কাবা বিষয়ক একটা জটিল প্রশ্ন

খৃস্টান আবরাহা বাদশা যখন ৫৭০ খৃস্টাব্দে কাবাঘরে ৩৬০-টি মূর্তিপুজার বদলে একেশ্বরবাদী খৃস্টান ধর্মের পক্ষে কাবাঘর ভাঙতে এলো, যখন আবাবিল পাখি দিয়ে আল্লাহ একেশ্বরবাদী আবরাহাকে ধ্বংস করে দিলেন, ৩৬০-টি মূর্তিসহ কাবাঘরকে রক্ষা করলেন। মূর্তিগুলো কিন্তু ধ্বংস করলেন না!
 
অপর দিকে ১৯৭৯ সনে সৌদি জোহাইমান আল ওতাইবি, আল-কাহাতানি ও তার লোকজন কাবাঘর অবরোধ করেন। জোহাইমান দাবি করলেন, এই মোহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল কাহতানিই হচ্ছেন ‘ইমাম মাহদী’। সৌদি সরকার সেখানে হাজার হাজার সৈন্য এবং কমান্ডো পাঠায় মসজিদ পুনর্দখলের জন্য। পাঠানো হয় সাঁজোয়া যান। মক্কার আকাশে উড়তে থাকে যুদ্ধ বিমান। অনেক রক্তারক্তি ও মানুষ নিহতের পর জঙ্গীদের নেতা জোহেইমানসহ ৬৩-জনকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়।
 
৬৮৩ সালে উমাইয়া শাসক ইয়াজিদের আক্রমণে আগুনে কাবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ৬৯২ সালে হাজ্জাজ বিন ইউসুফের আক্রমণে পাথর নিক্ষেপ করে কাবা ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়। ৯৩০ সালের হজ্বের সময় কারামতিয়রা কাবায় সন্ত্রাসী আক্রমণ করে। হাজীদের খুন করে লাশ জমজম কূপে ফেলে দেয়। এরপর তারা ‘কালো পাথর’ চুরি করে নিয়ে যায়। প্রচণ্ড বৃষ্টিতে ১৬২৯ সালে প্রচন্ড বন্যা হয় মক্কায়, তখন বন্যায় কাবার দেয়াল ধসে যায়।
:
উপরোক্ত বর্ণনায় দেখা যায়, আল্লাহ তার প্রিয় ঘর কাবাকে রক্ষার জন্য কখনো সরাসরি হস্তক্ষেপ করেননি, কেবল আবরাহা বাদশাকে ধ্বংস ছাড়া! বড়ই বিস্ময়কর ব্যাপার!
ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

45 + = 51