যুদ্ধাপরাধীদের ফাসির দাবীতে আন্দোলনের খবর কি?

কে নেতৃত্ব দিলো, কে নির্দেশনা দিলো, তা নিয়ে মোটেও উদ্বিগ্ন নই।
আমি আমার দাবীগুলোর ব্যপারে ভাল করেই জানি।

রাস্তার কোন পতিতাও যদি আমার দাবীগুলোর সাথে একমত হয়,
নেতৃত্ব দিতে পারে, অনায়াসে মেনে নেবো তার নেতৃত্ব, তার নির্দেশনা।

যারা গণজাগরণ মঞ্চের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তারা একবার ভেবে দেখুন তো,
বিকল্প কিছু ছিলো কি?

সমাবেশে সরকারী নিষেধাজ্ঞার কারণে সমাবেশ বন্ধ। তাই বলে কিন্তু মঞ্চ বসে নেই। সারাদেশে গণসংযোগ চলছে। আমার জানামতে এ পর্যন্ত একত্রিশটি জেলায় সভা করেছে গণজাগরন মঞ্চ। সময় হলেই আবার জ্বলে উঠা হবে আমাদের।

আর যারা গণজাগরম মঞ্চকে দোষী করে ঘরে চলে গেছেন, তাদের কাছে প্রশ্ন,
আপনি কি গণজাগরন মঞ্চের ডাকে আন্দোলনে এসেছিলেন?
আপনি কারো প্ররোচনায় শাহবাগে দিনের পর দিন পরেছিলেন?
তাহলে কার সাথে রাগ করে নীরব আছেন?
আপনার দাবীর কি হলো? সেখবর কি নিয়েছেন?

আপনাকে যেহেতু কেউ ডেকে আনেনি, সেহেতু আপনার দাবীতে আপনাকেই অটল থাকতে হবে। যদি কাউকে ব্যক্তিগতভাবে ভাল না লাগে, তার সাথে আন্দোলন করা যাবে না এমন কি কোন কথা আছে?

আর আপনার এতদিনের নীরবতার মাঝখানে কারা জামাত-শিবির-এর হরতাল প্রত্যাখ্যান করে মিছিল করেছে?
সেদিন আপনি কেন বসে থেকেছেন?
সেটা কি আপনার আন্দোলন নয়?

ভাইরে বিভক্তি সময় এটা নয়, আমরা চরম দূঃসময় পার করছি। অভাব অভিযোগগুলো পরেও করা যাবে। বিভক্তির রেখা মুছে এক সাড়িতে দাঁড়িয়ে যান।

মনে রাখবেন,
আমরা কেউ নতা হতে আসিনি, নেতৃত্ব দিতেও না। আমরা আমাদেরি দাবীগুলো আদায় করতে এসেছি, দাবী আদায়ের আগ পর্যন্ত ঘরে ফির যবোনা এই প্রত্যয়ে আবার নেমে পড়ূন। কে ডেকেছে সেটা বিষয় নয়, বিষয় হলো কোন দাবীতে আপনাকে ডাকা হয়েছে।

আশা করি আমার এই কথাগুলো কেউ ভাবে দেখবেন।
দেখা হবে রাজপথে, কথা হবে শ্লোগানে, শ্লোগানে।

দীপ্ত শপথে বলিয়ান হোন, দ্রোহের অগ্নিতে শানিত হোন।

আওয়াজ তুলুন,
সকল যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি চাই
জামাত-শিবির মুক্ত বাংলা চাই।

জয় বাংলা।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৩ thoughts on “যুদ্ধাপরাধীদের ফাসির দাবীতে আন্দোলনের খবর কি?

  1. জাগতে হবে আবারো । সময় এসেছে ,
    জাগতে হবে আবারো । সময় এসেছে , ।

    সকল যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি চাই
    জামাত-শিবির মুক্ত বাংলা চাই।

    জয় বাংলা।

  2. এটা দ্বিধা-বিভক্ত হ-ওয়ার
    এটা দ্বিধা-বিভক্ত হ-ওয়ার সময় না জানি.…নেতৃত্ব নিয়েও কোন প্রশ্ন ছিল না.…রাজনৈতিক দলের আগমন স্বাভাবিক ছিল( কারন এটা সম্পুর্ন জাতীয় বিষয়) তাহলে সমস্যা কি? ? উই যে এক বিশেষ ঘরানার নির্বাচনি স্বার্থ হইয়া গেলাম? যাই হোক.…আমি শুরু থেকেই বলছি উত্তেজিত হ-ওয়ার কিছু হয় নাই ;এটা পূর্নাঙ্গ আন্দোলন না বরং একটা বৃহৎ আন্দোলনের শুরু মাত্র এর থেকে ফল ভোগের আশা করলে হবে না.… সামনে আর-ও বড় কাজ করতে হবে.…দেখা যাক কি হয়.…আমি আশাবাদী..…বিপ্লব চলছে চলবে.…
    জয় বাংলা!! জয় তারুন্য!!

    ‘ দড়ি লাগলে দড়ি নে
    রাজাকারের ফাঁসী দে
    রাজাকারের ফাঁসী দে
    নাইলে গদি ছাইড়া দে।’

  3. আপনার সাথে এক মত। দলাদলির
    আপনার সাথে এক মত। দলাদলির জন্য আন্দোলন করি নি। আন্দোলনের উদ্দেশ্য সফল হোক, সেটা যারই নেতৃত্বে হোক না কেন।

  4. যাদের মুখ সম​য় দিয়ে সেলাই
    যাদের মুখ সম​য় দিয়ে সেলাই হ​য়ে গেছে তাদের জন্য ব্লেড ই ভাল। সেই উথান আবার দেখতে চাই। কিন্তু একটা কথা আসে না, “হিস্টরি নেভার রিপিটস ইটসেল্ফ”, কিছু মানুষ সেটা ফলো করতে খুব পারদর্শি।

  5. আন্দোলন এখন কে কতো বড় গালিবাজ
    আন্দোলন এখন কে কতো বড় গালিবাজ এই প্রতিযোগিতায় এসে থেমে আছে। দেখা যাক কোথায় গিয়ে থামে এরা…

    1. গালিবাজদের পাত্তা দেয়ার টাইম
      গালিবাজদের পাত্তা দেয়ার টাইম নাই। যে যার মত করে চেতনা ধারন করুন আর তার বিকাশে কাজ করুন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

64 − = 60