প্রিয় নেতা সন্তু লারমার জন্মদিন: শাসক শ্রেণীর মিথ্যাচার ও বানোয়াট প্রোপাগান্ডা | বাচ্চু চাকমা

এক

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ইন্ডিয়ার নর্থ ইস্ট নাও অনলাইন পত্রিকায় “Bangladesh: Push for Chittagong Hill Tracks Accord” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে বলে জানা গেল। আর এরপরে ‘কুরো মুওত ইজে পরে পা’ (অর্থাৎ মোরগের মুখে চিংড়ি পড়ার মত) ঐ খবরের বরাত দিয়ে বাংলাদেশের অনলাইন পোর্টাল ও ফেইসবুক মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে “শান্তিচুক্তি পূর্ণ বাস্তবায়নে ভারতের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সন্তু লারমা” শিরোনামে প্রতিবেদন।

ব্যাপারটা দেখে মনে হচ্ছে, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমা চিকিৎসার জন্যে বিদেশে গেলেও যেন একটি বিশেষ মহলের ঘুম হারাম হয়ে যায়। ফলে ঐ খবরের মিশেল দিয়ে সাথে কিছু দুরভিসন্ধিমূলক গাঁজাখুড়ি গল্পও ফাঁদা হয়েছে রীতিমত। ফেইসবুক মিডিয়ায় এবং অনলাইন পোর্টালগুলোতে এ নিয়ে মিথ্যাচার ও বানোয়াট প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে যা ভিত্তিহীন বক্তব্য ছাড়া কিছুই নয়। এতে উল্লেখ করা হয় যে, “১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সন্তু লারমার নেতৃত্ব সকল ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলো মেনে না নিয়ে সশস্ত্র সংগ্রামে লিপ্ত হয়। ফলে চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এখনো সমাপ্ত করা সম্ভব হয়ে উঠেনি।” এধরনের ভূঁয়া ও বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন করে সংবাদপত্রের নৈতিক মানদন্ডকে আজ অত্যন্ত নীচু পর্যায়ে নিয়ে আসা হচ্ছে বলে আমি মনে করি। অপরদিকে জনসংহতি সমিতির নেতা সন্তু লারমার অভিযোগ, “সরকার চুক্তি বাস্তবায়নে আগ্রহী নয়, তারা বিশ্বাস ভঙ্গ করেছে।” বলাবাহুল্য, নিজের ইচ্ছানুযায়ী বা মনগড়া একটা সংবাদ পরিবেশন করে কিছু সময়ের জন্য মানুষকে বিভ্রান্ত করা যায়, কিন্তু তার চেয়েও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় সংবাদমাধ্যম ও শাসকগোষ্ঠীর ভাবমূর্তি। আজকাল মানুষ কোন বোকা নয়, তথ্য ও প্রযুক্তি অনেক এগিয়েছে। গোটা দুনিয়া এখন মানুষের হাতের মুঠোয়।

প্রিয়নেতা সন্তু লারমাকে নিয়ে পার্বত্যনিউজ২৪.কম ও PROTHOMBANGLADESH.NET সহ আরও অনেক ভূয়া সংবাদপত্রে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রিয়নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যার বেসাতি করা হচ্ছে। সন্তু লারমার প্রতি জুম্ম জনগণের আস্থা, বিশ্বাস ও জনপ্রিয়তার উপর সন্দেহের বিষ ঢালবার ব্যর্থ অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। আমার জানামতে, সন্তু লারমা মূলত বিদেশে বিশেষত ভারতে যান চিকিৎসার জন্য। ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ উক্ত সংবাদ এর বিষয়ে জনসংহতি সমিতির তথ্য ও প্রচার বিভাগ কর্তৃক প্রচারিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমার মাতৃ-পিতৃ তর্পণ ও ধর্মীয় আচারাদি সম্পাদন উপলক্ষে ভারত গমন..” করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ পত্রিকায় শিরোনাম করা হলো “চুক্তি পূর্ণ বাস্তবায়নে হস্তক্ষেপ কামনা করতে ভারতে গেলেন সন্তু লারমা”।
বলাবাহুল্য, এধরনের ভূয়া সংবাদ পরিবেশন করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা যায় না। একজন সত্যিকার জনগণের নেতা হিসেবে সব সময় বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছিলেন তিনি। জীবনে কখনও কোনদিন শাসকগোষ্ঠীর কাছে হার মানেননি এবং আপোষ করেননি। পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর সন্তু লারমাকে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রীর প্রস্তাব করেছিলেন সরকার। কিন্তু সেই মন্ত্রীত্বকে প্রত্যাখান করে দীর্ঘ বছরের পর বছর ধরে আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান এর দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন জুম্ম জনগণের সামগ্রিক স্বার্থে। কিন্তু তাতেও যেন শাসক ও ষড়যন্ত্রকারী মহলের ষড়যন্ত্রের শেষ নেই। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা সেখানেও যেন সন্তু লারমাকে দেখতে চায় না, কুৎসা রটনা করে চলে প্রতিনিয়ত।

সন্তু লারমা তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রম, ঘাম ও রক্তের বিনিময়ে পার্বত্যাঞ্চলের পশ্চাৎপদ, গুণেধরা সমাজের সহজ-সরল জুম্ম জনগণকে ভালবেসেছেন গভীরভাবে। সেই সাথে সারা বাংলাদেশের আদিবাসী ও বাংলার খেটে খাওয়া নিপীড়িত মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে লড়েছেন আপোষহীনভাবে। শাসকগোষ্ঠীর রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে তিনি প্রতিনিয়ত নিপীড়িত মানুষের অধিকারের জন্য ভূমিকা পালন করে চলেছেন। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম জুম্ম জনগণের প্রাণের নেতা, তাদের একমাত্র আশা-ভরসার প্রতীক, যাকে ঘিরে জুম্ম জনগণ আগামীর স্বপ্ন বুনেন, স্বপ্ন দেখেন বেঁচে থাকার ও এগিয়ে যাবার। সেই আমাদের জুম পাহাড়ের এখনও জীবন্ত কিংবদন্তী সন্তু লারমাকে নিয়ে শাসকমহলের নানাবিধ অপপ্রচার অব্যাহত রয়েছে।

পাহাড়ের যেকোন ঘটনা হলেই নিশানা শুধুমাত্র সন্তু লারমার দিকে! সন্তু লারমা বিদেশে গেলেও শাসকগোষ্ঠীর ঘুম হারাম হয়। প্রিয়নেতার বিরুদ্ধে নানা ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে অনলাইন পোর্টালগুলোতে করা হয় মিথ্যার বেসাতি। সবাই জানে, আজ গোটা পাহাড় জুড়ে চলছে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের দুঃশাসন তথা সেনাশাসন। এখানে সন্তু লারমার শাসন চলে না। সেনাবাহিনীর একজন সাধারণ সদস্যও এখন সন্তু লারমার চেয়ে অনেক ক্ষমতাবান। পাহাড়ে খুন, গুম, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী সকল কর্মকান্ডের দোষ চাপানো হয় সন্তু লারমার উপর। অথচ শাসকশ্রেণি এখন খেয়াল খুশিমত পার্বত্য চট্টগ্রামে দমন-পীড়ন চালিয়ে যাচ্ছেন। শাসকশ্রেণির এধরনের স্বৈরাচারী আচরণ জুম্ম জনগণের অস্তিত্বের হুমকি ছাড়া কিছুই নয়।
আমি সকলের প্রতি আহ্বান জানাই, আমরা অধিকারহারা, অধিকারের জন্য লড়াই করছি, আমাদের আন্দোলন কোন বাঙালি জাতির বিরুদ্ধে নয়, আমাদের আন্দোলন উগ্র বাঙালি জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িকতাবাদ, মৌলবাদ ও ইসলামী সম্প্রসারণবাদেরই বিরুদ্ধে। যারা আমাদের অধিকার দেয় না, আমাদেরকে বঞ্চিত করে রাখতে চায় তাদের বিরুদ্ধেই আমাদের আন্দোলন।

দুই

এবার আসি নিপীড়িত জুম্ম জনগণ তথা সারা বাংলাদেশের আদিবাসীদের প্রাণপ্রিয় নেতা শ্রী জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমার আজ ৭৮তম (প্রাতিষ্ঠানিক সনদ অনুযায়ী ৭৬তম) জন্মদিন বিষয়ে। আর এই দিনটি কাকতালীয়ভাবে ‘বিশ্ব ভালবাসা দিবস’ হিসেবে এ যুগের মানুষের জন্য বিশেষ একটি দিনও বটে। আজকের দিনের মুক্তিকামী আদিবাসী মানুষের অন্যতম জনপ্রিয় এক নেতা, বিশ্বের শোষিত মানুষের মুক্তিসংগ্রামের অন্যতম জ্বলন্ত প্রতীক সন্তু লারমা। আশ্চর্য উদ্দাম-বেগে সংগ্রামের প্রত্যেক আকাশে, সূর্যদীপ্তিরক্তের তরঙ্গে ভেসে আসে, পার্বত্য চট্টগ্রামের এক প্রান্ত হতে অপর প্রান্তে, যেখানে মুক্তির লড়াই সেখানেই, আমাদের এই প্রিয়নেতা সন্তু লারমা। তাঁর মধ্যে নির্ভীক মন, লৌহদৃঢ় সংকল্প, অটল এবং সমস্ত বাধাবিপত্তি লঙ্ঘনে অকুতোভয়, দাসত্ব ও নির্যাতনের প্রতি সুতীব্র ঘৃণা, সংগ্রামের হৃদয়াবেগ যা পর্বতকে টলিয়ে দেয়, জুম্ম জনগণের সৃজনীশক্তিতে অপরিসীম আস্থা ও বিশ্বাস, বিশাল সাংগঠনিক প্রতিভা এসবই প্রিয়নেতা সন্তু লারমার মধ্যে অপূর্বভাবে মূর্ত হয়ে উঠেছে, যা নিপীড়িত মানুষের প্রাণপ্রিয় নেতা হিসেবে গোটা বিশ্বের গরীব মানুষের কাছে সমাদৃত এবং প্রশংসিত।

আজ বিশ্ব ভালবাসা দিবস। সেই সাথে এদিনে নিপীড়িত জুম্ম জনগণের প্রাণপ্রিয় নেতা জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমার আজ শুভ জন্মদিন। দুটোই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ এবং অপরিহার্য। ভালবাসাকে স্বীকৃতি ও সমৃদ্ধ করার অন্যতম একটি দিন ১৪ ফেব্রুয়ারি, বিশ্ব ভালবাসা দিবস। বিশ্ব মানেই সমগ্র মানব সমাজ তথা যাকিছু বস্তুময় তাকেই বুঝানো হয়। সেই বস্তুময় বিশ্বের অন্যতম একটি অংশ হলো মানব সমাজ। বৃহত্তর মানব সমাজের ক্ষুদ্রতম একটি অংশই হচ্ছে আমার মাতৃভূমি প্রিয় পার্বত্য চট্টগ্রাম। যেখানে যুগ যুগ ধরে বিজাতীয় শাসকগোষ্ঠীর শাসন শোষণ চলছে। যেখানে সত্যিকার ভালবাসা খুঁজতে গিয়ে পাগলের মতই ছুটে বেড়িয়েছিলেন পার্বত্যাঞ্চলের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে প্রিয়নেতা সন্তু লারমা। তাঁদের সেই মাতৃভূমি তথা সমগ্র বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের প্রতি নিখাঁদ ভালোবাসা আজ স্মরণযোগ্য। সেই প্রিয় পার্বত্য চট্টগ্রামের দুঃখী মানুষদের প্রতি ভালবাসা একান্তই নিজের হলেও কথা আছে। ব্যক্তিগত উদ্যোগ আর সমষ্টিগত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই ভালবাসার প্রকৃত অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত হতে পারে। আজ কামনা করি তাই হোক।

জীবনের সাথে জীবন মেলাতে মানুষের নিরন্তর সংগ্রাম চলে এখানে। নিখাঁদ ভালোবাসার টানে আজ আমরা প্রিয় আবাসভূমির ছায়ায় সুশীতল হয়ে প্রকৃত ভালবাসার জালে আবদ্ধ। সত্যিকার ভালোবাসার হিসাব-নিকাশ করা হয় এখানে। ভালোবাসা মানেই পরস্পরের প্রতি সহযোগিতা, সহমর্মিতা, সহানুভূতি, স্নেহ, মানুষের দরদপূর্ণ ও বিনয়ী ব্যবহার, মায়া মমতা এই তো সত্যিকার ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ। প্রিয় পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতি শাসকগোষ্ঠীর নির্মম ও নিষ্ঠুর আচরণে ছারখার, ক্ষতবিক্ষত ও বিলুপ্ত প্রায় আমাদের প্রকৃত ভালোবাসা। আমাদের সমগ্র জুম্ম সমাজের প্রাণস্পন্দন আজ হাহাকার ও মরুভূমির মতই। মরুভূমিতে কখনও ফুল ফোটে না, তারপরও জীবনের সাথে জীবন মেলাতে কতই না সংগ্রাম, জীবনকে সাজাতে আর জীবনকে বাঁচাতে এখানকার মানুষ প্রতিটি মুহূর্তে সংগ্রামে লিপ্ত রয়েছে। আজকের চলমান বিশ্ব বাস্তবতায় নিখাঁদ ভালবাসা মানুষের কাছ থেকে পাওয়া শুধুমাত্র কষ্টকর নয়, কঠিনও বটে।

প্রিয় মাতৃভূমি পার্বত্য চট্টগ্রাম আজ খুবই বিপদগ্রস্ত। পার্বত্য চট্টগ্রামকে নিয়ে গভীর ভালবাসার উপলদ্ধি করার মানুষ খুবই কম। সেই সুযোগে আজ বিজাতীয় শাসকগোষ্ঠী আমাদের মাথার উপর চেপে বসে আছে। দূর্বলের উপর সবলের অত্যাচার এতই নির্মম ও নিষ্ঠুর বাস্তবতা যার কারণে প্রকৃত ভালবাসা এখানে অর্থহীন।
প্রকৃত ভালবাসা বা সত্যিকার ভালবাসার কোন মূল্যায়ন এযুগে হয় না। পরস্পরের দুঃখে দুঃখী হওয়া, কষ্টগুলো ভাগাভাগি করা, কারোর অসহায়ত্ব দেখে সহায় হওয়া, সকলের প্রতি কল্যাণ কামনা করা, পরস্পরের প্রতি দরদপূর্ণ ব্যবহার ও ভালবাসা প্রদর্শন করা, ন্যায়-অন্যায়বোধকে জাগ্রত করে ন্যায়ের প্রতি অবিচল থাকা, মানব সমাজ সম্পর্কে কল্যাণমুখী চিন্তাই হল মানবতা বা সত্যিকার অর্থে ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ। মানুষের মধ্যে ভেদ না করে মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখা, ধনী-গরীবের ভেদাভেদ না করা, নারী পুরুষের ভেদাভেদ না করা, জাতিতে জাতিতে ভেদাভেদ না করা, ধর্মে ধর্মে ভেদাভেদ না করা, এটাই তো সত্যিকার ভালবাসা। এই প্রকৃত ভালবাসা সমগ্র মানুষের মাঝে বিলিয়ে দেওয়ার জন্যে সংগ্রাম চলে নিরন্তর গতিতে। যেখানে নেতৃত্বের অগ্রভাগে রয়েছেন আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা শ্রী জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা।

জানি, বাস্তবতা বড়ই কঠিন। তারপরও আমরা পার্বত্যবাসী কেউ বসে নেই, নেতার দেখানোর পথ বেয়ে চলার আপ্রাণ চেষ্টায় রয়েছি। আজকে জুম্ম জাতির এই সংকট সময়ে শুধু প্রিয় নেতা সন্তু লারমাই জাগ্রত নন, তাঁর সাথে শতশত তরুণ-তরুণী আজ জাগ্রত হয়েছে। আমি আশাবাদী, প্রিয় নেতার দেখানো পথ বেয়ে আমাদের সংগ্রাম এগিয়ে চলবেই। হয়তোবা কেহ আগে আর কেহ পিছনে পড়ে রবে। তারপরও সামনে আর পেছনের দুটো শক্তির একদিন নয় একদিন সমন্বয় সাধন ঘটবেই। এই সম আর অসম ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার ফলে বিশ্বের অজেয় শক্তি উদিত হবে। জুম্ম জাতির মুক্তির পথ কেউ রোধ করতে পারবে না। সবশেষে, কামনা করি, সব সময় ভাল থাকুন, সুষ্ঠু থাকুন, সংগ্রামী জীবন দীর্ঘজীবী হোক, স্যার।

শুভ জন্মদিন প্রিয় স্যার……!

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of