আসিফ-নাদিয়া বিতর্ক

আসিফ-নাদিয়া বিতর্ক। শুধুমাত্র সময়ের অভাবে না, আরো অনেক কারণে এই বিষয়ে কোনরকম মন্তব্য করতে চাইনি।তাদের আলোচনায় যে ব্যক্তিগত বিষয়গুলো উঠে এসেছে এবং ‘প্রমাণ’ করা নিয়ে একে অপরকে যে চ্যালেঞ্জ দেয়া হয়েছে তার ডিটেইলস আমি জানি, একদম টুকিটাকি সব, কোন তথ্যটি সত্য, কোনটি মিথ্যা, কোনটি খানিক সত্য কোনটি ডাহা মিথ্যা সব, একদম সব। তাদের ‘প্রমাণ করুন’ আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ না তাই সে বিষয়ে কোন মন্তব্য করছি না। শুধুমাত্র গতকালকের লাইভ নিয়ে তিনটি বিষয়:

 

#এক Nadia Islam এর ফেইসবুকের লাইভ অপশন কাজ করছেনা তাই তিনি Arifur Rahman এর লাইভে অংশগ্ৰহণ করতে ইচ্ছুক এবং Asif Mohiuddin আরিফুর এর প্ল্যাটফর্মে যেতে রাজি হননি, আসিফ যেহেতু নিজের একাউন্ট থেকে নিয়মিত লাইভ করেন সেখানেই নাদিয়াকে আসার আমন্ত্রণ জানান।

যখন একটি ডিবেট বা বিতর্ক এর আয়োজন করা হয় সেই আয়োজন নিরপেক্ষ কিনা সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং সেই ক্ষেত্রে সঞ্চালক কতটুকু নিরপেক্ষ সেটা বিবেচনায় নেয়া বক্তাদের এবং দর্শকদের অধিকার।

 

#দুই সাংবাদিকতায় ‘অবজেকটিভ জার্নালিজম’ আবশ্যক। টকশো, ভিডিও কিংবা আর্টিকেল এ আপনার থাকতে হবে নিরপেক্ষ এবং যদি আপনার একাধিক ভিন্ন মতাদর্শের প্রটাগনিস্ট থাকে তাহলে সকলকে সমান স্পেস, সমান ভাবে উপস্থাপন করা বাধ্যতামূলক। আর তছাড়া একজন প্রটাগনিস্ট বা বক্তার অধিকার আছে টকশো বা ইন্টারভিউ ক্যানসেল করে দেয়া যদি সে ফিল করে এই মিডিয়া বা প্ল্যাটফর্ম তার বক্তব্যকে নিরপেক্ষভাবে উপস্থাপন করবে না।

আসিফ যদি এই বিষয়টিকে বিবেচনায় নিয়ে আরিফুর এর প্ল্যাটফর্মে যেতে অসম্মতি জানিয়ে থাকেন, তাহলে সেটা সঠিক সিদ্ধান্ত! ওটা কোন ডিবেট ছিল না ‘আসিফ বনাম নাদিয়া’, ওটা ছিল ‘নাদিয়া এবং আরিফুর বনাম আসিফ’।
আরিফুর অসততার পরিচয় দিয়েছেন, তিনি একটি বিতর্কের আয়োজন করে পক্ষপাত করেছেন, সেটা অপ্রত্যাশিত।

 

#তিন ভিডিও দেখার পরে মনে হলো আরিফুর যদি নিরপেক্ষভাবে সঞ্চালনা করতে চাইতেন তাহলেও এটা গঠনমূলক কোন ডিবেট হতো না কারণ বক্তা দুজনেই অত্যন্ত উত্তেজিত ছিলেন এবং হাস্যকর, আক্রমণাত্মক, অর্থহীন যুক্তি দিয়েছেন। খুবই হতাশাজনক! কারণ এই দুজনেরই গঠনমূলক আলোচনা করার মত যথেষ্ট যোগ্যতা আছে কিন্তু তার প্রয়োগ করেননি, করতে পারেননি কিংবা করতে চাননি!

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of