লেখার জন্য মানুষ হত্যা বাংলাদেশে নতুন নয়।

লেখার জন্য মানুষ হত্যা বাংলাদেশে নতুন নয়। মানুষ লেখার মাধ্যমে তার মতপ্রকাশ করে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা শুধু আমাদের সাংবিধানিক অধিকার নয়, মানবিধিকারও বটে। বাংলাদেশের সংবিধানের আর্টিকেল ৩৯ আমাদেরকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দিয়েছে। ইউনিভার্সাল ডিক্লারেশন অফ হিউমান রাইট (UDHR) এর আর্টিকেল ১৯ আমাদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার কথা বলেছে। আবরার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার মতপ্রকাশ করেছে। এটা তার অধিকার। যদি সে বেআইনি কিছু প্রকাশ করে, দেশে আইন আছে, আদালত আছে, বিতর্কিত ডিজিটাল সিকিউরিটি এক্ট আছে। তাকে হত্যা করার অধিকার কারো নেই। তার জীবনের অধিকার হত্যার মাধ্যমে হরন করা হয়েছে। লেখার অপরাধে জনপ্রিয় লেখিকা তাসলিমা নাসরিন প্রায় দুই দশক দেশান্তরী। বিশিষ্ট লেখক দাউদ হায়দার তিন দশকের অধিক সময়। নিকট অতীতে জনপ্রিয় লেখক জাফর ইকবালকে মারাত্মক ভাবে আক্রমণ করা হয়েছে।মৌলবাদীরা তার লেখা পছন্দ করেন না তাই। তাকে ইসলামের শত্রু বলেছে। মৌলবাদীরা প্রথা ভাঙ্গার প্রিয় লেখক হুমায়ুন আজাদকে হত্যা করেছে তার লেখার জন্য। ধর্মনিরেপেক্ষ ব্লগারদের নির্বিচারে হত্যা করা হলো শুধুমাত্র তাদের লেখার জন্য। তারা লেখনীর মাধ্যমে তাদের মতপ্রকাশ করেছিল। মতপ্রকাশের অপরাধে হত্যা, রক্ত , লাস দেখতে দেখতে ক্লান্ত।বিচারহীনতা অপরাধীদের লালন করছে। আমার দেশ কেন মৃত্যুর উপত্যাকা হলো ?

ফেসবুক মন্তব্য

৪ thoughts on “লেখার জন্য মানুষ হত্যা বাংলাদেশে নতুন নয়।

  1. গণতন্ত্রের অন্যতম ধারক হলো বাক স্বাধীনতা । গণতন্ত্রে বাক স্বাধীনতা চর্চার মাধ্যমে রাষ্ট্র উন্নয়নে সহায়ক হয় । রাষ্ট্র কাঠামোতে বাকস্বাধীনতার মাধ্যমে সাধারণ জনগনের দেশ গঠনে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয় ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 83 = 85