ইসলাম এবং জিহাদ, বিশ্বাস এবং অবিশ্বাসী।

বিশ্বাস নির্দিষ্ট একটা গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ। বিশ্বাসী মানুষ বেশি দূর যেতে পারে না। বিশ্বাসী মানুষের চারিপাশ অন্ধকার, এবং বিশ্বাসীরা অন্ধকারকেই আলো বলে মনে করে। তারা মনে করে তারাই আলোকিত মানুষ, আর ধর্মই হচ্ছে সকল আলোর কেন্দ্রবিন্দু। তবে বিষয়টা নিতান্তই হাস্যকর এবং মিথ্যা।

একজন বিশ্বাসী সব বিষয়ে সবসময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। তাকে সবসময় তার বিশ্বাসের মধ্যেই আবদ্ধ থাকতে হয়। বিশ্বাস থেকে বের হওয়া তার জন্য মহাপাপ, এখানেই বিশ্বাসীরা ব্যর্থ। কারণ তারা ভয়ংকর অন্ধবিশ্বাসের শিকার।

তবে অবিশ্বাসের নির্দিষ্ট কোন সীমানা নেই, তারা সুদূর প্রসারী চিন্তা করতে পারে, তারা তাদের চিন্তার জগৎকে তৈরি করে মুক্ত খোলা আকাশের মত। তাদের চারিধারে কোন অন্ধকার নেই, শুধুই আলো। তারাই প্রকৃত আলোকিত এবং মানবিক মানুষ। অবিশ্বাসীরাই পৃথিবীটাকে আলোকিত করে রেখেছে, আর বিশ্বাসীরা করে রেখেছে অন্ধকার।

আমাদের বুঝতে হবে বিশ্বাস গুলোর বয়স চার হাজার বছর, তবে অবিশ্বাসের বয়স লক্ষ কোটি বছর। বিশ্বাস খুবই ভয়ংকর, বিশ্বাস মানুষকে মূর্খ এবং অন্ধ বানিয়ে রেখে দেয়। বিশ্বাসীরা চোখ বন্ধ করে যেকোন অন্যায় কাজ করে ফেলতে পারে। যেমন ভারতের হিন্দু ধর্মের বিশ্বাসীরা অবলীলায় মুসলমানদের নির্যাতন করে, মসজিদে হামলা চালায়, এমনকি মাঝে মাঝে হত্যাও করে ফেলে। কেননা তাদের ধর্মবিশ্বাস তাদেরকে অন্ধ বানিয়ে রেখেছে।

মুসলিম বিশ্বের বিশ্বাসীদের অবস্থা আরো শোচনীয়। তারাই সবচেয়ে বেশি ভয়ঙ্কর অন্ধবিশ্বাসের শিকার৷ তারা হারিয়ে গেছে অন্ধকার থেকে অন্ধকার গলিতে, তারা জান্নাতের আশায় পৃথিবীটাকে জাহান্নাম বানিয়ে রেখেছে। মুসলিম বিশ্বের বিশ্বাসীদের হাতে প্রতিনিয়ত সংখ্যালঘুরা নির্যাতিত হচ্ছে৷ হিন্দুদের মন্দির, বৌদ্ধদের মন্দির, খ্রিস্টানদের গির্জা কিছুই তাদের হাত থেকে নিরাপদ না। এমনকি নিজ ধর্মের ভিন্ন মতাদর্শের মানুষরাও মুসলিম বিশ্বাসীদের আক্রমণের শিকার হয়।

ইসলামের বিশ্বাসীরা মারাত্মক উগ্রবাদী। তারা বিশ্ব শান্তির জন্য হুমকি, বাংলাদেশের অসংখ্য নাস্তিককে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে মুসলিম বিশ্বাসীরা। মুসলিম বিশ্বাসীরা হুমায়ুন আজাদ এর মত মানুষকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়েছে। কিন্তু সেই বিশ্বাসীদের কারোর পক্ষেই সম্ভব না হুমায়ুন আজাদের বইয়ের মত করে একটি বই লেখা, এবং তার লেখার সঠিক জবাব দেওয়া।
বিশ্বাসীরা তসলিমা নাসরিনের মত একজন মানবিক মানুষকে দেশ ত্যাগে বাধ্য করেছে, যার শক্তিশালী নারীবাদী লেখনি লক্ষ লক্ষ হতাশাগ্রস্ত নারীর জীবনে আলো ফিরিয়ে এনেছে। যার লেখা ভেঙ্গে চুরমার করে দিয়েছে হাজারো পুরুষতান্ত্রিক পরিবার।

এত কিছুর পরেও মুসলিম বিশ্বাসীরা থেমে নেই, প্রতিনিয়তই তাদের হাতে মানবিক প্রগতিশীল মানুষরা আক্রমণের শিকার হচ্ছে। তাদের অত্যাচারে হাজার হাজার নাস্তিক দেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে। তারা ভিন্নধর্মাবলম্বী এবং সংখ্যালঘুদের মানুষই মনে করে না। বাংলাদেশের শত শত মন্দিরে হামলার পিছনে মুসলমানরাই দায়ী, মুসলমানরাই বাংলাদেশে হাজার হাজার হিন্দু বাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে। শত শত হিন্দু নারীদের ধর্ষণ করেছে।

মুসলমানরা যেখানে দুর্বল সেখানে তারা ন্যায় বিচার এবং সমান অধিকার চায়। তবে যেখানে তাদের সংখ্যা বেশি, সেখানে তারা আল্লাহর দ্বীন কায়েম করার জন্য সেই যায়গাকে জাহান্নামে পরিণত করে। এই বিশ্বাস এর উৎপত্তি কোথায়? এই বিশ্বাস তারা কোথা থেকে অর্জন করেছে? যে বিশ্বাস তাদেরকে উগ্রবাদী জঙ্গী হতে সাহায্য করে। আমাদের ঘটনার পিছনে যেতে হবে, বুঝতে হবে সমস্যাটা কি মানুষের, নাকি মানুষের পেছনে অন্য কোন দ্বিতীয় শক্তি কাজ করতেছে?

আসুন আল্লাহর কিতাব কোরান দিয়ে, বিশ্বাস এর কিছু নমুনা বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করি। এক নজরে জিহাদের আয়াত সমুহঃ

যারা মনে করেন ইসলামে জিহাদ নাই, ইসলাম জঙ্গিবাদ সমর্থন করে না, এবং ইসলামের সাথে জঙ্গিদের কোন সম্পর্ক নেই, তারা আয়াতগুলো মনোযোগ দিয়ে দেখুন। এবং অনুধাবন করার চেষ্টা করুন।

– কুরআনে জিহাদ সম্পর্কিত কিছু আয়াত:

১/ সূরা বাকারা,আয়াত:-১৯০-১৯৫,২১৬- ২১৮, ২৪৪, ২৪৬, ২৪৯-২৫১।

২/ সূরা আল ইমরান,আয়াত:-১৩,১১১,১২১- ১২৮, ১৩৯- ১৪৭,১৫১- ১৫২, ১৫৫- ১৫৬, ১৬০,
১৬৬-১৬৮,১৭৩-১৭৫ , ১৯৫, ২০০।

৩/সূরা আননিসা, আয়াত:-৭১, ৭৪-৭৭, ৮৪, ৯১, ৯৫- ৯৬, ১০৪।

৪/ সূরা মায়িদা, আয়াত:-৩৫, ৫৪।

৫/সূরা আনফাল, আয়াত:— ০৫- ০৬,১২, ১৫- ১৮, ৩৯, ৪৫, ৫৬-৬০,৬৫-৬৬,৭৩-৭৪।

৬/ সূরা আত – তাওবা, আয়াত:-০৫,১২-১৬, ২০, ২৩- ২৪, ২৬ , ২৯ , ৩৬ , ৩৮-৪১, ৪৪, ৭৩, ৮১, ৮৮-৮৯, ৯১,১১১, ১২৩।

৭/ সূরা নহল, আয়াত:— ১১০

৮/ সূরা আম্বিয়া, আয়াত: —৭৯-৮০।

৯/সূরা হজ্জ্ব, আয়াত:— ৩৮-৪০,৭৮।

১০/ সূরা ফুরকান, আয়াত:— ৫২।

১১/সূরাআনকাবুত, আয়াত:— ৬৯।

১২/সূরা আহযাব,আয়াত:–০৯-১৫,১৮- ২০,২২-২৭।

১৩/সূরাসা’বা, আয়াত: ১০-১১।

১৪/ সূরা মুহাম্মদ, আয়াত:-০৪-০৭,২০-২১, ৩১, ৩৫, ৩৮।

১৫/সূরাফাতহ, আয়াত:— ১৬-২৩।

১৬/ সূরা হুজুরাত, আয়াত:— ০৯, ১৫।

১৭/সূরাক্বমার, আয়াত:— ৪৩-৪৫

১৮/সূরাহাদীদ, আয়াত:— ১০, ২৫।

১৯/ সূরা হাশর, আয়াত:— ০২, ১৪।

২০/ সূরা আছ ছ্বফ, আয়াত:-০৪,১০-১৪।

২১/সূরাআত ত্বাহরীম,আয়াত:—০৯।

আল্লাহ তায়ালা বলেন,
আর তোমাদের কি হল যে,
তোমরা আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ
করছ না! অথচ দুর্বল পুরুষ, নারী ও
শিশুরা আর্তনাদ করে বলছে, হে
আমাদের প্রতিপালক!
আমাদেরকে এই জালেম
অধিবাসীদের থেকে বের করুন
এবং আমাদের জন্য আপনার পক্ষ
থেকে একজন অভিভাবক নির্ধারণ
করে দিন। আর আপনার পক্ষ থেকে
একজন সাহায্যকারী নির্ধারণ
করে দিন।।(সূরা নিসা আয়াত নং-৭৫)

আল্লাহ্ পাক বলেন, যদি তারা
তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে তবে তোমরাও
তাদেরকে হত্যা করো,
অবিশ্বাসীদের জন্য
এটাই প্রতিফল। (সুরা বাকারাঃ১৯১)

আল্লাহ যদি এক দলকে অপর দলের
দ্বারা প্রতিহত না করতেন,
তাহলে গোটা দুনিয়া বিধ্বস্ত
হয়ে যেতো।(সুরা বাকারাঃ ২৫১)

জিহাদ সম্পর্কিত কোরআন এর সকল আয়াতের
রেফারেন্স •

জিহাদ করার সুস্পষ্ট আদেশ ও না করার পরিণতি-২:১৫৪,২:১৯০-১৯৪, ২:২১৬, ২:২৪৪, ৩:১৪২, ১৯৫,৪:৭১-৭৬, ৪:৭৭-৭৮, ৪:৯৫, ৪:১০০,
৮:১২-১৬, ৮:৩৯-৪০, ৯:১৯-২০, ৯:২৯,
৯:৩৮-৪২, ৯:৪৪-৪৯, ৯:৭৩, ৯:৮১-৮৯, ৯:৯৩,
৯:৯৫-৯৬, ৯:১১১, ৯:১২৩, ২২:৩৯, ২৫:৫২,
৪৭:৪-৮, ৪৭:২০-২১, ৪৭:৩১-৩৬,
৪৮:১৬-১৭, ৬১:৪, , ৬১:১০-১৪, ৬৬:৯ •
.
জিহাদকারী সৈনিকদের সাহায্যকারী আল্লাহ্
স্বয়ং-৩:১৩, ৩:১১১, ৪:৪৫, ৮:৫-১০,
৮:১১-১৯, ৯:২৫-২৬, ২৪:৫৫, ২৯:৬৯,
৩৩:৯-১০, ৪০:৫১, ৪৮:৪-৭, ৬৭:২০, •

জিহাদ কার বিরুদ্ধে কেন এবং কার জন্য-২:২২১৬, ২:২১৮, ৯:২৯, ২৬:৬৯,২৯:৬ •

জিহাদকারীদের সাথে নামাজিদের তুলনা-৯:১৯-২১ •

জিহাদ কালীন সর্তকতা ও করণীয়-৪:৮০-৮৪, ৯:৩-৬ •

জিহাদ.ঘোষনার জন্য নির্যাতিত মানুষের প্রার্থনা-২:২৪৬ , ৩:১৯৫, ৪৭:২০ •

জিহাদ থেকে অনুপস্থিত থাকার জন্য নানা রকম
বাহানা-৯:৪২-৪৯, ৯:৮৬-৯৩, ৪৮:১১ •

জিহাদ থেকে পার্থিব উন্নতি প্রাধান্য পেলে তার পরিণতি-৯:৩৮-৪২ •

জিহাদ থেকে বিরত থাকার হকদার কে-৯:৯১-৯২,
৪৮:১৬-১৭ •

জিহাদে অনিচ্ছুক তিন জনের অনুতাপ ও ক্ষমা লাভ-৯:১১৮ •

জিহাদে অনিচ্ছুক মানুষ পশুর অধম-১০০:১-৬ •

জিহাদে অনিচ্ছুকদের পরিচয় ও পরিণতি-৯:৩৯-৪২, ৯:৯০-৯৩, ৯:৯৪-৯৬

জিহাদে অবিশ্বাস কারীরা আল্লাহর সাহায্য পাবে
না-৪৮:২২-২৩

জিহাদে অর্থ সাহায্য করা ও না করার
ফলাফল-২:২৪৫, ৮:৬০, ৯:২০-২২, ৯:৪১,
৪৭:৩৮, ৫৭:১০, ৫৭:১১-১২, ৬১:১০-১২,৬৪:১৭ •

জিহাদে আল্লাহ্ মুজাহিদদের কিভাবে সাহায্য
করেন-৩:১২৬-১২৭, ৩:১৫০-১৫৫,৮:৪২-৪৫, ২৭:১৬-২০, ৩৩:৯ •

জিহাদে ইমানদার ও মুনাফিকদের পার্থক্য
নির্ণয় হয়-৩:১৫৬-১৬৮, ৩:১৭৩-১৭৫,৮:৪৭, ৩৩:১০-১৫ •

জিহাদে ইমানদারগণ বিজয়ী হলে মুনাফিকরা কি বলে-৮:৪৯ •

জিহাদে কখন মুজাহিদদের পরাজয় হয়-৩:১৫২-১৫৩, ৩:১৬৫, ৮:১১ •

জিহাদে বন্ধিদের সাথে ব্যবহার বিধি-৮:৬৭, ৮:৭০-৭১, ৯:৫-৬,৪৭:৪ •

জিহাদে বিজয় সংখ্যাধিক্যের উপর নির্ভর করে
না-২:২৪৯-২৫১, ৮:৪৬-৪৮, ৮:৫৯-৬০,৮:৬৫-৬৬, ৯:২৫-২৬ •

জিহাদে ভিত হয়ে সন্ধি প্রার্থনা করা নিষিদ্ধ-৪৭:৩৫

জিহাদে গনিমতের মালের বন্টন বিধি-৮:১,
৮:৪১, ৮:৬৯, ৪৮:১৫, ৪৮:২০-২১, ৫৯:৬-৮ •

জিহাদে মৃত্যুর ভয় অবাঞ্চিত-২:২৪৩ •

জিহাদে যোগদান করতে দেয়া হয়নি কাদেরকে-৯:৪৩-৪৭ •

জিহাদের জন্য পোশাক ও অস্ত্র নির্মাণ করার আদেশ-১৬:৮১, ২১:৮০, ৩৪:১০-১১,৫৭:২৫ •

জিহাদের ময়দান থেকে পলায়ন কারীর পরিনাম-৪:১০৪,৮:১৫-১৬, ৮:৪৫-৪৭, ৮:৬০-৬২,

জিহাদের সময় কাফের ও মুনাফিকদের সম্পর্কে বিশেষ বিধি-৪:৮৯-৯১,

জিহাদের সময় ধৈর্য ধারন করা আবশ্যক-৩:১৪৬-১৪ ৮,৩:১৯১-১৯৫, ৪:৯৫-৯৬, ৯:১৯-২০ •

জিহাদের সৈনীকদের শ্রেষ্টত্ব
মর্যাদা ও পুরস্কার-৩:১৪৬- ১৪৮,
৩:১৯১-১৯৫, ৪:৯৪-৯৬, ৯:১৯-২০, ৬১:৪

জিহাদ (আরবি: جهاد‎‎‎), যার অর্থ সংগ্রাম, যুদ্ধ, এবং নিজের অবস্থানকে প্রতিষ্ঠা করা। কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য লাভের জন্য সমস্ত শক্তি নিয়োগ করাকে জিহাদ বোঝানো হয়। কুরআনে জিহাদের কথা ৪১ বার উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে “আল্লাহের রাস্তায় যুদ্ধ করা করা অর্থে ‘জিহাদ’ কথাটি ব্যবহৃত হয়েছে। জিহাদের সাথে জড়িত ব্যক্তিকে মুজাহিদ বলা হয়। এবং জিহাদে গিয়ে মৃত্যুবরণ করলে তাকে শহীদ বলা হয়। জিহাদকে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসাবে গণ্য করা হয়। যারা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদে গিয়ে যারা শহীদ হবে, তাদেরকে সরাসরি জান্নাতে পাঠানো হবে। এবং তাদেরকে দেয়া হবে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থান।

এভাবেই কোরানে জিহাদ সম্পর্কে অসংখ্য আয়াত পাওয়া যায়, যেখানে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে সরাসরি অমুসলিমদের হত্যা করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। যুদ্ধবন্দীদের গনিমতের মাল বানানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে। এই যদি হয় বিশ্বাসীদের ধর্মগ্রন্থের অবস্থা তাহলে আমার মত অবিশ্বাসীদের কি’বা করার আছে।

আমরা অবিশ্বাসীরা মুক্ত-স্বাধীন সুন্দর এক মানবিক পৃথিবী দেখতে চাই, যেখানে ভালোবাসা দিয়ে মানুষের জীবন কানায় কানায় পরিপূর্ণ থাকবে। যেখানে শিশুরা স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠবে। হাসি আনন্দে ভরিয়ে তুলবে আমাদের চারিপাশ। পৃথিবীর পুরনো সকল বিশ্বাসগুলোই ভয়াবহ, এই বিশ্বাসগুলো মানব সভ্যতার কোন কল্যাণে আসেনি। বরঞ্চ মানবসভ্যতাকে বন্দি করেছে অন্ধকার কারাগারে, কেড়ে নিয়েছে মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাপনের অধিকার। বিশ্বাসীরা স্বর্গের আশায় এই পৃথিবীটাকে নরকে পরিনত করেছে। আমি এবং আমরা এই বিশ্বাস থেকে মুক্তি চাই।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

5 + 1 =