প্রকৃত ইসলাম জানার জন্যে বাংলাদেশী মুমিনাদেরকে সৌদি পাঠানো হোক

ইদানিং বাংলাদেশের নারীদের মধ্যে ইসলাম প্রীতি সীমাহীন বৃদ্ধি পেয়েছে। বোরখা হিজাব ছাড়া তার বের হয় না। সারাক্ষন মুুখে বিসমিল্লাহ , আল হামদুলিল্লাহ , সুবহান আল্লাহ ইত্যাদি লেগেই আছে। অথচ তারা যে আসলে ইসলাম জেনে এটা অনুসরন করে , তা মনে করার কোন কারনই নেই। বরং প্রায় সবগুলোই ধর্ম সম্পর্কে অন্ধকারেই আছে। তারা প্রকৃত ইসলাম তো দুরের কথা , একমাত্র নামাজ রোজা হজ্জ কোরবানী ছাড়া ইসলামের আর কিছুই জানে না।

ইসলামের একটা বিধান আছে সেটা হলো – দাসীদের সাথে যৌন কাজ করা বা তাদেরকে ধর্ষন করা বৈধ। সুরা মুমিনুনের ৫-৬ নং আয়াতেই সেই বিধান দেয়া আছে। দাসপ্রথা রদ করার কোন বিধান কোরানে আল্লাহ দেয় নি। তাই দাসপ্রথা আজও ইসলামে বৈধ। ইহুদি নাসারারা যে দাসপ্রথা রদ করেছে , সেটা মুসলমানরা মানতে বাধ্য নয়।

বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে যে সব বাংলাদেশী নারী কাজ করতে যায় , তারা দুই বা তিন বছরের একটা চুক্তি করে , সেখানে যায় , যা বস্তুত: দাসত্বের চুক্তি। সৌদিরা সেটার মাধ্যমে বস্তুত: দুই তিন বছরের জন্যে বাংলাদেশী নারীটাকে দাসী হিসাবে ক্রয় করে নেয়। অত:পর তারা কোরানের বিধান মেনে সেইসব নারীদেরকে ধর্ষন করে। সৌদি আরবে শরিয়া প্রতিষ্ঠিত থাকায় , এসব ধর্ষনের কোন বিচার হয় না। কারন দাসীর সাথে সেক্স বা দাসী ধর্ষন শরিয়া বিধানে অপরাধ হিসাবে গন্য করা হয় না।

কিন্তু বাংলাদেশের মুমিনারা এসব বিশ্বাস করতে রাজী নয়। তাদের বক্তব্য এভাবে নারীকে ধর্ষন করা ইসলাম বিরুদ্ধ। সুতরাং তাদেরকে খাটি ইসলাম জানানোর জন্যে অতি সত্ত্বর গৃহকর্মি হিসাবে সৌদি আরবে প্রেরন করা যেতে পারে। তা না হলে , তাদের এই ইসলাম প্রীতির কোন অবসান হবে বলে মনে হয় না।

 

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 8 = 9