বুদ্ধের অলৌকিক জন্ম ও যুক্তিবাদী ধারণার মৃত্যু

প্রতিবছর বৈশাখী পূর্ণিমা দরজায় কড়া নাড়লেই, গৌতম বুদ্ধের জন্মগ্রহণ সংক্রান্ত সেই আষাঢ়ে গল্পই আগে মনে পরে যায়। তখন দ্বিধাদ্বন্দের মাঝে অবস্থান করে, কিছুতেই কথিত যুক্তিবাদী বুদ্ধের সাথে – সর্বাপেক্ষা প্রাচীন ধর্মগ্রন্থে উল্লেখিত বিবরণ ও তাৎপর্যে উঠে আসা বুদ্ধকে মেলাতে পারিনা! বৌদ্ধমত অনুযায়ী এই দিনে শাক্যমুনি সিদ্ধার্থ গৌতম বুদ্ধ জন্মগ্রহণ করেছিলেন, এই দিনেই তিনি নৈরঞ্জনা নদী তীরে অশ্বথ বৃক্ষের নিচে ৬ বছরের কঠোর সাধনার পর বুদ্ধত্ব ( সিদ্ধি) লাভ করেন এবং এই একই দিনেই তিনি মহাপরিনির্বাণ ( দেহত্যাগের পর নির্বানে পৌঁছা) প্রাপ্ত হন।

গৌতম বুদ্ধের সাধনা ও মহাপরিনির্বাণের ঘটনা স্বাভাবিক মনে হলেও বৌদ্ধদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ ত্রিপিটক অনুযায়ী ওনার জন্মগ্রহণের ঘটনা, কোনক্রমেই স্বাভাবিক ছিলোনা, বরং বলা যায় বিজ্ঞানকে চমকে দেয়ার মতই অস্বাভাবিক। পৃথিবীর কোনো মানব শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার সাথে সাথে হাঁটতে না পারলেও, গৌতম বুদ্ধ ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরক্ষণেই হাঁটতে শুরু করেন৷ শুধুমাত্র হাঁটতেই শুরু করেননি, নিজ মুখেই রীতিমতো বাণী আওড়ে গেছেন!

 

বৌদ্ধ শাস্ত্রে বুদ্ধের অলৌকিক জন্মগ্রহণের ঘটনা :

সিদ্ধার্থ গৌতমের মাতার নাম মহামায়া এবং পিতার নাম ছিলো রাজা শুদ্ধোদন। মহামায়া পাত্রে রাখা গরম তৈলের মত ১০ মাস ধরে বোধিসত্ত্বকে ( বুদ্ধ হওয়ার ইচ্ছে থেকে বুদ্ধ হওয়ার জন্য পারমি অর্থাৎ পূণ্য সঞ্চয়ের জন্মই হল বোধিসত্ত্ব জন্ম। মহামায়ার গর্ভে বুদ্ধের বুদ্ধ হওয়ার আগ মূহুর্ত পর্যন্ত ছিলো শেষ বোধিসত্ত্ব জন্ম। এর আগে তিনি বোধিসত্ত্ব রূপে ৬০০ বারের অধিক জন্মগ্রহণ করেন।) গর্ভে সযত্নে লালন করেছিলেন৷ পরিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় তাঁর পিতার বাড়ি দেবদহে যাওয়ার প্রবল ইচ্ছে হল। বিষয়টি রাজা শুদ্ধোদন অবগত হওয়ার পর সাধুবাদ জানিয়ে অনুমতি দিলেন এবং কপিলাবস্তু নগর হতে দেবদহ যাওয়ার পথ সংস্কার করে সমতল করলেন৷ রাস্তার পাশে পতাকা, তোরন, কলাগাছ প্রভৃতি লাগিয়ে সৌন্দর্যবর্ধনের ব্যবস্থা করলেন। সোনার পালকি এবং মন্ত্রীসহ রাজকার্যে আসীন উচ্চপদস্থদের যোগে শুদ্ধোদন মহামায়াকে বিদায় জানালেন। কপিলাবস্তু এবং দেবদহ নগরীর মাঝখানে লুম্বিনী উদ্যান নামে একটি মনোরম শালবাগান ছিলো। এই উদ্যানে রাণী মহামায়া বিশ্রামের সিদ্ধান্ত নিলেন।

রাণী লুম্বিনী উদ্যানে ঘুরেবেড়ানোর এক পর্যায়ে শাল বৃক্ষের ডাল ধরার ইচ্ছে উৎপন্ন হওয়ায় তা ধরলেন। সেই মূহুর্তে তাঁর প্রসব বেদনা অনুভূত হয় এবং অনুচরেরা চারপাশ কাপড় দিয়ে ঢেকে দেন। অন্যান্য নারী যেভাবে বসা বা শোয়া অবস্থায় প্রসব করেন, বোধিসত্ত্বের মা সেভাবে প্রসব করেননি – দাঁড়িয়ে সন্তান প্রসব করেছিলেন৷ অদ্ভুত ব্যাপার বোধিসত্ত্ব ( বুদ্ধ) ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর প্রথমে দেবতা এবং পরবর্তীতে মানুষরা গ্রহণ করেছিলেন। ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর চারজন দেবপুত্র বোধিসত্ত্বকে মাটি স্পর্শ করতে না দিয়ে কোলে করে তাঁর মাতার সম্মুখে নিয়ে বলেন আপনার এক মহাপরাক্রমশালী পুত্র জন্মগ্রহণ করেছে৷ উল্লেখ আছে শিশু মাতৃগর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ হওয়ার সময় তাঁর শরীরে কোনো শ্লেষ্মা, রক্ত বা তরল লেগে ছিলোনা। এবং সেই মূহুর্তে আকাশ থেকে দুটি সুনির্মল জলধারা নেমে আসে, একটি ঠান্ডা অপরটি গরম৷ এই জলধারায় মাতা ও পুত্রের ধোয়ামোছা করা হয়েছিল!

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীকেও পুরোপুরি তুচ্ছ করে দিয়ে সদ্য নবজাতক বোধিসত্ত্ব দু পায়ে দাঁড়িয়ে, সর্বদিকে দৃষ্টিপাত করে উত্তর দিকে সাত কদম গমন করেন। সাত কদম যাওয়ার সময় পায়ের নিচে পদ্ম ফুটেছিলো এবং মাথার ওপর ছাতা ছিলো৷ অতঃপর সদ্য নবজাতক সেই মহৎ বাক্য ঘোষণা করেন :

“এই পৃথিবীতে আমিই অগ্র, আমিই জ্যেষ্ঠ,
আমিই শ্রেষ্ঠ। ইহা আমার সর্বশেষ জন্ম। আমার আর পুণর্জন্ম নেই। এবং ইহাই বিশ্বধর্ম৷ ”

বুদ্ধের জন্মগ্রহণের বিবরণে এক নজড়ে অবাস্তব ও অযৌক্তিক ঘটনা:

(ক) মাতৃ গর্ভে আসার পূর্বে বোধিসত্ত্ব তুষিত স্বর্গে ছিলেন।
(খ) বোধিসত্ত্বের মা প্রসূতিকালে কোনো রোগে রোগাক্রান্ত হননি। বরং নির্মল সুখে ছিলেন।
(গ) নবজাতক বোধিসত্ত্বকে চারজন দেবতা গ্রহণ করেন, এবং তাঁর মাতার সম্মুখে উপস্থাপন করেন।
(ঘ) সদ্য ভূমিষ্ঠ বোধিসত্ত্ব হাঁটতে শুরু করেন।
( ঙ) এবং অবাধ ও অবিরাম কথা বলেন। ভূমিষ্ঠ হওয়ার সময় তাঁর গায়ে কোনো তরল, শ্লেষ্মা এবং রক্ত লেগে ছিলোনা৷

মহাপদান সূত্রে বোধিসত্ত্বের অলৌকিক ও
আষাঢ়ে গল্পতুল্য জন্ম প্রক্রিয়ার অংশবিশেষ :

” ১৭। ভিক্ষুগণ বোধিসত্ত্ব বিপসসী তুষিত দেবলোক হইতে চ্যুত সেইসাথে স্মৃতিমান ও সম্প্রজ্ঞান সম্বন্ধিত হইয়া মাতৃগর্ভে প্রবেশ করিলেন। বোধিসত্ত্বের প্রতিসন্ধি গ্রহণের সময় এইরূপ আশ্চর্যজনক ঘটনার আবির্ভাব হয় ; যখন বোধিসত্ত্ব তুষিত দেবলোক হইতে চ্যুত হইয়া মাতৃকুক্ষিতে প্রবেশ করেন তখন দেবলোক, মাভুবন, ব্রহ্মলোক এবং শ্রমণ, ব্রাহ্মণ ও দেব মনুষ্যের সহিত এই পৃথিবীতে দেবতাগণের দেবনুভাব অতিক্রম করিয়া অপবির্মিত মহান আলোকের উদ্ভব হয়৷ যে স্থানে মহাবলশালী চন্দ্র ও সূর্যের কিরণও প্রবেশ করিতে অক্ষম৷ সেই স্থানেও দেবগণের দেবানুভাব অতিক্রম করিয়া অপবিমিত মহান আলোকের প্রকাশ হয়। যেসকল প্রাণী ঐ স্থানে উৎপন্ন হইয়াছে তাহারাও ঐ আলোকে পরষ্পরকে জানিতে সক্ষম হয়। ওহে অন্যান্য প্রাণীও ঐস্থানে উৎপন্ন হইয়াছে। দশ সহস্র জগৎ সম্পন্ন এই ব্রহ্মাণ্ড কম্পিত হয়, প্রকম্পিত হয়, সঞ্চারিত হয়। দেবগণের দেবানুভাব অতিক্রম করিয়া অপবিমেষ বিপুল দিপ্তী বিশ্বে প্রাদুর্ভাব হয়। এইরূপ অদ্ভুত ঘটনার আবির্ভাব হয়। ভিক্ষুগণ, ইহা বিশ্বধর্ম, যখন বোধিসত্ত্ব মাতৃকুক্ষিতে প্রবিষ্ট হন তখন তাঁর বক্ষার জন্য চাবি নিয়ে দেবগণ চারিদিকে গমণ করেন। মনুস্য কিংবা অমুনষ্য কেহই যেনো বোধিসত্ত্ব ও তদীব মাতার অনিষ্ট সাধন করিতে না পারে৷ ”

” ১৮। ভিক্ষুগণ ইহা বিশ্বধম্ম যে, যখন বোধিসত্ত্ব মাতৃকুক্ষিতে প্রবিষ্ট হন তখন তাঁর মাতা স্বভাবতই শীলবতী হন৷ প্রাণাতিপাত, অদত্তেব গ্রহণ, ব্যভিচার, মৃসাবাদ, সুবামেবষাদি মদ্যপপানবূপ স্খলন হইতে বিরত হন। ”

” ১৯। ভিক্ষুগণ ইহা বিশ্বধম্ম যে, যখন বোধিসত্ত্ব মাতৃকুক্ষিতে প্রবিষ্ট হন, তখন তাঁহার মা পুরুষের প্রতি বাগোপসংহিত চিত্ত উৎপাদন করেন না। তিনি রক্তচিত্ত পুরুষের প্রভাব অতীত হন। ”

“২০। ভিক্ষুগণ ইহা বিশ্বধম্ম যে, যখন বোধিসত্ত্ব মাতৃগর্ভে প্রবিষ্ট হন, তখন তাঁহার মাতা পঞ্চেন্দ্রিষেব পবিতৃপ্তিরূপ সুখের অধিকারীণি হন। ঐ সুখের উপকরনরূপ ভোগ্যবস্তু সমূহের দ্বারা পরিবেষ্টিত ও সেবিত হইয়া বিহাব করেন। ইহাই বিশ্বধম্ম।”

“২১। ভিক্ষুগণ ইহা বিশ্বধম্ম যে, যখন বোধিসত্ত্ব মাতৃকুক্ষিতে প্রবিষ্ট হন, তখন তাঁহার মাতা কোনো প্রকার রোগে রোগাক্রান্ত হননা, তিনি অক্লান্ত দেহে সুখ অনুভব করেন। কুক্ষিনিস্ক্রিত বোধিসত্ত্বকে তিনি সর্বাঙ্গপ্রত্যহ এবং সর্বেন্দ্রীয় সম্পন্ন দেখেন। ভিক্ষুগণ, মনে কর একখন্ড শুভ্র উচ্চশ্রেণীভুক্ত, অষ্টমুখ, সুকর্ত্তিত, স্বচ্ছ, সুনির্মল, সর্বাবযসম্পন্ন বৈদুর্যমণি নীল, পীত, লোহিত, শুভ্র অথবা পাণ্ডুবর্ণ গ্রন্থে গ্রথিত হইয়াছে। ভিক্ষুগণ, এইরূপেই বোধিসত্ত্ব যখন মাতৃকুক্ষিতে প্রবিষ্ট হন তখন তাঁহার মাতা কোন প্রকার রোগে রোগাক্রান্ত হননা, তিনি অক্লান্তদেহে সুখানুভব করেন, কুক্ষিনিস্ক্রিত বোধিসত্ত্বকে তিনি সর্বাঙ্গপ্রত্যহ এবং সর্বেন্দ্রীয় সম্পন্ন দেখেন। ইহাই বিশ্বধম্ন।”

“২২। ভিক্ষুগণ ইহা বিশ্বধম্ম যে, বোধিসত্ত্বের জন্ম পর সপ্তাহ কাল অতীত হইলে তাঁহার মাতা দেহত্যাগ করেন এবং তুষিত দেবলোকে উৎপন্ন হন। ইহাই বিশ্বধম্ম। ”

“২৩। ভিক্ষুগণ ইহা বিশ্বধম্ম যে, যেরূপ অন্যান্য স্ত্রীগণ, নয় অথবা দশমাস গর্ভধারণ করিয়া প্রসব করেন, বোধিসত্ত্বের মাতা এরূপে তাঁকে প্রসব করেন না। বোধিসত্ত্বের মাতা পূর্ণ দশমাস বোধিসত্ত্বকে গর্ভধারণ করিয়া প্রসব করেন। ইহাই বিশ্বধম্ম। ”

“২৪। ভিক্ষুগণ ইহাই বিশ্বধম্ন যে, যেরূপে অন্যান্য স্ত্রীগণ উপবিষ্ট বা শায়িত অবস্থায় প্রসব করেন, বোধিসত্ত্বের মাতা সেরূপে প্রসব করেন না। তিনি দণ্ডায়মান অবস্থায় বোধিসত্ত্বকে প্রসব করেন। ইহাই বিশ্বধম্ম।”

“২৫। ভিক্ষুগণ ইহাই বিশ্বধম্ম যে, যখন বোধিসত্ত্ব মাতৃকুক্ষি থেকে নিষ্ক্রান্ত হন তখন প্রথমে দেবগণ ও পরে মনুষ্যগণ তাঁহাকে গ্রহণ করেন। ইহাই বিশ্বধম্ম।”

“২৬। ভিক্ষুগণ ইহাই বিশ্বধম্ম যে, যখন বোধিসত্ত্ব মাতৃকুক্ষি থেকে নিস্কান্ত হন তখন ভূমীর স্পর্শে আনীত হননা। চারি দেবপুত্র তাঁহাকে গ্রহণ করিয়া মাতৃসম্মুখে স্থাপন করেন ; দেবী প্রসন্ন হও, তোমার মহাশক্তিশালী পুত্র জন্মিয়াছে। ইহাই বিশ্বধম্ম।”

“২৭। ভিক্ষুগণ ইহাই বিশ্বধম্ম যে, যখন বোধিসত্ত্ব মাতৃকুক্ষি থেকে নিস্ক্রান্ত হন তখন তিনি জল, শ্লেষ্মা, রক্ত বা অশুচি দ্বারা লিপ্ত হননা। উনি শুভ্র নিষ্কলঙ্ক।”

“২৮। ভিক্ষুগণ ইহাই বিশ্বধম্ম যে, বোধিসত্ত্ব যখন মাতৃকুক্ষি থেকে নিষ্ক্রান্ত হন তখন অন্তবীক্ষ হতে দুটি জলধারা নির্গত হয়৷ একটি শীতল এবং অপরটি উষ্ণ। যা দ্বারা বোধিসত্ত্ব ও মাতার প্রাক্ষালন কার্য সম্পন্ন হয়৷ ইহাই বিশ্বধম্ম।”

“২৯। ( সদ্য ভূমিষ্ঠ বোধিসত্ত্বের জন্মের পরক্ষণেই হাঁটার বর্ণনা) ভিক্ষুগণ ইহাই বিশ্বধম্ম যে, সদ্যোজাত বোধিসত্ত্ব সমোপাদো পরিস্থিত এবং উত্তরাভিমুখী হইয়া সপ্তপদ গমন করেন। ( সদ্য ভূমিষ্ঠ বোধিসত্ত্বের জন্মের পরক্ষণেই কথা বলতে পারার বর্ণনা) তিনি সর্বদিকে দৃষ্টিপাত পূর্বক এই মহৎ বাক্য ঘোষণা করেন : এই পৃথিবীতে আমিই অগ্র, আমিই জ্যেষ্ঠ এবং আমিই শ্রেষ্ঠ। ইহাই আমার সর্বশেষ জন্ম। আমার আর পূণর্জন্ম নাই। ইহাই বিশ্বধম্ম৷”

 

ধর্মগ্রন্থে উল্লেখিত অবতার, ঈশ্বর বা স্রষ্টা প্রেরিত দূত ও তথাকথিত মহামানবতুল্য ধর্মগ্রন্থের দূতদের অবাস্তব ও অবৈজ্ঞানিক জন্মগ্রহণ প্রক্রিয়ার মত গৌতম বুদ্ধের জন্মও তার ব্যতিক্রম নয়। যেখানে অলৌকিক সেখানেই বিজ্ঞান বিমুখ ও অবাস্তব, যুক্তিহীন ঘটনা বা বিবরণের সন্ধান পাওয়া যায়। আমাদের কাজ হল সত্য অনুসন্ধানের মাধ্যমে, সত্যের সাথে সখ্য করা।

 

তথ্যসূত্র :
১। সারনাথ বিবরণ, শ্রী ভবতোষ মজুমদার।
২। ত্রিপিটক, সূত্র পিটক, দীর্ঘ নিকায়, মহাবর্গ, মহাপদান সূত্র।

ফেসবুক মন্তব্য

১ thought on “বুদ্ধের অলৌকিক জন্ম ও যুক্তিবাদী ধারণার মৃত্যু

  1. শাসক ও ধর্মজীবীদের পাল্লায় পড়ে একটা দুর্দান্ত জীবন নীতি “ধর্মে” রূপান্তরিত হয়েছে। বুদ্ধের বক্তব্যের সাথে অলৌকিকতা আসলেই তেল পানির মিশেল।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 32 = 33