কবি কাহ্নপার পরাজয়ের কাহিনি

কবি কাহ্নপার গৃহে যাব বলে এক মাস আগে বের হয়েছি নিজ বাড়ি থেকে। ভাটির দেশ সমতলের চন্দ্রদ্বীপে বাড়ি আমার। মনে প্রতিজ্ঞা করেছি যে করেই হোক, কাহ্নপাদ বা কৃষ্ণপাদ, যার অপর নাম কৃষ্ণাচার্য্য যিনি চুরাশিজন বৌদ্ধ মহাসিদ্ধদের মধ্যে অন্যতম কবি ও চারণ শিল্পী, তার সাথে দেখা করবোই আমি। জলকেন্দ্রিক জলজীবনে বসবাস বলে জলপুজক আমরা। কিন্তু সিদ্ধাচার্য কাহ্নপার সাথে মিলে অন্তত একবার তার মুখে নাথপন্থী ও সহজপন্থী তান্ত্রিক মন্ত্রে ভরা দোহা গান শুনবো একদিন এ অন্তরে। বিদ্যানগরে বাড়ি আচার্য কৃষ্ণপাদের। বিদ্যানগরের কৃষ্ঠপুর মৃত্তিকা ভবনে বসতি কাহ্নপার, যা সোমপুর মহাবিহারের বেশ কাছে। ঐ বিহার হেবজ্র, যমান্তক প্রভৃতি বজ্রযান তন্ত্রসাধনার পিঠস্থান বটে অনেক দিন থেকে। এ কথা জেনেছি আমরা পিতা আর পিতামহের কাছে!
:
কবি খ্যাতির কারণে সহজিয়া দীক্ষা নিয়ে তিনি সিদ্ধাচার্য, মন্ডলাচার্য উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। শুনেছি সোমপুর বিহারে অবস্থান করে তিনি শিষ্যদের শেখান সাধন সঙ্গীত। অপভ্রংশ ও সংস্কৃত ভাষায় রচিত তার এসব দোহা গান সমতটের অধিকাংশ মানুষের কণ্ঠে গীত হয় প্রায়শই। এ কবির পদগুলিতে বৌদ্ধ ও বৈদিক তন্ত্রের মিশ্রণ মানুষের আত্মার গভীরতায় প্রবেশ করে কালচক্রে।
:
চুরাশি যোজন পথ নৌযাান আর পদব্রজে পার হতে হতে একদিন সত্যি পৌঁছে গেলাম কবি সঙ্গীতজ্ঞ কাহ্নপার বাড়ি। ভূমিতলে লাল মাটি খনন করে পরিখার মত সোপান পার হয়ে ঢুকতে হয় কবি গুরু সাধক কাহ্নপার মৃত্তিকা ঘরে। সে হিসেবে আমাদের ভাটি অঞ্চলের সমতটের বাড়িগুলো সব উঁচু মাচানের ওপর। জলবন্যা, সাপ, ইঁদুর থেকে রক্ষার জন্য মূলত এমন বাড়ি নির্মিত হয় ভাটির চন্দ্রদ্বীপের সমতট এলাকায়। গেরুয়া পোশাকের ন্যাড়ামুন্ড কাহ্নপাকে দেখে সাষ্টাঙ্গে প্রমাণ করি প্রণত হয়ে। ভেট হিসেবে আনা শুকনো শুটকি মাছ রাখি পায়ের কাছে। মাছের গন্ধ নেয় নাকের কাছে গুরু কাহ্ন। আমি মনোবাঞ্ছা খুলে বলি কবিবর কাহ্নপার কাছে। তার স্নেহে কিছুদিন থেকে রপ্ত করতে চাই কবিত্ব এমন কথাতে আপ্লুত হন তিনি। তরুণি কবিকন্যা কাহিয়া শবরীকে ডেকে আমার স্নানাহারের ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দেন তিনি কাল বিলম্ব না করে।
:
দিঘীর জলে স্নান করি কাহিয়ার সাথে একাকি। আমার লোকচক্ষুর সামনেই নিরাবরণ হয়ে স্নানে নামে কাহিয়া শবরী। যাতে বিস্মিত হই আমি। সমতটের নারীরা এমন নিরাবরণ হয়না পর পুরুষের সামনে। যবের ছাতু, শুকনো মাছের ঝোল দিয়ে দুপুরের আহার শেষ করি কাহিয়ার হাতে। কাহ্নপা তখন সোমপুর বিহারে শিষ্যদের বেষ্টনীর ভেতরে করছে সাধন সঙ্গীত। মধ্যাহ্ন ভোজনের পর কাহিয়া নিয়ে যায় তার মাটির কুঠরীতে, যেখানে তার বিছানাতেই শয়ন করতে দেয় বহিরাগত অতিথিকে। কাহিয়ার তালপাতার বাতাসে আর দীর্ঘপদব্রজের কান্তিতে ঘুম আসতে সময় লাগেনা আমার। সূর্য ডোবার আগেই ঘুম ভাঙলে বিহারে যাই আমি। সেখানে চলছে তখন সাধন সঙ্গীত যা দরজার পাশ থেকেই শুনতে পাই আমি-
“আলিএঁ কালিএঁ বাট রন্ধেলা,
তা দেখি কাহ্ন বিমণা ভইলা।
কাহ্ন কহি গই করিব নিবাস,
জো মন গো অর সো উআস।
তে তীনি তে তীনি তীনি হো তিন্না,
ভনই কাহ্ন ভব পরিছিন্না।
জে জে আইলা তে তে গেলা,
অবণাগবণে কাহ্ন বিমণা ভইলা।
হেরি সে কাহ্নি নিআড়ি জিনউর বট্টই,
ভণই কাহ্ন মো হি অহি ন পইসই”।
বীণার সুরে গেয়ে চলে কাহ্নপা তার এ সাধন গীতি। শিষ্যরাও গান ধরে কাহ্নপার সাথে। আমি প্রবেশ করলে হাতের ইশারায় বসতে বলে আমাকে এক মাটির ঢিবিতে।
:
বজ্রযানী ও সহজযানী আরো কজন আচার্য সিদ্ধাচার্য দেখতে পাই সেখানে। গান শেষ হলে ‘চৌরাশি সিদ্ধা’র কথা বলে কাহ্নপা। বলে আগামী পহেলা মাঘ সকল সিদ্ধাচার্যরা দর্শন দেবেন এ মহাবিহারে। সকলে পরিবেশন করবেন তাদের সাধন সঙ্গীত, আমার ভাগ্য ভাল এমন সময়ে এসে পড়েছি আমি। আরো জানালেন সিদ্ধাচার্য সবাই বৌদ্ধ নন, কেউ ব্রাহ্মণ, কায়স্থ, ক্ষত্রিয়, বণিক এমনকি অন্ত্যজ শ্রেণি থেকেও আসবেন কেউ কেউ, যেমন আমি এসেছি অন্তজ শ্রেণির ভাটির দেশ থেকে। বিশাল হলঘরে চলে সিদ্ধাচার্যদের এ সাধন সঙ্গীত। মাটির দেয়ালে অনেক গুণী সিদ্ধাচার্যদের অঙ্কিত ছবি। লুই, কুক্কুরী, বিরুআ, গুণ্ডরী, চাটিল, ভুসুকু, কাহ্ন, কাম্বলাম্বর, ডোম্বী, শান্তি, মহিত্তা, বীণা, সরহ, শবর, আজদেব, ঢেণ্ঢণ, দারিক, ভাদে, তাড়ক, কঙ্কণ, জঅনন্দি, ধাম, তান্তী পা, লাড়ীডোম্বী আরো কতজন। নিচে থরে থরে পুঁথি সাজানো যা শৌরসেনী অপভ্রংশ আর মাগধী অপভ্রংশজাত ভাষায় রচিত।
:
রাতে কাহ্নপার সাথে নৈশাহার করি পাখির মাংস আর নানাবিধ সবজি দিয়ে। কন্যা কাহিয়া কলাপাতায় পরিবেশন করে রাতের খাবার। খাবার শেষে অনেক কথা হলো কবি সিদ্ধাচার্যের সাথে। আসন্ন পহেলা মাঘের অনুষ্ঠান সম্পর্কে নানাবিধ কথা বললেন এ সহজিয়া কবি। শেষে কাহিয়ার সাথে মাটির কক্ষে গেলাম রাত্রিবাসের জন্যে।
:
মাঘের ১ম দিন মগধ, রাঢ়, ময়ূরভঞ্জ, সমতট, হরিকেল, কর্ণসুবর্ণসহ সপ্তপদি জনপথ থেকে হাজারো সিদ্ধাচার্য উপস্থিত হলো সোমপুর মহাবিহারে। যখন শবরপার শিষ্য লুইপা দেহজ গান ধরল “কাআ তরুবর পাঞ্চ বি ডাল। চঞ্চল চীএ পৈঠা কাল।” (দেহ গাছের মত, এর পাঁচটি ডাল/ চঞ্চল মনে কাল প্রবেশ করে) তখন পাতা না ঝরার নিস্তব্দতার মধ্যে এ গানের সুধা পান করলো উপস্থিত স্রোতা দর্শকগণ। এরপর কপিলসক্রুর বাসিন্দা কুক্কুরীপা গাইলেন “দিবসহি বহূড়ি কাউহি ডর ভাই। রাতি ভইলে কামরু জাই” (দিনে বউটি কাকের ভয়ে ভীত হয় / রাত হলে কামরূপ না গেলে নয়)। বিরুপা “এক সে সুণ্ডিনী দুই ঘরে সান্ধই। চীঅণ বাকলত বারুণী বান্ধই” (এক সে শুঁড়িনী দুই ঘরে সান্ধায় / চিকন বাকলেতে মদ বাঁধে); গুণ্ডরীপা “জোইনি তইঁ বিনু খনহিঁ ন জীবমি। তো মুহ চুম্বী কমল রস পিব্মি” (“রে যোগিনী, তুই বিনা ক্ষণকাল বাঁচি না / তোর মুখ চুমিয়া কমল রস পান করি); চাটিল্লপা “ভবণই গহণ গম্ভীর বেগেঁ বাহী।
দুআন্তে চিখিল মাঝে ন থাহী (ভবনদী বয় বেগে গহিন গভীর, / মাঝগাঙে ঠাঁই নাই, পঙ্কিল দু’তীর); কবি ভুসুকুপা “বাজনাব পাড়ী পঁউআ খাঁলে বাহিউ, অদব বঙ্গাল দেশ লুড়িউ (বজ্ররূপ নৌকায় পাড়ি দিয়া পদ্মার খালে বাহিলাম। / অদ্বয়রূপ বাঙ্গালা দেশ লুঠ করিলাম) নিবেদন করলেন তাদের দেহতাত্ত্বিক সাধন সঙ্গীত।
:
কবি কাহ্নপা নিজে গাইলেন “ভন কইসেঁ সহজ বোলবা জাই / কাআবাকিচঅ জসু ন সমাই/ আলেঁ গুরু উএসই সীস/ জেতই বোলী তেতবি টাল (বল কেমনে সহজ বলা যায়, যাহাতে কায়বাকিচত প্রবেশ করিতে পারে না ? গুরু শিষ্যকে বৃথা উপদেশ দেন। বাকপথাতীতকে কেমনে বলিবে ? যতই তিনি বলেন সে সবই টালবাহানা। গুরু বোবা, সে শিষ্য কালা); কম্বলারম্বপা আবৃতি করলেন “সোনে ভরিতী করুণা নাবী / রূপা থোই নাহিক ঠাবী/ বাহতু কাম্লি গঅন উবেসেঁ / গেলী জাম বাহুড়ই কইসেঁ” (আমার করুণা-নৌকা সোনায় ভর্তি রয়েছে; তাতে রূপা রাখার ঠাঁই নেই। অরে কম্বলি পা, গগনের (নির্বাণের) উদ্দেশ্যে তুমি বেয়ে চলো; যে জন্ম গেছে সে ফিরবে কি করে); ডোম্বীপা “গঙ্গা জউনা মাঝেঁরে বহই নাঈ / তহিঁ চড়িলী মাতঙ্গী পোইআ লীলে পার করেই / বাহ তু তোম্বী বাহ লো ডোম্বী বাটত ভইল উছারা / সদ্গুরু পাও-পসাএঁ জাইব পুণু জিণউরা” (গঙ্গা যমুনা মাঝে রে বয় নৌকা, / তাউ চড়িয়া চণ্ডালী ডোবা লোককে অনায়াসে পার করে ।। / বা তুই ডুমনি ! বা লো ডুমনি ! পথে হইল সাঁঝ, / সদ্গুণ পায়ের প্রসাদে যাইব পুনরায় জিনপুর); শান্তিপা “সঅসম্বেঅণসরুঅবিআরেঁ অলক্খ লক্খণ ন জাই। / জে জে উজূবাটে গেলা অনাবাটা ভইলা সোই॥ ধ্রু॥ / কুলেঁ কুল মা হোই রে মূঢ়া উজূবাট সংসারা। / বাল ভিণ একু বাকু ণ্ ভূলহ রাজ পথ কন্ধারা” (স্বয়ং-সংবেদন-স্বরূপ বিচারে / অলখ হয় না লক্ষণ; / সোজা পথে, আর হয় না রে / তাদের প্রত্যাবর্তন); মহীধরপা “তিনিএঁ পাটেঁ লাগেলি রে অণহ কসণ গাজই। / তা সুনি মার ভয়ঙ্কর রে বিসঅমণ্ডল ভাজই॥ ধ্রু॥ / মাতেল চীঅগএন্দা ধাবই। / নিরন্তর গঅণন্ত তুসেঁ ঘোলই॥ ধ্রু॥” (তিনটি পাটে কৃষ্ণ হাতির অশান্ত বৃংহণ, / শুনে, বিষয়-সমেত ভীষণ ‘মার’-এর আন্দোলন; / মত্ত গজেশ ছুটে গিয়ে শেষটায় গগন-প্রান্ত ঘুলিয়ে ফ্যালে তেষ্টায়); বীণাপা “সুজ লাউ সসি লাগেলি তান্তী। / অণহা দাণ্ডী একি কিঅত অবধূতী॥ ধ্রু॥ / বাজই অলো সহি হেরুঅবীণা। / সুনতান্তিধনি বিলসই রুণা” (সূর্য হ’ল লাউ আর তার হ’ল চন্দ্র, / অবধূতি চাকি হ’ল, অনাহত দণ্ড; / হেরুক-বীণাটি বেজে ওঠে, সখী ও লো, / করুণায় শূন্য-তন্ত্রী বিলসিত হ’ল); সরহপা “হিঅ তাঁবোলা মহাসুহে কাপুর খাই। / সূণ নৈরামণি কণ্ঠে লইআ মহাসুহে রাতি পোহাই” (হৃদয়-তাম্বুলে মহাসুখে কর্পূর খায়, / শূন্য-নৈরাত্মাকে কণ্ঠে লইয়া মহাসুখে রাত্রি পোহায়); শবরপা শোনালেন তার “উঁচা উঁচা পাবত তঁহি বসই সবরী বালী। / মোরঙ্গি পীচ্ছ পরহিণ সবরী গীবত গুঞ্জরী মালী।। / উমত সবরো পাগল শবরো মা কর গুলী গুহাডা তোহৌরি। / ণিঅ ঘরণী ণামে সহজ সুন্দারী।। / ণাণা তরুবর মৌলিল রে গঅণত লাগেলি ডালী। / একেলী সবরী এ বণ হিণ্ডই কর্ণ কুণ্ডলবজ্রধার” (“উঁচু পর্বতে শবরী বালিকা বাস করে। / তার মাথায় ময়ূরপুচ্ছ, গলায় গুঞ্জামালিকা। / নানা তরু মুকুলিত হলো। তাদের শাখা-প্রশাখা আকাশে বিস্তৃত হলো। / শবর-শবরীর প্রেমে পাগল হলো। / কামনার রঙে তাদের হৃদয় রঙিন ও উদ্দাম। শয্যা পাতা হলো। / শবর-শবরী প্রেমাবেশে রাত্রিযাপন করলো)। এভাবে পরপর তন্ত্রীপা, আর্যদেবপা, ঢেণ্ডণপা, দারিকপা, ভাদেপা, তাড়কপা, কঙ্কণপা, জয়নন্দীপা, ধর্মপা, লাড়ীডোম্বীপা শোনালেন তাদের কাব্য গীতিকা।
:
আকস্মিক বহু দূরে যুদ্ধের রণবাদ্যের ক্ষীণ শব্দ শোনা গেল। ক্রমে সে শব্দ যেন এগিয়ে আসতে থাকে এ বিহারের দিকে। দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে এক সংবাদবাহ এসে খবর দিলো, তাম্রলিপি নদীতীরে পশ্চিম থেকে এক যোদ্ধা বাহিনি এসেছে। তারা “আল্লাহু আকবর” ধ্বনি দেয়। চাঁদতারা খচিত পতাকার ছায়াতলে আসতে আহবান করে বিধর্মীদের। দীক্ষিত হলে বুকে টেনে নেয় তাদের, যারা প্রত্যাখ্যান করে তাদের ধর্মবাণী, হত্যা করে তারা তাদের অবলীলায়। এদের নাকি “ম্লেচ্ছ” বলে। তারা চেষ্টা করছে নদী পার হতে! কবিতা আবৃত্তি আর গান শেষ না করেই চিন্তিত হয় সিদ্ধাচার্যরা। তারা নিজ নিজ পুঁথিপত্র সব বাঁশের চোঙ্গায় ভরে। আরো গভীর বনে উত্তর পূর্বে সরে যেতে মনস্থির করে তারা এ বিহার ছেড়ে। রাতের মধ্যেই এক পরিব্রাজক দল তৈরি করে তারা। ভোরের সূর্য ওঠার আগেই এ বিহার ত্যাগ করবে এটাই মনস্থির সকলের। কাহিয়াও যাবে তাদের সাথে। আমার বাহুতে হাত রেখে কাহিয়া বলে, তুমিও চলো আমাদের সাথে, নাহলে এতো বোঝা কিভাবে বইবো আমি! চন্দ্রীদ্বীপ থেকে যাওয়া জলপুজক সমতটের মানুষ আমি কাহিয়ার বোঝা মাথায় নিয়ে পথ ধরি সিদ্ধাচার্য সহজিয়াদের সাথে। জানিনা সে পথ কোথায় কিংবা কতদূর।
:
ভোরের আলো ফুটতেই দূরে “আল্লাহু আকবর” ধব্নি শুনি আমরা। ঘোড়ার পায়ের শব্দ এগিয়ে আসে সোমপুর বিহারের দিকে। সিদ্ধাচার্যদের পেছনে পথে নামি আমরা হাজারো মানুষ খুব দ্রুত। কাহিয়া আর আমি হেঁটে চলি একই সমতলে। গভীর বনের দিকে। জানিনা আমাদের গন্তব্য কোথায়! পেছনে তখন সোমপুর মহাবিহার, যাতে প্রবেশ করেছে পশ্চিমের ম্লেচ্ছ যোদ্ধারা! বুনো বিড়ালের নৈ:শব্দে এগিয়ে যাই আমরা গহীন বন অভ্যন্তরে! পূবাকাশে উকি দিচ্ছে লালকেল্লা রক্তিম সূর্যোদয়!
ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 6 = 3