করোনাভাইরাসে সৌদিতে মসজিদ বন্ধ করা গেলেও বাংলাদেশে করা যাচ্ছে না কেন?

সৌদিরা বাংলাদেশী মুসলমানদের নিয়ে হাসে! আসলে ওরা ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানদেরকে নিয়েই হাসাহাসি করে। নাম জিজ্ঞাসা করলে এখানকার মুসলমানরা বলে, ‘মোহাম্মদ জামাল’। ওরা শুনে হাসে! সবার নামের সঙ্গে মোহাম্মদ কেন? নামের অর্থ কি জানিস? আরবি ভাষা কি করে বুঝবে। সৌদিয়ানরা হাসে – তুই হলি প্রশংসিত উট!

তবে পাগরী পরা মোল্লাগুলোকে সৌদিয়ানরা খাতির করে। এরা হচ্ছে এজেন্ট। বিশ তিরিশ জন করে হজের খদ্দের ধরে আনে। এজেন্টদের কমিশন আছে। বড় বড় এজেন্ট হজের সময় বিড়াট খাতির পায় শেখদের কাছে। কামলা দিতে যাওয়া গরীব মুসলমানদের নিয়েই এরা হাসে। সৌদিরা মনে করে এরা ঠিকমতো মুসলমানই হতে পারেনি। এরা অর্ধেক হিন্দু। তবে ব্যবসার কোন ধর্ম নাই। খদ্দের হাফ হিন্দু হলেও সমস্যা নাই যদি পয়সা আসে। কমজাইত্তা মুসলমান হলেও এজেন্ট মুফতিদের এজন্যই খাতির করে।

আজ সেই সাচ্চা কুরাইশ রক্তের মুসলমানরাই মক্কার হারাম শরিফ ও মদিনার মসজিদুল নব্বীর জুম্মার নামাজ বন্ধ করে দিয়েছে! এজেন্টরা এটা দেখে বেকায়দায়। সৌদি আরব ডিলারদের কথা একবার চিন্তা করল না! এইসব অঞ্চলের মুসলমান যদি প্রশ্ন করে বসে আল্লাহ মক্কা মদিনার জুম্মা নামাজ রক্ষা করতে পারল না কেন? ডিলার যদি নিজে ব্যবসা করতে না পারে তাহলে সৌদি আরব কাস্টমার পাবে কোত্থেকে? সৌদি আরব আবার অন্য চিন্তা করে। করোনা থেকে বাঁচতে না পারলে এত ব্যবসা বাণিজ্য বারো ভূতে লুটে খাবে। শিয়ারা তো ওঁত পেতে আছেই। কাবার ভিতরে এমন কেউ নেই যে আশ্বাস দিবে করোনা থেকে। এজেন্টরা নিজেদের ব্যবসা রক্ষা করতে তাদের যা করার তাই করবে। এইসব কমজাইত্তা মুসলমান মরেহেজে যা থাকবে সেটাই আমাদের কাস্টমার। এজেন্টরা নিজেদের ব্যবসা রক্ষা করতেই মসজিদ বন্ধ হতে দিবে না। এই ব্যবসা রক্ষা করতে মসজিদে মুসল্লি আনতে হবেই। একারণেই ওআইসি একবারও মুসলিম বিশ্বকে বলে নাই মসজিদ বন্ধ করতে। ননআরব মুসলিমদের ঈমান দুর্বল হয়ে গেলে ব্যবসা পুরো ধস নামবে। সৌদিরা যেমন এখন হজ করে না হজ বেচে। তেমনি আরবরা নিজেরা ছোট ছোট জাতে নিজেদের পরিচয় দিলেও ‘মুসলিম উম্মাহ’ বিক্রি করে খায়। এগুলোর বিশাল মার্কেট হচ্ছে বাংলাদেশ পাকিস্তান ভারত। এখানকার মসজিদ তাই এজেন্টরা খোলা রাখার জন্য যখন মরণপণ করছে তখন ইসলামের হোল ডিস্ট্রিবিউটরা চোখে বুজে অনুমোদন দিয়ে যাচ্ছে …।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of