১৮৩: নবী মুহাম্মদের সন্ত্রাস: অনুসারীদের অনীহা!

“যে মুহাম্মদ (সাঃ) কে জানে সে ইসলাম জানে, যে তাঁকে জানে না সে ইসলাম জানে না।”

‘কুরআন’ ও ইসলামের ইতিহাসের সবচেয়ে আদি উৎসের মুসলিম ঐতিহাসিকদেরই লিখিত ‘সিরাত ও হাদিস’ গ্রন্থের পর্যালোচনায় আমরা জানতে পারি, অনুসারীদের প্রতি মুহাম্মদের সর্বশেষ চূড়ান্ত নির্দেশ এই যে: “যতক্ষণ পর্যন্ত না সমস্ত পৃথিবীতে ‘ইসলাম’ ও তাঁর সমস্ত হুকুম-আহকাম প্রতিষ্ঠিত হয় (কুরআন: ২:১৯৩, ৮:৩৯, ৪৮:১৬) এবং অবিশ্বাসীরা মুসলমানিত্ব বরণ কিংবা অবনত মস্তকে করজোড়ে জিযিয়া প্রদান করতে রাজী হয় (কুরআন: ৯:৫ ও ৯:২৯), ততক্ষণ পর্যন্ত অবিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে!” মুহাম্মদের এই নির্দেশ আত্ম-রক্ষার নিমিত্তে লড়াইয়ের কোন নির্দেশ নয়। এই নির্দেশ, তাঁর মতবাদ প্রচার ও প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে পৃথিবীর সকল অমুসলিমদের বিরুদ্ধে “আগ্রাসনের নির্দেশ!”

সামান্য কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া আল্লাহর নামে জারীকৃত মুহাম্মদের এই নির্দেশ পৃথিবীর প্রতিটি ‘মুমিন মুসলমানদের’ জন্য অবশ্য পালনীয় (কুরআনের নির্দেশ: ‘ফরজ’) বিধান। আর তা বলবত থাকবে কিয়ামত পর্যন্ত! মুহাম্মদের আবিষ্কৃত ‘জিহাদের’ এই বাধ্যতা থেকে কেবলমাত্র মুহাম্মদের সেই অনুসারীরাই রেহায় পাবেন, যারা, মুহাম্মদের ভাষায়: [1] [2]

৯:৯১ (সূরা আত তাওবাহ) – “দূর্বল, রুগ্ন, ব্যয়ভার বহনে অসমর্থ লোকদের জন্য কোন অপরাধ নেই, যখন তারা মনের দিক থেকে পবিত্র হবে আল্লাহ ও রসূলের সাথে। নেককারদের উপর অভিযোগের কোন পথ নেই। আর আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাকারী দয়ালু।”

৯:৯২ – “আর না আছে তাদের উপর যারা এসেছে তোমার নিকট যেন তুমি তাদের বাহন দান কর এবং তুমি বলেছ, আমার কাছে এমন কোন বস্তু নেই যে, তার উপর তোমাদের সওয়ার করাব তখন তারা ফিরে গেছে অথচ তখন তাদের চোখ দিয়ে অশ্রু বইতেছিল এ দুঃখে যে, তারা এমন কোন বস্তু পাচ্ছে না যা ব্যয় করবে।”

>> অর্থাৎ, দূর্বল, রুগ্ন ও একান্ত দরিদ্র-অসহায় কোন অনুসারী যদি তাঁদের দুরবস্থার কারণে ‘ইসলাম প্রচার ও প্রতিষ্ঠার’ এই সশস্ত্র সংগ্রামে সশরীরে অংশগ্রহণ করতে না পারেন, তবে তাঁরা মুহাম্মদের আরোপিত এই বাধ্যতা থেকে পরিত্রাণ পাবেন এই শর্তে যে:

“তাঁদের-কে সর্বান্তকরণে মুহাম্মদের প্রতিটি আদেশ ও নির্দেশের সাথে একাত্মতা পোষণ করতে হবে।”

মদিনায় স্বেচ্ছা-নির্বাসনের পর কীভাবে মুহাম্মদ তাঁর বিরুদ্ধবাদীদের বিরুদ্ধে তাঁর অনুসারীদের সহিংসতার আদেশ জারী করেছিলেন ও তা তিনি কী পন্থায় কার্যকর করতেন, তার আলোচনা গত দু’টি পর্বে করা হয়েছে। কুরআন ও আদি উৎসের বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিকদের বর্ণনায় আমরা আর যে সত্যের সন্ধান পাই তা হলো, পার্থিব গণিমত ও অনন্ত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের লীলাভূমি অপার্থিব জান্নাতের প্রলোভন (পর্ব: ১৮০), প্রত্যক্ষ মৃত্যু-হুমকি (কুরআন: ৯:৫২, ৪:৮৯) ও জাহান্নামের পরোক্ষ হুমকি-শাসানী-ভীতি প্রদর্শন (পর্ব:২৭) উপেক্ষা করে মুহাম্মদের বহু অনুসারীই তাঁর এসকল অমানবিক ও অনৈতিক আগ্রাসী সন্ত্রাসী হামলায় অংশগ্রহণে ছিলেন অনিচ্ছুক। সামান্য কিছু উদাহরণ, মুহাম্মদের ভাষায়:

“তোমাদের” উপর যুদ্ধ ফরয করা হয়েছে যদিও তা তোমাদের অপছন্দ:

২:২১৬ (মদিনায় রচিত প্রথম সূরা: সূরা আল বাক্বারাহ):
“তোমাদের উপর যুদ্ধ ফরয করা হয়েছে, অথচ তা তোমাদের কাছে অপছন্দনীয়। পক্ষান্তরে তোমাদের কাছে হয়তো কোন একটা বিষয় পছন্দসই নয়, অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আর হয়তোবা কোন একটি বিষয় তোমাদের কাছে পছন্দনীয় অথচ তোমাদের জন্যে অকল্যাণকর। বস্তুত: আল্লাহ্ই জানেন, তোমরা জান না।”

>> অর্থাৎ মুহাম্মদ ঘোষণা করছেন, “তাঁর অনুসারীদের” কাছে যুদ্ধ অপছন্দ হলেও তা তাঁদের জন্য অবশ্য কর্তব্য! কারণ “তিনিই” ভাল জানেন, কোন কাজটি তাঁর অনুসারীদের জন্য মঙ্গলময়!

মুহাম্মদের বহু অনুসারী বিভিন্ন অজুহাতে চাইতেন “জিহাদ” থেকে অব্যাহতি:

৮:৫-৭ (মদিনায় রচিত দ্বিতীয় সুরা: সুরা আল-আনফাল): [3]
“যেমন করে তোমাকে তোমার পরওয়ারদেগার ঘর থেকে বের করেছেন ন্যায় ও সৎকাজের জন্য, অথচ ঈমানদারদের একটি দল (তাতে) সম্মত ছিল না। তারা তোমার সাথে বিবাদ করছিল সত্য ও ন্যায় বিষয়ে, তা প্রকাশিত হবার পর; তারা যেন মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে দেখতে দেখতে।”

>> এখনকার মতই মুহাম্মদের সময়েও তাঁর বহু অনুসারী মুহাম্মদের অনৈতিক ও আগ্রাসী “জিহাদি” আদেশ বিভিন্ন অজুহাতে অমান্য করার চেষ্টা করতেন। বিশেষ করে তা যদি হয় পার্থিব লাভ ক্ষতির হিসাবে ঝুঁকি-পূর্ণ!

৪: ৬৬ (মদিনায় রচিত সুরা ষষ্ঠ: সূরা আন নিসা):
“আর যদি আমি তাদের নির্দেশ দিতাম যে, নিজেদের প্রাণ ধ্বংস করে দাও কিংবা নিজেদের নগরী ছেড়ে বেরিয়ে যাও, তবে তারা তা করত না; অবশ্য তাদের মধ্যে অল্প কয়েকজন। যদি তারা তাই করে যা তাদের উপদেশ দেয়া হয়, তবে তা অবশ্যই তাদের জন্য উত্তম এং তাদেরকে নিজের ধর্মের উপর সুদৃঢ় রাখার জন্য তা উত্তম হবে।”

৪:৭১-৭২ – “হে ঈমানদারগণ! নিজেদের অস্ত্র তুলে নাও এবং পৃথক পৃথক সৈন্যদলে কিংবা সমবেতভাবে বেরিয়ে পড়। আর তোমাদের মধ্যে এমনও কেউ কেউ রয়েছে, যারা অবশ্য বিলম্ব করবে এবং তোমাদের উপর কোন বিপদ উপস্খিত হলে বলবে, আল্লাহ্ আমার প্রতি অনুগ্রহ করেছেন যে, আমি তাদের সাথে যাইনি।”

৪৮:১১ (মদিনায় রচিত পঁচিশতম সুরা: সূরা আল ফাতহ):
“মরুবাসীদের মধ্যে যারা গৃহে বসে রয়েছে, তারা আপনাকে বলবেঃ আমরা আমাদের ধন-সম্পদ ও পরিবার-পরিজনের কাজে ব্যস্ত ছিলাম। অতএব, আমাদের পাপ মার্জনা করান। তারা মুখে এমন কথা বলবে, যা তাদের অন্তরে নেই।”

৯:৩৮ (মদিনায় সাতাশতম সূরা [সর্বশেষ নির্দেশ-যুক্ত সুরা] – সুরা- আত তাওবাহ): [4]
“হে ঈমানদারগণ, তোমাদের কি হল, যখন আল্লাহর পথে বের হবার জন্যে তোমাদের বলা হয়, তখন মাটি জড়িয়ে ধর, তোমরা কি আখেরাতের পরিবর্তে দুনিয়ার জীবনে পরিতুষ্ট হয়ে গেলে? অথচ আখেরাতের তুলনায় দুনিয়ার জীবনের উপকরণ অতি অল্প।”

৯:৪৪-৪৫ – “আল্লাহ ও রোজ কেয়ামতের প্রতি যাদের ঈমান রয়েছে তারা মাল ও জান দ্বারা জেহাদ করা থেকে আপনার কাছে অব্যাহতি কামনা করবে না, আর আল্লাহ সাবধানীদের ভাল জানেন। নিঃসন্দেহে তারাই আপনার কাছে অব্যাহতি চায়, যারা আল্লাহ ও রোজ কেয়ামতে ঈমান রাখে না এবং তাদের অন্তর সন্দেহগ্রস্ত হয়ে পড়েছে, সুতরাং সন্দেহের আবর্তে তারা ঘুরপাক খেয়ে চলেছে।”

৯:৪৯ – “আর তাদের কেউ বলে, আমাকে অব্যাহতি দিন এবং পথভ্রষ্ট করবেন না। শোনে রাখ, তারা তো পূর্ব থেকেই পথভ্রষ্ট এবং নিঃসন্দেহে জাহান্নাম এই কাফেরদের পরিবেষ্টন করে রয়েছে।”

“এবং” যথারীতি জিহাদে অনিচ্ছুক অনুসারীদের প্রতি হুমকি ও ভীতি প্রদর্শন:

৪৭:২০ (মদিনায় রচিত নবম সুরা: সূরা মুহাম্মদ):
“যারা মুমিন, তারা বলেঃ একটি সূরা নাযিল হয় না কেন? অতঃপর যখন কোন দ্ব্যর্থহীন সূরা নাযিল হয় এবং তাতে জেহাদের উল্লেখ করা হয়, তখন যাদের অন্তরে রোগ আছে, আপনি তাদেরকে মৃত্যুভয়ে মূর্ছাপ্রাপ্ত মানুষের মত আপনার দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখবেন। সুতরাং ধ্বংস তাদের জন্যে।”

৪৭:৩১ – “আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করব যে পর্যন্ত না ফুটিয়ে তুলি তোমাদের জেহাদকারীদেরকে এবং সবরকারীদেরকে এবং যতক্ষণ না আমি তোমাদের অবস্থান সমূহ যাচাই করি।”

৯:৩৯ – (মদিনায় রচিত সর্বশেষ নির্দেশ-যুক্ত সুরা: সুরা আত তাওবাহ):
“যদি (জেহাদ) বের না হও, তবে আল্লাহ তোমাদের মর্মন্তুদ আযাব দেবেন এবং অপর জাতিকে তোমাদের স্থলাভিষিক্ত করবেন। তোমরা তাঁর কোন ক্ষতি করতে পারবে না, আর আল্লাহ সর্ববিষয়ে শক্তিমান।”

শুধু কী তাই?
‘কুরআনেরই’ বর্ণনায় আমরা আর যে সত্যের সন্ধান পাই তা হলো, মুহাম্মদের হুমকি-শাসানী ও ভীতি প্রদর্শন উপেক্ষা করে তাঁর বহু অনুসারী মুহাম্মদের করাল গ্রাস থেকে “অবিশ্বাসীদের” বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন। আর সে কারণে মুহাম্মদ তাঁর এ সকল অনুসারীদের যথারীতি “মুনাফিক” নামে আখ্যায়িত করেছিলেন। অবিশ্বাসীদের-কে সাহায্যকারী এই সব অনুসারীদের উদ্দেশে “মুহাম্মদের” বিষোদগারের সাক্ষ্য ধারণ করে আছে তাঁরই জবানবন্দি ‘কুরআন’:

৫৯:১১ (মদিনায় রচিত পঞ্চদশ সুরা: সূরা আল হাশর): [3] [5]
“আপনি কি মুনাফিকদেরকে দেখেন নি? তারা তাদের কিতাবধারী কাফের ভাইদেরকে বলেঃ তোমরা যদি বহিস্কৃত হও, তবে আমরা অবশ্যই তোমাদের সাথে দেশ থেকে বের হয়ে যাব এবং তোমাদের ব্যাপারে আমরা কখনও কারও কথা মানব না। আর যদি তোমরা আক্রান্ত হও, তবে আমরা অবশ্যই তোমাদেরকে সাহায্য করব। আল্লাহ তা’আলা সাক্ষ্য দেন যে, ওরা নিশ্চয়ই মিথ্যাবাদী।”

৫৯:১২ – “যদি তারা বহিস্কৃত হয়, তবে মুনাফিকরা তাদের সাথে দেশত্যাগ করবে না আর যদি তারা আক্রান্ত হয়, তবে তারা তাদেরকে সাহায্য করবে না। যদি তাদেরকে সাহায্য করে, তবে অবশ্যই পৃষ্ঠপ্রদর্শন করে পলায়ন করবে। এরপর কাফেররা কোন সাহায্য পাবে না।”

৫৯:১৩ – “নিশ্চয় তোমরা তাদের অন্তরে আল্লাহ তা’আলা অপেক্ষা অধিকতর ভয়াবহ। এটা এ কারণে যে, তারা এক নির্বোধ সম্প্রদায়।

>> কাফের ও মুনাফেকদের অন্তরে “মুহাম্মদ” যে কী পরিমাণ ত্রাসের সৃষ্টি করতে পেরেছিলেন, তার সাক্ষ্য ধারণ করে আছে মুহাম্মদের এই বানীটি:

“নিশ্চয় তোমরা তাদের অন্তরে ‘আল্লাহ তা’আলা অপেক্ষা অধিকতর ভয়াবহ’!”

৫৮:১৪-১৫ (মদিনায় রচিত উনবিংশ সুরা: সূরা আল মুজাদালাহ):
“আপনি কি তাদের প্রতি লক্ষ্য করেননি, যারা আল্লাহর গযবে নিপতিত সম্প্রদায়ের সাথে বন্ধুত্ব করে? তারা মুসলমানদের দলভুক্ত নয় এবং তাদেরও দলভূক্ত নয়। তারা জেনেশুনে মিথ্যা বিষয়ে শপথ করে। আল্লাহ তাদের জন্যে কঠোর শাস্তি প্রস্তুত রেখেছেন। নিশ্চয় তারা যা করে, খুবই মন্দ।”

সংক্ষেপে:
মুহাম্মদের বহু অনুসারীই তাঁদের ওপর আরোপিত মৃত্যু হুমকি সহ শত প্রতিকূলতার মধ্যেও “জিহাদের নামে” অবিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে মুহাম্মদের অমানুষিক নৃশংস আগ্রাসী আদেশ ও নির্দেশগুলো বিভিন্ন অজুহাতে এড়িয়ে চলতেন। শুধু তাইই নয়, তাঁরা মুহাম্মদের করাল গ্রাস থেকে অবিশ্বাসীদের বাঁচানোর চেষ্টা করতেন। মুহাম্মদেরই স্বরচিত জবান-বন্দি ‘কুরআন’ ও আদি উৎসের বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিকদের রচিত সিরাত ও হাদিস’ গ্রন্থের বর্ণনায় তা অত্যন্ত সুস্পষ্ট। শত প্রলোভন ও মৃত্যু-হুমকি উপেক্ষা করে ধর্মের নামে আরোপিত প্রবল পরাক্রমশালী “অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে” বিবেকবান সাধারণ মানুষরা যে মানবিকতার চর্চা করতে পারেন, তার উদাহরণ হলো ইসলামের এই ইতিহাসগুলো। আজকের পৃথিবীও তার ব্যতিক্রম নয়।

**এই পর্বটি উৎসর্গ:
“প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত ঐসব মানুষদের উদ্দেশ্যে, যারা ধর্মের যাবতীয় অমানবিক আদেশ-নির্দেশ ও অনুশাসনগুলো জানা সত্বেও তা উপেক্ষা করে জীবনের শত প্রতিকূলতার মধ্যেও মানবিকতা ও মুক্ত-চিন্তার চর্চা, প্রচার ও প্রসারে ব্রতী।”

(চলবে)

তথ্যসূত্র ও পাদটীকা:
[1] কুরআনের উদ্ধৃতি ফাহাদ বিন আবদুল আজিজ কর্তৃক বিতরণকৃত তরজমা থেকে নেয়া। অনুবাদে ত্রুটি-বিচ্যুতির দায় অনুবাদকারীর। http://www.quraanshareef.org/ কুরআনের ছয়জন বিশিষ্ট ইংরেজি অনুবাদকারীর ও চৌত্রিশ-টি ভাষায় পাশাপাশি অনুবাদ: https://quran.com/

[2] ‘জিহাদ’ এর বাধ্যতা থেকে যারা মুক্ত:
https://istishon.blog/node/27598

[3] বদর যুদ্ধ: মুহাম্মদের বিজয় ও কুরাইশদের পরাজয়ের কারণ (পর্ব: ৩৪)
https://drive.google.com/file/d/0BwbIXqxRzoBOX01sZ0Q1cGJsSzg/view

[4] শেষ নির্দেশ (এক-দুই-তিন)-সুরা আত তাওবাহ:
https://istishon.blog/node/27145
https://istishon.blog/node/27398
https://istishon.blog/node/27598

[5] বানু নাদির গোত্র উচ্ছেদের (পর্ব: ৫২ ও ৭৫):
https://drive.google.com/file/d/0BwbIXqxRzoBOT3l5NmpOR3VwWEE/view

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

22 − 13 =