যাদের কিছুই নেই তাদের শেখ হাসিনা আছে

প্রতিদিন আইইডিসিআর এর নাটকীয় প্রেস ব্রিফিং দেখে বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস জরুরী ভিত্তিতে একটি সম্মেলনের ডাক দিলেন। বিশ্বের করোনাভাইরাসের প্রতিনিধিদল সেই সম্মেলনে উপস্থিত থেকে- বিভিন্ন দেশের পরিস্থিতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আপডেট দিলেন।

ইতালির করোনা প্রতিনিধি বললেন, চির শান্তির শহর রোম থেকে শুরু করে নীরব শহর, মানবতা শহর, সাত পাহাড়ের শহর, রোম্যান্টিক শহরসহ পাস্তাখোর পুরো ইতালিকে ভরে দেওয়া হয়েছে।

সব দেশের প্রতিনিধিরা বাহবা দিতে থাকলেন।

জার্মানির করোনা প্রতিনিধি বললেন, প্রযুক্তি ও আধুনিকতা নিয়ে দাপিয়ে বেড়ানো জার্মানি এখন ভয়ে থরথর করে কাঁপছে।

সব দেশের প্রতিনিধিরা বাহবা দিতে থাকলেন।

ফ্রান্সের করোনা প্রতিনিধি বললেন, স্বপ্নের শহর প্যারিস এখন ভ্যা ভ্যা করে কান্নাকাটি করছে। আইফেল টাওয়ার থেকে শুরু করে বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি, সমুদ্রসৈকত সবই এখন দুঃস্বপ্ন।

সব দেশের প্রতিনিধিরা বাহবা দিতে থাকলেন।

সুইজারল্যান্ডের করোনা প্রতিনিধি বললেন, এই দেশের মানুষেরা এমনিতেই ঠাণ্ডা স্বভাবের, কিছু করার আগেই দেখি এগুলো সব আধামৃত।

সব দেশের প্রতিনিধিরা মিটিমিটি করে হাসতে থাকলেন।

অতঃপর স্পেন, ইরান, যুক্তরাজ্য তাদের বাহাদুরি প্রদর্শন করলেন।

চীনের করোনা প্রতিনিধি বললেন, কী রে, আমেরিকা! তোর কোন সাড়াশব্দ নেই কেন? ট্রাম্প কি তোরেও কিনে ফেলছে?

আমেরিকার করোনা প্রতিনিধি গোস্বা করে বললেন, খামোশ। তুই কোন চ্যাটের বাল আবদুল্লাহ হইলি চীন?

চীনের করোনা প্রতিনিধি খুব অপমানিতবোধ করলেন।

আশেপাশে উপস্থিত থাকা ইউরোপের করোনা প্রতিনিধি দলের সদস্যরা অমায়িক ভঙ্গিতে বলতে থাকলেন, প্লিজ প্লিজ, ডোন্ট ফাইট ইচ আদার।

কিছুক্ষণ চুপচাপ থেকে চীনের করোনা প্রতিনিধি বললেন, ভুলে যাস না আমেরিকা, এই ভাইরাসটি কিন্তু আমাদের দেশ থেকেই শুরু হয়েছিল এবং বর্তমানে, তোর দেশের মানুষেরা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত। ক্ষমতার দাপট কম চোদা।

আমেরিকার করোনার প্রতিনিধি উচ্চস্বরে হেসে বললেন, আরে চুদির ভাই, যে দিন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবো, ওই দিন তো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিপূরণ আমরাই হাসিল করুম।

চীনের করোনা প্রতিনিধি চুপ।
আমেরিকার করোনা প্রতিনিধি খুব চিন্তিত।

সকল দেশের করোনা প্রতিনিধিরা আমেরিকার করোনা প্রতিনিধিকে জিজ্ঞেস করলেন- কী রে মামা, কাহিনী কী? কী নিয়ে এতো দুশ্চিন্তা?

আমেরিকার করোনা বললেন, বিশ্বের ১৯৯ টা দেশকে আমরা হেলায় দিলাম, ফেলাম দিলাম, খাইয়া দিলাম, চুইদা দিলাম, ভইরা দিলাম, মাইরা দিলাম, শুইয়া দিলাম। অথচ একটা দেশরে আমরা কিচ্ছুই করিতে পারিলুম ন।

জার্মানির করোনা জিজ্ঞেস করলেন, সে কোন দেশ?
আমেরিকা বললেন, বাঙলাদেশ।

সকল দেশের করোনাভাইরাস একসাথে বলিতে লাগিলেন, বাঙলাদেশ! বাঙলাদেশ! বাঙলাদেশ! বাঙলাদেশ!

কানাডা, জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র একসাথে চিৎকার করে বললেন, হালার পুত, তোরা পলিটিক্স কইরা যুক্তরাজ্যের জনসনকে ভইরা দিলি, কানাডার জাস্টিনকে মাইরা দিলি, জার্মানির মার্কেলের অবস্থাও ল্যাদাভ্যাদা। আর বাঙলাদেশরে কিচ্ছু করিতে পারিলে না?

সৌদি করোনা প্রতিনিধি বললেন, আমাদের মক্কা ক্বাবা আর যা যা আছে সব বন্ধ কইরা দিলাম। আর তোরা বাঙলাদেশরে হান্দায় দিতে পারলি না?

নর্থ কোরিয়ার করোনা প্রতিনিধি বললেন, ওদের কাছে শেখ হাসিনা আছে।। তার সাথে ১৮ কোটি মানসিক করোনায় আক্রান্ত রোগী আগে থেকেই আছে।

ফেসবুক মন্তব্য

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 33 = 42