায় খুব আগ্রহ দেখা যায়। কারণ হচ্ছে নবী মুহাম্মদের উম্মতদের মধ্যে একটি বিশ্বাস প্রচলিত আছে যে, এভাবে মানুষ মেরে নিজেও মৃত্যুবরণ করলে মরার পরে এক্সট্রা খাতির জত্নের ব্যবস্থা আছে পরকালে। তবে এই জাতীয় মৃত্যুর একটি নেগেটিভ সাইড হচ্ছে বা সবচেয়ে ভীতির বিষয় হচ্ছে, আশেপাশে কোন মানুষজন না থাকা বা একাএকা মারা যাওয়া।

আত্মঘাতী বোমারুরা যদি একটা মানুষও না মেরে একা একা ফাঁকা ময়দানে মারা যায় তাহলে তাদের মিশন আন-সাকসেসফুল বলা হয়। এটা ছাড়া আত্মঘাতী বোমাবাজ নবী মুহাম্মদের উম্মতদের আর কোন ভয় কাজ করেনা বোমা মেরে মানুষ হত্যা করার সময়। শ্রীলঙ্কায় রবিবারের হামলায় কতজন মারা গিয়েছে ? ৩০০ জন ? এটা কোন বিষয় না তাদের জন্য, তারা এই জাতীয় আত্মঘাতী হামলাকে জিহাদী হামলার তালিকার তৃতীয় স্থানে রাখে। টুইন টাওয়ারের মতো ৩০০০ হাজার মানুষ একসাথে মারতে পারলে নবী মুহাম্মদের উম্মতেরা সেই আত্মঘাতী হামলাকে তাদের হামলা তালিকার প্রথমে স্থান দিয়ে থাকে হয়তো। যেমন নরমাল জিহাদীরা জিহাদে জয়িন করলে মরার পরে পাবে ৭২টি হুর বা পরী, সেক্ষেত্রে জিহাদ করতে গিয়ে স্পট ডেড হলে তারা একটা বেশি অর্থ্যাৎ ৭৩টি হুর বা পরী পাবে বেহেশতে।

রবিবার শ্রীলঙ্কার ৮ স্থানের সিরিজ বোমা হামলা করে তারা যে ৩০০ জনের মতো সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে তার মধ্যে এখন পর্যন্ত দুইটি ছিলো এধরনের আত্মঘাতী বোমা হামলা, যার সত্যতা নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কান পুলিশ ডিপার্টমেন্ট। বাকী ৬টি হামলার বিষয়েও হয়তো তারা জানতে পেরেছেন কিন্তু দেশের মধ্যে সাম্রদায়িক দাঙ্গা হাঙ্গামার ভয়ে এখনও সরাসরি তা প্রকাশ করছে না দেশটির সরকার। এমনকি তারা ইন্টারনেট ও সমস্ত সোস্যাল মিডিয়াও বন্ধ করে রেখেছে দেশটির। তাই বহিঃবিশ্বের মানুষ এই বিষয়ে কোন তথ্য পাচ্ছেনা।

তারপরেও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে যা জানা যাচ্ছে তাতে বলা হচ্ছে মুসলিম জঙ্গী গোষ্ঠী “জামাত আল-তাওহিদ আল-ওয়াতানিয়া” নামের একটি সংগঠন ও সক্রিয় ইসলামী জঙ্গিগোষ্ঠী শ্রীলঙ্কার গতকাল রোববারে ভয়াবহ এই বোমা হামলার দায় স্বীকার করেছে। স্বীকার করেছে ঠিক আছে, কারণ এসব তাদের কাছে কোন ঘটনায় না। তারা হয়তো ৩০০ মানুষ মেরে খুব একটা খুশি হতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থাগুলো তাইতো জানিয়েছে শ্রীলঙ্কাতে এই হামলায় শেষ নয় আরো হামলা হতে পারে তাই দেশটির সরকারকে আরো সাবধান হতে হবে।

এবার একটা ইসলাম ধর্মের গোপন ইনফরমেশন দেয় আপনাদের। এই যে হুর পরীর ধারনা, যার জন্য পৃথিবীতে এতো হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ মানুষ জিহাদী আত্মঘাতী বোমারুদের আক্রমনে মারা যাচ্ছে এর পেছনে কারণ কি সেটা কখনও ভেবে দেখেছন ? এর পেছনে দায়ী হচ্ছে একজন ৪০ বছর বয়সী মহিলার সাথে ২৫ বছর বয়সী একজন যুবক পুরুষের বিবাহ। ক্লিয়ার করে বললে বলতে হয় নবী মুহাম্মদের সাথে খাদিজার বিয়ে। খাদিজার প্রতিটি শারিরিক গঠনের প্রমাণ পাওয়া যায় মুহাম্মদের উপরে নাজিলকৃত কোরানের আয়াতে। কারণ হুর পরী বিষয়ক সমস্ত কোরানের আয়াত গুলো নাজিল হয়েছিলো যখন মুহাম্মদ বিয়ে করেছিলো খাদিজাকে। আর খাদিজার মৃত্যুর পরে হুর পরী বিষয়ক কোন কোরানের আয়াত ডাউনলোড হয়নি।

এর কারণ হচ্ছে আধুনিক যুগের সাইকিয়াট্রিস্টদের মতে যেটা বহুল প্রচলিত সেটা। মুহাম্মদের মনের বাসনা গুলোই কোরানের আয়াত আকারে নাজিল হতো। খাদিজার যেহেতু বয়স বেশি ছিলো তাই মুহাম্মদের যুবতী, কুমারী বা অল্পবয়সী সুন্দরী নারীদের প্রতি আগ্রহটা বিবি খাদিজার ভয়ে নিজের মধ্যেই গোপন থাকতো এবং বিভিন্ন সময়ে তা কোরানের আয়াতে হুর পরী আর বেহেশতের নারী হয়ে নাজিল হতো জিব্রাইলের মাধ্যমে। তাইতো খাদিজার মৃত্যুর পরে আয়েশার মতো নাবালিকাকে বিয়ের পরে আর কোন হুর পরী বিষয়ক আয়াত নাজিল হয়নি। কারণ তখন আর মুহাম্মদ সেই পরীদের তার স্বপ্নে দেখতোনা। অতএব আমি এই গোপন খবর ফাঁশ করে দিলাম আপনারা মিলিয়ে দেখুন। নবী মুহাম্মদের বিয়ে যদি খাদিজার সাথে সেই সময় না হতো তাহলে আজ শ্রীলঙ্কায় এই ৩০০ নিরিহ মানুষের প্রাণ দিতে হতোনা। আমিন।

শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published.