১৮৫: মুতার যুদ্ধ-২: জাফর বিন আবু-তালিব খুন!

“যে মুহাম্মদ (সাঃ) কে জানে সে ইসলাম জানে, যে তাঁকে জানে না সে ইসলাম জানে না।”

প্রাণী জগতে সম্ভবত: মানুষই হলো একমাত্র জীব, যারা তাঁদের কল্পিত ঈশ্বরের অজুহাত উত্থাপন করে কিংবা না করে দাবী করেন, “তাঁরাই সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব (আশরাফুল মখলুকাত)!” এই দাবীর সবচেয়ে বড় দুর্বলতা এই যে: যারা এই দাবীর দাবীদার, তারাই বিচারক-আলোচক ও সমালোচক। প্রতিপক্ষ অন্য কোন প্রজাতির আত্মপক্ষ সমর্থনের কোন সুযোগই এখানে নেই! এই দাবীটি মূলত: ধর্মাবতার ও তাঁদের রচিত ধর্মশাস্ত্রের; বিজ্ঞানের নয় (Evidenced based knowledge)। স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) ও এই চিন্তাধারার ব্যতিক্রম ছিলেন না (কুরআন: ১৭:৭০)। এই প্রসঙ্গে মুহাম্মদ তাঁর আল্লাহর নামে আর যে দাবীটি করেছেন, তা হলো: মানুষের এই শ্রেষ্ঠত্বের শতভাগই “তাঁদের ব্যক্তিগত বিশ্বাসের ওপর নির্ভরশীল!” আর যে ব্যক্তিগত বিশ্বাসের ভিত্তিতে এই শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারিত হয়, তা হলো: “মুহাম্মদ-কে” অবশ্য অবশ্যই নবী হিসাবে সর্বান্তকরণে বিশ্বাস করে তাঁর শিক্ষা আদেশ ও নির্দেশ পালন করতে হবে! অন্যথায়, ‘আল্লাহর’ নামে তাঁর দাবী: [1] [2]

“অবিশ্বাসীরা হলো সৃষ্টির নিকৃষ্টতম জীব, সৃষ্টির অধম ও অপবিত্র (কুরআন: ৮:৫৫, ৯৮:৬, ৯:২৮)!”

নিজ শ্রেষ্ঠত্বের এই উদগ্র বাসনায় মুহাম্মদ তাঁর প্রতিপক্ষ মানুষদের বিরুদ্ধে কীরূপ আগ্রাসী অমানুষিক নৃশংস সহিংসতার আশ্রয় নিয়েছিলেন, তার আলোচনা গত একশত উনষাট-টি পর্বে করা হয়েছে। তাঁর এই সহিংস যাত্রার সর্বপ্রথম বলী ছিলেন তিনি নিজে; অতঃপর, তাঁর পরিবার-সদস্যরা; অতঃপর তাঁর মতবাদে বিশ্বাসী মুসলমান সম্প্রদায় ও অতঃপর বিশ্বের সমগ্র অমুসলিম মানব সমাজ (পর্ব: ১৫৮)। সহিংস এই যাত্রায় তিনি সর্বপ্রথম যে ‘স্বজন-হারানোর বেদনা’ উপলব্ধি করেছিলেন, তা ছিল তাঁর সমবয়সী চাচা হামজা ইবনে আবদুল মুত্তালিবের অমানুষিক হত্যার সময়টিতে (পর্ব: ৬৩-৬৭)। ওহুদ যুদ্ধের প্রাক্কালে (মার্চ ২৩, ৬২৫ সাল)। [3] [4]

অতঃপর, তিনি আবারও স্বজন-হারানোর কষ্টে শোকার্ত হয়েছিলেন মুতা যুদ্ধের প্রাক্কালে। এই যুদ্ধে তাঁর চাচাতো ভাই জাফর ইবনে আবু তালিব-কে অমানুষিক নৃশংসতায় কী ভাবে হত্যা করা হয়েছিল, তা আদি উৎসের প্রায় সকল মুসলিম ঐতিহাসিকরা তাঁদের নিজ নিজ গ্রন্থে বিভিন্নভাবে বর্ণনা করেছেন।

মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের (৭০৪-৭৬৮ খৃষ্টাব্দ) বর্ণনা [কবিতা পঙক্তি পরিহার]: [5] [6] [7]
(আল-তাবারীর ও আল-ওয়াকিদির বর্ণনা ইবনে ইশাকের বর্ণনারই অনুরূপ):

পূর্ব প্রকাশিতের (পর্ব: ১৮৪) পর:
‘যখন যুদ্ধ শুরু হয়, যায়েদ বিন হারিথা আল্লাহর নবীর প্রদত্ত ব্যানারটি [আল-ওয়াকিদি: ‘সাদা রং’] হাতে নিয়ে যুদ্ধ করে, যতক্ষণে না সে শত্রুর বর্শার আঘাতে রক্তক্ষরণ-জনিত কারণে মৃত্যু বরণ করে। অতঃপর, জাফর তা হাতে নিয়ে যুদ্ধ করে। যখন সে যুদ্ধে শত্রু পরিবেষ্টিত হয়, সে তার পিঙ্গল বর্ণের ঘোড়া থেকে লাফ দিয়ে নেমে আসে, ঘোড়াটির পিছনের পায়ের হাঁটুর শিরা বা পেশী-তন্তু কেটে (Hamstring) তাকে বিকলাঙ্গ করে দেয় ও নিহত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সে শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। ইসলামের ইতিহাসে জাফরই সর্বপ্রথম ব্যক্তি যে তার ঘোড়ার পিছনের পায়ের হাঁটুর পেশী-তন্তু কেটে তাকে বিকলাঙ্গ করে দিয়েছিল।

ইয়াহিয়া বিন আববাদ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-যুবায়ের তার পিতার [আবদুল্লাহ বিন আল-যুবায়ের] কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে, তিনি তাকে বলেছেন:

‘আমার পালক পিতা ছিলেন বানু মুররা বিন আউফ গোত্রের ও তিনি মুতা হামলায় অংশ গ্রহণ করেছিলেন। তিনি বলেছেন, “আমার সেই সময়ের কথা মনে আছে, যখন জাফর তার পিঙ্গল বর্ণের ঘোড়া থেকে নেমে আসে ও ঘোড়াটির পিছনের পায়ের হাঁটুর শিরা কেটে তাকে বিকলাঙ্গ করে, অতঃপর সে নিহত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত যুদ্ধ করে।”

এই একই সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে ইয়াহিয়া বিন আববাদ আমাকে বলেছে:
‘জাফর খুন হওয়ার পর আবদুল্লাহ বিন রাওয়াহা ব্যানারটি হাতে নেয় ও তা নিয়ে সে তার ঘোড়ার পিঠে সওয়ার হয়ে সমানে অগ্রসর হয়। সম্মুখে অগ্রসর হওয়ার জন্য সে তার মনের প্রতি চাপ সৃষ্টি করে, কারণে এগিয়ে যেতে তার মন সায় দিচ্ছিল না। – —

অতঃপর সে তার ঘোড়ার ওপর থেকে নেমে আসে। তার এক কাজিন (cousin) তার কাছে এক টুকরা হাড্ডিসহ মাংস এনে বলে, “তোমাদের কঠিন সময়ে এই ধরনের বহু যুদ্ধে তুমি অংশ গ্রহণ করেছিলে, এটা খেয়ে শক্তি সঞ্চয় করো।” সে তা হাতে নেয় ও তার সামান্য কিছু ভক্ষণ করে। অতঃপর যখন সে তার সেনাদলের মধ্যে বিশৃঙ্খলার আওয়াজ শুনতে পায়, তখন সে তা ছুঁড়ে ফেলে দেয়, বলে, “এখনো তুমি জীবিত আছ?” সে তার তরবারি পাকড়ে ধরে ও নিহত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত যুদ্ধ করে।

অতঃপর, থাবিত বিন আকরাম ব্যানারটি তুলে ধরে। সে ছিল বানু আল-আজলান গোত্রের এক ভাই। সে মুসলমানদের ডেকে বলে যে তারা যেন একজন লোকের নেতৃত্বে সমবেত হয়। যখন তারা তার নেতৃত্বে সমবেত হতে চায়, তখন সে ইতস্তত করে ও তারা খালিদ বিন আল-ওয়ালিদের নেতৃত্বে সমবেত হয়। ব্যানারটি হাতে নেওয়ার পর সে শত্রুদের কাছ থেকে দূরে থাকা ও যুদ্ধ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। অতঃপর সে পশ্চাদপসরণ করে ও শত্রুরা তার কাছ থেকে দূরে থাকে যতক্ষণে না সে তার লোকজনদের নিয়ে প্রত্যাবর্তন করে।’—

আবদুল্লাহ বিন আবু বকর <উম্মে ইসা আল-খুযাইয়া হইতে <উম্মে জাফর বিনতে মুহাম্মদ বিন জাফর বিন আবু তালিব হইতে <তার মাতামহ আসমা বিনতে উমাইয়া হইতে প্রাপ্ত তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন:

‘যখন জাফর ও তার সঙ্গীদের হত্যা করা হয়, আল্লাহর নবী আমার কাছে আসেন। আমি তখন চল্লিশটি চামড়া পাকা করা, ময়দা মেখে রুটির-তাল তৈরি করা, ধোয়া-মোছা করা ও আমার সন্তানদের পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও তেল মালিশ করা সমাধা করছিলাম। তিনি আমাকে জাফরের পুত্রদের তাঁর কাছে নিয়ে আসতে বলেন। যখন আমি তা করি, তিনি তাদের গা শুঁকে আদর করেন। তাঁর চোখ দুটি অশ্রু সজল হয়ে উঠে। আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করি যে তিনি জাফর ও তার সঙ্গীদের সম্মন্ধে কোন খারাপ খবর শুনেছেন কি না। তিনি বলেন যে তিনি তা শুনেছেন ও তাদের-কে ঐ দিনে হত্যা করা হয়েছে। আমি উঠে দাঁড়ায় ও চিৎকার করে কাঁদা শুরু করি ও মহিলারা আমার কাছে এসে সমবেত হয়। আল্লাহর নবী তার পরিবারের কাছে ফিরে যাওয়ার সময় বলেন, “তোমরা জাফরের পরিবারের প্রতি এমন অমনোযোগী হয়ো না যে তাদের-কে খাদ্য সরবরাহ না করা হয়, কারণ তাদের মাথায় ওপর যে বিপর্যয় এসে পড়েছে তাতে তারা আচ্ছন্ন।” [8]

আবদুল-রহমান বিন আল-কাসিম বিন মুহাম্মদ < তার পিতা হইতে <আল্লাহর নবীর স্ত্রী আয়েশা হইতে প্রাপ্ত তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে আমাকে বলেছে, তিনি বলেছেন:

‘যখন জাফর হত্যার খবর এসে পৌঁছে, আমরা আল্লাহর নবীর মুখমণ্ডলে শোকের ছায়া দেখতে পাই। এক ব্যক্তি তাঁর কাছে যায় ও বলে, “মহিলারা আমাদের ঝামেলা করে ও আমাদের বিরক্ত করে।” তিনি তাকে ফিরে যেতে বলেন ও তাদের-কে শান্ত করতে বলেন। সে চলে যায়, কিন্তু আবার ফিরে এসে একই কথা বলে। আয়েশা এখানে মন্তব্য করেছেন, “‘অনধিকারচর্চা প্রায়শই অনধিকারচর্চা-কারীর ক্ষতি করে।” আল্লাহর নবী বলেন, “যাও, তাদের শান্ত থাকতে বলো। আর যদি তারা তা অগ্রাহ্য করে তবে তাদের মুখে ছাই নিক্ষেপ করো।” আয়েশা আরও বলেছেন, “আমি নিজেকে বলি, তোমার ওপর আল্লাহর অভিশাপ বর্ষিত হউক এই কারণে যে তুমি না পেরেছ নিজেকে অবজ্ঞা-পূর্ণ আচরণ থেকে বাঁচাতে, না পেরেছ ঐ কাজটি করতে যা আল্লাহর নবী তোমাকে করতে বলেছে। আমি জানি যে সে তাদের মুখে ছাই নিক্ষেপ করতে পারে নাই।”

আল-ওয়াকিদির অতিরিক্ত বর্ণনা: [7]
‘–অতঃপর, জাফর ব্যানারটি হাতে নেয়। সে তার লাল রঙের ঘোড়ার ওপর থেকে নেমে আসে, তার পিছনের পায়ের হাঁটুর মাংসপেশি কেটে তাকে বিকলাঙ্গ করে নিহত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত যুদ্ধ করে।

আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ তার পিতার কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আমাকে বলেছে, তিনি বলেছেন: ‘রুম (Rūm) থেকে আগত এক ব্যক্তির আঘাতে তার শরীর দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায়। তার শরীরের অর্ধেক গিয়ে পড়ে আঙ্গুর লতার ওপর, যাতে পাওয়া যায় প্রায় ত্রিশ-টি আঘাতের চিহ্ন।’

আবু মা’শার <নাফিয়া হইতে <ইবনে উমর হইতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আমাকে বলেছে, তিনি বলেছেন: ‘জাফরের শরীরের দুই ঘাড়ের মাঝখানে ছিল বাহাত্তর-টি ক্ষতচিহ্ন, যেখানে তাকে হয় তরবারির দ্বারা আঘাত করা হয়েছিল, অথবা করা হয়েছিল বর্শা-বিদ্ধ।’

ইয়াহিয়া বিন আবদুল্লাহ বিন আবি কাতাদা < আবদুল্লাহ বিন আবু বকর বিন সালিহ হইতে < আছিম বিন উমর হইতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আমাকে বলেছে, তিনি বলেছেন: ‘জাফরের শরীরে ছিল ষাট-টির ও বেশী কাটার-চিহ্ন, আরও ছিল তীক্ষ্ণ অস্ত্রের আঘাত-চিহ্ন যা তাকে বিদ্ধ করেছিল।’

– অনুবাদ, টাইটেল ও [**] যোগ – লেখক।

মুহাম্মদের ইবনে ইশাক ও তাঁর উদ্ধৃতি সাপেক্ষে আল-তাবারীর (৮৩৮-৯২৩ খৃষ্টাব্দ) ওপরে বর্ণিত বর্ণনায় বলা হয়েছে, “ইসলামের ইতিহাসে জাফরই সর্বপ্রথম ব্যক্তি যে তার ঘোড়ার পিছনের পায়ের হাঁটুর পেশী-তন্তু কেটে তাকে বিকলাঙ্গ করে দিয়েছিল।” অন্যদিকে, ইসলামের ইতিহাস পর্যালোচনায় আমরা ইতিমধ্যেই জেনেছি, মুতা যুদ্ধের আড়াই বছর আগে সংঘটিত খন্দক যুদ্ধে (ফেব্রুয়ারি-মার্চ, ৬২৭ সাল), ইসলামের ইতিহাসে সর্বপ্রথম যে ব্যক্তিটি এই পদ্ধতিতে তাঁর ঘোড়াটিকে বিকলাঙ্গ করে আমৃত্যু যুদ্ধ করেছিলেন, তিনি ছিলেন “একজন অবিশ্বাসী। ” সেই ব্যক্তিটি ছিলেন বানু আমির বিন লুয়াভির গোত্রের আমর বিন আবদু উদ্দ বিন আবু কায়েস (Amr b. ‘Abdu Wudd b. Abu Qays)। তিনি ছিলেন এই জাফর ইবনে আবু তালিব ও আলী ইবনে আবু তালিবের পিতার বন্ধু; যিনি খন্দক যুদ্ধে আলীর সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে আলীকে রক্তাক্ত অথবা হত্যা করতে রাজী ছিলেন না। অন্যদিকে, আলী ইবনে আবু তালিব তাঁকে হত্যা করার জন্য ছিলেন উদগ্রীব, যদি না তিনি মুহাম্মদকে নবী হিসাবে স্বীকার করে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হোন (বিস্তারিত: পর্ব -৮২)। [4]

সওয়ারী তার ঘোড়াটি-কে এই ভাবে বিকলাঙ্গ করে দেয় তখনই, যখন সে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, সে পালানোর কোন চেষ্টা না করে নিহত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত লড়াই করবে। [9]

ইসলামী ইতিহাসের ঊষালগ্ন থেকে আজ অবধি প্রায় প্রতিটি ইসলাম বিশ্বাসী প্রকৃত ইতিহাস জেনে বা না জেনে ইতিহাসের এ সকল অমানবিক অধ্যায়গুলো যাবতীয় চতুরতার মাধ্যমে বৈধতা দিয়ে এসেছেন। বিষয়গুলো অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিধায় বাংলা অনুবাদের সাথে মুহাম্মদ ইবনে ইশাক ও আল-ওয়াকিদির বর্ণনার অতিরিক্ত বিশেষ অংশটির মূল ইংরেজি অনুবাদ সংযুক্ত করছি। আল-তাবারীর রেফারেন্স: বিনা-মূল্যে ডাউন-লোড লিংক তথ্য-সূত্র [5]:

The narratives of Muhammad Ibn Ishaq:

‘When fighting began Zyad b.Haritha fought holding the apostle’s standard, until he died
from loss of blood among the spears of the enemy. Then Ja’far took it and fought with it
until when the battle hemmed him in he jumped off his roan and hamstrung her and fought till he was killed. Ja’far was the first man in Islam to hamstring his horse.

Yahya b.Abbad b.’Abdullah b.al-Zubayr from his father who said, ‘My foster-father, who was of the B. Murra b.’Auf, and was in the Mu’ta raid said,”I seem to see Ja’far when hegot off his sorrel and hamstrung her and then fought until he was killed–. Yahya b.’Abbad on the same authority told me that when Ja’far was killed ‘Abdullah b. Rawaha took the standard and advanced with it riding his horse. He had to put pressure on himself as he felt reluctant to go forward. —- Then he dismounted and a cousin of his came up with a meat bone, saying, ‘Strengthen yourself with this, for you have met in these battles of yours difficult days.’ He took it and ate a little. Then he heard the sounds of confusion in the force and threw it away, saying, ‘And you are still living?’ He seized his sword and died fighting. Then Thabit b. aqram took the standard. He was brother of B. al-Ajlan. He called on the Muslims to rally round one man, and when they wanted to rally to him he demurred and they rallied to Khalid b. al-Walid. When he took the standard he tried to keep the enemy off and to avoid an engagement. Then he retreated and the enemy turned aside from him until he got away with the men.’ —–

‘Abdullah b.Abu Bakr from Umm ‘Isa al-Khuzaiya from Umm Ja’far d.Muhammad b. Ja’far b.Abu Talib from her grandmother Asma d.’Umays said: When Ja’far and his companions were killed, the apostle came in to me when I had just tanned forty skins and kneaded my dough and washed and oiled and cleaned my children. He asked me to bring him Ja’far’s sons and when I did so he smelt them and his eyes filled with tears. I asked him whether he had heard bad news about Ja’far and his companions, and he said that he had and that they had been killed that day. I got up and cried aloud and the women gathered to me. The apostle went out to his family saying, ‘Do not neglect Ja’far’s family so as not to provide them with food, for they are occupied with the disaster that has happened to their head.’ (A reference to the practice of sending cooked food to a bereaved family to provide a meal for the mourners and their visitors.)

‘Abdu’l-Rahman b.al-Qasim b. Muhammad told me from his father from ‘A’isha the prophet’s wife who said; When news of Ja’far’s death came we saw sorrow on the apostle’s face. A man went to him and said,” The women trouble us and disturb us.’ He told him to go back and quieten them. He went but came back again saying same words. A’isha here commented,’Meddling often injures the meddler.’ The apostle said, ‘Go and tell them to be quiet, and if they refuse throw dust in their mouths.’ ‘A’isha added: ‘I said to myself, God curse you, for you have neither spared yourself the indignity of a snub nor are you able to do what the apostle said. I knew he could not throw dust in their mouths.’

Al waqidi added: [5]
‘ Then Ja‛far took the banner. He alighted from a horse, red in hue, hamstrung it and fought until he was killed. ‛Abdullah b. Muḥammad related to me from his father, who said: A man from Rūm struck him and cut him in two halves. One half fell on the grape vine, and roughly thirty wounds were found on it. Abū Ma‛shar related to me from Nāfiā‛ from Ibn ‛Umar, who said: The body of Ja‛far held seventy-two scars between his shoulders where he had been either struck by a sword or pierced by a spear. Yaḥyā b. ‛Abdullah b. Abī Qatādā related to me from ‛Abdullah b. Abī Bakr b. Ṣāliḥ from ‛Āṣim b. ‛Umar, who said: On the body of Ja‛far were more than sixty wounds, as well as the stab that pierced him.

(চলবে)

তথ্যসূত্র ও পাদটীকা:
[1] কুরআনের উদ্ধৃতি ফাহাদ বিন আবদুল আজিজ কর্তৃক বিতরণকৃত তরজমা থেকে নেয়া। অনুবাদে ত্রুটি-বিচ্যুতির দায় অনুবাদকারীর। http://www.quraanshareef.org/ কুরআনের ছয়জন বিশিষ্ট ইংরেজি অনুবাদকারীর ও চৌত্রিশ-টি ভাষায় পাশাপাশি অনুবাদ: https://quran.com/

[2] মুহাম্মদের দাবী: “অবিশ্বাসীরা সৃষ্টির নিকৃষ্টতম জীব, অধম ও অপবিত্র”:
https://istishon.blog/node/24475

[3] মুহাম্মদের মতবাদ ‘ইসলাম’ এর বলী (পর্ব: ১৫৮):
https://drive.google.com/file/d/0BwbIXqxRzoBOUVBOUnlRUXkxX0E/view

[4] হামজার পরিণতি ও মুহাম্মদের হাহাকার ও ক্রন্দন (পর্ব: ৬৩-৬৭):
https://drive.google.com/file/d/0BwbIXqxRzoBOT3l5NmpOR3VwWEE/view

[5] মুহাম্মদ ইবনে ইশাক, সম্পাদনা: ইবনে হিশাম, ইংরেজি অনুবাদ: A. GUILLAUME; ISBN 0-19-636033-1; পৃষ্ঠা ৫৩৪-৫৩৬
http://www.justislam.co.uk/images/Ibn%20Ishaq%20-%20Sirat%20Rasul%20Allah.pdf

[6] অনুরূপ বর্ণনা: আল-তাবারী, ভলুউম ৮; ইংরেজী অনুবাদ: Michael Fishbein, ISBN 0-7914-3150—9 (pbk), পৃষ্ঠা ১৫৬-১৫৭
https://onedrive.live.com/?authkey=%21AJVawKo7BvZDSm0&cid=E641880779F3274B&id=E641880779F3274B%21292&parId=E641880779F3274B%21274&o=OneUp

[7] অনুরূপ বর্ণনা: আল-ওয়াকিদি (৭৪৮-৮২২ খৃষ্টাব্দ); ভলুম ২, পৃষ্ঠা ৭৬১-৭৬৮; ইংরেজি অনুবাদ: Rizwi Faizer, Amal Ismail and Abdul Kader Tayob; ISBN: 978-0-415-86485-5 (pbk); পৃষ্ঠা ৩৭৪-৩৭৮
https://books.google.com/books?id=gZknAAAAQBAJ&printsec=frontcover&dq=kitab+al+Magazi-

[8] ‘শোকার্ত ও শোকসন্তপ্ত পরিবার ও তাদের দর্শনার্থীদের জন্য খাবার সরবরাহ করার প্রথা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে।’

[9] Ibid: আল-তাবারী নোট নম্বর ৯৩ (৬৬০) পৃষ্ঠা ১৯:

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 1 = 5