’নারী নবী’ এবং তাহার দলবল

এই ধরণীর প্রত্যেক জাতির জন্যে নবীর আবির্ভাবের গল্প আমরা শুনিয়া থাকি, কিন্তু বাস্তবে বাঙালি জাতের মতো বহু জাতিতে কোন ধরণের নবীর আবির্ভাব কখনো ঘটিয়াছে বলিয়া ইতিহাস নাই।অথচ তাহা সত্ত্বেও কুসংস্কারাচ্ছন্ন বাঙালির ঘাড়ে একদিন আরবের কুসংস্কারাচ্ছন্ন ধর্মটি জাঁকাইয়া বসিল; জ্ঞান বিজ্ঞানের বারটা তো বাজিলোই, তাহার সহিত ইহাও পরিলক্ষিত হইলো যে ধর্মটির রচয়িতা দারুণভাবে  পক্ষপাতদুষ্ট।

আরবের আল্লাপাক সারাটি জনম ধরিয়া যে ভুল করিয়া মানবমানবীর মধ্যকার বৈষম্য বাড়াইতে বাড়াইতে হিমালয়সম করিয়া কেবলই পুরুষ তোষণ করিয়াছেন, তাহা বাঙলার সকল নারী কেন মানিয়া লইবেন? কেন তাহারা অবলা হইয়ামুখ বুজিয়াস্বামীনামের পুরুষটির সারাটি জীবন নি:শর্ত সেবা করিয়া  বেহেশত খুঁজিয়া খুঁজিয়া ক্লান্ত হইবেন? কেন মানবীকুল স্বামীর মনোরঞ্জনের নিমিত্তে বিনা শর্তে শয্যায় যাইতে অস্বীকৃতি জানাইলে আল্লাপাক বেজার হইবেন? ধর্ম অনুযায়ী মানবমানবী উভয়ের একই স্রষ্টা হইয়াও কী করিয়া আল্লাপাক স্বামীর পক্ষ লইয়া তাহার আসমানী বাণীতে কেবল পুরুষের সুখ খুঁজিয়া বেড়াইলেন? যুদ্ধ জয়ী পুরুষকে যুদ্ধবন্দী নারী উপহার প্রদান করিয়া, পারিবারিক জীবনে একহালি নারীসঙ্গ প্রদান করিয়া, নানা প্রকারের ছুতা দেখাইয়া  ইচ্ছামত বিচ্ছেদ ঘটাইয়া নতুন নারীর সঙ্গ লাভের ব্যবস্থা করিয়া, সমস্ত জীবন অতিবাহিত করিবার পর বেহেশত নামের কল্পিত স্থানে পুনরায় বাহাত্তর জন নারীর ব্যবস্থা করিয়া আল্লাপাক এই যে পুরুষের জীবনকে কেবলই নারীময় করিয়া ছাড়িলেন, তাহার সহিত বাঙলার নারী কেন আপোষ করিবেন?

কেবলই কি পুরুষ তোষণ? তীব্র দাবদাহে জীবন ওষ্ঠাগত হইলেও শির হইতে চরণ অব্দি খোলসবন্দী থাকিবার নির্দেশ কতখানি অমানবিক, তাহাও এই বাঙলার বহু নারী ঢের বুঝিয়াছেন! এমনকি খোলসবন্দী হইয়া থাকিবার আল্লাপাকের অমানবিক নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাইয়াজীবন্ত ট্যান্টউপমা প্রদান করিয়া, গুণীজন কর্তৃক গুরুত্বপূর্ণ বয়ান প্রদান করিতেও আমরা দেখিয়াছি। বাঙালি নারী, সাহসী বটে!

বাঙলার নারীর সাহসী সংগ্রামকে দ্বিমত করিবার কিছুমাত্র অবকাশ নাই। তাহারা ইচ্ছামত বস্ত্র পরিধান করিয়া ধর্মের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ করিবার অধিকার অবশ্যই রাখিবেন। কেবল বস্ত্র বাছিয়া লইবার স্বাধীনতাই নয় বরং নারীর কল্যাণের নিমিত্তে আরও বহুপ্রকারের সামাজিক দায়বদ্ধতার দায় গ্রহণ করিয়া উহার বিরুদ্ধে গনজাগরণ ঘটাইবার তরে বিবিধ সামাজিক উন্নয়নকর্ম অথবা নারীর অবরুদ্ধ জীবনকে মুক্তি দিবার তরে লেখালেখি চালাইয়া যাওয়া যে কতখানি জরুরী, তাহা নতুন করিয়া বলিবার কিছু নাই। কিন্তু আশ্চর্য হইবার বিষয় এই যে, নারীবাদী হইবার ধারিবাহিকতার পথ ধরিয়া নতুন একপ্রকারের নারীবাদী সংস্কৃতির চর্চা প্রত্যক্ষ করিয়াছি। ইহাকে আধা ইসলামিক নারীবাদী বলিলে ভুল হইবে না। যে কোন বিষয়ের সাথেইসলামথাকিলে সেখানে কিঞ্চিত করিয়া হইলেও যে কিছু গোলোযোগ ঘটিয়া থাকে, তাহা নতুন প্রকারের নারীবাদিতাতেও লক্ষ্যণীয়।

প্রিয় পাঠক, নারীবাদের সাথে নাস্তিক্যবাদের যে বেশ ভালই যোগসূত্র বিদ্যমান, তাহা এতক্ষণে নিশ্চয়ই টের পাইয়াছেন।যিনি নিজেকে নারীবাদী বলিয়া প্রচার করিয়া থাকেন, তিনি অবশ্যই ধর্মবিরোধী! কারণ নারীবাদিতার বিষয়গুলি ধর্মের সহিত পরিষ্কার সাংঘর্ষিক। কিন্তু নারীবাদকে নাস্তিক্যবাদ হইতে আড়াল করিয়া ইসলামের সহিত যোগসূত্র স্থাপন করা অনেকের কাছেই আজ খুবই জরুরী কাজ হিসেবে পরিলক্ষিত! সবকিছু বিবেচনা করিয়া সম্ভবত আল্লাপাক বাঙলার বুকে প্রথমবারের মতন নারী নবী হিসেবে একঅবাক নারীকেইমনোনীত করিলেন; যিনি দায়িত্ব নিয়াছেন নারীবাদকে ইসলামের কাছাকাছি রাখিয়া, নাস্তিককুলের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ করিয়া, মানুষের মুক্ত চিন্তার জগতকে শেকলে বাঁধিয়া, নতুন প্রকারের তরিকা আনায়ন করা! অবশ্য নবী হইতে হইলে আশেপাশে একজনওয়ারাকা ইবনে নওফেল’ থাকিলে খুবই ভাল হয়। আমরা একটুখানি চোখ-কান খোলা রাখিয়া নওফেল খোঁজ করিতে পারি।

আমরা দেখিয়াছি, রাষ্ট্রের জনগনের লেজেগোবরে ধার্মিকতার সরল সেন্টিমেন্টকে ব্যবহার করিবার প্রত্যাশায় একঅবাক ব্রাহ্মণ’ বহুকাল ধরিয়া চেষ্টা করিয়া যাইতেছেন। অবশেষে  আদিখ্যেতা ছড়ানো নতুন নারী নবীর আবির্ভাবে সেই ’অবাক ব্রাহ্মণ’ গাত্র ঝাড়া দিইয়া উঠিয়াছেন। নানা প্রকারের অর্থহীন ছলচাতুরি দ্বারা সে ইহাই প্রতিষ্ঠিত করিতে উদ্যত হইয়াছে যে: নতুন এই নারী নবীতে তাহার মুরিদেরাও ভরসা রাখিতে পারিবে।

অমনউৎকৃষ্টসাহাবী পাইবার হরষে নারী নবী দিগ্ববিদিক দিশেহারা হইবার উপক্রম! “কী করিয়া আজ ভাবিয়া না পাইটাইপের ফিলিং এর তাড়নায় শেষঅব্দি নাস্তিককুলের চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধারেই বরং মনোনিবেশ করিল নবী। উপসংহারের দিকে যাইবার আগে ইতিহাস হইতে আর কিছু গল্প করিয়া লই:

ইতিহাসের পাতায় কিমব্রিয়া নামে এক জার্মান উপজাতির নাম আলোচিত হইয়া থাকে। দক্ষিণে অগ্রসমান কিমব্রিয়াদের সহিত রোমানদের যুদ্ধ সংঘটিত হইয়াছিল খ্রিস্টপূর্ব ১১৩ সালে। সেই যুদ্ধে রোমানরা যখন সুসজ্জিত সুশৃঙ্খল সৈন্যদল , তাহার বিপরীতে কিমব্রিয়ানরা ছিল বিশৃঙ্খল, রোমনাদিগের তুলনায় তাহারা ছিল কম সমরাস্ত্র সজ্জিত; তবে তাহারা শারীরিকভাবে ছিল সুউচ্চ, মাথায় লম্বা চুল আর আদিম পোষাক তাহাদের করিয়াছিল এক ভয়ংকর দর্শন!

রোমান সৈন্যদল এই বর্বর সৈন্যদলকে সহজেই পরাজিত করিতে পারিতো যদি তাহারা দৃঢ়ভাবে দাঁড়াইয়া এবং মস্তিষ্ক ঠাণ্ডা রাখিয়া কাজ করিতো। কিন্তু এই যুদ্ধ সংঘটিত হইবার আগেই রোমান সৈন্যদল মানসিকভাবে পরাজিত হইয়া বসিয়া ছিল! কারণ, কিমব্রিয়ানদের ব্যাপারে গুজব রটিয়া গিইয়াছিল এবং গুজবের ক্ষেত্রে যাহা হয় আর কি, কিমব্রিয়ানদের ব্যাপারেও তাহাই ঘটিল।  কিমব্রিয়ানরা সংখ্যায় বিপুল, বিশাল উচ্চতা, ভয়াবহ শক্তিমত্তা ইত্যাদি নানা বিষয় যুদ্ধের আগেই প্রচার হইরার দরুণ কিমব্রিয়ানরা রীতিমত দানব হিসেবে রূপায়িত হইল! ফলে ভয়ানক চিৎকার করিতে করিতে কিমব্রিয়ানরা যখন রোমানদিগকে অতর্কিত আক্রমণ করিয়া বসিল, সুসজ্জিত রোমান সৈন্যদল ভীত হইয়া যুদ্ধক্ষেত্র হইতে পলায়ন করিতে লাগিল।

ইতিহাসের বহু বিষয় ধর্ম আপন করিয়া, উহার সহিত আরো কিছু রঙ চড়াইয়া বুকে টানিয়া লইয়াছে। যেমন: আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেটের জীবনের ইচ্ছা হইয়াছিল তিনি পৃথিবীর শেষ প্রান্তে পৌঁছাইবেন, ব্যাস, এতটুকু শুনিয়াই ধর্ম তাহার গল্প বানাইয়া ফেলিল যে, জুলকারনাইন পৃথিবীর শেষ প্রান্তে পৌঁছাইয়া কর্দমাক্ত জলাশয়ে সূর্য ডুবিতে দেখিল! (সূরা ১৮: কাহফ, আয়াত ৮২৮৩) সূর্য ডুবা যেমনতেমন, গল্পের স্রষ্টা ইহাই জানিতো না যে, পৃথিবীর শেষ প্রান্ত বলিয়া আসলে কিছুই নাই! (স্ফেরয়েড কোন বিষয়ের শেষ প্রান্ত হইতে পারে না)

অনুরূপ, কিমব্রিয়ানদিগকে দানব জাতীয় কিছু একটা মনে করিয়া রোমানরা যে গল্প রটাইয়া দিয়াছিল ইতিহাসের পাতায়, তাহাই কি শেষ পর্যন্ত আরব জাতির কাছে ইয়াজুজমাজুজ দানবের গল্পে পরিগণিত হইয়াছিল? কিমব্রিয়ানদের ভাষা অনেকটা বররবররবরর উচ্চারণজনিত কারণে অস্পষ্ট লাগিত, তাই তাহাদেরকে তাদের শব্দ উচ্চারণের সহিত মিল রাখিয়া বলা হইতোবর্বর যদিও জুলকারনাইন বা আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেটের সহিত কিমব্রিয়ানদিগের কোন সম্পর্ক নাই, তথাপিঐশী গল্প’ কি তবে কিমব্রিয়ানদেরকে আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেটের সহিত গুলাইয়া দিল! (সূরা ১৮: কাহফ, আয়াত ৯৪ দ্রষ্টব্য)

সে যাহাই হোউক, আরবের গল্প অনুযায়ী ইয়াজুজমাজুজ হইতে রক্ষা পাইতে হইলে ঈসা নবীর আগমন ঘটা অপরিহার্য। একইভাবে নাস্তিককুলের অপ্ররোধ্য লাইভ অনুষ্ঠান আর দানবীয় (শক্তিশালী অর্থে) লেখালেখি হইতে নিষ্কৃতি পাইতে যেবিলাতি ইসা নবী আবির্ভাব ঘটিয়াছেনব্য ইসলামআরঅবাক ব্রাহ্মণে সহিত, তাহারা সকলে সংবদ্ধ হইলেই কি পারিবে ধর্মের ভন্ডামীর বিরুদ্ধে সকল লেখালেখি চিরতরে বন্ধ করিয়া দিতে?

নাস্তিকতার মানেই হইতেছে সমালোচনা করিবার অধিকার, হুমায়ুন আজাদের নিকট হইতে ধার করিয়া যদি বলি, যাহা আপনি শুনিতে চান না, তাহা বলিতে পারার অধিকারের নামই বাকস্বাধীনতা।

বাকস্বাধীনতার অধিকারটুকুর কী সীমারেখা টানিয়া দেয়া যায়? না, বাক স্বাধীনতার কোন সীমারেখা টানিয়া দেয়া যায় না, তবুও যে বক্তব্য মানব-মানবীর বেঁচে থাকার অধিকারকে ছিনাইয়া লয়, কালো হোউক অথবা সাদা হোউক, কুকুর-বেড়াল কিংবা প্রাণীজগতের কোন নির্দিষ্ট ধরণের প্রাণীর অস্তিত্ব যদি হুমকির মুখে পড়িয়া যায়, তবে সেইসব বক্তব্য বা মতবাদের বাকস্বাধীনতার সীমা টানিয়া দেয়া যায়।

ধর্মগ্রন্থগুলি, ধর্মগ্রন্থগুলির বাহক এবং ধারকগন নিয়মিতই কাফের-ইহুদী-নাসারা হত্যা করিবার নির্দেশ সম্বলিত বহু বাণী তাহাদের প্রার্থনায় নিয়মিতই পাঠ করিয়া থাকে; কেহ কেহ সেইসব নির্দেশ আধুনিক এই বাস্তব জীবনেও সংঘটিত করিতে উদ্যত হইয়া থাকে, কাজেই এই সব উগ্র ধর্মগ্রন্থ, উগ্র ধর্মগ্রন্থের বাহক এবং উগ্র ধারকদের তীব্র সমালোচনা কিংবা স্যাটায়ার করা অবশ্যই চলিবে। কারণ, সরল মানুষদিগকে ধর্মের অন্ধকার ছাউনী হইতে বাহির করিয়া আলোর মুখ দেখাইতে হইবে। ধর্ম যে কিছুতেই মানব জীবনের মুক্তির পথ হইতে পারে না, ধর্ম যে কোন অবস্থাতেই অলৌকিক হইতে পারে না, কথিত অলৌকিক বাণী যে মানুষদিগকে হত্যা করিবার তরে প্ররোচিত করিতে পারে না, কুকুরের গায়ের রং কালো হইলেই যে উহাদের হত্যা করা যায় না, তাহা যুক্তি প্রমাণ দিয়া, মানবিক সমস্তবোধগুলি একত্রিত করিয়া কালো কালো অক্ষরে ঝংকার তুলিয়া বার বার সম্মুখে আনা হইবে। সুতরাং এটা খুবই স্পষ্ট যে, নাস্তিকতার বক্তব্য কখনোই উগ্র হইবার নয়। বরং ধর্মের ধার্মিকতার মাত্রা বাড়িতে থাকিলেই উগ্রতা স্থান করিয়া লয়।

আমরা দেখিয়াছি, নাস্তিকতার বক্তব্য কখনোই মানুষদিগকে হত্যা করিবার নিমিত্তে জনবহুল ফুটপাথে ট্রাক উঠাইয়া দেয় না, উড়োজাহাজ লইয়া বিল্ডিং এর ভিতরে ঢুকিয়া যায় না, ৬৪ জেলায় একযোগে বিস্ফোরণ ঘটাইয়া নিজেদের অস্তিত্বের হিংস্র জানান দেয় না, জাকির মিয়াদের বক্তব্যে অনুপ্রাণিত হইয়া হলি আর্টিজানে রক্তের স্রোত বহিয়া দেয় না। সুতরাং বিলাতি ইসা নবীর ওয়ালে তাহার এক উম্মত ”নাস্তিকতা” শব্দটির পূর্বে অর্থহীন বিশেষণ জুড়িয়া দিইয়া যাহা পোস্টাইলেন, তাহা রীতিমত ইতর কর্ম বলিয়াই অনুভূত হইল।

নাস্তিকতা; স্বতন্ত্র্য এই শব্দটির আগে অর্থহীন বিশেষণ যুক্ত করিয়া উম্মত তাহার নবীকে হয়তো মুগ্ধ করিতে পারিবেন, কিন্তু তাহা কখনোই নাস্তিক্যবাদ চর্চার সহিত যুক্তিসঙ্গত কারণেই কোনদিন যুক্ত হইবে না। সুতরাং প্রতিটি মানুষের জীবন রক্ষা করিয়া, যে কোন রঙের কুকুর বেড়ালের বাঁচিয়া থাকার অধিকারটুকু নিশ্চিত করিয়া, দ্বিধাহীনভাবে ধর্ম, ধর্মের সুবিধাভোগী, ধর্মের দালাল, ধর্মের ইতর চরিত্র, ধর্মের বাণী, তাহার রীতিনীতি সমস্ত কিছুর সমালোচনা করিয়া যাইবে আজকের নাস্তিক্যবাদ।

এখন প্রশ্ন হইতে পারে, একজন নাস্তিক কোন্ ধর্মের সমালোচনা করিবেন? এমন কোন কিছু বাধ্যবাধকতা কি থাকিতে পারে? না, নাস্তিক্যবাদ চর্চায় এই বাধ্যবাধকতাকে বাকস্বাধীনতার হরণ হিসেবে পরিগণিত হইবে।

বাঙলাদেশের বুকে একটি গানের কনসার্টের মঞ্চে দাঁড়াইয়া চাইনিজ গান গাহিলে যেমন শ্রোতার জীবনের আবেদন কখনোই মিটিয়া যাইবে না, সেইরূপ এই পৃথিবীর একজন নাস্তিক মানুষ কোন্ ভাষার মানুষের জন্যে, কোন্ ধর্মের সমালোচনা করিয়া, তাহার পাঠককে আলোর মুখ দেখাইবেন, তাহা লেখকের একান্তই ব্যক্তিগত বিষয়।

[ সাধু চলিত মিশ্রণ দূষণীয়, বাঙলা লিখায় ইংরেজী শব্দ প্রয়োগ দূষনীয়, তবুও কোথাও ইচ্ছেকৃত কিংবা অনিচ্ছাকৃত ব্যকরণগত ত্রুটি হইয়াছে, তাহার জন্যে সকল বাঙলা ভাষার মানুষের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী]

1
Leave a Reply

avatar
1 Comment threads
0 Thread replies
0 Followers
 
Most reacted comment
Hottest comment thread
1 Comment authors
Humayun Recent comment authors
  Subscribe  
newest oldest most voted
Notify of
Humayun
পথচারী
Humayun

নারী নবী যে অংশের উদৃতি দিয়ে পর্ণোগ্রাফিক লেখা বলছিলেন সেটিতো কোন লেখকের নিজস্ব ববর্ননা নয়, ওই অংশটি সহী হাদীসের, নারী নবীর সেটি জানার কথা।