ভালোবাসার ধারনা ও অধিকার

(এক) ভালোবাসা মানুষের একটি সহজাত বিষয় বা অধিকার। কারন মানবাধিকারের ধারনা উৎপত্তি থেকে আমরা এই অধিকারের বিষয়টি দেখতে পায়। আপনাদের হয়তো অনেকে জানেন বা অনেকে জানেন না। বিয়ে বা বিবাহ করার অধিকার কিন্তু বাংলাদেশের সংবিধানে কোথাও নেই। সংবিধানের দ্বিতীয় অধ্যায় সেই মৌলিক নীতিতেও না, তৃতীয় অধ্যায় মৌলিক অধিকারেও নেই।

(দুই) বিবাহের ধারনা বা অধিকারের কথা সুষ্পষ্ঠভাবে বলা আছে ১৯৪৮ সালের ১০ই ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক গৃহিত সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষনাপত্রে। এই দলিলে অনুচ্ছেদে-১৬ তে বলা আছে-
১) ধর্ম, গোত্র ও জাতি নির্বিশেষে সকল পূর্ণ বয়স্ক নরনারীর বিয়ে করা এবং পরিবার প্রতিষ্ঠার অধিকার রয়েছে। বিয়ে, দাম্পত্যজীবন এবং বিবাহবিচ্ছেদে তাঁদের সমান অধিকার থাকবে।
২) বিয়েতে ইচ্ছুক নরনারীর স্বাধীন এবং পূর্ণ সন্মতিতেই কেবল বিয়ে সম্পন্ন হবে।
৩) পরিবার হচ্ছে সমাজের স্বাভাবিক এবং মৌলিক গোষ্ঠী-একক, সুতরাং সমাজ ও রাষ্ট্রের কাছ থেকে নিরাপত্তা লাভের অধিকার পরিবারের রয়েছে।

(তিন) মানুষে মানুষে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ১৪ ফেব্রুয়ারি উদযাপনের উৎপত্তিস্থল হচ্ছে ফ্রান্সে’র Saint-Valentin নামক ছোট্ট গ্রামে। আর এই ভালোবাসা বোধ থেকে বিয়ে বা বিবাহের অধিকার স্থান পেয়েছে সার্বজনীন মানবাধিকারের ঘোষনাপত্রে। তাই প্রতিটি মানুষের ভালোবাসার অধিকার রয়েছে এবং থাকবে।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of