নবী মুহাম্মদ ছিল একজন মানসিক রোগী।

নবী মুহাম্মদ ছিলো একজন মানসিক রোগী

বর্তমান সময়ে নবী মুহাম্মদের ৬ বছরের আয়েশাকে বিয়ে করা আর কোরানের আয়াত নাজিল হবার আগে তার সিজোফ্রেনীয়া রোগীদের মতো আচরণ করার কথাগুলো বলতেই আমার কাছে খারাপ লাগে। কারণ এগুলো এতো পরিমানে আলোচনা করা হয়েছে এবং প্রামণ করে দেখানো হয়েছে যে এখন মনে হয় এসব হচ্ছে ভাঙ্গা টেপরেকর্ডার। তাই আমি নিজেই অনেক সময় অনেককে বলি এই ভাঙ্গা টেপ রেকর্ডার বাজানো বন্ধ করেন। কিন্তু কি করার বলতেই হয় বিষয়টি নিয়ে। কারণ ইসলাম ধর্মের ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষেরা বার বার জানতে চাই কিভাবে নবী মুহাম্মদকে আপনি পাগল বলছেন। তাই বাধ্য হয়েই আবার লিখে রাখা। থাকুক লেখাগুলো, আগামীর প্রজন্ম দেখুক এই লেখা, পড়ুক তারা জানতে থাকুক, যাচাই বাছাই করতে থাকুক একদিন নিশ্চয় তারা বুঝতে পারবে আসলেই নবী মুহাম্মদ ছিলো একজন মানসিক রোগী।

এই কথাটি হয়তো ইতিমধ্যেই বহুবার শুনেছেন অনেকে এবং বিভিন্ন ব্লগ ও সোস্যাল মিডিয়া গুলোতে মুহাম্মদকে পাগল বলা নিয়ে হয়তো অনেক তর্ক বিতর্ক হয়েছে। অবশেষে প্রতিবার যে সমাধানে আসা সম্ভব হয়েছে সেটা হচ্ছে ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন ধর্মীয় কিতাব এবং ইসলামের ইতিহাস থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে এটাই প্রমাণিত হয়েছে বারবার যে নবী মুহাম্মদ নামের যে চরিত্রটি আজও সারা বিশ্বের মানুষের কাছে একজন মহামানব হিসাবে পরিচিত আছেন তিনি ছিলেন আসলে একজন মানসিক রোগী। নবী মুহাম্মদ যে মানসিক রোগী ছিলেন সেই কথাটি যতোদিন মেডিক্যাল সায়েন্স আবিষ্কার হয়নি ততদিন মানুষের মাঝে প্রচারিত হয়নি তার কারণ হচ্ছে মানুষ জানতো না পাগল বা মানসিক রোগী বলতে আমরা যা বুঝি সেটা কি জিনিস। মেডিক্যাল সায়েন্স আসার আগে বা নবী মুহাম্মদের সময়ে মানুষ যদি বুঝতেই পারতো যে মানসিক রোগী কাকে বলে বা তাদের আচরণ কেমন হয়ে থাকে তাহলে সেদনই অর্থ্যাৎ আজ থেকে ১৪০০ বছর আগেই মক্কা বা মদীনা নামক স্থানগুলোতে ইসলামের প্রধান ব্যক্তি আল্লার পরেই যার অবস্থান সেই মুহাম্মদকে পাগলই বলা হতো।

হাদীস মতে জানা যায় মুহাম্মদের ৪০ বছর বয়সের পরে কোরানের আয়াত নাজিল হওয়া যখন শুরু হয় তখন প্রতিবার আয়াত নাজিল হবার পূর্বে সে জ্ঞান হারাতো এবং তার মুখ দিয়ে ফেনা বের হতো। কিছুক্ষন পরে যখন তার জ্ঞান ফিরতো তখন সে স্বপ্নের মতো কিছু দেখেছে বলে দাবী করতো। এই কিছু দেখাকেই তখনকার সময়ে অনেকেই ভেবে বসতো যে জিব্রাইল নামক কোন এক অদৃশ্য কোন ফেরেশতা এসে তার কানে কানে সমগ্র মানব জাহানের জন্য আল্লার বানী নিয়ে এসেছেন। জ্ঞান ফেরার পরে সে আবল তাবল বকতো আর সেগুলোই আজকের যুগে বর্তমান সময়ে কোরানের আয়াত নামে পরিচিত। এর কারণ হচ্ছে তৎকালীন মক্কা বা মদীনার মানূষের এতো জ্ঞান ছিলোনা যে তারা বুঝতো আসলে সিজোফ্রেনীয় রোগ কি জিনিস। যাকে আমরা মৃগী রোগ বলে জানি।

এই রোগে আক্রান্ত মানুষ হঠাৎ করেই জ্ঞান হারায়, কখনও কখনও মুখ দিয়ে ফেনা বের হয়, সমস্ত শরীর থর থর করে কাপতে থাকে, ব্যক্তি প্রচন্ড পরিমানে ঘামে, এবং কিছুক্ষণ পরে যখন তার জ্ঞান ফেরে তখন সে নানা ধরনের লৌকিক এবং অলৌকিক কথার মিশ্রণে বিড় বিড় করে অনেক কিছুই বলে। এতে করে এই ধরণের একজন সিজোফ্রেনীয়া রোগে বা মৃগী রোগে আক্রান্ত মানুষকে কিন্তু কেউ নবী বা রাসূল বা পীর পয়গম্বর ভেবে বসে না বর্তমান যুগের মানুষ। কারণ বর্তমান যুগের মানুষ জানে এটা একটি রোগ। একে মেডিকেল সায়েন্স এর নামে সিজোফ্রেনীয়া বা মৃগী রোগ বলে। খুব বেশিদিন আগের কথা আপনাদের জানার দরকার নেই আজ থেকে ২০০ বছর আগের ভারতবর্ষের ইতিহাস ঘাটলেই দেখতে পাবেন সেসময়ের মানুষের মধ্যেও এধরনের পাগল প্রকৃতির মানুষকে কোন চোখে দেখা হতো।

অনেক স্থানেই পাগল বা মানসিক রোগীদেরকে নানাভাবে সম্মান করা হতো। তাদের ভালোবেসে খাওয়ানো হতো, তাদের বলা আবোল তাবল কথাকে অনেকেই মান্য করে চলতো। অনেকেই এসব পাগলদের পীর ফকির বা আল্লার পয়গম্বর বা ভগবানের প্রেরিত দূত মনে করতো। এটা ছিলো সেই সময়ের একটি কালচার। এই কালচার সমাজে তৈরি হবার কারণ হচ্ছে তখনকার সময়ে বিজ্ঞান এতো উন্নত ছিলো না। ছিলোনা মানুষের মেডিকেল সায়েন্সের কোন জ্ঞান। তারা জানতো না মানসিক রোগ কি জিনিষ। তাই তারা ভেবে বসতো নবী মুহাম্মদের মতো কেউ যদি সমাজ বা লোকালয় ছেড়ে অনেক দূরে সেই হেরা পর্বতের গুহায় গিয়ে একা একা বসে থাকে এবং কয়েকদিন পর পর এসে বলে আকাশে কারো সাথে তার মোবাইলে কথা হচ্ছে নিয়োমিত যোগাযোগ হচ্ছে সমস্ত পৃথিবীর মানব জাতির জন্য সে তার কাছে আদেশনামা পাঠাবেন তাহলে তাকে ভক্তি পূজা না করার কোন কারণ ছিলোনা।

এছাড়াও নবী মুহাম্মদের আরো অনেক বিষয় আছে যেগুলো ওকটু বিচক্ষনতার সাথে আপনি যদি নিরাপেক্ষভাবে একটু বিচার বিশ্লেষন করে দেখেন তাহলে নিশ্চয় আপনি দেখতে পারবেন একজন বর্তমান যুগের মানসিক রোগীর সাথে বিশ্বনবী মুহাম্মদ সম্পর্কে কোরান এবং হাদীসে ও ইসলামের ইতিহাসে বিভিন্ন সময়ে তাকে নিয়ে যা বলা আছে তাতে করে তাকে মানসিক রোগী বলে ধরে নেওয়া যায়। ছোট্ট শিশু আয়েশা কে বিয়ে করাটাও একটা মানসিক রোগীর আচরণের ভেতরে পড়ে। তবে এখানে আমি একটি বিষয় উল্লেখ করতে চাই। বর্তমান সময়ে অনেকেই বলে থাকেন নবী মুহাম্মদ ছিলেন একজন শিশুকামী এই কথাটা কিন্তু ভুল। শিশুর সাথে কাম বা সেক্স করা যায় না এমন জ্ঞান সেই যুগে ছিলোনা। একটা নারী যে ১৮-২০ বছর বয়সের আগে প্রাপ্তবয়স্ক হয় না সেই জ্ঞান তৎকালীন আরবে ছিলোনা তাই নবী মুহাম্মদকে শিশুকামী বলাটা অনেকেরই ভুল। প্রয়োজনে এই বিষয়ে আমি আবারও লিখবো কিন্তু এই বিষয়টি আপনারা মাথায় রাখবেন যে নবী মুহাম্মদ শিশুকামী ছিলোনা ছিলো মানসিক রোগী। তাছাড়াও হাদীস মতে তার অনেক কথা আমরা আজ জানতে পারি যেগুলো নিরাপেক্ষ দৃষ্টিকোন থেকে বিচার বিশ্লেষন করলেই দেখতে পাবেন আমি যা বলছি তা ঠিক কিনা।

জার্মান প্রবাসী ব্লগার ও অনলাইন এক্টিভিস্ট

রবিউল আলম ডিলার

০২/০৭/২০১৯

ফেসবুক মন্তব্য

৩ thoughts on “নবী মুহাম্মদ ছিল একজন মানসিক রোগী।

  1. তৎকালীন সময়ে আবু জেহেল ও আরো অন্যান্য জ্ঞানীজনরা কিন্তু তাঁকে পাগল, মানসিক বিকার গ্রস্থ বলে তার কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু তারাও পৌত্তলিকতায় বিশ্বাসী ছিলো। আরবের তখনকার রাজনীতি ছিলো ধর্ম কেন্দ্রিক। ধর্মীয় নেতারাই ক্ষমতার অধিকারী ছিলো। এবং শাসন-শোষণ নীতি তারাই প্রণয়ন করতো। আর এজন্যই তারা কাল্পনিক ঈশ্বরের আশ্রয় নিত। যেহেতু আরব বেদুঈনরা ছিলো মূর্খ, বর্বর একটা জাতি তাই তারা এসব ধর্মীয় আচার, বিশ্বাস অনুসরণ করে চলতো।

  2. শুধু তাই নয়,মুহম্মদ বিকৃত যৌনচারীও ছিল!!!যার ফলে মুহাম্মদের বহু বিবাহ মুসলমান সমাজে ,রীতি হয়ে যায়!তালাক এমনকুপ্রথা,হয়ে যায় যাকে ইচ্ছা ছাড়া আবার ধরা যায়!!!ফলে বহু নারীর সাথে যৌনাচার ধর্ম সিদ্ধ হয়ে গেল!এব্যভিচার ছাড়া আর কি???মহম্মদ লোভীও ছিল!প্রমাণ খাদিজাকে বিয়ে?????

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

24 − 20 =