উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় করোনাভাইরাস

গরমে করোনাভাইরাস টিকতে পারে না? উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় করোনাভাইরাস ছড়াতে পারে না? ফেসবুকে এই বিষয়ক কয়েকটা পোস্ট ভাইরাল হয়েছে দেখলাম। চীন, ইরান, ইতালীর তাপমাত্রা দেখিয়ে বলা হচ্ছে- এসব দেশে এখন শীতকাল, কোথাও তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রীর বেশি না। সে কারণেই সেখানে করোনাভাইরাস এত ছড়িয়েছে। গ্রীষ্মকাল এলেই করোনাভাইরাস থেমে যাবে। একজন ডাক্তারের ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখলাম তিনি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেনঃ ২৩ ডিগ্রী পার হলেই করোনাভাইরাস বাঁচবে না। এপ্রিলের দিকে দুনিয়ায় করোনাভাইরাস থেমে যাবে! এসব পোস্টে নানান দেশের গবেষকের রেফ্রারেন্সও দেয়া হচ্ছে (সেখানে গবেষকের নামের চাইতেও দেশের নাম বেশি এসেছে)! আমাদের দেশের ফেসবুকেই শুধু না, খোদ মার্কিন মুলুকের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও জানিয়েছেনঃ “তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে অলৌকিকভাবে ভাইরাস নাই হয়ে যাবে” (when temperatures rise, “the virus” will “miraculously” go away)! ট্রাম্প এই আশাবাদের পেছনে রেফারেন্স হিসেবে চীনা প্রেসিডেন্টকে মেনেছেন! শি জিন পিং নাকি নিজেই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে একথা জানিয়েছেন! সে কারণেই ডোনাল্ড ট্রাম্প গভর্ণরদের এক বৈঠকে আবারো বলেছেনঃ “যে ভাইরাস নিয়ে আমরা এত কথা বলছি, অনেক মানুষ বিশ্বাস করে তা এপ্রিলের গরমের সাথে সাথে চলে যাবে। যখন গরম পড়বে, তখন- মানে এপ্রিলে এই ভাইরাস চলে যাবে”। মজার ব্যাপার হচ্ছে- ট্রাম্প একটু কষ্ট করে নিজ দেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সিডিসি’র (Centers for Disease Control and Prevention) ওয়েবসাইটে এ সম্পর্কিত আলোচনাটুকু পড়লে- এরকম মিথ্যা আশ্বাস ছড়াতেন না! সিডিসি’র ওয়েবসাইটে ফ্রিকুয়েন্টলি আস্কড কোয়েশ্চেয়ন্স সেকশনে এ ব্যাপারে বলা হয়েছেঃ “করোনাভাইরাসের উপরে আবহাওয়া ও তাপমাত্রার প্রভাব আছে কি না নাই সেটা এখনো জানা যায়নি। সাধারণ ঠাণ্ডা ভাইরাস ও ফ্লু, যা ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় বেশি ছড়ায় ঠিকই, কিন্তু তার মানে এই না যে- এসব ভাইরাসে গরমকালে কেউ আক্রান্ত হতে পারে না। এই মুহুর্তে এটা বলা যাচ্ছে না যে, COVID-19 এর প্রকোপ গরম আবহাওয়ায় কমে যাবে। এখনো করোনাভাইরাসের সংক্রমন, এর ভয়াবহতা ও অন্যান্য নানা দিক সম্পর্কে আমাদের জানার বাঁকি আছে এবং গবেষণা চলছে”। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) তাদের ওয়েবসাইটে তো জানিয়েই দিয়েছেঃ “এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত প্রামানিক তথ্যাদি থেকে দেখা গিয়েছে, করোনাভাইরাস-১৯ সমস্ত এলাকাতেই ছড়িয়েছে- এমনকি উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়াতেও ছড়িয়েছে” (From the evidence so far, the COVID-19 virus can be transmitted in ALL AREAS, including areas with hot and humid weather)!
গ্রীষ্মের কাঠফাঁটা রোদেই যদি দেশ থেকে সব করোনাভাইরাস উধাও হয়ে যেত, তাহলে অনেক উষ্ণ দেশ সেই ইরান, সৌদি আরবে এতদিন ধরে এরকম আক্রান্তের সংখ্যা দেখা যেত না। ইরানের উত্তরাংশে না-হয় এখনো শীতকাল চলছে, তাপমাত্রা ১৫-২০ সে এর মতো, কিন্তু ইরানেরই দক্ষিণাংশে তাপমাত্রা অলরেডি ২৮ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড, মক্কায় এরই মধ্যে ৩০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড পেরিয়েছে। ট্রপিকাল দেশ ইন্দোনেশিয়ায় সবসময়ই গ্রীষ্ম- তাপমাত্রা ৩০ এর উপরে, হিউমিডিটিও সারা বছর বেশি থাকে, সেখানেও ১১৭ জন আক্রান্ত মিলেছে, ৫ জন মারাও গিয়েছে। আর, দক্ষিণ গোলার্ধের দেশ অস্ট্রেলিয়ায়? দক্ষিণ গোলার্ধে তো এখন গ্রীষ্মকাল। এরই মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় ৩৭৫ জন আক্রান্ত মিলেছে, মরেছে ৫ জন। অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস, কুইন্সল্যাণ্ড আর ভিক্টোরিয়ায় সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে- অথচ অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে অন্য অঞ্চলের চাইতে এই এলাকাগুলো বরং বেশি উষ্ণ! এবারের করোনাভাইরাসই শুধু নয়, এর আগেও করোনাভাইরাসের আরেকটি স্পিসিস, মারস (MERS: Middle East Respiratory Syndrome), নামেই বুঝছেন- এর উৎপত্তি বা বিস্তৃতি মিডল ইস্টের সেই উষ্ণ মরু দেশগুলো থেকে হয়েছিলো। সাধারণভাবে, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া সহ যেকোন রোগ-জীবাণুই উচ্চ তাপমাত্রায় টিকতে পারে না, ফলে পানি ভালো করে ফুটিয়ে পান করতে বলা হয় (পানিবাহিত জীবাণু থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্যে), মাংসও খুব ভালোভাবে সিদ্ধ করে খেতে বলা হয় (পশুবাহিত রোগ জীবাণুর হাত থেকে রক্ষার জন্যে)। কিন্তু, করোনাভাইরাস যখন কোন সারফেসে পড়ে থাকে, তা কতক্ষণ কত ডিগ্রী তাপমাত্রা পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে, এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্টভাবে এখনো জানা যায়নি। সূর্যের আলোতে যে অতিবেগুনি রশ্মি আছে তা ভাইরাস, ব্যাক্টেরিয়া সহ রোগ-জীবাণুকে ধ্বংস করে দেয়- এ কথাও ঠিক। তারপরেও ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে বলে খুশি হওয়া যাচ্ছে না। কেননা, এই ভাইরাস সবচেয়ে বেশি ছড়াচ্ছে ডিরেক্ট হিউম্যান কন্ট্যাক্ট থেকে এবং সামনা সামনি সর্দি-হাচির মাধ্যমে বাতাসে ড্রপলেট একজন থেকে অন্যজনে চলে যাচ্ছে। মানে হোস্ট মানবদেহই বস্তুত সেই কাঠফাঁটা রোদ থেকে ভাইরাসকে সবচাইতে বড় প্রোটেকশন দিচ্ছে। আর, যেসব বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে স্থাপনায় ভাইরাস সংক্রমিত হচ্ছে, সেগুলোর সবই নিশ্চয়ই আউটডোরে বা ওপেন ফিল্ডে না। ইনডোরে, বিল্ডিং এর সিড়ির হাতল, লিফটের বাটন, পাবলিক টয়লেটের দরজার হাতল ইত্যাদিতে পর্যন্ত কাঠফাঁটা রোদ পৌঁছতে পারবে? এছাড়া আউটডোরের খুব সচল বা জনবহুল স্থাপনা, যেমন ওভারপাসের সিড়ির হাতল, এ ধরণের স্থাপনাতেও রোদে বা গরমে ভাইরাস নষ্ট হয়ে যাওয়ার আগেই কিন্তু আরেকজনের হাতের বা শরীরের সংস্পর্শে চলে আসতে পারে।
 
ঐসব ভাইরাল পোস্টে, ভিডিওতে আরেকটি দাবি করা হচ্ছেঃ গরম দেশে যারা আক্রান্ত হয়েছে, তাদের সবাই নাকি চীন বা ইতালি বা ইরান ট্রাভেল করে এসেছে। এটাও সঠিক না। প্রথম আক্রান্ত হয়েছে এভাবে, তারপর সেখান থেকে দেশের মধ্যেই ছড়িয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার আক্রান্তের ব্যাপারে ওদের সরকারি ওয়েবসাইটে বিস্তারিত বলা হয়েছে। ২৯৮ জন কনফার্মড কেইসের মধ্যে ১১৫ জন চীন, ইরান, ইতালি, জাপান- এসব দেশ ট্রাভেল করেছে। বাকিদের কোন ট্রাভেল হিস্টোরি নেই। ২৯ জন করোনায় আক্রান্ত’র সংস্পর্শে এসেছে, ৯ জন আক্রান্ত হয়েছে ওল্ড কেয়ারে আর ২ জন আক্রান্ত হয়েছে কনফারেন্সে। একইভাবে ইন্দোনেশিয়ার একটি রিপোর্টে দেখলাম, ইন্দোনেশিয়ার প্রথম যে আক্রান্ত সে একজন জাপানির সাথে কনটাক্টে এসেছিলো, লোকালি- মানে ইন্দোনেশিয়াতেই। এরপরে তার মা আক্রান্ত হয়েছে। অন্য আরেকজন আক্রান্ত হয়েছে ঐ প্রথম আক্রান্তের সাথে ড্যান্স পার্টিতে ছিল। এরপরে ঐ ড্যান্স পার্টিতে থাকা সবাইকে হাসপাতালে নিয়ে টেস্ট করেছে, আলাদা করে রেখেছে। এক সপ্তাহ আগে মাত্র ৪ জন থেকে এখন সেটি ১১৭ পার হয়েছে! অর্থাৎ, গরম দেশে যারা আক্রান্ত হয়েছে, হচ্ছে- সবাই যে ট্রাভেল করা তা নয়!
 
সায়েন্টিফিকালি যদি দেখি, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকে দারুণ একটা আর্টিকেল আছে। সায়েন্টিস্টরা বলছেন- এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না- করোনাভাইরাসের কোন সিজনালিটি আছে কি না। সাধারণ ফ্লু ভাইরাসের ক্ষেত্রে মার্চ-এপ্রিলের দিকে আক্রান্তের হার অনেক কমে যাওয়ার কিছু এভিডেন্স থাকায়, এরকমটা মনে করছেন অনেকে। এর আগের সার্স করোনাভাইরাস-১ এর ক্ষেত্রে সেটা ২০০৩ এর জুলাই মাসের দিকে থেমে গিয়েছিলো। সেটা ওয়েদার কণ্ডিশনের জন্যে, নাকি ভাইরাসের বিরুদ্ধে নেয়া ব্যবস্থার জন্যে- সেটা নিশ্চিত নয়। অন্য করোনাভাইরাস মার্স- কখনোই পুরাপুরি থেমে যায়নি, মাঝেমধ্যেই এর আক্রান্ত পাওয়া যায়, কিন্তু কোন সিজনাল প্রেফারেন্স এর এভিডেন্স পাওয়া যায়নি। এটা ঠিক যে, ভাইরাস উচ্চ তাপমাত্রায় টিকতে পারে না। এর চারদিকে প্রোটিনের সাথে সাথে লিপিডও (একরকম ফ্যাট) থাকে – যেটা উচ্চ তাপমাত্রায় নষ্ট হয়ে যায়। সেই সাথে এটাও ঠিক যে, সূর্যের আলোতে যে অতিবেগুনি রশ্মি থাকে- সেটা ভাইরাসকে ছিন্নভিন্ন করে দেয়। ল্যাবরেটরি পরীক্ষণেও দেখা গিয়েছে, তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে ভাইরাসের স্প্রেডিং কমেছে, আর খুব হাই হিউমিডিটিতে সেটা একেবারেই কমে গেছে। কিন্তু এসবের কোনটারই কোন সিজনালিটির প্রমাণ দেয় না। বরং, সিজনালিটির ব্যাপারটা বুঝা যাবে, সংক্রমণের ধরণ, ভাইরাসের ক্যারিয়ার- এসবের মধ্য দিয়ে। যেমনঃ ফ্লু ভাইরাসে আক্রান্তের হার শীতকালে বেশি, গ্রীষ্মকালে কম- এর ব্যাখ্যায় একটা হাইপোথিসিস হচ্ছে, ইউরোপের শীতপ্রধান দেশগুলোতে শীতকালে লোকজন ইনডোরে বেশি থাকে, গ্রীষ্মকালে আউটডোরে বেশি থাকে (হিউম্যান কন্টাক্টে ছড়ায় এমন ভাইরাসের সংক্রমন ইনডোরে বেশি হয়)। ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় দেখা গেছে- হাই হিউমিডিটিতে ভাইরাস একেবারেই কম ছড়ায়- কিন্তু ট্রপিকাল দেশে দেখা গিয়েছে ঘোর বর্ষা সিজনে- ঐ ভাইরাসে আক্রান্তের হার বেড়েছে। কেননা, সে দেশে বর্ষায় মানুষ ইনডোরে বেশি থাকে।
 
ফলে, একটা লোন ভাইরাস কিভাবে বাঁচে, কিভাবে মরে- এর চাইতেও গুরুত্বপূর্ণ, কে একে ক্যারি করছে, এবং কিভাবে এটা ছড়াচ্ছে। ডেঙ্গু ভাইরাস শীতের চাইতে গরমে বেশি ছড়ায়। কেননা এর ক্যারিয়ার এডিস মশা শীতের চাইতে গরমে বেশি ডিম পাড়ে, বেশি সন্তান জন্ম দেয়। এখন, সেই এডিস মশাই বস্তুত ভাইরাসকে গরম বা সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে সুরক্ষা দেয়। ফ্লু বা করোনা ভাইরাস ক্যারি করে মানুষ, এটা ছড়ায়- মানুষের কনটাক্টের মাধ্যমে, হাচি- সর্দি- ক্বফের মাধ্যমে, হাচি- সর্দি-শ্বাস-প্রশ্বাসের সময়ে বের হওয়া ড্রপলেট বাতাসে ভেসে, কমন পাবলিক প্লেসের স্থাপনায়- যেমন সিড়ির রেলিং, লিফটের বাটন, টয়লেটের হাতল- ইত্যাদির মাধ্যমে। এবং এসবই ইনডোরে। এমনকি শীতকালেও এটা আউটডোরে বেশি ছড়ায় না, কেননা বাইরে যখন মানুষ চলাচল করে, ঘুরে ফিরে- এমনিতেই তাদের মধ্যে দূরত্ব বেশি থাকে। কিন্তু একটা লোকাল বাসে, লিফটে, এসবে দূরত্ব কম থাকে; কথা বলার সময়ে আমাদের আই কন্টাক্টের অভ্যাস, আমরা হ্যাণ্ডশেক করি, ঘনঘন নাকে, মুখে হাত দেয়ারও অভ্যাস, এগুলোর মাধ্যমেই ছড়ায় … ফলে, করোনাভাইরাস যে সামারে সামার ভ্যাকেশনে চলে যাবে, সেটা নিশ্চিতভাবে বলা মুশকিল। কিংবা শীতপ্রধান দেশগুলোতে সামার ভ্যাকেশনে গেলেও যে, অনেক গরম দেশে সামার ভ্যাকেশনে যাবে, নাকি আরো বেশি করে করিৎকর্মা হবে- সেটাও বলা যাচ্ছে না। কেননা মরুর ঠাঁটা রোদে লোকজন শীতকালের চাইতে ইনডোর অনেক বেশি প্রিফার করতে পারে। বাংলাদেশেও তো গ্রীষ্মের দুপুর বেলায় রাস্তাঘাট অনেক ফাঁকা হয়ে যেতে দেখি; আর শীতকালে সূর্য ওঠার সাথে সাথে গরম রোদের মজা নিতে ঘরের বাইরে এসে দাঁড়াতে দেখি … ফলে, উলটা ঘটনা যে হবে না- সেটাও বলা যাচ্ছে না …
 
মূল বিষয় হচ্ছে, পারস্পরিক সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে এবং পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। ঘরে থাকি বা বাইরে থাকি, গাদাগাদি- ঠাসাঠাসি করে চলাফেরা করা যাবে না, সামনাসামনি কথা বলার সময়ে আই কনটাক্ট এড়িয়ে ও ৬ ফুট দূরত্ব রেখে কথা বলতে হবে। বাংলাদেশে রোদের সুফলটা নিতে ভুলাও যাবে না, মানে- ঘরের মধ্যে সববন্ধ করে ঘাপটি মেরে না থেকে বরং জানালা খুলে ঘরে রোদ ঢুকতে দেয়া, কাথা বালিশ তোয়ালে নিয়মিত রোদে শুকাতে দেয়া, দরকারে ঘরের বাইরে গিয়ে রোদ গায়ে মাখানো, এগুলো দরকার। বাইরে যেতে যে মানা করা হচ্ছে, সেটি মূলত ঘরের বাইরে যে ভীড়ভাট্টা আছে সেটা এড়ানোর জন্যে; তারমানে এই না যে একা একাও ঘরের বাইরের রোদের মধ্যে যাওয়া যাবে না!

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of