ইসলামিক বিজ্ঞান চর্চা – ০২

বছর ঘুরে আবার ঈদ-উল-আযহা, বয়স্ক লোকজন ছাড়াও দেখা যাবে শিশু কিশোরদের হাতে রক্ত ভেজা দা, ছুরি, চাপাতির মহড়া। কোথাও কোথাও মাদ্রাসার কিশোর শিক্ষার্থীও ছুরি চালাবে পশুর গলায়। পাড়া-মহল্লা-অলিতে-গলিতে-গ্রামে-গঞ্জে-পথে-প্রান্তরে অসংখ্য পশুর রক্তে ভেসে যাবে মাটি। এভাবে একযোগে সাত সকালে কয়েক লাখ পশু হত্যা করা, কী করে ঈদ বা আনন্দ বয়ে আনতে পারে, তা বোধগম্য নয়।

আমরা বরং বিজ্ঞান চর্চা করি।

নভেম্বর, ২০০৯ । সে বার ঈদ-উল-আযহার হজ্ব মৌসুমে মুসলিম বিশ্ব থেকে ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষ ছুটে এসেছে পবিত্র শহর খ্যাত মক্কায়। কিন্তু ২৫ নভেম্বর বুধবারে টানা চার ঘণ্টার প্রবল ঝড়-বৃষ্টি ও অপেক্ষাকৃত উঁচু এলাকা থেকে নেমে আসা পানির ঢলে তলিয়ে যায় জেদ্দা, মক্কার খুব কাছের শহরগুলি, এমনকি মিনার নিকটবর্তী এলাকাসমূহ। স্থানীয় এবং হজ্ব করতে আসা অতিথিসহ মারা গেলেন ১২২ জন, নিখোঁজ হলেন ৩৫০ জনের বেশি। ভেসে গেল রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, ব্যবসাকেন্দ্র। বন্ধ করে দেয়া হল মহাসড়কে যানচলাচল। ২০০৯ এর এই হজ্ব মৌসুমের বেঁচে থাকা অতিথিদের ভোগান্তি কতটা দুর্বিষহ ছিল, তা এই পরিসংখ্যান থেকেই সহজেই অনুমান করা যায়।

বৃষ্টির পর আকস্মিক বন্যা ধেয়ে আসাটা মক্কা এবং মক্কার আশেপাশের শহরের মানুষের জন্যে একটা সময় ছিল নিয়তি। যেমন: ১৯৪১ সালে দিনে-রাতে টানা প্রায় ৭দিনের বৃষ্টিপাত থেকে সংঘটিত বন্যায় মক্কার কাবা ঘরের আশেপাশে ৬ ফিট উচ্চতা পর্যন্ত প্লাবিত হয়ে যায়।

১৯৪১ সালের সেই বন্যার পানিতে প্লাবিত হওয়া কাবাকে তাওয়াফ করতে আসা এক কিশোর প্রায় ডুবে মরতে যাচ্ছিল! বাহরাইনী সেই কিশোর ছেলেটির নাম ছিল ‘আল আওয়াদি’ যিনি অবশ্য মারা গেছেন ২০১৫ সালে। ৭৪ বয়সে মারা যাবার আগে ২০১৩ সালে কুয়েতের একটি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাতকারে আল আওয়াদি বলেন,

” মক্কায় ছাত্র হিসেবে আমি তখন ছিলাম এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে। প্রায় এক সপ্তাহ দিন-রাত টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যায় প্লাবিত হয়ে যায় সম্পূর্ণ পবিত্র নগরী। আমি বন্যার পানির তোড়ে ভেসে যেতে দেখেছি সাধারণ মানুষ, অন্যান্য প্রাণী, ঘরবাড়ি ও দোকানপাট।”

পুরো আর্টিক্যালটি প্রকাশিত হয়েছিল ২০১৫ সালে সৌদি গেজেটে।

সে যাই হোক, মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার খরচের আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের ফসল হিসেবে আকস্মিক বৃষ্টিপাত থেকে সৃষ্ট বন্যা থেকে মুক্তি মিলেছে আজ। কিন্তু পূর্ববর্তী বছরগুলোতে সংঘটিত বন্যার কারণে যে ক্ষয়ক্ষতি হল কাবা চত্ত্বর এবং মুসলিম বিশ্বের কাছে পবিত্র নগরী খ্যাত মক্কার, তার দায় নেবে কে? কাবা’কে একটানা বৃষ্টিতে প্লাবিত করার এবং ছুটে আসা কাদা পানির স্রোতে অপবিত্র করার এমন হীন কাজটি করার দায় বর্তাবে কার ওপর?

ইসলামের গল্প অনুযায়ী, সমস্ত দায় বর্তায় ফেরেশতা মীকাঈল এর ওপর। কারণ, ইসলামিক বিশ্বাস অনুযায়ী সারা বছর জুড়ে মেঘ-বৃষ্টি-ঝড়-টর ইত্যাদি বন্টনের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকে ফেরেশতা মীকাঈল।

দু:খের বিষয় হচ্ছে, যে কাবাকে তাওয়াফ (চক্রাকারে ঘুরা) করার জন্যে মুসলিম বিশ্ব থেকে লাখ লাখ মানুষ ছোটে প্রতিবছর, যে কাবাকে বলা হয় আল্লাহর ঘর, সেই কাবা’ই কিনা প্লাবিত হয় একটানা বৃষ্টি থেকে সৃষ্ট বন্যায়! মীকাঈল ফেরেশতা না হয় ভুল করেই অকাজগুলি করতেন, তাই বলে আল্লাহপাক সঙ্গে সঙ্গে প্রতিহত কেন করবেন না?

প্রকৃত সত্যি হচ্ছে, মেঘ-বৃষ্টি বন্টন-টন্টন এই জাতীয় কোন গল্পই বিজ্ঞানের জগতে গ্রহণযোগ্য নয়।

আসুন, মস্তিষ্ককে আরো একটুখানি যৌক্তিক চিন্তা দ্বারা বিকশিত করি : একজন ভগবান, একজন ঈশ্বর বা একজন আল্লাহর পক্ষে সবকিছু দেখভাল করা কেন সম্ভব নয়? আল্লাহ যদি সর্বশক্তিমানই হবেন, তবে তার কাজকর্মে সহযোগিতার জন্যে কেন মীকাঈল ফেরেশতার আমদানি? একজন ঈশ্বর, ভগবান বা আল্লাহর যখন কাজকর্ম বন্টনের জন্যে অন্যান্য সহযোগী লাগে, তখন তিনি আর কিছুতেই সর্বশক্তিমান নন, তিনি বরং সীমাবদ্ধ। আর সীমাবদ্ধ কোন সত্তাকে কিছুতেই ঈশ্বর বা আল্লাহ বলা যায় না।

মনে রাখতে হবে, জীবনের শুরুতে নবী মুহম্মদ(দ) ছিলেন মক্কার সম্ভ্রান্ত ব্যবসায়ী হযরত খাদিজার(রা) একজন বিশ্বস্ত কর্মচারী। বাবা ও প্রথম স্বামী মারা যাবার পর উনাদের রেখে যাওয়া ব্যবসার হাল ধরেন খাদিজা এবং তার ব্যবসা ছিল আমদানি-রপ্তানির। এরই সূত্র ধরে বিভিন্ন অঞ্চলের ইতিহাস, বিভিন্ন ধর্ম, সাহিত্যের নানা বিষয়ের সাথে পরিচয় ঘটার সুযোগ হয়েছিল যুবক মুহম্মদের।

রোমান দেবতা জুপিটার যদি ঝড়-বৃষ্টির জন্যে নিয়োজিত দেবতা হয়ে থাকেন, গ্রীক দেবতা জিউস যদি ঝড়-বৃষ্টি বন্টনের কাজে নিয়োজিত হয়ে থাকেন, তবে সর্বশক্তিমান আল্লাহপাকের কেন একজন সহযোগী থাকবে না? ফলে, খ্রিস্ট ধর্মের গল্প তৈরি করার সময় ঈশ্বর বা আল্লাহর কিছু কাজকে ভাগ করে দেয়ার প্রবণতা লক্ষ্যণীয়, আর সেই খ্রিস্ট ধর্ম থেকেই নবী মুহম্মদ(দ) আমদানী করেছেন দায়িত্বভাগ করে দেয়ার জন্যে নিয়োজিত ফেরেশতার ধারণা। যেমন: জীবরাঈল, মীকাঈল, ইসরাফিল, আযরাঈল ইত্যাদি।

একজন ঈশ্বর যখন তার কাজ সামলানোর কিছু দায়িত্ব অন্য আরেকটি সত্তার ওপর অর্পণ করে থাকেন, তখন সেই সীমাবদ্ধ সত্তাকে কী করে আপনি আর ঈশ্বর বিবেচনা করেন?

সুতরাং, এইসব মীকাঈল তত্ত্ব দিয়ে পৃথিবীর অাবহাওয়া যে নিয়ন্ত্রিত নয়, তা আধুনিক যুগে যেমন বোধগম্য, তেমনি ১৪০০ বছর আগেও কিছু বুদ্ধিমান মানুষ ঠিকই অনুভব করতো। কৌতূহলী মানুষের সন্দেহের বিপরীতে ভয়ভীতিযুক্ত কথিত ঐশী বাণী বলতেন নবী। কী বলতেন? বলতেন, উনার এইসব গল্প যারা বিশ্বাস করবে না, তারা আল্লাহপাকের শত্রু!

আরে ভাই! ক্ষুদ্র মানুষ কী করে একজন ঈশ্বরের শত্রু হতে পারে? কিংবা ঈশ্বর কী করে সামান্য মানুষকে তার শত্রু হিসেবে মনে করে? সবচেয়ে বড় কথা, ঈশ্বরের আবার শত্রুও হয়!

সুতরাং এই ধরণের বক্তব্যগুলি নবীর একান্তই নিজের। নিজেকে নবী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে যা যা করা প্রয়োজন, সবই করেছেন তিনি, সবই বলেছেন তিনি।

[সূরা বাকারা]

আধুনিক বিজ্ঞানে, এই সব মীকাঈল, জুপিটার, জিউস বা কোন দেব-দেবীর গল্পের সামান্যতম প্রশ্রয় নেই। বৃষ্টিপাত হতে হলে পানিকে বাষ্পীভূত হতে হবে, মেঘ ঘনীভূত হবে, ভর বাড়বে, গ্রাভিটি বা অভিকর্ষজ বলের টানে বৃষ্টি হবে, সোজা কথায় পানিচক্র। কোন অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থান যদি এমন হয় যে, মেঘ ঘনীভূত হওয়ার আগেই সেই অঞ্চলের আকাশের ওপর দিয়ে মেঘ উড়ে চলে যায় দূরে, তবে সেখানে বৃষ্টিপাত হবে না। আবার সমুদ্র থেকে ওঠে আসা মেঘ সুউচ্চ পর্বতের কারণে বাধাপ্রাপ্ত হলে পর্বতের কাছাকাছি অঞ্চল সমূহে বৃষ্টিপাত প্রচুর ঘটবে। এছাড়া পৃথিবীর বার্ষিকগতি, আহ্নিকগতি, বায়ুমন্ডলে বায়ুর গতিপথ, সমুদ্রের অবস্থান, উঁচু পর্বতের অবস্থান, এমন অনেক ফ্যাক্টর জড়িয়ে আছে বৃষ্টিপাতের সাথে।

উদাহরণ স্বরূপ, মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে উঠে আসা মেঘ আমাদের দেশে বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। বাংলা ক্যালেন্ডারকে সৌর ক্যালেন্ডারের সাথে সামঞ্জস্য রাখার কারণে প্রতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে আমরা বৃষ্টিপাত বেশি হতে দেখি। তাই আমাদের মীকাঈল ফেরেশতার গল্পের একদম প্রয়োজন পড়ে না। বছরের বেশি-বৃষ্টিপাতের সময়ের ব্যাপারে নিশ্চিত থাকি বলে আমরা আউশের ধান রোপনের হিসেব ঠিকভাবে রাখতে পারি, কারণ আউশ ধানের জন্যে বৃষ্টিপাত লাগে। আরবের দিন-তারিখের সাথে ঋতু বৈচিত্র্যের কোন তাল বা মিল নেই, কারণ আরবের মানুষ চন্দ্র ক্যালেন্ডারকে অনুসরণ করে এবং তাদের বছর হয় প্রায় ২৫৪ দিনে। সৌর ক্যালেন্ডার অপেক্ষা (পৃথিবীর ৩৬৫ দিনের বার্ষিকগতি) ১১ দিন পিছিয়ে থাকার দরুণ ওদের ঋতু পরিবর্তন বছর ঘুরে একই মাসে একই রকম থাকে না। যেমন: জেদ্দা ও মক্কায় প্রতি বছরের নভেম্বর মাসে সাধারণত বৃষ্টিপাত ঘটে। কিন্তু প্রত্যেক আরবী বছরের মাসের পরিবর্তনের সাথে সাথে এই ঋতু পরিবর্তন একরকম থাকে না ।  তাই আরবেরা মনে, করে মীকাঈল ফেরেশতা বুঝি বৈচিত্র্য আনার জন্যে বছরের ভিন্ন ভিন্ন সময়ে মেঘ-বৃষ্টির বন্টন করে থাকে! বাস্তবতা হচ্ছে, চন্দ্র ক্যালেন্ডার ধরে বছর গণনা করা একটি ভুল পদ্ধতি।

বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রাকে এড়িয়ে ১৪০০ বছর পেছনে আর কত পড়ে থাকা যায়! ইন্টারনেট এসেছে, হাতে স্মার্টফোন এসেছে, ফেইসবুক এসেছে আরো কত কি! আধুনিক মানুষের কাছে ধর্মের আবেদন তাই দিন দিন কমছে। এই যেমন, যে মীকাঈল ফেরেশতার যা কিছু গল্প করলাম, ইদানীং সেই মীকাঈল ফেরেশতার ওপর মুসলিম বিশ্ব খুব বেশি ভরসা কিন্তু রাখতে পারছে না!

গত বছরে ইরানের জেনারেল খুব চটেছিলেন ইজরাঈল রাষ্ট্রের উপরে। অভিযোগ ছিল খুবই গুরুতর! ’সচরাচর মীকাঈল সাহেব যে মেঘরাশি ইরানের আকাশে পাঠিয়ে থাকেন, সেখান থেকে মেঘ চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে ইজরাঈল রাষ্ট্র! আর সেজন্যই, ইরানের জলবায়ুতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন ঘটছে, নিয়মিত বৃষ্টিপাতে বিঘ্ন ঘটছে এবং খরায় পতিত হচ্ছে ইরান।’

মীকাঈল সাহেবের সংরক্ষিত মেঘ যদি ক্ষুদ্র ইজরাঈল রাষ্ট্রের রক্তমাংসের জনগন চুরি করে রেখে দেয়, তবে আল্লাহপাকের উচিত মীকাঈল সাহেবকে দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেয়া, ঠিক কি-না?

আপনি যখন জানবেন, কৃত্রিম বৃষ্টিপাত কীভাবে হয়, তখন ইরানের জেনারেলের ঐ অভিযোগকে কিন্তু একেবারে উড়িয়ে দিতে পারবেন না!

সিলভার আয়োডাইড, পটাশিয়াম আয়োডাইড এবং ড্রাই আইস ( কঠিন কার্বন ডাই অক্সাইড) এই ক্যামিক্যালগুলি পরিচিত নাম। এই ক্যামিক্যাল গুলি ব্যবহার করে কৃত্রিম বৃষ্টিপাত ঘটানো সম্ভব। এই ক্যামিক্যালগুলির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এরা জলীয়বাষ্পকে দ্রুত ঘনীভূত করতে পারে। আকাশে এই ধরণের ক্যামিক্যাল কোনভাবে ছড়িয়ে দিলে মেঘ উড়ে যাবার আগেই ঘনীভূত হওয়ার কারণে বৃষ্টিপাতের সূচনা ঘটে। পুরো ব্যাপারটিকে বলা হয় “ক্লাউড সিডিং”। খরা প্রবণ এলাকায় কৃত্রিম বৃষ্টিপাত ঘটিয়ে ফসল উৎপাদন করার চমৎকার এক বিজ্ঞান সম্মত পদ্ধতি।

এখন বিজ্ঞানের এমন  চমৎকার তথ্যগুলিগুলিকে পাশ কাটিয়ে যদি মজে থাকেন মীকাঈল সাহেবের মেঘ বন্টনের রূপকথায়, সে একান্তই আপনার অন্ধ বিশ্বাসমাত্র। আপনার অন্ধবিশ্বাসে বিজ্ঞানের খুব বেশি ক্ষতি নেই, ক্ষতি বলতে এতটুকুই যে, আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পিছিয়ে পড়ল আধুনিক বিশ্ব থেকে। বিশ্বাস আপনার যাই হোক, আপনাকে ধর্মের বেড়াজালে মুড়িয়ে রেখে মধ্যপ্রাচ্য ঠিকই তাল মেলাতে শুরু করেছে আধুনিক বিশ্বের সাথে।

সৌদির বর্তমান প্রিন্স, মোহাম্মদ বিন সালমানকে নিশ্চয়ই খুব ভাল করে চিনে থাকবেন। ভয়ানক রকমের মানুষ, বিশেষ করে খাসোগী হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার পর লোকটাকে আর কখনো ভদ্রলোক হিসেবে মনে হয় নি। বরং মনে হয়েছে ঠাণ্ডা মাথার ভয়ংকর ক্ষমতাধর এক গডফাদার!

তবে প্রিন্স সালমান প্রযুক্তির ব্যাপারে ভীষণ উৎসাহী। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার নিয়ে মাঠে নেমেছেন সালমান। তাবুকের আশেপাশের অঞ্চলে তিনি নিয়মিত ”ক্লাউড সিডিং” চান, তথা নিয়মিত বৃষ্টিপাত চান⁠— যাতে এসব অঞ্চল সবুজ হয়ে উঠে আধুনিক নগরায়নের প্রয়োজনে। কাজেই ফেরেশতা মীকাঈলদের এর মেঘ বন্টন তত্ত্বের গল্পগুলিকে বইয়ের তাকে তুলে রাখার অপেক্ষায় এখন সৌদি আরব।

১৪০০ বছর আগের সমস্ত অন্ধ বিশ্বাস, সমস্ত কুসংস্কার, সমস্ত পশ্চাতপদতাকে পেছনে ফেলে বিজ্ঞানের এই জয়যাত্রায় আপনি কেন পিছিয়ে থাকবেন, বলুন? আপনাকে, আপনার আলোকিত ভবিষ্যত প্রজন্মকে বরং স্বাগত জানাই আনন্দ উৎসবের বাসযোগ্য পৃথিবীর বিজ্ঞানের চরম উৎকর্ষ সাধনে।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of