সারেগামাপা-নোবেল-ভারতবিদ্বেষী

সারেগামাপা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো, অনেক প্রতিশ্রুতিমান শিল্পীর ভবিষ্যত গড়ার স্বপ্ন এই শো। বিগত ১১ মাস ধরে চলা জি বাংলা সারেগামপা ২০১৯-এর সমাপ্তি হল। এদিন ৬ জনের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে এটাই স্বাভাবিক। প্রীতম, অঙ্কিতা, গৌরব, স্নিগধজিৎ, সুমন, নোবেল এরা প্রত্যেকেই এদিন নিজেদের সেরাটা উজার করে দিয়েছে। ফলে সেরার শিরোপা কার হাতে তুলে দেওয়া হলো এবং অমুক না হয়ে তমুক হলো না কিংবা তমুক প্রথম না হলো তাই বলে কি দ্বিতীয় না হয়ে একেবারে তৃতীয় হয়ে গেলো এ নিয়ে আমাদের মাঝে বিভিন্নজনে বিভিন্ন মতামত দিবে।যেহেতু দর্শকরা কেউ সঙ্গীৎ বিশেষজ্ঞ না।আমিও সঙ্গীত বিশেষজ্ঞ না আমিও, সবার মত দর্শকসারির মানুষ।

আর এই দর্শকসারির মানুষরা সাধারণত অন্ধ হয়।এরা নিজের পছন্দসই মানুষ ছাড়া সর্বোচ্চ স্থানে অন্য কাউকে ভাবতে পারে না।বলছিলাম সারেগামাপা খ্যাত মাইনুল আহসান নোবেলের কথা।ইতিমধ্যে নোবেল এপার ওপার বাংলার বেশ পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছে দর্শকদের মন জয় করে সারেগামাপা থেকেই।

গতকাল (২৮ -৭-২১৯)শেষ  হয়েছে সারেগামাপা ২০১৯।নোবেল তৃতীয় স্থান অর্জন করায় বাংলাদেশের মানুষের মনে বাঁধে বিপত্তি।কেউ বলছে নোবেল শুধু মাত্র বাংলাদেশী হবার কারণেই তাকে প্রথম বানানো হয় নাই।আবার যারা রাজনৈতিক সচেতন তারা বলছেন, নোবেলের গান নির্বাচন ভুল ছিলো ।কারণ হিসাবে তারা বলছে, ফাইনালে গেয়েছে “আমার সোনার বাংলা” এই গানে উল্লেখ আছে হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দী আর শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের নাম।
এই দুই জন ব্যক্তি যতই বাংলাদেশে জনপ্রিয় ব্যক্তি হোন না কেন ওপার বাংলায় তথা পশ্চিম বাংলায় খুবই বিতর্কিত ব্যক্তি। কারন দেশ ভাগের জন্য এই দুইজন ব্যক্তিকে দ্বায়ী করা হয়। বিশেষ করে গ্রেটার ক্যালকাটা কিলিং/ নোয়াখালীর গনহত্যার জন্য প্রধান অভিযুক্ত অবিভক্ত বাংলার ততকালীন প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দী।উনার নিস্ক্রিয় ভুমিকার কথা পশ্চিম বাংলার কেহ ভুলেনি। আর লাহোর প্রস্তাব করে সেখানকার মানুষের কাছে বিতর্কিত হয়েছিলেন ফজলুল হক।

তাছাড়া আবার অনেকেই বলছে, এই গানটা নোবেল যখন বাংলাদেশে গেয়ে কাভার করে একটা সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে গানটা বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় সংগীত এর থেকে হাজার গুন বেশী বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করে।তখন অনেকেই চরমভাবে বিরক্ত হয়েছিল এই সাক্ষাৎকারের জন্য।এতে ভারতের মানুষের রবীন্দ্রানুভুতিতে আঘাত লাগছে।এই কারণেও তাকে ইচ্ছা করেই তৃতীয় বানানো হতে পারে।

আবার অনেকে বলছেন টিআরপি বাড়ানোর জন্য কিংবা বাংলাদেশের দর্শক ধরে রাখার জন্যই কেবলমাত্র নোবেলকে এতদিন ধরে রাখা হয়েছিলো।অর্থাৎ ঘুরে ফিরে সন্দেহ এবং শেষে ভারত বিদ্বেষী কথা ঢেলে বিষাদাগার করা।

কিন্তু সত্যি কি তাই? আমার তা মনে হয় না যে, নোবেল শুধু মাত্র বাংলাদেশী হওয়ায় ,তার নির্বাচিত গান কিংবা রবীন্দ্রানুভুতিতে আঘাত পাওয়ার কারণে এমনটা হতে পারে।আমার কাছে দুইটা কারণ আছে।সেই কারণ দুইটার আগে বলে নেই, আমরা যা বলতাছি সবই ভারত বিদ্বেষ থেকে।আর কিচ্ছুনা।নিজেকে আগে স্বতন্ত্র অবস্থানে নিয়ে যান তারপর এইসব কথা বলেন দেখেন আপনার কথা সাথে আপনি মিলাতে পারবেন না।মনে এতোটাই ভারত বিদ্বেষী জিইয়ে রাখি যার কারণে আমরা যা ইচ্ছা তাই বলে যাচ্ছি আর বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়াতেও চলছে ভারত বিদ্বেষী কথাবার্তা সাথে গালাগালি। কিন্তু এইটা ভুলে গেলে চলবে না এই নোবেলকে সবার মাঝে পরিচয় করিয়ে দিছে কিন্তু ভারত সারেগামাপা দিয়েই।এর আগে তাকে কেউ চিনে নাই।শুধু তাই না,  বাংলাদেশে হওয়া এক প্রোগ্রাম থেকে নোবেল বাদ পড়ে যায় আর কলকাতায় গিয়ে সে বাজিমাৎ করে।তারপরেও আমরা কতসুন্দরভাবে অবলীলায় বলে দিচ্ছি, নোবেল শুধু মাত্র বাংলাদেশী হবার কারণেই তাকে তৃতীয় বানানো হয়েছে! এই নোবেলকে ভারতের জি বাংলায় দেখা না গেলে আজকের কয়জন তাকে মূল্যায়ন করতে পারতেন? কতজন মূল্যায়ন করতে পারতেন সেটাতো আগেই বুঝা গেছে যখন সে বাংলাদেশের প্রোগ্রাম থেকে বাতিল মাল হয়ে যায়।যারে নিজের দেশের মিডিয়া পুছে না তাকেই কিন্তু ভারত সেলিব্রেটি বানাইছে। এসব অন্তত একটু বলেন।আমরা কতটা অকৃতজ্ঞ জাতি হলেই কেবল এইভাবে ভারত বিদ্বেষী কথা বলতে পারি একটু ভাবুন।পান থেকে চুন খসলেই দোষ হয়ে যায় ভারতের।এইভাবে কারা দোষারুপ করে সব কিছুতে জানেন? নিজেদের কিছু করার, মূল্যায়ন করার যাদের সক্ষমতা নাই।অথচ দেখুন, ভারতই তাকে তাদের ইন্ডাস্ট্রিতে সিনেমার প্লে-ব্যাক করার সু্যোগ দিয়েছে সারেগামাপা চলাকালীন সময়ে।আর কত সুযোগ চান আপনারা? এতোটা ভারত বিদ্বেষী পুষে রাখেন যার কারণেই আপনারা এমন ভাবে চিন্তা করতে পারেন।দিলেই ভালো না দিলেই খারাপ এই কালচার থেকে আমরা যত তাড়াতাড়ি বের হয়ে আসতে পারবো ততোই ভালো।

আপনার একটু অতীত মনে করিয়ে দিয়ে বলতে চাই, আবুহেনা রনি, সজল, শাওন, কাজুদের কথা মনে আছে? যারা ভারতের মিরাক্কেল থেকে সেরা হয়ে দেশে এসেছিলো? তখনতো আপনারা বলেন নাই, বাংলাদেশী হবার কারণে, টিআরপি বাড়ানোর জন্য কিংবা বাংলাদেশী দর্শক ধরে রাখার জন্যই তাদের বিজয়ী মুকুট পড়ানো হয়েছিল!যাউজ্ঞা সেই কথা বাদ দেই।আপনারা অতীত ভুলে যান এবং কৃতজ্ঞতা বলতে যেটা থাকা দরকার এটা আমাদের কোনদিন ছিল না।তাছাড়া ৭১ আমাদের ভারত সাহায্য করার পরেও আমরা বলি তাদের লাভের জন্যই সাহায্য করেছিল এবং যে পরিমান ভারত বিদ্বেষী পুষোন করি তার বিন্দুমাত্র করিনা পাকিস্তানের এমন নির্মমতার পরেও।শুধু মাত্র এটা ধর্মের কারণেই।এই উপমহাদেশের সব থেকে বড় সাম্প্রদায়িকতা ধর্ম।এইসব আপনাদের বুঝানো যাবেনা।এবার আসি আসল কথায়।

নোবেল তৃতীয় স্থান অধিকার হবার কারণ একমাত্র তার পারফর্মেন্স।এই ব্যাপারে আমার কোন সন্দেহ নাই।ভালো গলা, ভালো গাইতে পারে মানেই তাকে প্রথম বানাতে হবে এমন না।একজন প্রতিযোগীকে সেরা বানানোর ক্ষেত্রে আগের থেকে বেশী সচেতন হয়ে যায় বিচারকেরা।যা আমরা দর্শকরা হয়তো বুঝতে পারিনা।সারেগামাপা-২০১৯ ফাইনালের আগে  নোবেল প্রিন্স মাহমুদের কথা ও সুরের তিনটি গান গেয়েছেন। ‘বাবা’, ‘মা’ এবং ‘এত কষ্ট কেন ভালোবাসায়’। তিনবারের একবারও গীতিকার বা সুরকার হিসেবে প্রিন্স মাহমুদের নাম উচ্চারণ করেননি তিনি।‘এত কষ্ট কেন ভালোবাসায়’ গানের শুরুতে গানটিকে আর্ক ব্যান্ডের গান বলেও উল্লেখ করেন। এটি ভুল তথ্য। বিষয়টি প্রিন্স মাহমুদের নজরে আসার পরে ফেসবুকে দেওয়া একটি স্ট্যাটাসে প্রিন্স মাহমুদ লিখেছেন, ‘দুঃখিত, “এত কষ্ট কেন ভালোবাসায়” আর্ক ব্যান্ডের গান না। এটা ১৯৯৮ সালে রিলিজ হওয়া আমার কথা ও সুরে মিক্সড অ্যালবাম “শেষ দেখা”–তে হাসান গেয়েছিল।’

তাছাড়া বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয় প্রিন্স মাহমুদের  সাক্ষাতকার।তিনি বলেন, ‘আমি হতাশ। একই ঘটনা বারবার হলে সেটা ভুল না, অপরাধ। আগে দুবার এমন ঘটনা ঘটেছে। আমি শুরুতে অনেক ছাড় দিয়েছি, উদারতা দেখিয়েছি। আর না।’

প্রিন্স মাহমুদ বলেন, ‘একটা মানুষের সৃষ্টিকে এভাবে অপমান করা হয়, তখন কী পরিমাণ খারাপ লাগে, এটা এদের মতো নবীন অবুঝেরা বুঝতে পারবে না। তবে বারবার এভাবে ছাড় দিলে অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া হবে।’ প্রিন্স মাহমুদ জানান, তাঁর সঙ্গে নোবেলের আলাপ হয়েছে, জি বাংলার কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও আলাপ হয়েছে।

প্রিন্স জানান, দুই মাস আগে ‘বাবা’ গানটি প্রচারের পর নোবেলের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছিল। প্রতিটি গান নিয়ে বিস্তারিত আলাপ হয়। প্রিন্স মাহমুদ বলেন, ‘যতটা জানি, জি বাংলায় এ অনুষ্ঠান ধারণের সময় নোবেল যা যা বলেছে, সেটাই প্রচার করেছে কর্তৃপক্ষ। কোনো কিছু বাদ দেওয়া হয়নি। তার মানে নোবেল ইচ্ছা করেই বারবার এমনটা করছে। আমার করা গান যেকেউ গাইতেই পারে, কোনো সমস্যা না। তবে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য সে বিষয়ে অনুমতি নিতে হবে। যথাযথ নিয়মের মধ্যে যেতে হবে।’

যদিও ফাইনালে এমন ভুল করে নাই।কিন্তু এর রেশ কিন্তু একটা থেকেই যায়।কারণ প্রিন্স মাহমুদ তখন বেশ ভালোই নড়েচড়ে বসেছিলেন এবং বিতর্কের ঝড়ও হয়েছিল।এই প্রভাবটা যে ফাইনালে পরেছে এটা আমার কাছে স্বাভাবিক ভাবেই মনে হচ্ছে।এই হলো আমার দুইটা কারণের মধ্যে একটা কারণ তার পিছিয়ে পড়ার।

দ্বিতীয় কারণটা হলো, নোবেলের গানে লিরিকে উচ্চারন ভুল।‘তুমি রাগে অনুরাগে মুক্তি সংগ্রামের সোনা ঝরা সেই রোদ্দুর’।সে রোদ্দুরের স্থানে রোদ বলে।একটা গান আপনি সুর এবং লিরিক ঠিক রেখে নিজের স্টাইলে গাইতে পারেন।কিন্তু ভুল উচ্চারণ কিংবা ভুল লিরিকে গাইলে সেটা ভুলই।সেটা যত ভালো উপস্থাপনই হোক না কেন।ভুল যেটা ভুলই।সেহেতু তার তৃতীয় স্থান হওয়াটা স্বাভাবিক বলেই আমার মনে হয়েছে।

আমি একজন শ্রোতা হিসাবে বলতেই পারি নোবেল যে স্থান অধিকার করেছে সেটা বরং সে বেশী পেয়েছে।কারণ ভুল লিরিক কিংবা ভুল উচ্চারনেও সে তৃতীয় এবং এটাও হতে পারে বাকীরা মানে তার পরের স্থান অধীকারিরাও কোন না ভুল করেছিল।যার কারণে নোবেল এগিয়ে থাকে।

এখানে আরও একটা বিষয় উল্লেখ করা ভালো যে, আমি নোবেলের কিংবা সারেগামাপা নিয়ে আগে পরে কোন আগ্রহ ছিল না।কিন্তু সারেগামাপাতে ৪ চারটা গান জেমসের এবং বাচ্চু ভাইয়ের গান করেছিল সে গানগুলা ইউটিউবে শুনেছিলাম।শুধু তাই না, আমি ফাইনাল রাউন্ডের গানও আজ সকালের আগে শুনিনাই কিংবা দেখি নাই।হঠাৎ আজ সকালে শুনতে পেলাম সে , “আমার সোনার বাংলা” গানটা সে গেয়েছে।এরপরেই আমি গানটা ইউটিউব থেকে শুনি এবং প্রথমেই আমার কাছে রোদ্দুরের জায়গায় রোদ বলে উচ্চারন করে।কয়েকবার শুনি।কিন্তু একই ভুল আমার কাছে মনে হয়েছে।এরপর লিরিক দেখলাম, দেখি লিরিকেও রোদ্দুর।

আমি যেহেতু একজন ফিলিংস থেকে নগর বাউল এক কথায় জেমস ভক্ত এবং তার গাওয়া প্রতিটা গান আমার খুব ভালো করে শুনা সেহেতু ভুলটা সহজেই ধরা পরে।

এখন আসি বাকী কথায়, যারা বলতাছেন আপনারা আগেই জানতেন সে প্রথম হতে পারবেনা এবং রেজাল্ট আগেই পাবলিশ হয়েছে এই ব্যাপারে আমার কোন সন্দেহ নাই।কারণ এই গান গুলা লাইভ হয় না।আগেই রেকর্ডিং করা হয়ে থাকে।সেহেতু রেজাল্ট আগেই প্রকাশ পাওয়াটা অস্বাভাবিক না।অন্যদিকে যে বা যারা প্রথম এবং যৌথভাবে দ্বিতীয় হয়েছে তারা কেউ নোবেলের থেকে কোন অংশে কম মনে হয় নাই ফাইনালে।সেহেতু আগের প্রোগ্রাম দিয়ে না, শেষ ভালো যার সব ভালো তার।সেহেতু বিজয়ের মুকুট শেষ ভালোর মাথায় উঠবে এটাই স্বাভাবিক।

শেষ কথা বলবো, নোবেলের জন্য শুভ কামনা।তার একটা প্লাটফর্ম হয়েছে।সে পরিচিত লাভ করেছে।এখন নিজের মৌলিক গান করে সেই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাক।কভার করা গান দিয়ে বিখ্যাত হওয়া যায় না হয়তো একটা প্লাটফর্মে নিজেকে উপস্থাপন করা যায়।কারণ এমন অনেকেই হারিয়ে গেছে অতীতে নিজের মৌলিক গান না করতে পারার জন্য।নিজের টিকে থাকতে হলে অবশ্যই মৌলিক গান দিয়ে নিজেকে টিকিয়ে রাখতে হবে।আশা করি নোবেল সেটা পারবে এবং তাকে পারতেই হবে।

অনেক অনেক ভালোবাসা এবং নোবেলের জন্য শুভ কামনা।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “সারেগামাপা-নোবেল-ভারতবিদ্বেষী

  1. লেখকের সাথে সহমত পোষণ করছি। নোবেল ভাল গায় কিন্তু সব এক ধাঁচের গান তার! সপ্তপদি গান গাইতে যে পারে সে হয় প্রথম!

  2. Finally একজন সুস্থ মস্তিষ্কের বাংলাদেশী পাইলাম . আমি একজন বাংলদেশী এবং নোবল এর বিগ টাইম ফ্যান. লাস্ট ১০ month সা রে গা মা পা দেখছি অনলি নোবল এর জন্য. ফাইনালে নোবল এর পারফরমেন্স আমার ভালো লাগে নাই. উপরোন্ত গান সিলেকশন ঠিক ছিল না
    এটা কোনো গানোর শো না এটা একটা কম্পেটিশন
    আমি মনে করি সুমন কে ঠকানো হয়েছে. নোবল এর জায়গায় সুমনকে 3rd করা উচিত ছিল নোবল কে ফ্যাভোর করে 3rd করা হয়েছে
    সারা বছরের performance দিয়ে তো আর ফাইনাল এর রেজাল্ট বিচার করা যাবে না
    ফাইনাল এর রেজাল্ট হবে ফাইনাল এর পারফরমেন্স দিয়ে ….its very simple

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

40 − = 37