বিধর্মীকে ভালোবাসলে ধর্মের কি ক্ষতি হয় ।

মানুষ মানুষকে ভালোবাসবে এটাই স্বাভাবিক। ভালোবাসা ধর্ম, বর্ণ ও গোত্র দেখে হয় না। এ গ্রহ সৃষ্টির সূচনা থেকে মানুষ মানুষকে ভালোবাসে। ভালোবাসা জন্য মানুষ সব করতে পারে। মরতেও পারে, বাঁচতে ও পারে। ভালোবেসে মানুষ নিঃস্ব হয় । ভালোবাসার মানুষের জন্য কত প্রেমিক /প্রেমিকা আত্মহত্যা করেছে ইতিহাস তার সাক্ষী। ভালোবাসা মানবিক হৃদয়ের বহিঃপ্রকাশ। শাহজাহান ভালোবাসার জন্য তাজমহল বানিয়েছেন। টাইটানিক মুভির গল্প ভালোবাসার প্রতীক। হাজার বছরের ভালোবাসার ইতিহাসকে ধর্মীয় বিধিনিষেধ মুছে দিতে পারে না। তরুণ প্রজন্ম ভালোবাসার জন্য মরতে পারে। ভালোবাসার জন্য ধর্মকেও ত্যাগ করতে পারে। তাঁর উদাহরণ মানবিক হৃদয়ের সুমন। সুমন লাল কাপড় বাঁধতে পারে দুরন্ত ষাড়ের মাথায়। বিধর্মীকে ভালোবাসলে ধর্মের কি ক্ষতি হয়। কেন পরিবার, সমাজ বিধর্মীকে ভালোবাসার স্বীকৃতি দেয় না ? এ ভালোবাসা কেন বেদাত, পাপ ও নরকের প্রতীক ? মো. সুমন আহমেদ সুমন এ ভয় কে জয় করেছে। ভালোবাসাকে স্থান দিয়েছেন ধর্মের উপরে। সুমনের বিশ্বাস ভালোবাসার উপরে ধর্ম নয়। ভালোবাসা ধর্মের চেয়ে অনেক পবিত্র। এটা গল্প নয়, বাস্তবতা।

ভালোবেসে ধর্মকে বিসর্জন দিয়েছে সুমন। খ্রিস্টান তরুণী ন্যান্সী লিটিংকে তুলে দিয়েছে ভালোবাসার ফুল। বিয়ে করে সংসার করছে। অন্যদিকে একদল ধর্মান্ধ বলছে ধর্ম গেলো, ধর্ম গেলো। সুমন পাচ্ছে বেদাতি তকমা, হয়ে গেলো ইসলামের শত্রু। প্রিয় পরিবার ও সমাজ পর হয়ে গেলো। নির্বাসিত জীবন মাথা পেতে নিলো এ ধর্মনিরেপেক্ষ তরুণ। মৃত্যু তার দরজায় নাড়া দেয়। সে এখন আর জাহান্নামকে ভয় করে না। বাংলাদেশে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ। রক্ষণশীল ইসলামিক সমাজ ধর্মান্তরিত মুসলিমদের স্বাগতম জানায় কিন্তু কেউ ইসলাম ধর্ম ট্যাগ করলে তাকে ইসলামের শত্রু বলেই জানে।
বিয়ের পর থেকেই নর্বাসিত জীবন যাপন করছেন। তাঁর ভালোবাসা থেমে থাকে না, ধর্মের উপরে ভালোবাসা হতে পারে না। সুমন এটাই প্রমান করতে চায়। জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে সুমন বাঁচার স্বপ্ন দেখে। ভালোবাসার মানুষের পশে থাকার স্বপ্ন দেখে। ভালোবাসার জয় জয় হউক, মানবতার জয় হউক । ধর্মন্ধতা থেকে মানুষ মুক্তি পাউক। এটাই তার ব্রত।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of