গণজাগরণ মঞ্চের নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি,

গণজাগরণ মঞ্চের নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি,

জানি না,
তোষামোদকারীদের বুহ্যভেদ করে আপনাদের চোখে এই লেখাটি পরবে কি না। তবু বলছি।

২৮ জুনের কার্যক্রমে গণজাগরণ মঞ্চের সমর্থনটা জরুরী ছিলো। বলতে পারেন, দাবী আদায়ের আন্দোলনের জন্য তো মঞ্চ তো আছেই। কিন্তু বুকে ধারন করা আগুন নিয়ে কতদিন তরুণেরা বসে থাকবে? তাদের অন্তর্দহনের জ্বালা মেটাবে কে? যে দাবীতে শাহবাগের মোহনায় একদিন মশাল জ্বেলেছিল লাখো তরুণ, সেই দাবীগুলোর খবর কি? কতটূকু আদায় হয়েছে, কতটুকু হবে, এ ব্যপারে একদিন কি তরুণদের জানিয়েছেন? দিয়েছেন তো শীতনিদ্রা।

তো,
অন্তর্দহনে ভোগা তরুণেরা যদি অগ্নির স্ফুলিংগ আবারো উগরে দিতে চায়, সমস্যা কোথায়? তাদের সাথে কণ্ঠ মেলাতে হয়তো আপনারা সময় পাবেন না, আপনাদের শিডিউল নষ্ট হবে, তাই বলে বিভ্রান্তিকর বলে উড়িয়ে দিতে চান কেন? তাদের দাবী আর আপনাদের দাবী কি উল্টোরথের যাত্রী? না হলে, যাদেরকে বাহবা দেয়ার কথা, তাদের দূরে ঠেলার চেষ্টা কেনো? অন্তত প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীদের তো একদল তরুণ জানান দিতে চাইছে যে শাহবাগ ঘুমায় না।

এক নেতা আক্ষেপ করে বলেছিলেন, প্রতিদিন যতজন তদবির নিয়ে আসেন ততজনও যদি ভোট দিতো, তাহলে তার ফেল করার কথা না। আপনারাও কি সে পথে হাটছেন? তোষামোদকারীদের ভিড়ে আবদ্ধ না থেকে সাধারণের সাথে আসুন। নেতা না হয়ে নেতৃত্ব দিন।

মনে রাখবেন,
যে তরুণেরা আবার ২৮জুন শাহবাগ আসছে, এরাই প্রকৃত যোদ্ধা, দাসখত লিখে দেয়া মোসাহেব না। তারা তাদের চেতনার অন্তপীড়নেই শাহবাগ আসছে। আপনারাই সিদ্ধান্ত নিবেন মোসাহেবদের ঘিরে থাকবেন? না কি সাধারণের সাথে মিশবেন।

তরুণেরা নেতা চায় না, চায় সঠিক নেতৃত্ব।

ঘুচে যাক বিভক্তি, জেগে উঠুক শাহবাগ।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু,
জয় তারুণ্য, জয় শাহবাগ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২৩ thoughts on “গণজাগরণ মঞ্চের নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি,

  1. যে তরুণেরা আবার ২৮জুন শাহবাগ

    যে তরুণেরা আবার ২৮জুন শাহবাগ আসছে, এরাই প্রকৃত যোদ্ধা, দাসখত লিখে দেয়া মোসাহেব না। তারা তাদের চেতনার অন্তপীড়নেই শাহবাগ আসছে। আপনারাই সিদ্ধান্ত নিবেন মোসাহেবদের ঘিরে থাকবেন? না কি সাধারণের সাথে মিশবেন।


    পৃথু-দা চমৎকার বলেছেন!!

  2. দাদা, যখন কেউ মনে করে এটা
    দাদা, যখন কেউ মনে করে এটা জনগনের আন্দোলন নয়, তাদের আন্দোলন, তখনই আন্দোলন জনসমর্থন হারিয়ে ফেলে।

  3. হুম । ২৮ তারিখ এর ইভেন্ট টা
    হুম । ২৮ তারিখ এর ইভেন্ট টা !!! আসছি !!!!

    জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু,
    জয় তারুণ্য, জয় শাহবাগ।

    1. নেতা নাই, সবাই ধরতে গেলে
      নেতা নাই, সবাই ধরতে গেলে স্বতন্ত্র নেতা – কিন্তু দুঃখের বিষয় – ইতোমধ্যে কিছু দলাদলীর আভাস পাওয়া গেছে /।

      1. @মোশফেক আহমেদ,
        কিছু

        @মোশফেক আহমেদ,
        কিছু সুযোগসন্ধানী মানুষ ২৮শে জুনের কাৰ্যক্রমের মাধ্যমে তরুন প্রজন্মকে বিভক্তকরন ও মূল আন্দোলনকে প্রভাবিত করতে চাচ্ছে, ঐ তরুন প্রজন্মেরই আবেগকে ব্যবহার করে।
        তাই, যাই করেন একটু সাবধানে।

    1. এর জন্য কিন্তু নেতারা নয়
      এর জন্য কিন্তু নেতারা নয় মোসাহেবরাই মূলত দায়ী।

      আফসোস হয়, দেশে মোসাহেবের অভাব হয় না, হয় প্রতিবাদীর,

  4. যখন বুঝলাম, রাজাকারের ফাঁসির
    যখন বুঝলাম, রাজাকারের ফাঁসির দাবী তুলতে হলে একটা বিশেষ রাজনৈতিক দলের সমর্থক হওয়া আবশ্যক, তখনই আমার ঘুম ভেঙ্গে গেল। কেন পারবোনা, একটু অন্যরকম করে ভাবতে? দলের জন্য নয়, দেশের জন্য কি কিছু করতে পারিনা? ভাবতে পারিনা? দলান্ধতা নিপাত যাক!

    আপনাকে সাধুবাদ প্রিয় ব্লগার।

    1. আমাদের দেশের বেশীর ভাগ মানুষ
      আমাদের দেশের বেশীর ভাগ মানুষ দলান্ধ। তাই অন্যরকম করে ভাবতে গেলেই আপনাকেও কোন না কোন দলের ট্যাগ লাগিয়ে ছাড়বে। এটাই বাস্তবতা এবং আফসোসের বিষয়।

      1. এই ট্যাগানো কালচার বন্ধ করার
        এই ট্যাগানো কালচার বন্ধ করার দ্বায়িত্ব কার? যারা ট্যাগায় তাদের? না কি যারা ট্যাগিত হয় তাদের?

  5. আমরা জামাতি হেফাজত বিএনপির
    আমরা জামাতি হেফাজত বিএনপির দালাল নই, ভণ্ড চেতনাধারী আওয়ামী চামচা নই।
    আমরা শুধু একটি বাক্যই জানি, সকল যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি হতে হবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 14 = 18