শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্ধ হউক ধর্মীয় রাজনীতি।

বাংলাদেশে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় রাজনীতি স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে জাতীয় স্বার্থে। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মের নামে রাজনীতি নিজস্ব সংস্কৃতি, প্রথা ও আধুনিক শিক্ষার পরিপন্থী। ধর্মীয় রাজনীতির আদর্শ সাধারণ ছাত্র/ছাত্রীদের ধর্মীয় মৌলবাদে রূপান্তরিত করে। ধর্মান্ধ করে দেয় এবং মধ্যযুগীও চিন্তায় নিমগ্ন করেদেয়।  ফলশ্রুতিতে তারা ধর্মীয় কুসংস্কার থেকে বের হতে পারে না। সকল মানুষের ধর্ম অনুসরণ করার অধিকার রয়েছে এবং ধর্ম অনুসরণ না করারও অধিকার রয়েছে।  তবে এই অধিকার ব্যাক্তিগতভাবে  পালন করতে হবে  প্রাতিষ্ঠানিক ভাবেনা। সরকারকেই দায়িত্ব নিতেহবে  আইন করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে  ধর্মীয় রাজনীতি বন্ধকরণে। এটা বহুদূরের ইতিহাস নয়।  ৫ই মে ২০১৩, হেফাজতে ইসলাম অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছাত্রদের ঢাকায় নিয়ে এসেছিল ঢাকাকে অচল করতে। যুদ্ধ অপরাধীদের বিচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে, শাহবাগ মঞ্চ প্রতিরোধের হাতিয়ার হিসাবে। তাদের মস্তিষ্কে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল ধর্মীয় হিংসা।  আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বেগ পেতে হয়েছিল তাঁদের নিরাপদে বাড়িফেরাতে। গুজব রটানো হয়েছিল কোরানে হাফেজদের  হত্যা করা হয়েছে। ধর্মকে ব্যবহার করাহয়েছিলো প্রতিপক্ষকে গায়েল করতে।

জামাতে ইসলাম বাংলাদেশের একটি পুরানো ধর্ম ভিত্তিক রাজনৈতিক দল।  তারা নিজদেশের স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছিল ১৯৭১ সালে।  ধর্মের অপব্যাবহার করেছিল দেশের স্বাধীনতার বিরুধিতা করতে। তাদের ছাত্র  সংঘটন ‘ছাত্র শিবির’ তারা ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি করে। আধুনিক, বিজ্ঞানসম্মত  ও ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশের যাত্রাকে তারা আপন করে নিতে পারেনা।  মধ্যযুগীয় চিন্তা তাদের গ্রাস করেছে।  ধর্মীয় হিংসা তৈরী করে রাজনীতিকরে। হেফাজতে ইসলাম, জামাতে ইসলাম , ছাত্র শিবির সহ যেসকল ধর্মীয় সংঘটন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনীতি করে তাদের অনতিবিলম্বে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে।  জাতির স্বার্থে, দেশের স্বার্থে ও মানবতা এবং মানবাধিকারের স্বার্থে।  জয় হউক মানবতার।  ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ আমাদের অহংকার।

ফেসবুক মন্তব্য

২ thoughts on “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্ধ হউক ধর্মীয় রাজনীতি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 5 = 1