শয়তানের দেশ সৌদিআরব ও মুনিনের পাথর নিক্ষেপ।

সৌদি-আরবে মুমিনরা শয়তানকে পাথর মেরে ক্লান্ত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখলাম, একজন বয়স্ক ব্যাক্তি অনেক উত্তেজিত হয়ে পাথর মারছে শয়তানকে। আশেপাশের লোকজন ভয়ে সরে যাচ্ছে। তার উত্তেজনায় আতংকিত হয়ে।

পাথর মারবে মারুক, এটা তার ধর্মীয় অধিকার। অদৃশ শয়তানকে পাথর না মেরে, দৃশমান একজীবন্ত শয়তানকে মারলে মানবজাতি ও মানবতার অনেক উপকার হতো। ইয়েমেনে মানুষ বেঁচে আছে গাছের পাতা খেয়ে। অমানবিক ও মানবেতর জীবনযাপন করছে। সৌদি-জোটের বুলেটের আঘাতে এ সুন্দর পৃথিবী থেকে এক বুক ঘৃণা নিয়ে চলে যাচ্ছে শিশুরা, বৃদ্ধ ও যুবকেরা। হাজিরা আসল শয়তান সালমাকে পাথর না মেরে মারছে এক নকল শয়তানকে। ও মুমিন তুমি কেমন মুমিন তুমি শয়তান চেনোনা।

জামাল আহমেদ খাসজ্ঞীর মানবতার আদর্শ বেঁচে থাকবে। তাকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যা করা যাবেনা তার মানবতার গান। সালমান গংরা তাকে হত্যা করলো। একটি মানবতার প্রদীপ নিভিয়ে দিলো। পাথর মারা হউক মানুষ হত্যাকারী শয়তানদের। যে শাসক, লেখক রাফি বাদায়িকে চাবুক মারে। জেলে বন্দি করে তাকে পাথর মোরো সেই শাসক কে । রাফাহ আল কিনুন যাদের অপশাসনে দেশ থেকে পালিয়ে বেড়ায় তাদের পাথর মারো। তারাই প্রকৃত শয়তান।

বেঁচে থাকার জন্য একমুঠো ভাতের প্রয়োজন। আমাদের নারীরা কাজের জন্য যায় সৌদি-আরব। তাদেরকে যৌন নির্যাতন করা হয়। বিচার পায়না। যদি পাথর মারতে হয়, পাথর মারো সৌদি শাসকদের। ওরাই আসল শয়তান। সৌদি আরব প্রবাসী শ্রমিকদের আধুনিক দাস করে রেখেছে। শ্রমের নেয্য মূল্যে তারা শ্রমিকদের দেয়না। করে শারীরিক নির্যাতন। গরিবদের বলে মিসকিন। এই ধর্ম ব্যাবসায়ীদের পাথর মারো। পৃথিবী অনেক সুন্দর হবে ওদের শাস্তি দিলে।

 

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

66 − 56 =